খুঁজুন

প্রস্তাবিত আইন গুমের ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার পাওয়ার পথ সুগম করবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আমির আল হামজা, মহানগর প্রতিনিধি ঢাকা
প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০৬ অপরাহ্ণ
প্রস্তাবিত আইন গুমের ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার পাওয়ার পথ সুগম করবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

গুমের শিকার ব্যক্তিদের দীর্ঘ ও জটিল প্রক্রিয়ার মধ্যে না রেখে সরাসরি আদালতের মাধ্যমে ন্যায়বিচার ও প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ তৈরি করেছে প্রস্তাবিত ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন ২০২৬’- এমন মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

শনিবার (২৯ই আগস্ট) সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে মানবাধিকার সংগঠন ‘মায়ের ডাক’ আয়োজিত ‘To Make the Disappeared Appear: Law, Justice, Accountability and Human Rights’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনা ও বিশেষ আলোকচিত্র প্রদর্শনীতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গুমের মতো গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে ভুক্তভোগী ও তাঁর পরিবার যাতে দ্রুত আইনি প্রতিকার পেতে পারেন, সে বিষয়টি প্রস্তাবিত আইনে গুরুত্ব পেয়েছে। গুমের শিকার ব্যক্তিদের ন্যায়বিচারের জন্য দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হবে না; তাঁরা সরাসরি আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার সুযোগ পাবেন।

প্রস্তাবিত আইনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, আইনটি গত ২৭ আগস্ট জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে এবং বর্তমানে সংসদীয় কমিটিতে রয়েছে। ফলে আইনটি চূড়ান্ত করার আগে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সংশোধনের সুযোগ রয়েছে।

তিনি বলেন, গুমের ধরন ও অপরাধের মাত্রা বিবেচনায় শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড থেকে ক্ষেত্রবিশেষে মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত শাস্তির বিধান প্রস্তাব করা হয়েছে।

গুমের শিকার ব্যক্তি দীর্ঘদিন নিখোঁজ থাকলে তাঁর পরিবারের সম্পত্তিগত অধিকার নিশ্চিত করার ব্যবস্থাও আইনে রাখা হয়েছে। পাঁচ বছর ধরে নিখোঁজ থাকার পর আদালতের অনুমোদন সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির উত্তরাধিকারীরা সম্পত্তির অধিকার ভোগ করতে পারবেন। একই সঙ্গে দায়ী পক্ষ ক্ষতিপূরণ দিতে ব্যর্থ হলে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা রাখার কথা জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, ‘সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অগ্রগতি তুলে ধরে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, গত ছয় মাসে দেশে কোনো রাজনৈতিক নিপীড়ন, বিচারবহির্ভূত হত্যা কিংবা গুমের ঘটনা ঘটেনি।

তিনি বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার সময় সরকার একটি দুর্বল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পেয়েছিল। বাহিনীগুলোকে আরও পেশাদার করে গড়ে তুলতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সদস্যদের মনোবল বৃদ্ধি, পেশাদারিত্ব এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করার পাশাপাশি ‘পুরস্কার ও শাস্তি’ নীতির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে নিজের গুম হওয়ার ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জানান, তাঁকে দীর্ঘদিন অন্ধকার ও স্যাঁতসেঁতে একটি ছোট প্রকোষ্ঠে বন্দি রাখা হয়েছিল। সেখানে পর্যাপ্ত আলো-বাতাসের ব্যবস্থা ছিল না এবং প্রতিটি মুহূর্ত অনিশ্চয়তা ও মৃত্যুভয়ের মধ্যে কাটাতে হয়েছে।

নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গুমের যন্ত্রণা শুধু একজন ব্যক্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না; এর প্রভাব পুরো পরিবারের ওপর পড়ে। তাই ভবিষ্যতে বাংলাদেশে আর কোনো মানুষ যেন গুমের শিকার না হন, সে বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব ও সঞ্চালনা করেন সংসদ সদস্য এবং ‘মায়ের ডাক’-এর সমন্বয়ক সানজিদা ইসলাম তুলি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম। আলোচনায় আরও বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য হুমাম কাদের চৌধুরী, সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম (আরমান) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সারা হোসেন, মানবাধিকারকর্মী নূর খান লিটন, আলোকচিত্রী শহীদুল আলম

এর আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জাতীয় জাদুঘরের নলিনীকান্ত ভট্টশালী প্রদর্শনী গ্যালারিতে গুম ও নির্যাতনের ওপর আয়োজিত বিশেষ আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন।

হাসপাতালে ভর্তি বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:০৪ পূর্বাহ্ণ
হাসপাতালে ভর্তি বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী

শারীরিক অসুস্থতার কারণে রাজধানীর ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

মন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী আব্দুল্লাহ আল কায়েস বিষয়টি গণমাধ্যমে নিশ্চিত করে জানান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু গত কয়েক দিন ধরে তীব্র জ্বরে ভুগছিলেন। পরবর্তীতে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে হাসপাতালে ভর্তি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বর্তমানে তিনি হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন এবং তার চিকিৎসা কার্যক্রম চলছে। তার দ্রুত আরোগ্য কামনায় পরিবারের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে।

