খুঁজুন

সুদের হার কমবে ৬ মাস পর: গভর্নর

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৪, ১:৩২ পূর্বাহ্ণ
সুদের হার কমবে ৬ মাস পর: গভর্নর

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর জানিয়েছেন, মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণের জন্য নীতি সুদের হার বাড়ানো হয়েছে। এর প্রভাবে মূল্যস্ফীতির হার কিছুটা কমে আসবে। আসন্ন শীতে পণ্যমূল্য কিছুটা কমে মূল্যস্ফীতির হারও কমে আসবে। ছয় মাসের মধ্যে এ হার আরও কমে আসবে। ফলে ছয় মাস পর থেকে আবার নীতি সুদহার কমানোর প্রক্রিয়া শুরু হবে। তখন থেকে ঋণের সুদের হারও কমতে শুরু করবে।

যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে চলমান বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ-এর বার্ষিক সভায় অংশ নিয়ে সাইডলাইনে বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে বৈঠকে এ তথ্য জানান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর। মঙ্গলবার থেকে সপ্তাহব্যাপী এ বৈঠক শুরু হয়েছে। রোববার সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ বৈঠক শেষ হবে।

তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রসহ অনেক দেশে এখন মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আসায় সুদের হার কমাতে শুরু করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকও মূল্যস্ফীতির হার কমলে সুদের হার কমানো শুরু করবে। মূল্যস্ফীতি কমতে আরও ছয় মাস সময় লাগতে পারে।

এদিকে মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ২২ অক্টোবর নীতি সুদের হার আরও এক দফা বাড়িয়েছে। ওইদিন ওভারনাইট রেপো সুদের হার দশমিক ৫০ শতাংশ বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করা হয়। এর আগে ২৪ সেপ্টেম্বর নীতি সুদহার বাড়ানো হয়েছিল। তখনও ৫০ ভিত্তি পয়েন্ট বাড়িয়ে নীতি সুদহার ৯ দশমিক ৫০ শতাংশে নির্ধারণ করা হয়েছিল। এ নিয়ে তিন দফায় নীতি সুদহার বাড়ানো হলো।

নীতি সুদহার বাড়ানোর পাশাপাশি ব্যাংকগুলোর তারল্য ব্যবস্থাপনা আরও দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করার লক্ষ্যে নীতি সুদহার করিডরের ঊর্ধ্বসীমা স্ট্যান্ডিং লেন্ডিং ফ্যাসিলিটির (এসএলএফ) ক্ষেত্রে বিদ্যমান সুদহার ১১ শতাংশ থেকে ৫০ ভিত্তি পয়েন্ট বাড়িয়ে ১১ দশমিক ৫০ শতাংশে এবং নিচের সীমা স্ট্যান্ডিং ডিপোজিট ফ্যাসিলিটি (এসডিএফ) ৮ শতাংশ থেকে দশমিক ৫০ শতাংশ বাড়িয়ে ৮ দশমিক ৫০ শতাংশে নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন নির্ধারিত এ হার রোববার থেকে কার্যকর হবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক আশা করছে, এ হার কর্যকর হলে এক মাসের মধ্যে মূল্যস্ফীতির হার কমবে। সেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৯ দশমিক ৯২ শতাংশ। এর আগে এ হার জুলাইয়ে সর্বোচ্চ ১১ দশমিক ৬৬ শতাংশে উঠেছিল। এরপর থেকে দুই মাস ধরে এ হার কমছে। আগামী দিনে আরও কমে আসবে বলে আশাবাদী কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

মূল্যস্ফীতির হার নিয়ন্ত্রণে এলে ছয় মাসের মধ্যে নীতি সুদের হার কমানোর প্রক্রিয়া শুরু করবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তখন ঋণের সুদের হারও কমতে থাকবে।

এদিকে নীতি সুদের হার বাড়ানোর কারণে ব্যাংকগুলোর তহবিল ব্যবস্থাপনার খরচ বেড়ে গেছে। ফলে ব্যাংকগুলোকে ঋণের সুদের হারও বাড়াতে হয়েছে। এ কারণে ব্যবসা খরচ বেড়ে যাচ্ছে। এতে বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

ঋণের সুদ হার বাড়ায় ব্যাংকগুলো আমানতের সুদের হারও বাড়াতে শুরু করেছে। এতে তহবিল ব্যবস্থাপনা খরচ আরও বেড়ে যাবে। ফলে ব্যাংকগুলোর পক্ষে ঋণের সুদহার কমানো কঠিন হয়ে পড়বে বলে অনেকে মনে করছেন।

