খুঁজুন
রবিবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২৪, ৭ পৌষ, ১৪৩১

ফিলিস্তিনিদের মুক্তির দাবিতে পিএসজির মাঠে বিশাল ব্যানার, ক্ষুদ্ধ ফরাসি মন্ত্রী

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৪, ৭:২২ অপরাহ্ণ
ফিলিস্তিনিদের মুক্তির দাবিতে পিএসজির মাঠে বিশাল ব্যানার, ক্ষুদ্ধ ফরাসি মন্ত্রী

আগামী ১৫ নভেম্বর ইউরোপিয়ান নেশন্স লিগে ফ্রান্সের বিপক্ষে মাঠে নামার কথা রয়েছে ইসরায়েলের। তবে ম্যাচটি বাতিলের দাবিতে ফ্রান্স ফুটবল ফেডারেশনের (এফএফএফ) সামনে বিক্ষোভ করেছে ফিলিস্তিনের সমর্থকরা। এবার ফিলিস্তিনিদের মুক্তির দাবিতে সোচ্চার হয়েছে পিএসজির সমর্থকরা। যা একদমই ভালোভাবে নেননি ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বুহনো হোতাইয়ু।

গত বুধবার (৬ নভেম্বর) রাতে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচে ঘরের মাঠ পার্ক দে প্রিন্সেসে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচে অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদের মুখোমুখি হয়েছিল পিএসজি। ম্যাচটিতে শেষ মুহূর্তে গোল খেয়ে ২-১ ব্যবধানে হেরে যায় পিএসজি।

ম্যাচ হেরে গেলেও সমর্থকদের কারণে এখন আলোচনায় পিএসজি। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচটির কিক-অফের আগে পিএসজির সমর্থকরা দৈত্যাকৃতির একটি পতাকা নিয়ে গ্যালারিতে হাজির হন। যে ফ্ল্যাগে ফিলিস্তিনের সমর্থনে লেখা ছিল ‘ফ্রি প্যালেস্টাইন’।

উয়েফা নেশন্স লিগে ইসরাইলের বিপক্ষে ফ্রান্সের ম্যাচের আটদিন আগে এই ঘটনা ঘটালেন ফরাসি লিগের চ্যাম্পিয়ন দলটির সমর্থকরা। সেই পতাকার নিচের দিকে লেখা ছিল, ‘(খেলার) মাঠে যুদ্ধ হোক, কিন্তু বিশ্বে শান্তি বিরাজ করুক।’

এদিন ম্যাচ চলাকালীন তারা আরও একটি বার্তা লেখা ব্যানার মেলে ধরেন। যেখানে লেখা ছিল, গাজার একটি শিশুর জীবন কি অন্য শিশুর চেয়ে কম মূল্যবান?

এ বিষয়ে এক বিবৃতিতে ক্লাবটি জানিয়েছে, ‘প্যারিস সেন্ট জার্মেই আবারও ব্যক্ত করছে যে, পার্ক দ্য প্রিন্সেস ফুটবলের প্রতি আবেগপূর্ণ (নীতিমালার ব্যাপারে) আছে… এবং অবশ্যই থাকবে। যোগাযোগের স্থান এবং স্পষ্টভাবে স্টেডিয়ামে এমন বার্তার বিরোধিতা করে যা কোনো ধরনের রাজনৈতিক প্রকৃতি ধারণ করে।

ফিলিস্তিনে দখলদার ইসরাইলের আগ্রাসন ও গণহত্যার বিরুদ্ধে সোচ্চার বিশ্বের সকল মুক্তিকামী মানুষ। ফুটবলের মাঠে রাজনৈতিক কার্যকলাপ ফিফার নিষেধাজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত হলেও ফিলিস্তিনের পক্ষে সমর্থন আটকানো যায়নি কখনোই।

গত বছর স্কটিশ ক্লাব সেল্টিকের সমর্থকরা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের খেলা চলাকালীন ফিলিস্তিনের পতাকা উড়িয়ে ১৭,৫০০ ইউরো জরিমানা গুনেছিল। এবার পিএসজির ক্ষেত্রে কি সিদ্ধান্ত নেয় ফিফা সেটাই দেখার বিষয়।