আগস্টে রেমিট্যান্স এলো ২৯৭ কোটি ডলার

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১৮ অপরাহ্ণ
আগস্টে রেমিট্যান্স এলো ২৯৭ কোটি ডলার

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে স্বস্তি ফেরাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে প্রবাসী আয়। সদ্য শেষ হওয়া আগস্ট মাসে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশে ২৯৬ কোটি ৬৬ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রতি ডলার ১২১ টাকা ধরে যার পরিমাণ প্রায় ৩৫ হাজার ৮৬০ কোটি টাকা।

আগের বছরের একই মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৪২ কোটি ১৯ লাখ ডলার। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে আগস্টে প্রবাসী আয় বেড়েছে প্রায় ৫৪ কোটি ৪৭ লাখ ডলার, যা শতাংশের হিসাবে ২২ দশমিক ৫ শতাংশ।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, আগস্টে রেমিট্যান্স প্রবাহ শুধু গত বছরের একই মাসের তুলনায়ই বাড়েনি, আগের মাস জুলাইয়ের তুলনাতেও বেড়েছে। চলতি বছরের জুলাইয়ে দেশে এসেছিল ২৮৫ কোটি ৮৭ লাখ ডলার। ফলে এক মাসের ব্যবধানে আগস্টে রেমিট্যান্স বেড়েছে প্রায় ১০ কোটি ৮০ লাখ ডলার।

দুই মাসে রেমিট্যান্স ৫৮৩ কোটি ডলার:

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশে মোট ৫৮২ কোটি ৫৩ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন।

এর মধ্যে জুলাইয়ে এসেছে ২৮৫ কোটি ৮৭ লাখ ডলার এবং আগস্টে ২৯৬ কোটি ৬৬ লাখ ডলার। অর্থাৎ অর্থবছরের দ্বিতীয় মাসে এসে রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও শক্তিশালী হয়েছে। গত অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল প্রায় ৪৯০ কোটি ডলার। সেই হিসাবে চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে প্রবাসী আয় বেড়েছে প্রায় ৯২ কোটি ডলার, অর্থাৎ প্রায় ১৯ শতাংশ। রেমিট্যান্সের এই ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ বাড়ানোর পাশাপাশি ব্যাংকিং ব্যবস্থায় ডলারের তারল্য বাড়াতেও সহায়তা করছে।

টানা ৩ মাস ২৮০ কোটি ডলারের ওপরে:

তবে আগস্টের রেমিট্যান্স প্রায় ৩০০ কোটি ডলারের কাছাকাছি পৌঁছালেও এখনও সেই মাইলফলক অতিক্রম করতে পারেনি। গত তিন মাসের হিসাবেও দেখা যায়, প্রতি মাসেই ২৮০ কোটি ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছে। জুনে দেশে প্রবাসী আয় এসেছিল ২৮২ কোটি ২৫ লাখ ডলার। জুলাইয়ে তা বেড়ে হয় ২৮৫ কোটি ৮৭ লাখ ডলার। আগস্টে আরও বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৯৬ কোটি ৬৬ লাখ ডলারে। অর্থাৎ জুন থেকে আগস্ট- টানা তিন মাস ধরে রেমিট্যান্স প্রবাহ ২৮০ কোটি ডলারের ওপরে রয়েছে। আগস্টে এসে তা ৩০০ কোটি ডলারের সীমার খুব কাছাকাছি পৌঁছেছে।

সরকারি ব্যাংকে এসেছে ৪৩৩ কোটি ডলার:

বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকভিত্তিক হিসাবেও রেমিট্যান্স প্রবাহের একটি উল্লেখযোগ্য চিত্র পাওয়া যায়। আগস্টে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে দেশে এসেছে প্রায় ৪৩৩ কোটি ৪৬ লাখ ডলার। এর মধ্যে অগ্রণী ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে প্রায় ১৬২ কোটি ৮ লাখ ডলার, সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে ১৩৯ কোটি ৯১ লাখ এবং জনতা ব্যাংকের মাধ্যমে প্রায় ৭৯ কোটি ৩১ লাখ ডলার।

বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে প্রায় ২৯১ কোটি ৯১ লাখ ডলার।

অপরদিকে বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে প্রায় ২ হাজার ২৩৪ কোটি ৫৩ লাখ ডলার। এর মধ্যে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ প্রায় ৫৫০ কোটি ৮৯ লাখ, ব্র্যাক ব্যাংক প্রায় ২৫২ কোটি ৮১ লাখ এবং ট্রাস্ট ব্যাংক প্রায় ২১১ কোটি ৪৯ লাখ ডলার রেমিট্যান্স সংগ্রহ করেছে। বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে আগস্টে এসেছে প্রায় ৬ কোটি ৭৪ লাখ ডলার।

রিজার্ভও ৩৭ বিলিয়ন ডলারের ওপরে:

রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ার মধ্যেই দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও ৩৭ বিলিয়ন ডলারের ওপরে রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ১ সেপ্টেম্বরের হিসাব অনুযায়ী, দেশের গ্রস বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৭ দশমিক ৪০৭ বিলিয়ন ডলার। আর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাবপদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভের পরিমাণ ৩২ দশমিক ৪৯৭ বিলিয়ন ডলার।

