খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৫, ২০ চৈত্র, ১৪৩১

আকাশছোঁয়া সবজির দাম, সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি সাধারণ মানুষ

মোঃ আলম মৃধা, স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৪, ৬:৪৭ অপরাহ্ণ
আকাশছোঁয়া সবজির দাম, সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি সাধারণ মানুষ

নরসিংদী জেলার বিভিন্ন হাট বাজার ঘুরে জানা যায় নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস পত্রের দাম লাগামহীন অবস্থা বিরাজ করছে।

আজ (২০ অক্টোবর) সরেজমিনে গিয়ে, নরসিংদীর জেলার বিভিন্ন উপজেলায় পাইকারি ও খুচরা বাজারে বর্তমানে সবজির দাম আকাশছোঁয়া, কাঁচা মরিচের কেজি ৪৮০-৫০০ টাকা, দুনিয়া পাতা কেজি ৫০০-৫৫০ টাকা, টমেটো কেজি ২৮০-৩০০ টাকা, সিমের কেজি ২৪০-২৫০ টাকা, গাজরের কেজি ১৯০-২০০ টাকা, করলার কেজি ১০০-১২০ টাকা, বেগুনের কেজি ১২০-১৪০ টাকা, লাউ এক পিচ ১০০-১২০ টাকা, কচুর লতি কেজি ১০০- ১২০ টাকা, জালি এক পিচ ৮০-৯০ টাকা, মুলার কেজি ৮০-১০০ টাকা, ঢেঁড়স কেজি ১০০-১২০ টাকা, পটলের কেজি ৯০- ১০০ টাকা, শশার কেজি ৬০-৭০ টাকা, কাঁচা কলার হালি ৭০-৮০ টাকা, কচুর ছড়ি কেজি ৮০-৯০ টাকা, বাঁধাকপি এক পিচ ৬০-৮০ টাকা, ফুলকপি এক পিচ ৮০-১০০ টাকা, আলুর কেজি ৬০-৭০ টাকা, পেঁপের কেজি ৫০-৬০ টাকা, পুঁই শাকের আঁটি ৪০-৫০ টাকা, মিস্টি কুমড়া শাকের আঁটি ৪০-৫০ টাকা, লাউ শাকের আঁটি ৫০-৬০ টাকা, লেবুর হালি ৫০-৬০ টাকা।

অন্যদিকে খুচরা ও পাইকারি বাজারে ব্রয়লার মুরগীর কেজি ১৯০-২০০ টাকা, সোনালী কক মুরগীর কেজি ৩০০-৩১০ টাকা, গরুর গোস্তের কেজি ৮০০-৮৫০ টাকা, খাসীর গোস্তের কেজি ১০৫০- ১১৫০ টাকা, চিংড়ি মাছের কেজি ১৩১০-১৪৫০ টাকা, রুই মাছের কেজি ৩০০-৩২০ টাকা, পাঙ্গাশ মাছের কেজি ১৮০-২০০ টাকা, হাঁসের ডিমের হালি ৮৫-৯০ টাকা, ফার্মের ডিমের হালি ৫৮-৬০ টাকা।

অপর দিকে পেঁয়াজের কেজি ১১০-১২০ টাকা, রসুনের কেজি ১২০-১৩০ টাকা, আদার কেজি ১৯০-২১০ টাকা, চিনির কেজি ১৩০-১৪০ টাকা, মোসুরি ডালের কেজি ১২০-১৪০ টাকা, সয়াবিন তেলের কেজি ১৭৫-১৮০ টাকা, সরিষার তেলের কেজি ২৩০-২৪০ টাকা, দুধের লিটার ৯০-১০০ টাকা, হলুদ গুঁড়ার কেজি ৩৪০-৩৫০ টাকা, মরিচ গুঁড়ার কেজি ৪০০-৪২০ টাকা।

ক্রেতারা ও বিক্রেতারা জানান, সবকিছুর দাম ঊর্ধ্ব গতিতে বেড়েই যাচ্ছে। আমাদের দেশের মধ্যবিত্ত এবং নিম্নবিত্তদের অবস্থা দিন দিন আরো শোচনীয় হয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে দুর্নীতিবাজরা আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ বনে যাচ্ছেন। উচ্চবিত্ত আর দুর্নীতিবাজরা এ দেশকে খেয়ে ফেলছে।