এ ছাড়াও বিষয়টি ভালোভাবে নেননি ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বুহনো হোতাইয়ু। ফরাসি ক্লাবকে নিষেধাজ্ঞার প্রচ্ছন্ন হুমকিই যেন দিলেন তিনি। স্থানীয় এক রেডিওতে এই ঘটনাকে অগ্রহণযোগ্য উল্লেখ করে ক্ষোভ উগড়ে দেন হোতাইয়ু।

ক্লাবটিকে নিষেধাজ্ঞার মতো কঠিন শাস্তি দেওয়া হবে কি-না, প্রশ্নের উত্তরে সম্ভাবনা উড়িয়ে দেননি তিনি। তার ভাষ্য, আমি কোনো কিছু উড়িয়ে দিচ্ছি না। পিএসজির কাছে আমি এর ব্যাখ্যা জানতে চাইব।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৭ অক্টোবর গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ছিটমহলটিতে ইসরায়েলের নির্বিচার হামলায় এখন পর্যন্ত ৪৩ হাজার ৩০০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

মিরিকপুর গঙ্গাচরণ তপশিলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের “পুনর্মিলনী”

মোঃ লিটন মিয়া, টাঙ্গাইল
প্রকাশিত: শনিবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২৪, ১১:৫৬ অপরাহ্ণ
মিরিকপুর গঙ্গাচরণ তপশিলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের “পুনর্মিলনী”

টাঙ্গাইলে বাসাইলে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে মিরিকপুর গঙ্গাচরণ তপশিলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী-২০২৪ (এসএসসি ব্যাচ ১৯৯১-২০০০) অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২১ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় বর্নাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে পুনর্মিলনীর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।

এ উপলক্ষে মিরিকপুর গঙ্গাচরণ তপশিলী উচ্চ বিদ্যালয় ও মাঠ প্রাঙ্গণ প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের মিলনমেলায় পরিণত হয়। একে অপরের সাথে প্রানের মিলনমেলায় অংশ গ্রহণ করে, স্মৃতিচারণ, শুভেচ্ছা বিনিময় করে।

কুমুদিনী সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মোয়াজ্জেম হোসেন(১৯৯১) এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক জিতেন্দ্র লাল সরকার, বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধান শিক্ষক মো. হায়দার আলী খান, প্রাক্তন শিক্ষক মো. এরশাদ আলী খান, মো. আরফান আলী খান, জিলমোহন সরকার, জগদীশ চন্দ্র কর্মকার, রহিদাশ কর্মকার, হানিব খান, শ্রীদাম চন্দ্র  গোস্বামী, সুস্তোষ কুমার সরকার।

এসময উপস্থিতি ছিলেন ১৯৯১-২০০০ সালের এসএসসি ব্যাচের শিক্ষার্থী এবং তাদের পরিবারের সদস্যবৃন্দ। পরে সন্ধ্যায় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

নরসিংদীর মাধবদীতে চাঁদা না দেওয়ায় শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ

মোঃ আলম মৃধা, স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: শনিবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২৪, ১১:৫৩ অপরাহ্ণ
নরসিংদীর মাধবদীতে চাঁদা না দেওয়ায় শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ

মাধবদীতে চাঁদা না দেওয়ায় নুর মোহাম্মদ নামে এক টেক্সটাইল মালিককে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। আজ (২১ ডিসেম্বর) হত্যার পর গুমের উদ্দেশ্যে লাশ ফেলতে গিয়ে স্থানীয় গ্রামবাসীদের হাতে আটক হয় অভিযুক্তরা। পরে তাদের পুলিশের হাতে তুলে দেয় স্থানীয়রা।

জানা যায়, অটককৃতরা হলো মাধবদী কাঠালিয়া গ্রামের রববানি মিয়ার ছেলে রবিন (২১), একই গ্রামের এবাদুলাল্লাহ হোসেনের ছেলে রুবেল (২২), কোলাতপুর গ্রামের আব্দুল আজিজের ছেলে আলামিন (৪২), একই এলাকার আব্দুল রশিদ এর ছেলে রকিব হোসেন (২১)।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিন, রকিব, আলামিন ও রুবেলসহ বেশ কয়েকজন নুর মোহাম্মদের কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল। তবে নিহত ব্যক্তি চাঁদা দিতে অস্বীকার করেন।
এ নিয়ে তাদের সাথে টেক্সটাইল মালিকের দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। এরই জের ধরে গতকাল শুক্রবার রাতে নূর মোহাম্মদকে ফোন করে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় অভিযুক্তরা। পরে তাকে পাশের একটি বন্ধ কারখানায় নিয়ে যায়া। এক পর্যায়ে চাঁদা দাবিকারী রুবেল, রকিব, রবিন, আলামিনসহ অজ্ঞাত নামা ব্যক্তিরা নূর মোহাম্মদকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে।

হত্যার পর নিহত নূর মোহাম্মদের লাশ গুমের উদ্দেশ্যে ভোর রাতে বস্তাবন্দি করে নারায়ণগঞ্জের আড়াই হাজার সীমান্তে ফেলে দিতে যায়। লাশ ফেলার সময় স্থানীয় লোকজন দেখে ফেলে। পরে স্থানীয়রা তাদের আটক করে মাধবদী থানা পুলিশকে খবর দেয়। দুপুরে পুলিশ ঘটনা স্থলে উপস্থিত হয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে ও ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে ৪ জনকে পুলিশ হেফাজতে নেয়।

নিহত নুর মোহাম্মদ সদর উপজেলার মাধবদী কাঠালিয়া ইউনিয়নের কোলাতপুর গ্রামের আলকাস মিয়ার ছেলে।

এই হত্যার বিষয়ে জানতে মাধবদী মডেল থানার অফিসার্স ইনচার্জ মোঃ নজরুল ইসলামকে সরকারি মোবাইল নাম্বারে একাধিকবার ফোন দিলে ফোনটি রিসিভ করেননি।

রাজধানীর মগবাজারে ট্রেনের ধাক্কাই এক যুবকের মৃত্যু

আব্দুল্লাহ আল মোত্তালিব, স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: শনিবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২৪, ৮:৫১ অপরাহ্ণ
রাজধানীর মগবাজারে ট্রেনের ধাক্কাই এক যুবকের মৃত্যু

রাজধানীর মগবাজার রেলক্রসিংয়ে ট্রেনের ধাক্কায় মোঃ আপন (২২)নিহত হয়েছে। নিহত আপন কুড়িগ্রাম নাগেশ্বরী উপজেলার মৃত গোলাম মোস্তফার ছেলে। বর্তমানে মগবাজার এলাকায় ভাড়া থাকতো।

শনিবার(২১ ডিসেম্বর)সন্ধ্যা সোয়া ৫টা নাগাদ অচেতন অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে এলে জরুরী বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

হাসপাতালে নিয়ে আসা পথচারী সোহাগ বলেন, আজ বিকেলের দিকে মগবাজার রেল ক্রসিং পারাপারের সময় কমলাপুরগামী একটি ট্রেনের ধাক্কায় গুরুতর আহত হয় ওই যুবকটি।পরে দ্রুততাকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে চিকিৎসক জানান ওই যুবকটি আর বেঁচে নেই।

তিনি আরও বলে,
আমরা ওই যুবকের পকেটে থাকা কাগজে লেখা মোবাইল নাম্বারে তার পরিবারের সাথে কথা বলে তার নাম পরিচয় জানতে পেরেছি। পরিবারের সদস্যরা ঢাকা মেডিকেলের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে।

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মোঃ ফারুক হোসেন, ওই যুবকের মরদেহ হাসপাতালের জরুরী বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। আমরা বিষয়টি ঢাকা রেলওয়ে থানা পুলিশকে জানিয়েছি।