খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ১৭ বৈশাখ, ১৪৩৩

আন্তর্জাতিক নদীকৃত্য দিবসে হোমনায় তিতাস নদীতে নৌ র‍্যালি অনুষ্ঠিত

হোমনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ৯:৫৯ অপরাহ্ণ
আন্তর্জাতিক নদীকৃত্য দিবসে হোমনায় তিতাস নদীতে নৌ র‍্যালি অনুষ্ঠিত

কুমিল্লার হোমনায় আন্তর্জাতিক নদী কৃত্য দিবস উপলক্ষে তিতাস নদী রক্ষার দাবিতে নৌ র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘বাংলাদেশের নদী বাংলাদেশের প্রাণ, দেশ বাঁচান নদী বাঁচান’ স্লোগানে পরিবেশবাদী যুব সংগঠন গ্রীন ভয়েস হোমনা উপজেলা শাখা এ কর্মসূচির আয়োজন করে।

শনিবার (১৪ মার্চ) সকালে উপজেলার রামকৃষ্ণপুর বাজার লঞ্চঘাট এলাকায় তিতাস নদীর ওপর এই নৌ র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, পরিবেশকর্মী ও স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা অংশ নেন।

গ্রীন ভয়েস হোমনা উপজেলা শাখার সমন্বয়ক সৈয়দ আনোয়ারের সভাপতিত্বে এবং গ্রীন ভয়েস বাঞ্ছারামপুর উপজেলা শাখার সমন্বয়ক মেহেদি হাসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন রামকৃষ্ণপুর ডিগ্রি কলেজ শাখার সমন্বয়ক জয় দেব ঘোষ।

এছাড়া বক্তব্য রাখেন সমাজকর্মী মো. শওকত আলি মোল্লা-উপদেষ্টা হোমনা উপজেলা শাখা,মো. মজিবুর রহমান-উপদেষ্টা বাঞ্ছারামপুর উপজেলা, নিলয় ঘোষ-সমন্বয়ক মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি শাখা, শিশির, সুমন, অন্তু ও বায়োজিদ মিয়াসহ পরিবেশকর্মীরা।

বক্তারা বলেন, নদী বাংলাদেশের জীববৈচিত্র্য, পরিবেশ ও অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রাকৃতিক সম্পদ। কিন্তু এক সময়ের খরস্রোতা ও প্রাণবন্ত তিতাস নদী বর্তমানে দখল, দূষণ ও অব্যবস্থাপনার কারণে অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে।

তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে নদীটি যথাযথভাবে খনন না হওয়ায় নাব্যতা কমে যাচ্ছে এবং নদী ক্রমেই সংকুচিত হয়ে পড়ছে। পাশাপাশি নদীর তীর দখল করে অসংখ্য অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠেছে, যা নদীর স্বাভাবিক প্রবাহকে বাধাগ্রস্ত করছে। তাছাড়া নদীর তীরে বসবাসকারী মানুষের গৃহস্থালি বর্জ্য, হাট-বাজারের আবর্জনা এবং বিভিন্ন ড্রেনেজ লাইনের দূষিত পানি সরাসরি নদীতে গিয়ে পড়ায় নদীর পানি মারাত্মকভাবে দূষিত হয়ে পড়ছে।

পরে তিতাস নদীর বিভিন্ন বাঁকে অবস্থান নিয়ে নদী রক্ষায় করণীয় বিষয়ে বক্তব্য ও স্লোগানের মাধ্যমে জনসচেতনতা সৃষ্টি করা হয়। দিনব্যাপী এ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা নদী রক্ষায় সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান জানান।

জামায়াত নেতা আজহারের প্রশ্ন

১৯৭৮ সালে জন্ম নেয়া বিএনপি কীভাবে মুক্তিযুদ্ধের দল হয় ?

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৩০ অপরাহ্ণ
১৯৭৮ সালে জন্ম নেয়া বিএনপি কীভাবে মুক্তিযুদ্ধের দল হয় ?

১৯৭৮ সালে জন্ম নেওয়া বিএনপি কীভাবে মুক্তিযুদ্ধের দল হতে পারে, এমন প্রশ্ন তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য ও দলের নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম।

তিনি বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কথা বলা হয়, বিএনপি দাবি করে মুক্তিযুদ্ধের দল। অথচ বিএনপি প্রতিষ্ঠা হয়েছে ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর, আর মুক্তিযুদ্ধ হয়েছে ৭১ সালে; বিএনপি কীভাবে মুক্তিযুদ্ধের দল হতে পারে। তাহলে এটা কীভাবে আমি মূল্যায়ন করবো? বিএনপিতে মুক্তিযোদ্ধা আছে, এটা আপনি বলতে পারেন। তদ্রুপ জামায়াতে ইসলামীতেও মুক্তিযোদ্ধা আছে।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনাায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন এটিএম আজহারুল ইসলাম।

তিনি বলেন, প্রেসিডেন্টের ভাষণের পর ধন্যবাদ জানানোর জন্য আমাকে সুযোগ দেওয়া হয়েছে। আমি প্রেসিডেন্টকে ধন্যবাদ দেবো কীভাবে? এই প্রেসিডেন্ট কে? তিনি আওয়ামী লীগের দোসর। আওয়ামী লীগকে আমরা ফ্যাসিস্ট বলছি, আওয়ামী লীগ ফ্যাসিস্ট হওয়ার সুযোগ কীভাবে পেলো? আমাদের দেশের আইন আর ভারতের সরাসরি সহযোগিতায়। আজ সে আওয়ামী লীগ ভারতেই পালিয়ে গেছে। কিন্তু সেই আওয়ামী লীগের তৈরি করা ফ্যাসিস্টের প্রেসিডেন্ট এবং সেই আওয়ামী লীগ যে ভারতীয় আধিপত্যের দোসর ছিল, সেই প্রেসিডেন্টকে আমি কীভাবে সমর্থন করতে পারি?