এ বিষয়ে নরসিংদীর ভোক্তা অধিকারের সহকারী পরিচালক মাহমুদুর রহমান বলেন, জেলা প্রশাসকের নির্দেশে বাস্তব অবস্থা পর্যবেক্ষণে প্রতিদিন জেলা প্রশাসন ও ভোক্তা অধিকার থেকে “টাস্ক ফোর্সের” একটি টিম বের হয়ে বাজার মনিটরিং করছে। দ্রব্যমূল্য নিয়ম অনুযায়ী বিক্রয় করা হচ্ছে কিনা, মূল্য তালিকা আছে কিনা, ক্রয় বিক্রয় রশিদ আছে কিনা। না থাকলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে, প্রয়োজনে জরিমানাও করা হচ্ছে। আশা করা যায় শীঘ্রই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে। সাম্প্রতিক কালে বন্যা পরিস্থিতির উত্তরন হওয়ায় আশা করছি শীতের সবজি বাজারে আসলে মূল্য নিয়ন্ত্রণে আসবে।

এ বিষয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসমা সুলতানা নাসরীন বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রীর বাজার পরিস্থিতি ও সাপ্লাই চেইন তদারকির জন্য গঠিত “বিশেষ টাস্কফোর্স” প্রতিদিন নরসিংদী জেলার সদর উপজেলার বিভিন্ন বাজারে অভিযান পরিচালনা করছে। অভিযানকালে সাপ্তাহিক কাচাবাজারে বিভিন্ন শাক-সবজির দাম, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য যেমন পেঁয়াজ, রসুন, আদা, চাল, ডাল, মাছ, ডিম ও ব্রয়লার মুরগির মূল্য এবং ক্রয় বিক্রয় ভাউচার যাচাই করা হচ্ছে। মূল্য তালিকা প্রদর্শনা না করা এবং অতিরিক্ত মূল্যে পণ্য বিক্রয় করায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন আইন,২০০৯ এ মামলা করা হচ্ছে। জনস্বার্থে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এ বিষয়ে শিবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহ্ মোঃ সজীব বলেন, আমাদের সাথে নিয়মিত ভোক্তা অধিকার, কৃষি বিপণন বিভাগ নিয়মিত বাজার মনিটরিং করছে। বন্যার কারণে সবজি উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় এ দাম বৃদ্ধি বলে জানান ব্যবসায়ীরা।

এ বিষয়ে বেলাবো উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জনাব মোঃ আব্দুল করিম বলেন, আমাদের ভোক্তা অধিকারের কর্মকর্তারা নিয়মিত মনিটরিং করতেছে। আমাদের ম্যাজিস্ট্রেটরা নিয়মিত মাঠে কাজ করছে অচিরে দাম নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।

এ বিষয়ে জানতে সরকারি মোবাইল নাম্বারে একাধিকবার ফোন দিলে রায়পুরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ ইকবাল হাসান ফোন কেটে দেন।

এই অবস্থায় চললে ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকা ইনকাম এর সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ গুলো পরিবার নিয়ে না খেয়ে মরতে হবে! অন্তর্বর্তী কালীন সরকারের উচিৎ অতিদ্রুত বাজার মনিটরিং করে নিয়ন্ত্রণ করা। এমনটাই জানান, সুশীল সমাজের ব্যক্তিরা। এই সব ভয়াবহ সেন্টিকেটের কবল থেকে আমাদের মুক্তি মিলবে কবে, এমনটাই প্রশ্ন সাধারন মানুষের??

দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা হলে সরকার হার্ডলাইনে যাবে : তথ্য উপদেষ্টা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২ এপ্রিল, ২০২৫, ২:০১ অপরাহ্ণ
দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা হলে সরকার হার্ডলাইনে যাবে : তথ্য উপদেষ্টা

তিশীল করার চেষ্টা হলে সরকার হার্ডলাইনে যাবে।

গণঅভ্যুত্থানে শহীদ মাসুম মিয়ার কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার উত্তর রামপুর গ্রামে কবর জিয়ারত ও পরিবারের সাথে সাক্ষাত শেষে সাংবাদিকদের তিনি আজ এ কথা বলেন।

উপদেষ্টা বলেন, নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে বাংলাদেশে চরমপন্থার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এ সুযোগ কাউকে নিতে দেওয়া হবে না। আমরা চেষ্টা করব বাংলাদেশের কোনো রাজনৈতিক ও ধর্মীয় উগ্রপন্থা যেন মাথাচাড়া দিতে না পারে। নির্বাচনের মাধ্যমে যেন গণতান্ত্রিক রূপান্তরের ভূমিকা রাখতে পারি। যদি আলোচনা সতর্কতায় কাজ না হয়, যদি দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা হয়, সরকার অবশ্যই হার্ডলাইনে যাবে।