ট্রেনে রাবি শিক্ষার্থীকে মারধরের প্রতিবাদে রাজশাহীতে রেললাইন অবরোধ, ভোগান্তি চরমে

মোঃ হাসানুজ্জামান, বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ১০:১৪ পূর্বাহ্ণ
ট্রেনে রাবি শিক্ষার্থীকে মারধরের প্রতিবাদে রাজশাহীতে রেললাইন অবরোধ, ভোগান্তি চরমে

পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনের টিটির মারধরের শিকার হয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক শিক্ষার্থী। এই ঘটনায় অভিযুক্তের শাস্তির দাবিতে রেললাইন অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে ক্যাম্পাস সংলগ্ন এলাকায় রেললাইন অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ফোরকান উদ্দীন জানান, ঢাকা থেকে পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনে রাজশাহী ফিরছিলেন তিনি। এ সময় যাত্রীদের কাছ থেকে রসিদ ছাড়াই টিটি টাকা আদায় করায় এর প্রতিবাদ করেন। এজন্য তাকে মারধর করেন টিটি।

পদ্মা এক্সপ্রেসের টিটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ২০১৯-২০ সেশনের এক শিক্ষার্থীকে মারধরের প্রতিবাদে ট্রেন চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ।

তিনি জানান, রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এসে বিষয়টির সুরাহা না করা পর্যন্ত রাজশাহীর সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকবে। অভিযুক্ত টিটিকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে এবং তার বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

তিনি উল্লেখ করেন যে, ইতিপূর্বে রাবি শিক্ষার্থীদের সাথে একাধিকবার বিভিন্ন ধরনের অন্যায় আচরণ করা হয়েছে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আজকের পর থেকে কোনো রেলগুন্ডা যেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থীর দিকে আর বাঁকা চোখে তাকানোর সাহস না পায়- সেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

এদিকে শিক্ষার্থীদের রেললাইন অবরোধে পুরোপুরি থেমে আছে রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী সকল ট্রেন। যার ফলে চরম ক্ষুব্ধ ট্রেনের যাত্রীরা। অভিযোগ তুলে তারা বলেন, ‘আমরা এদের কাছে জিম্মি। মার খেয়েছে ছাত্র, দোষ করলো টিটি। অথচ ভোগান্তি হচ্ছে আমাদের। রেল কর্তৃপক্ষ এসব সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধান না করলে ভোগান্তি বাড়বেই।’

বিজিবির জনবল, অস্ত্র ও প্রযুক্তি সক্ষমতা বাড়াতে সরকারের একাধিক সিদ্ধান্ত

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬, ১১:২৪ অপরাহ্ণ
বিজিবির জনবল, অস্ত্র ও প্রযুক্তি সক্ষমতা বাড়াতে সরকারের একাধিক সিদ্ধান্ত

সীমান্ত নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর জনবল বৃদ্ধি, আধুনিক অস্ত্র ও সরঞ্জাম সংগ্রহ, প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি ব্যবস্থা সম্প্রসারণ এবং মাদক দমনে ডগ স্কোয়াডের সক্ষমতা আরও কার্যকরভাবে ব্যবহারের বিষয়ে একাধিক নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

সোমবার (২০ জুলাই) রাজধানীর পিলখানায় বিজিবি সদর দপ্তর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

তিনি বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর এই প্রথম বিজিবি সদর দপ্তর পরিদর্শন করে বাহিনীটির কার্যক্রম, সক্ষমতা, জনবল, সেক্টর ও ব্যাটালিয়নের বর্তমান অবস্থা এবং ভবিষ্যৎ প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা নেওয়া হয়েছে। বৈঠকে সীমান্তে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে কীভাবে নজরদারি ও গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ আরও কার্যকর করা যায়, সে বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশে মাদক প্রবেশ ঠেকাতে বিজিবির ভূমিকা আরও জোরদার করা হবে। এ ক্ষেত্রে বাহিনীটির ডগ স্কোয়াডের সক্ষমতা বাড়িয়ে তা আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানোর পরিকল্পনাও সরকারের রয়েছে।

