জামিনে মুক্তি পেলে মামলার বাদী ও স্বাক্ষীকে হত্যার শঙ্কা, বিজ্ঞ আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ
রাজশাহীর কাশিয়াডাঙ্গায় মামলার বাদীকে হত্যার উদ্দেশ্যে বেধড়ক পিটিয়ে জখম করা মামলায় রাজশাহীর কাশিয়াডাঙ্গা থানা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছে কুখ্যাত মাদক চোরাকারবারি চক্রের মূল হোতা জনি সহ আসামিদের গ্যাং। তবে হুমকি ও চাপের কারণে রীতিমতো আতঙ্কে আছে মামলার বাদী।
শনিবার (১ অক্টোবর) আসামিরা আটক হয় বলে নিশ্চিত করে কাশিয়াডাঙ্গা থানা পুলিশ। এরপর থেকেই বাদী ও তার পরিবারের উপর চাপ শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার।
১ অক্টোবর ৫ আসামির মধ্যে ৩ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। মামলার নাম্বার- ১৯/১৭৯। গ্রেফতারকৃত ৩ আসামি হলেন- মোঃ জনি (২৭), মোঃ নিরব (২৬) ও মোসাঃ সেলিনা বেগম (৫৫)।
অন্যদিকে পালিয়ে থাকা আসামিরা হলেন- মোঃ সজিব (২৭) ও মোঃ আজানুর (৩৩)। সজিব ও আজানুর উগ্র হওয়ার কারণে স্বস্তি পায়নি বাদী শিরিন বেগম। এরমধ্যেই নানামহল থেকে আসছে একের পর এক হুমকি ও চাপ। তাছাড়া প্রকৃত ঘটনা ও মামলা নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করায় সাংবাদিককে মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছে আসামিপক্ষের গ্যাং সোহেল। ফলে বাদীপক্ষের আতঙ্ক আরও বেড়েছে।
বলে রাখা ভালো, জমি বিরোধের জেরে দায়েরকৃত মামলার স্বাক্ষী আনোয়ার মুকিতকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করে মামলার আসামিরা। জমির প্রকৃত ওয়ারিশদের বঞ্চিত করে গোপনে জমি লিখে নেয়ার অপচেষ্টা, ওয়ারিশদের মারধর, শ্লীলতাহানি সহ বিভিন্ন অভিযোগে উপরোক্ত আসামিদের নামে একাধিক মামলা করে ভুক্তভোগী শিরিন বেগম ও এতিম মেয়ে আননি খাতুন।
নতুন করে আতঙ্কের বিষয়ে বাদী শিরিন বেগম বলেন, আমরা এ পর্যন্ত অনেক মার খেয়েছি, অন্য মামলার বাদী আননিকেও ওরা মেরেছে। জমির মামলার স্বাক্ষী আমার স্বামীকে ওরা মেরে ফেলার উদেশ্যে হামলা করে। সবশেষ আজ ওরা ৩জন গ্রেফতার হলেও ২ জন বাইরে রয়ে গেছে। ওরা আমাদেরকে পেলেই মেরে ফেলবে। তাছাড়া আটক আসামিরা জামিনে বেরিয়ে এসে আমাদেরকে আবার মারবে বলেও আমাদের ভয় হচ্ছে। কারণ জনি, তার গ্যাং, জনির মা সেলিনা বেগম বিভিন্ন মাধ্যমে আমাদের হুমকি দিয়েছে। আমরা চাই ওদের যেনো জামিন না হয়। কারণ জামিনে ওরা বেরিয়ে এসে আমাদেরকে মেরে ফেলবে। আমরা বাংলাদেশের আইনের কাছে আশ্রয় চাই।





আপনার মতামত লিখুন