একই দিনে বাংলাদেশ ব্যাংকের দেওয়া হিসাবে গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ৩৭ হাজার ৪০৭ দশমিক ৪৬ মিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম-৬ অনুযায়ী ৩২ হাজার ৪৯৬ দশমিক ৬০ মিলিয়ন ডলার। রেমিট্যান্স ও রিজার্ভের সাম্প্রতিক চিত্রে তাই দেশের বৈদেশিক মুদ্রার অবস্থানে কিছুটা ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে।

ডলার সরবরাহে স্বস্তি, আছে চ্যালেঞ্জও:

অর্থনীতিবিদদের মতে, রেমিট্যান্সের প্রবৃদ্ধি দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ প্রবাসী আয় বৈদেশিক মুদ্রার অন্যতম প্রধান উৎস। রেমিট্যান্স বাড়লে ব্যাংকিং ব্যবস্থায় ডলারের সরবরাহ বাড়ে। এতে আমদানি দায় পরিশোধ, বৈদেশিক লেনদেন পরিচালনা এবং ডলারের বাজারে চাপ কমাতে সহায়তা পাওয়া যায়।

বিশেষ করে গত কয়েক বছর ধরে বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে যে চাপ ছিল, তার বিপরীতে রেমিট্যান্স এখন অর্থনীতির জন্য বড় ধরনের সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করছে। তবে রেমিট্যান্স বাড়লেই রিজার্ভ একই হারে বাড়বে, এমন নয়। কারণ আমদানি ব্যয়, বিদেশি ঋণ ও অন্যান্য বৈদেশিক দায় পরিশোধ, রপ্তানি আয় এবং বিভিন্ন বৈদেশিক লেনদেনের ওপরও রিজার্ভের অবস্থান নির্ভর করে।

তারপরও চলতি অর্থবছরের শুরুতেই রেমিট্যান্সে প্রায় ১৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি এবং আগস্টে ২২ দশমিক ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি বৈদেশিক মুদ্রার বাজারের জন্য ইতিবাচক সংকেত দিচ্ছে। রেমিট্যান্সের এই গতি ধরে রাখা গেলে ডলারের সরবরাহ বাড়ার পাশাপাশি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মজুত আরও শক্তিশালী করার সুযোগ তৈরি হবে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে ইসিতে জামায়াতের ৯ দাবি

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪৭ অপরাহ্ণ
স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে ইসিতে জামায়াতের ৯ দাবি

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের জন্য নির্বাচন কমিশনকে ৯ দফা দাবি ও পরামর্শ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশনের সাথে জামায়াতে ইসলামীর ৬ সদস্যের প্রতিনিধি দলের বৈঠক পরবর্তী সংবাদ সম্মেলন এ কথা জানান দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।

গোলাম পরওয়ার বলেন, “এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হতে যোগ্য করার দাবি জানানো হয়েছে। তাদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ না দিলে বৈষম্য তৈরি হবে। সংবিধানের লঙ্ঘন ও নাগরিক অধিকার ক্ষুণ্ন হবে।”

জামায়াত সেক্রেটারি জানান, কার্যক্রম নিষিদ্ধ কোনও দলের নেতা- যিনি পদে আছেন, তাকে স্থানীয় নির্বাচনে অযোগ্য করার দাবি জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী।

গোলাম পরওয়ার বলেন, “নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব শামসুল আলম বিএনপির একটি সাব কমিটিতে ছিলেন। এটি আইনের পরিপন্থি। এবিষয়ে সরকারকে জানাতে বলা হয়েছে। শামসুল আলম ইসির অতিরিক্ত সচিব থাকলে স্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না।”

এছাড়া স্থানীয় সরকারে প্রশাসক হিসেবে যেসব নিয়োগ হয়েছে, তাদের আসন্ন নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণার দাবি জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী।

মন্ত্রী-এমপিরা যাতে কোনও প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা করতে না পারেন, এই দাবি জানানো হয়েছে বলে জানান গোলাম পরওয়ার।

তিনি বলেন, “দাবি মেনে নেবে কিনা তা সময়ই বলবে। তবে আমরা হতাশ না, দাবি মানবে বলে আশাবাদী। এরই মধ্যে কয়েকটি দাবিতে কমিশন রাজি হয়েছে।”

জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচন নিয়ে তিনি বলেন, “দলীয় মনোনয়ন দেবে না জামায়াত। যার যার ইচ্ছা নির্বাচন করতে পারবে। জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচন করবে না। ১১ দলীয় ঐক্যের অন্যান্য দল প্রার্থী দিলেও কোনও কনফ্লিক্ট হবে না।”

হাসপাতালে ভর্তি বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী আগস্টে রেমিট্যান্স এলো ২৯৭ কোটি ডলার স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে ইসিতে জামায়াতের ৯ দাবি বেলকুচি মুকুন্দগাতীতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ হাম ও হামের উপসর্গে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা হাজার ছুঁই ছুঁই