তিনি জানান, বিজিবিকে আরও আধুনিক ও কার্যকর বাহিনীতে রূপ দিতে জনবল বৃদ্ধি, নতুন যানবাহন, আধুনিক সরঞ্জাম এবং প্রয়োজনীয় অস্ত্র সংগ্রহের বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় বিজিবির সক্ষমতা আরও বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সাম্প্রতিক বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবির ভূমিকা প্রশংসনীয় ছিল। দুর্গম এলাকায় ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া এবং উদ্ধার কার্যক্রমে বাহিনীটির সক্রিয় অংশগ্রহণ সাধারণ মানুষের আস্থা আরও বাড়িয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সীমান্ত পাহারার পাশাপাশি জনসম্পৃক্ত কার্যক্রমেও বিজিবির অংশগ্রহণ বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে প্রশাসনিক ভবন নির্মাণ, বিজিবি হাসপাতালের সক্ষমতা বৃদ্ধি, চিকিৎসক ও নার্স নিয়োগসহ অবকাঠামোগত উন্নয়নের যেসব প্রস্তাব বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে আটকে রয়েছে, সেগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হবে।

অতিরিক্ত অর্থ আত্মসাৎ ও মানব পাচার

মালয়েশিয়া শ্রমবাজার সিন্ডিকেট: ৪৯ রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬, ৭:২০ অপরাহ্ণ
মালয়েশিয়া শ্রমবাজার সিন্ডিকেট: ৪৯ রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল

মালয়েশিয়া শ্রমবাজারে সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত থাকার দায়ে ৪৯টি রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স প্রত্যাহার করেছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।

গতকাল রোববার (১৯ জুলাই) মন্ত্রণালয়ের মনিটরিং শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। সংশ্লিষ্ট এজেন্সিগুলোর বিরুদ্ধে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে সিন্ডিকেট তৈরি করে কয়েক হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও বিদেশে পাচারের অভিযোগ রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মালয়েশিয়ায় সিন্ডিকেট করে লোক পাঠিয়ে অতিরিক্ত অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে পল্টন থানায় একটি মানবপাচার মামলা দায়ের করা হয়। সেই মামলায় ৪৯টি এজেন্সির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। তারই প্রেক্ষিতে এই ৪৯টি লাইসেন্স বাতিল করেছে মন্ত্রণালয়।

এদিকে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর অনুকূলে ইস্যুকৃত লাইসেন্সের শর্ত অনুযায়ী প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান আইন, ২০১৩, বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী (সংশোধন) আইন, ২০২৩ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য আইন ও বিধি-বিধান মেনে চলা বাধ্যতামূলক। তবে সংশ্লিষ্ট রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪০৬, ৪২০, ৩৮৫, ৩৮৬, ৪২৭ ও ৩৪ ধারায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল এবং তা গৃহীত হওয়ায় বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী আইন, ২০১৩-এর ১৩ ধারার ক্ষমতাবলে তাদের লাইসেন্স প্রত্যাহার করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনটিতে স্বাক্ষর করেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব রাশিদা আক্তার।

লাইসেন্স প্রত্যাহার হওয়া সাদিয়া ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী ও বায়রা’র সাবেক মহাসচিব শামিম আহমেদ চৌধুরী নোমান গণমাধ্যমে বলেন, ‘মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর সাথে ১০০ এজেন্সি জড়িত ছিল। তাহলে ৪১ জনের লাইসেন্স প্রত্যাহার হলো কীভাবে। অন্যায় যদি হয়ে থাকে সবারই তো দায় থাকার কথা।’

‘আদালতের মাধ্যমে কোনো অভিযোগের ভিত্তিতে চূড়ান্ত বিচার সম্পন্ন হওয়ার আগে এভাবে লাইসেন্স প্রত্যাহার কীভাবে হতে পারে জানা নেই, বলে আপত্তি তোলেন তিনি।

ট্রেনে রাবি শিক্ষার্থীকে মারধরের প্রতিবাদে রাজশাহীতে রেললাইন অবরোধ, ভোগান্তি চরমে বিজিবির জনবল, অস্ত্র ও প্রযুক্তি সক্ষমতা বাড়াতে সরকারের একাধিক সিদ্ধান্ত মালয়েশিয়া শ্রমবাজার সিন্ডিকেট: ৪৯ রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল সিরাজগঞ্জে জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতা (জিবিভি) ওয়ার্কিং সভা অনুষ্ঠিত বেলকুচি উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত