খুঁজুন
বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২৮ মাঘ, ১৪৩২

বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগ: অপসরন চেয়ে মানব বন্ধন ও বিক্ষোভ

রেজাউল করিম, স্টাফ রিপোর্টার,সিরাজগঞ্জ
প্রকাশিত: শনিবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৪, ৯:৩৮ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগ: অপসরন চেয়ে মানব বন্ধন ও বিক্ষোভ

বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের (বাতাঁবো) চেয়ারম্যান ও সরকারের অতিরিক্ত সচিব মো. মাহমুদ হোসেনের অপসরন চেয়ে সিরাজগঞ্জ সহ সারা দেশে চলছে মানব বন্ধন ও বিক্ষোভ।

গত বছরের জুলাইয়ে নিয়োগ পাওয়ার পর মাত্র এক বছরে ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রতিষ্ঠানটি থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ লুট করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ সময়ে অর্থের বিনিময়ে তিনি প্রতিষ্ঠানটিতে বিভিন্ন পর্যায়ে নির্বিচারে মোট ৮৫ জনকে নিয়োগ দিয়েছেন এমন অভিযোগও করেছেন বাতাঁবোর কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

 মাহমুদ হোসেনের বিরুদ্ধে আর যেসব অভিযোগ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এনেছেন, সেগুলো হলো অনুমোদিত প্রাপ্য সরকারি সুবিধা-সম্পর্কিত বিধি লঙ্ঘন করে তিনি ওই প্রতিষ্ঠানের মোট দুটি গাড়ি (ঢাকা মেট্রো ঘ-১৫-৫০৪২, গ-৪৩৮৫৬৫ ও গ-৪৭-৭৫২৩) ও দুজন গাড়িচালককে (হানিফ ও লিপু রেমা) নিজের দাপ্তরিক, ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কাজে ব্যবহার করে আসছেন। সরকারি দুটি গাড়ি ছাড়াও একটি ব্যক্তিগত গাড়ির পরিচালন ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় তিনি বাতাঁবো থেকে নিয়ে থাকেন। এখন তিনি বাতাঁবোর আওতাধীন নরসিংদী জেলায় পরিচালিত বাংলাদেশ তাঁত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটকে বস্ত্র অধিদপ্তরের অধীনে দিয়ে দিতে অপচেষ্টা করছেন। প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনেকেই অভিযোগ করেছেন, মাহমুদ হোসেন ব্যক্তিগত স্বার্থে এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে মরিয়া হয়ে উঠেছেন। বাতাঁবোতে তাকে নিয়োগকারী সরকারের পতন হলেও কমেনি তার দম্ভ ও প্রতিষ্ঠানের স্বার্থবিরোধী অপতৎপরতা। মাহমুদ হোসেন সর্বশেষ গত ৫ অক্টোবর নরসিংদীতে তাঁত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত এক সভায় সবার সামনে প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করতে তেড়ে ওঠেন। এ সময় ওই সভায় উপস্থিত ছিলেন খোদ বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন ও সচিব মো. আব্দুর রউফ।

 এসব অভিযোগের পাহাড় জমা হওয়ার প্রেক্ষাপটে মাহমুদ হোসেনের অপসারণ দাবিতে বাতাঁবোর সব পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী, তাঁত শিল্পের মালিকরা এবং তাঁত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের ছাত্র-শিক্ষকরা সিরাজগঞ্জ, টাংগাইল, কুষ্টিয়া, ঢাকা ও নরসিংদীতে গত মঙ্গলবার  থেকে শনিবার চতুর্থ দিনের মতো পৃথক পৃথক বিক্ষোভ করেছেন। 

 অভিযোগের ব্যাপারে জানতে গত ৯ অক্টোবর কারওয়ান বাজারে বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের প্রধান কার্যালয়ে গিয়ে মো. মাহমুদ হোসেনের সাক্ষাৎ পাওয়া যায়নি। কর্মচারীরা জানান, তিনি ৫ অক্টোবরের পর অফিসে আসছেন না। তার ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ফোন নাম্বারে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তা বন্ধ পাওয়া যায়। তার অফিস থেকে জানানো হয়, মন্ত্রণালয় থেকে তার খোঁজ করা হচ্ছে; কিন্তু ফোন নাম্বার বন্ধ থাকায় যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। 