মাহফুজ আরো বলেন, শহীদের চেতনা যেন বাংলাদেশের জনগণ ধারণ করে। আমরা চেষ্টা করবো যাতে গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের খুনিদের বিচার কাজ শেষ করে যেতে পারি।

শহীদদের আকাঙ্খার বাংলাদেশ বিনির্মাণে এই সরকারের চেষ্টা আছে। জনগণ এটার সাথে আছে। আমরা বিশ্বাস করি এই চেতনার সাথে রাজনৈতিক দলের সদিচ্ছা প্রকাশ করলে আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ গঠন করবো।

গণমাধ্যমের সংস্কার প্রসঙ্গে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, যতদিন আছি আমরা চাইবো গণমাধ্যমের একটি গুণগত সংস্কারের জন্য। গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের পর্যালোচনা ও প্রস্তাবনায় মফস্বল ও কেন্দ্র নিয়ে বিস্তারিত বর্ণনা আছে।

এই সময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খান, বাংলাদেশ নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব জয়নাল আবেদীন শিশির, সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবাইয়া খানম, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন কুমিল্লা মহানগরের আহবায়ক আবু রায়হান ও সদস্য সচিব রাশেদুল হাসানসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

৪০ দিনের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব, হামাসকে যে শর্ত দিল ইসরাইল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ এপ্রিল, ২০২৫, ৭:৩৩ অপরাহ্ণ
৪০ দিনের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব, হামাসকে যে শর্ত দিল ইসরাইল

৫০ দিনের নয়, দখলদার ইসরাইল গাজায় ৪০ দিনের যুদ্ধবিরতির একটি নতুন প্রস্তাব দিয়েছে। যার মাধ্যমে ১১ জন জীবিত ইসরাইলি বন্দিকে মুক্ত করার পাশাপাশি ১৬টি মরদেহও ফেরত পাওয়ার চেষ্টা করছে নেতানিয়াহুর সরকার।

Advertisement

বিপরীতে ইসরাইলের কারাগার থেকে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক ফিলিস্তিনি বন্দির মুক্তি দেওয়া হবে।

সোমবার ইসরাইলি প্রভাবশালী দৈনিক হারেৎজ এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, মিশর ও কাতারের মধ্যস্থতায় ইসরাইল ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের কাছে এই প্রস্তাব পাঠিয়েছে।

প্রস্তাবের প্রধান শর্তগুলো হলো:

৪০ দিনের যুদ্ধবিরতি;
হামাসের কাছ থেকে ১১ জন জীবিত বন্দির মুক্তি ও ১৬টি মরদেহ ফেরত;
ইসরাইলের কারাগার থেকে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক ফিলিস্তিনি বন্দির মুক্তি;
যুদ্ধবিরতির ৫ম দিনে হামাসের কাছে বাকি বন্দিদের তথ্য চাওয়া;
১০ম দিনে ১৬ জনের মরদেহ হস্তান্তরের অনুরোধ।
পক্ষগুলোর প্রতিক্রিয়া

যদিও এই প্রতিবেদনের বিষয়ে ইসরাইল, হামাস বা মধ্যস্থতাকারীদের কেউই এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি।

বর্তমান পরিস্থিতি

নেতানিয়াহুর সরকার মনে করে যে, গাজায় হামাসের হাতে এখনো ৫৯ জন ইসরাইলি বন্দি রয়েছে। যাদের মধ্যে অন্তত ২৪ জন জীবিত।

অন্যদিকে, ইসরাইলি কারাগারে ৯,৫০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি বন্দি রয়েছেন। যাদের ওপর চরম মানবাধিকার লঙ্ঘন, নির্যাতন ও চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ রয়েছে।

ইসরাইল চলতি বছরের জানুয়ারিতে হওয়া একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে গাজায় গত ১৮ মার্চ থেকে নতুন বিমান হামলা চালিয়েছে। গত ১৫ দিন ধরে অব্যাহতভাবে চালানো এই হামলায় ১,০০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি নিহত এবং ২,৫০০-এর বেশি মানুষ আহত হয়েছে।

এ নিয়ে ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইসরাইলের হামলায় সবমিলিয়ে ৬৩,০০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে বেশিরভাগই নারী ও শিশু।

আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া

আইসিসি (International Criminal Court) গত বছর ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গাজায় যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে।

