খুঁজুন
রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২৫ মাঘ, ১৪৩২

মুরাদনগরে তীব্র ভাঙন, বিলীন হচ্ছে ঘরবাড়ি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ৮:৪৭ অপরাহ্ণ
মুরাদনগরে তীব্র ভাঙন,  বিলীন হচ্ছে ঘরবাড়ি

ভারতের উজান থেকে আসা গোমতীর পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে নদীর তীরবর্তী কুমিল্লা জেলা মুরাদনগর উপজেলা সদরের চৌধুরীকান্দি ও দিলালপুর এলাকায় তীব্র আকারে দেখা দিয়েছে ভাঙন।

ইতিমধ্যে অন্তত ২০টি পরিবারের বসতভিটা নদীতে বিলীন হওয়া খবর পাওয়া গেছে। ভাঙনের ঝুঁকিতে আছে অর্ধশতাধিক পরিবারসহ গোমতী নদীর বেড়িবাঁধ। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি এখনই ভাঙ্গন ঠেকাতে না পারলে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে কয়েকটি গ্রামসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলা সদরের চৌধুরীকান্দি ও দিলাপুর এলাকায় নদীর তীরবর্তী ঘরবাড়ি ভেঙে নদীতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এতে ভিটাবাড়ি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে আনোয়ার হোসেন, রিপন মিয়া, শহিদ মিয়া, রাজু মিয়া, সাজু মিয়া, আনিছ মিয়া, শরিফ মিয়া, শাহিনুর বেগম, সকিনা বেগম, হাছান মিয়া, নুরুল ইসলাম, নয়ন মিয়া, হক মিয়াসহ অন্তত ২০টি পরিবার। এ ছাড়াও নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে কবরস্থান, বৈদ্যুৎতিক খুঁটি, হাঁস-মুরগির খামার ও মাছের পুকুরসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা।

বর্তমানে নদীর তীরবর্তী আরও বেশ কয়েকটি পরিবার নদী ভাঙনের আতঙ্কে খোলা আকাশের নিচে রাত জেগে পাহারা দিচ্ছে। অনেকেই বসতভিটা থেকে থাকার একমাত্র আশ্রয়স্থলটুকু ভেঙ্গে নিয়ে গেছে অন্যত্র। সর্বক্ষণ ভাঙ্গন আতঙ্কে, অনিদ্রা, অনাহারে প্রহর গুনছেন সহায়সম্বলহীন এই মানুষগুলো।

আনোয়ার হোসেন বলেন, গত ১০ বছরে আমাদের বসত বাড়িসহ আশেপাশের প্রায় দেড় শতাধিক বাড়িঘর গোমতী নদীর ভাঙ্গনের ফলে বিলীন হয়েছে। বাপ-দাদার ভিটেমাটির কোনো চিহ্নই এখন নেই। বর্তমানে যেখানে আছি সেটিও বিলীন হওয়ার পথে। পরিবার পরিজন নিয়ে খুব আতঙ্কে রয়েছি। সব সরকারের আমলেই আমরা এ বিষয়টি জানিয়েছি। জনপ্রতিনিধিরা এসে দেখে নদী ভাঙ্গন রোধের আশ্বাসও দিয়েছে। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি।

চার ছেলের চার ঘরসহ নিজের ঘর হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে যাওয়া সিএনজি চালক রিপন মিয়া কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, ‘আমার সব শেষ হইয়া গেছে। আমি বাচ্চা-কাচ্চা নিয়া এখন কই থাকমু। আমার থাকনের কোনো জায়গা নাই। সরকার যদি আমাগোরে থাকনের ব্যবস্থা করে না দেয় তাহলে মরণ ছাড়া উপায় নাই।’

এ বিষয়ে মুরাদনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সিফাত উদ্দিন বলেন, ইতি মধ্যে নদীর পাড়ের অধিক ঝুঁকিপূর্ণ জায়গাগুলো চিহ্নিত করে কুমিল্লা পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের কাছে একটি তালিকা প্রেরণ করা হয়েছে। তাদের সহযোগিতা পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে নদী ভাঙন রোধ করা সম্ভব হবে।

কুমিল্লা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী খান মোহাম্মদ ওয়ালিউজ্জামান বলেন, গোমতীর পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে যে ভাঙন দেখা দিয়েছে ইতিমধ্যেই আমরা সেগুলোর একটা তালিকা করে তা উপমহলে পাঠিয়েছি। নদী ভাঙন রোদে আমাদের কোনো নিজস্ব বাজেট নেই, তাই আমরা নিজে থেকে কিছু করতে পারছি না।

জামায়াত আমিরের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে ইসিতে আবেদন নারী নেত্রীদের

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:১১ অপরাহ্ণ
জামায়াত আমিরের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে ইসিতে আবেদন নারী নেত্রীদের

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের ‌‘এক্স’ (টুইটার) অ্যাকাউন্ট থেকে নারীদের নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্যের অভিযোগ তুলে তার প্রার্থিতা বাতিলের দাবি জানিয়েছেন বিতর্কিত একাধিক নারী নেত্রী। তারা প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের কাছে এ সংক্রান্ত একটি লিখিত আবেদন জমা দিয়েছেন।

রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন ভবনে সিইসির সঙ্গে সাক্ষাত করে তারা এ আবেদন জমা দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিতর্কিত গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু।

তিনি বলেন, সম্প্রতি জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান তার ভেরিফায়েড এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে কর্মজীবী নারীদের সম্পর্কে যে অবমাননাকর, কুরুচিপূর্ণ ও নারীবিদ্বেষী মন্তব্য করেছেন, তা শুধু নারীদের প্রতি চরম অবমাননাই নয়; বরং দেশের কোটি কোটি শ্রমজীবী নারীর শ্রম, সম্মান ও সামাজিক অবদানের সরাসরি অস্বীকৃতি।

মোশরেফা মিশু আরও বলেন, পরবর্তীতে দলীয়ভাবে ওই মন্তব্যকে ‘হ্যাকিং’-এর ফল বলে দাবি করা হলেও ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্ট থেকে প্রকাশিত বক্তব্যের ক্ষেত্রে এ ব্যাখ্যা গ্রহণযোগ্য নয়। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্মের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য, স্বচ্ছ তদন্ত প্রতিবেদন কিংবা প্রামাণ্য তথ্য এখনও জনসমক্ষে আসেনি।

বিতর্কিত এই নেত্রী দাবি করেন, গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যে জানা গেছে, হ্যাকিং অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার দেখানো হলেও পুলিশের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে পরস্পরবিরোধী তথ্য দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা জানান, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে হ্যাকিংয়ে জড়িত থাকার কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এতে তথাকথিত ‘হ্যাকিং’ দাবি আরও প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।

কথিত ওইসব নারী নেত্রীরা বলেন, গার্মেন্টস শিল্পসহ দেশের বিভিন্ন খাতে শ্রমজীবী নারীরা দীর্ঘদিন ধরে পরিবার, সমাজ ও জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। তাদের এই অবদানকে হেয় করে প্রকাশ্যে এমন বক্তব্য দেওয়া সংবিধানস্বীকৃত সমতা, মানবাধিকার, নারী মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের পরিপন্থি।

তারা আরও বলেন, এ ধরনের মন্তব্য নারীর প্রতি ঘৃণা, বৈষম্য ও সহিংসতার সংস্কৃতিকে উসকে দেয় এবং নারী শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও কর্মপরিবেশকে ঝুঁকির মুখে ফেলে। একজন রাজনৈতিক নেতার কাছ থেকে এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

আবেদনে চার দফা দাবি জানানো হয়। দাবিগুলো হলো-অবিলম্বে বিতর্কিত বক্তব্য প্রত্যাহার, কর্মজীবী নারী ও নারী শ্রমিকদের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা, ভবিষ্যতে নারীর মর্যাদা ও শ্রম অবমাননা করে কোনো বক্তব্য না দেওয়ার অঙ্গীকার এবং নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল।

এ সময় সিইসির সঙ্গে বৈঠকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সামিনা লুৎফা, গার্মেন্টস শ্রমিক মুক্তি আন্দোলনের সভাপতি শবনম হাফিজ, এনপিএ মুখপাত্র ফেরদৌস আরা রুমী, নারীর রাজনৈতিক অধিকার ফোরামের সংগঠক নাফিসা রায়হানা এবং আইনজীবী ও অধিকারকর্মী তাবাসসুম মেহেনাজ মিমিসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

কারাগারে বলিউডের জনপ্রিয় কমেডিয়ান রাজপাল যাদব

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:৫০ অপরাহ্ণ
কারাগারে বলিউডের জনপ্রিয় কমেডিয়ান রাজপাল যাদব

পর্দায় যাঁর উপস্থিতি মানেই হাসির রোল, সেই অভিনেতা রাজপাল যাদব এখন জেলে। ৫ কোটি রুপি ঋণ সুদে-আসলে ৯ কোটিতে পৌঁছানো এবং বারবার চেক বাউন্স হওয়ায় গত বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে দিল্লির তিহার জেলে আত্মসমর্পণ করেছেন তিনি। দিল্লি হাইকোর্ট তাঁর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কোনো দয়া না দেখিয়ে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, আইন সবার জন্য সমান।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজপাল যাদবের এই বিপত্তির শুরু প্রায় ১৬ বছর আগে। ২০১০ সালে নিজের পরিচালিত প্রথম ছবি ‘আতা পাতা লাপাতা’ নির্মাণের জন্য দিল্লির মুরলি প্রজেক্টস নামের একটি সংস্থা থেকে ৫ কোটি রুপি ঋণ নিয়েছিলেন তিনি। ২০১২ সালে ছবিটি মুক্তি পেলেও বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়ে। এর পর থেকে শুরু হয় ঋণ পরিশোধের টানাপোড়েন।

তদন্তে জানা গেছে, গত কয়েক বছরে রাজপাল আদালতকে অন্তত ২০ বার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে তিনি অর্থ শোধ করবেন। কিন্তু প্রতিবারই তিনি ব্যর্থ হয়েছেন।

প্রথম ২০১৮ সালে দিল্লির একটি আদালত চেক বাউন্স মামলায় রাজপাল ও তাঁর স্ত্রীকে দোষী সাব্যস্ত করে ছয় মাসের সাজা দেন। এরপর ২০২৪ সালে হাইকোর্ট তাঁর সাজা সাময়িকভাবে স্থগিত করে সমঝোতার সুযোগ দেন।

তবে গত বছরের ডিসেম্বরে ৪০ লাখ এবং জানুয়ারিতে ২ কোটি রুপি দেওয়ার কথা থাকলেও তিনি তা দেননি।

গত বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাজপাল যাদব ক্ষমা প্রার্থনা করে আরও এক সপ্তাহ সময় চেয়েছিলেন। কিন্তু বিচারপতি স্বর্ণ কান্ত শর্মা সেই আবেদন খারিজ করে দিয়ে বলেন, কেবল কেউ ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে যুক্ত বলে আদালত তাঁর জন্য কোনো বিশেষ নিয়ম তৈরি করতে পারেন না। নমনীয়তা দেখানো হয়েছে, কিন্তু আইন অমান্য করলে তার সাজা পেতেই হবে। আদালতের মতে, রাজপালের এই আচরণ বিচারব্যবস্থার প্রতি ‘অসম্মান’ প্রদর্শনের শামিল।

গত বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টা নাগাদ রাজপাল তিহার জেল কর্তৃপক্ষের কাছে আত্মসমর্পণ করেন। জেল সূত্রে জানা গেছে, সেখানে বর্তমানে তিনি একজন সাধারণ কয়েদি হিসেবে ছয় মাসের কারাদণ্ড ভোগ করবেন। রাজপালের আইনজীবী জানিয়েছেন, আত্মসমর্পণের পর এখন নতুন করে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে, যাতে ঋণের অর্থ পরিশোধ করে দ্রুত মুক্তি পাওয়া যায়।

হাঙ্গামা, ভুলভুলাইয়া ও চুপ চুপ কের মতো কালজয়ী সিনেমার এই অভিনেতার এমন পরিণতিতে ভক্তদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। বলিউডের কোনো তারকা এই বিপদে তাঁর পাশে দাঁড়াবেন কি না, তা নিয়ে চলছে আলোচনা।

ডা. না হয়েও পদবি ব্যবহার, জামায়াত প্রার্থীকে শোকজ

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:৪৪ অপরাহ্ণ
ডা. না হয়েও পদবি ব্যবহার, জামায়াত প্রার্থীকে শোকজ

নামের আগে ‘ডাক্তার’ পদবি ব্যবহার করার অভিযোগে ফেনী-৩ আসনে ১১ দলীয় জোট মনোনীত জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ ফখরুদ্দিনকে শোকজ করেছেন আসনের অনুসন্ধানকারী ও বিচারিক কর্মকর্তা সাজ্জাতুন নেছা।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে তাকে লিখিতভাবে এ শোকজ নোটিশ প্রদান করা হয়।

শোকজ নোটিশে উল্লেখ করা হয়, নির্বাচন আইন সহায়তা ও নির্বাচন পর্যবেক্ষক লিগ্যাল কমিটির অভিযোগ অনুযায়ী, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্যবহৃত পোস্টার, লিফলেট, ব্যানার ও ফেস্টুনে মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন নামের আগে ‘ডাক্তার’ পদবি ব্যবহার করছেন। অথচ তার নির্বাচনী হলফনামায় তিনি ‘ডাক্তার’ পদবি উল্লেখ করেননি, যা স্পষ্টভাবে নির্বাচনী আচরণবিধির লঙ্ঘন।

নোটিশে আরও বলা হয়, এমবিবিএস বা বিডিএস ডিগ্রিধারী না হয়েও ‘ডাক্তার’ পদবি ব্যবহার করা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ৭৭ (৩) (খ) অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

এমতাবস্থায় কেন মোহাম্মদ ফখরুদ্দিনের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে অপরাধ বিচারার্থে আমলে নেওয়া হবে না অথবা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পূর্ণাঙ্গ অনুসন্ধান শেষে লিখিত সুপারিশসহ বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনে প্রতিবেদন পাঠানো হবে না- সে বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শোকজ নোটিশে রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় কমিটির অস্থায়ী কার্যালয় তথা বিচারক (যুগ্ম জেলা জজ), ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল, ফেনীতে স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত জবাব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

নিরাপত্তা চেয়ে মিন্টুর জিডি:

এদিকে এই আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও দলের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু নিজের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে দাগনভূঞা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় তার পক্ষে নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের এজেন্ট মোহাম্মদ শামছুদ্দিন থানায় জিডিটি দায়ের করেন।

জিডিতে উল্লেখ করা হয়, গত ৪ ফেব্রুয়ারি বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে দাগনভূঞা উপজেলার জায়লস্কর ইউনিয়নের সিলোনীয়া বাজারে অনুষ্ঠিত জামায়াতে ইসলামীর এক নির্বাচনী সভায় দলটির নেতা মেজবাহ উদ্দিন সাঈদ, বিএনপির প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টুকে উদ্দেশ করে হুমকিমূলক বক্তব্য দেন।

তিনি বক্তব্যে বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ডা. শফিকুর রহমান ক্ষমতায় গেলে মিন্টু কোথায় পালিয়ে যাবেন- এ প্রশ্ন তোলেন। একইসঙ্গে তিনি বলেন, শেখ হাসিনা ভাত রেখে পালিয়ে গেছে, আপনাকেও কি রেখে পালাতে হবে- তা আমি বলতে চাই না।

জিডিতে আরও দাবি করা হয়, মেজবাহ উদ্দিন সাঈদসহ জামায়াতের বিভিন্ন নেতাকর্মী বিভিন্ন সময় ও বিভিন্ন মাধ্যমে নিয়মিত হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছেন। এতে করে আবদুল আউয়াল মিন্টু সম্মানহানি ও নিজের জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে উল্লেখ করা হয়। এ বিষয়ে আইনগত সুরক্ষা ও প্রতিকার চেয়ে থানায় লিখিতভাবে অবহিত করা হয়েছে।

আবদুল আউয়াল মিন্টু জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির মনোনীত ফেনী-৩ আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী। তিনি দাগনভূঞা উপজেলার আলাইয়ারপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মরহুম আলহাজ্ব শফি উল্লাহ ও বদরের নেছার বড় ছেলে।

জামায়াত আমিরের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে ইসিতে আবেদন নারী নেত্রীদের কারাগারে বলিউডের জনপ্রিয় কমেডিয়ান রাজপাল যাদব ডা. না হয়েও পদবি ব্যবহার, জামায়াত প্রার্থীকে শোকজ আইন সুরক্ষা ফাউন্ডেশন (আসুফ) রাজশাহী বিভাগীয় কমিটির সকল কার্যক্রম স্থগিত মুম্বাইয়ে জমকালো অনুষ্ঠান, অন্যান্য স্টেডিয়াম ফাঁকা