 মাহমুদ হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চাইলে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রউফ গতকাল বুধবার সাংবাদিকদের বলেন, ‘বাতাঁবো কর্মকর্তাদের একটি প্রতিনিধিদলকে আমি গত মঙ্গলবার ডেকেছিলাম। মাহমুদ হোসেন সাহেবের পদ ছোট হলেও তিনি আমাদের সিনিয়র কর্মকর্তা। তার চাকরির মেয়াদ আছে আর অল্প কিছুদিন। এ বিবেচনায় আমি বাতাঁবো কর্মকর্তাদের দুটি অপশন দিয়েছি। তার একটি হলো মিলেমিশে মাহমুদ হোসেনকে নিয়ে থাকা। অন্যটি হলো সেটা করতে না পারলে তাকে চেয়ারম্যানের পদ থেকে অপসারণ করা বা সরিয়ে নিয়ে আসা। কোনটি তারা চান তা আমাকে জানাতে বলেছি।’

 জানা গেছে, ২০২৩ সালের ৮ জুলাই বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মাহমুদ হোসেনকে বাতাঁবোর চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা সরকারের আশীর্বাদপুষ্ট হয়ে চাকরির শেষ বছরে এসে তিনি এই নিয়োগ পান। বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় থেকে বাতাঁবো চেয়ারম্যান হিসেবে যোগদানের আগে তিনি বিভিন্ন মেয়াদে গোপালগঞ্জ ও মেহেরপুরের জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এর আগে তিনি ঢাকা ওয়াসার সাবেক এমডি তাকসিম এ খানের সঙ্গে ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টরের দায়িত্বে ছিলেন। গত ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ১৩ আগস্ট অনুষ্ঠিত বাতাঁবোর মাসিক সমন্বয় সভায় উপস্থিত অন্যদের পক্ষ থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও তার অপসারণ দাবী করছে।

দেশবাসীর উদ্দেশে তারেক রহমানের নির্বাচনী অডিও বার্তা

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:৩৭ অপরাহ্ণ
দেশবাসীর উদ্দেশে তারেক রহমানের নির্বাচনী অডিও বার্তা

আসন্ন সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান এক অডিও বার্তার মাধ্যমে দেশবাসীর কাছে ভোট ও সমর্থন প্রার্থনা করেছেন।

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দেশের মানুষের মোবাইল ফোনে পাঠানো এ বিশেষ বার্তায় তিনি ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

বার্তার শুরুতেই জনাব তারেক রহমান দেশবাসীকে সালাম জানিয়ে আগামী নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট, দোয়া ও সমর্থন কামনা করেন। এরপর তিনি দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন ব্যক্ত করেন।

ওই অডিও বার্তায় তারেক রহমান জনগণের প্রতি তার দীর্ঘদিনের দায়বদ্ধতার কথা উল্লেখ করে বলেন, তিনি অতীতেও সাধারণ মানুষের পাশে ছিলেন এবং ভবিষ্যতেও ইনশাআল্লাহ তাদের সঙ্গে থাকবেন।

বার্তার শেষে তিনি বিএনপির স্লোগান তুলে ধরে বলেন, করবো কাজ, গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।

তারেক রহমানের অডিও বার্তাটি দলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে বিশেষ উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করে সরাসরি জনগণের কাছে পৌঁছানোর এ উদ্যোগটি নির্বাচনী প্রচারণায় এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

ঢাকা-১৬ আসন: বিএনপি প্রার্থী আমিনুল হক এর সঙ্গে ইসি কর্মকর্তার গোপন বৈঠকের অভিযোগ

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:২৮ অপরাহ্ণ
ঢাকা-১৬ আসন: বিএনপি প্রার্থী আমিনুল হক এর সঙ্গে ইসি কর্মকর্তার গোপন বৈঠকের অভিযোগ

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৬ আসনের মালামাল বিভাজন, বিতরণ ও গ্রহণ কমিটির আহ্বায়ক মো. কামরুল হাসানের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। তিনি ওই আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আমিনুল হকের বাসায় ‘গোপন বৈঠক’ করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী কর্নেল (অব.) মো. আব্দুল বাতেন।

‎বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) ইসি সচিব আখতার আহমেদের কাছে তিনি লিখিত অভিযোগ করেন। ওই লিখিত পত্রে নির্বাচনী কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে অপসারণ ও দ্রুত বদলির দাবি জানানো হয়েছে।

‎অভিযোগে বলা হয়েছে, জামায়াত প্রার্থী আব্দুল বাতেন তার অভিযোগে উল্লেখ করেন, নির্বাহী প্রকৌশলী (পুর) মো. কামরুল হাসান বর্তমানে ঢাকা-১৬ আসনের নির্বাচনী মালামাল ব্যবস্থাপনা কমিটির আহ্বায়কের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি গতকাল (১০ ফেব্রুয়ারি) বিএনপি প্রার্থী আমিনুল হকের বাসভবনে এক গোপন বৈঠকে মিলিত হন। প্রমাণের সপক্ষে অভিযোগপত্রের সাথে ছবি ও ভিডিও সংবলিত একটি পেনড্রাইভও যুক্ত করা হয়েছে।

লিখিত অভিযোগে আরও বলা হয়, নির্বাচনের মতো স্পর্শকাতর সময়ে একজন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কর্মকর্তার প্রার্থীর বাসায় গিয়ে বৈঠক করা দণ্ডনীয় অপরাধ। প্রার্থীর সঙ্গে কর্মকর্তার এমন সখ্যতা থাকলে ওই আসনে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয় বলে দাবি করেন কর্নেল আব্দুল বাতেন। নির্বাচনের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে তাকে অবিলম্বে সরিয়ে অন্য কাউকে দায়িত্ব দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

‎উল্লেখ্য, ঢাকা-১৬ (পল্লবী-রূপনগর) আসনে এবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপির আমিনুল হক এবং জামায়াতে ইসলামীর কর্নেল (অব.) আব্দুল বাতেনসহ অন্যান্য প্রার্থীরা।

নীলফামারীর এসপিকে ‘দোসর’ আখ্যা দিয়ে প্রত্যাহারের দাবি জামায়াতের

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:১২ অপরাহ্ণ
নীলফামারীর এসপিকে ‘দোসর’ আখ্যা দিয়ে প্রত্যাহারের দাবি জামায়াতের

সৈয়দপুর বিমানবন্দরে ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির বেলাল উদ্দিনকে হয়রানি ও নির্যাতনের প্রতিবাদ জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। একই সঙ্গে নীলফামারী জেলা পুলিশ সুপার এসকে জাহিদুল ইসলামকে ফ্যাসিবাদের ‘দোসর’ আখ্যা দিয়ে তার প্রত্যাহারের দাবিও জানিয়েছে সংগঠনটি। একই সঙ্গে তিনি সাবেক ডিবি প্রধান মনিরুল ইসলামের সহযোগী ছিলেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব অভিযোগ করা হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার আমির বেলাল উদ্দিন ব্যবসায়ী কাজে নগদ টাকা নিয়ে বিমানযোগে তার এলাকায় যাচ্ছিলেন। কাস্টমসের অনাপত্তিতে তাকে টাকা বহনের ছাড়পত্র দেয় ঢাকা বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।

কিন্তু সৈয়দপুর বিমানবন্দরে সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাকে হেনস্তা করা হয়েছে। এমনকি তাকে নির্যাতন করে নীলফামারী জেলা পুলিশ সুপার এস কে জাহিদুল ইসলাম। এই নির্যাতনে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

এতে আরও বলা হয়, মিডিয়া ফ্রেমিং করে এই ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করা হয়েছে। আমরা গণমাধ্যমের কাছে দায়িত্বশীল ভূমিকার পাশাপাশি মিথ্যা প্রচারণা থেকে বিরত থাকার আহবান জানাচ্ছি। সেই সাথে নাটকের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।

নীলফামারী জেলা পুলিশ সুপার এসকে জাহিদুল ইসলাম ফ্যাসিবাদের দোসর উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, তিনি সাবেক ডিবি প্রধান ভারতে পলাতক মনিরুল ইসলামের অন্যতম সহযোগী ছিলেন। তিনি জঙ্গি নাটক সাজিয়ে বিভিন্ন অভিযানে অংশ নিয়েছিলেন। অবিলম্বে তার বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক দ্রুত ব্যবস্থা ও দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি।

দেশবাসীর উদ্দেশে তারেক রহমানের নির্বাচনী অডিও বার্তা ঢাকা-১৬ আসন: বিএনপি প্রার্থী আমিনুল হক এর সঙ্গে ইসি কর্মকর্তার গোপন বৈঠকের অভিযোগ নীলফামারীর এসপিকে ‘দোসর’ আখ্যা দিয়ে প্রত্যাহারের দাবি জামায়াতের ৫০ লাখ নয়, প্রয়োজনে ৫ কোটি টাকা বহনেও সমস্যা নেই: ইসি সচিব ঢাকার দূষণ রোধে ৪৫২৮ কোটি টাকা ঋণ অনুমোদন বিশ্বব্যাংকের