অন্যদিকে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (ICJ) ইসরাইলের বিরুদ্ধে গণহত্যার মামলা চলমান।সূত্র: আনাদোলু

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনটি ‘উদ্বেগজনক ও বিভ্রান্তিকর’

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ এপ্রিল, ২০২৫, ৭:৩১ অপরাহ্ণ
নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনটি ‘উদ্বেগজনক ও বিভ্রান্তিকর’

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, বাংলাদেশে ইসলামিস্টদের উত্থান নিয়ে নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনটি উদ্বেগজনক এবং বিভ্রান্তিকর।

মঙ্গলবার সিএ প্রেস উইং থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিউইয়র্ক টাইমসের নিবন্ধটি ইঙ্গিত দেয় যে বাংলাদেশে ধর্মীয় চরমপন্থা উত্থানের দ্বারপ্রান্তে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এটি বাংলাদেশের ভুল চিত্র তুলে ধরেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিভ্রান্তিকর এ চিত্রায়ন কেবল দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক গতিশীলতাকে অতি সরলীকৃত করে না বরং ১৮ কোটি মানুষের একটি সমগ্র জাতিকে অন্যায়ভাবে কলঙ্কিত করার ঝুঁকিও তৈরি করে।

নিউইয়র্ক টাইমস প্রকাশিত নিবন্ধে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ যখন নিজেকে পুনরুজ্জীবিত করছে, তখন কট্টরপন্থি ইসলামিস্টরা একটি সুযোগ দেখতে পাচ্ছে। তবে এ বক্তব্যকে প্রত্যাখ্যান করে প্রেস উইং বলছে, নিউইয়র্ক টাইমসের নিবন্ধটি বাংলাদেশ সম্পর্কে একটি উদ্বেগজনক এবং একপেশে দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছে।

সিএ প্রেস উইংয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রকাশ করার জন্য সুনির্দিষ্টভাবে উসকানিমূলক নিবন্ধের ওপর নির্ভর করার পরিবর্তে বাংলাদেশের অগ্রগতিকে স্বীকৃতি দেওয়া বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বছর ধরে বাংলাদেশ যে অগ্রগতি করেছে সেটাকে এবং পরিস্থিতির জটিলতাকে স্বীকার করা উচিত।

আরও বলছে, যদিও নিবন্ধটি ধর্মীয় উত্তেজনা এবং রক্ষণশীল আন্দোলনের কিছু ঘটনা তুলে ধরেছে, তবে এটি অগ্রগতির বৃহত্তর প্রেক্ষাপটকে উপেক্ষা করেছে। বাংলাদেশ নারীদের অবস্থার উন্নতিতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তাদের সুরক্ষা এবং কল্যাণের জন্য বিশেষভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এটি এমন একটি সরকার যা নারীর অধিকার এবং সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। অথচ নিবন্ধে এর উলটোটা বলা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশের মতো একটি দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং ধর্মীয় সহিংসতার মধ্যে পার্থক্য করা গুরুত্বপূর্ণ। শেখ হাসিনার বিদায়ের পর এবং তার পর থেকে বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘটিত অনেক সংঘর্ষকে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা হিসেবে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যদিও বাস্তবে এসব ঘটনা ঘটেছিল রাজনৈতিক কারণে। রাজনৈতিক দলগুলি প্রায়শই সমর্থন জোগাড় করার জন্য ধর্মকে ব্যবহার করে। যা বিষয়টিকে জটিল করে তোলে এবং রাজনৈতিক অস্থিরতাকে ধর্মীয় নিপীড়নের সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার ঝুঁকি তৈরি করে। সুতরাং পুরো পরিস্থিতিকে সাম্প্রদায়িক সংঘাত হিসেবে উপস্থাপন করা বিভ্রান্তিকর। এটি প্রকৃত রাজনৈতিক এবং আর্থ-সামাজিক বিষয়গুলিকে উপেক্ষা করে।

প্রেস উইং জানিয়েছে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সমস্ত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে রক্ষা করার জন্য তার প্রতিশ্রুতি স্পষ্ট করেছে এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও সন্ত্রাসবাদ দমন প্রচেষ্টার সাথে তার চলমান কাজ এই প্রতিশ্রুতিকে আরও জোরদার করে। সামাজিক সংস্কার এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে সহযোগিতার মাধ্যমে চরমপন্থা মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রচেষ্টা ভুল তথ্যের বিস্তারের দ্বারা ম্লান হওয়া উচিত নয়।