সেই ফ্যাসিস্টের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসা দল কীভাবে ফ্যাসিস্টের দোসর রাষ্ট্রপতিকে ধন্যবাদ জানায়, সে প্রশ্ন তোলেন এটিএম আজহার। তিনি বলেন, তাহলে কি আমরা ধরে নেবো যে আপনারা কোনো ব্যক্তি, কোনো দল অথবা কোনো শক্তিকে খুশি করতে চান?

তিনি বলেন, শুধু তাই নয়, আমি অত্যন্ত বেদনার সঙ্গে বলতে চাই, বিএনপি একটি বড় রাজনৈতিক দল, তাদের মহিলা নেত্রীরা রাজপথে আন্দোলন করেছে এবং তাদের অনেক ভূমিকা আছে। কিন্তু আশ্চর্য হয়ে দেখলাম যে, তাদের সংরক্ষিত নারী আসনে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী থানার মহিলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদককে মনোনয়ন দিয়েছেন। কেন? এটা কি আপনাদের দৈন্যের কারণে? নাকি আপনারা কোনো শক্তিকে খুশি করতে চান, তাদের সহযোগিতায় ক্ষমতায় থাকতে চান? সে প্রশ্নের জবাব আপনারা দেবেন। এ প্রশ্ন জনগণের সামনে আছে।

এদিকে বিভিন্ন স্থানে সরকারি দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ করে ‘নিরাপত্তা কার্ড’ প্রবর্তনের ব্যবস্থা করতে বলেন এটিএম আজহারুল ইসলাম। তিনি সরকারি দলের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আমি আপনাদের হেয় করার জন্য কথা বলছি না, একবার চিন্তা করেন। দেশপ্রেমিক বলি আমরা, গণতান্ত্রিক শক্তি বলি আমরা, কিন্তু আজ আমরা এমপিরা স্বাধীনভাবে চলতে পারছি না। আজ আমাদের আক্রমণ করা হচ্ছে, অনেক কর্মীকে আক্রমণ করা হচ্ছে।’

জামায়াতের এই সদস্য বলেন, আমার এলাকার সরকারি কাজে সহযোগিতা করতে গিয়ে বিএনপির কর্মীদের দ্বারা লাঞ্ছিত হয়েছি, এখনো ভয় দেখানো হচ্ছে। এজন্য অনেকে হাসতে হাসতে বলে, এত কার্ড পাইলাম, এখন ‘নিরাপত্তা কার্ড’র ব্যবস্থা করেন।

রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে এটিএম আজহারুল ইসলাম মুক্তিযুদ্ধ প্রসঙ্গে কথা বলেন। আজহার একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আর্ন্তজাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত ছিলেন। বক্তব্যের শুরুতে তিনি বিষয়টির উল্লেখ করেন।

আজহার বলেন, ‘আমি সুপ্রিম কোর্টের সর্বোচ্চ আদালতে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলাম। যে কোনো মুহূর্তে আমার ফাঁসির দণ্ড কার্যকর করা হতো। ঠিক সেই মুহূর্তে ২৪ সালের ৫ আগস্ট বিপ্লব বলি অথবা অভ্যত্থান করি, তার মাধ্যমে আমার মুক্তির পথ সুগম হয়। আমি এই জন্য জুলাইযোদ্ধা– যারা শহীদ হয়েছেন, তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।’

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের উল্লেখ করে আজহার বলেন, জুলাই আন্দোলন হঠাৎ করে হয়েছে এটা যেমন ঠিক নয়, তবে জুলাই আন্দোলন এত সরকার পরিবর্তনের জন্য হয়নি। একটা সরকার যাবে, আরেকটা সরকার আসবে– এ আন্দোলন তা ছিল না। একটা পরিবর্তনের আন্দোলন ছিল। এই পরিবর্তন আন্দোলন ছিল বলেই আমাদের ঐকমত্য কমিশনের মাধ্যমে আমরা সুপারিশ দাঁড় করিয়েছিলাম, যার মাধ্যমে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং জনগণ ৭০ শতাংশ গণভোটের পক্ষে রায় দিয়েছে।

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে স্মরণ করে আজহার বলেন, প্রেসিডেন্ট জিয়া অমর হয়ে থাকবেন তিনটি কারণে। তিনি বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, তিনি ঐক্যের রাজনীতি করেছিলেন এবং তিনি আধিপত্যবাদবিরোধী ছিলেন। তার ৭ নভেম্বরের বিপ্লবের মাধ্যমে বাংলাদেশ আধিপত্যবাদমুক্ত হয়। বেগম খালেদা জিয়া অমর হয়ে থাকবেন। তিনি বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন, তিনি জনগণের কাছে খেতাব পেয়েছেন আপসহীন নেত্রী। তিনিও ঐক্যের রাজনীতি করেছেন।

এটিএম আজহার বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে, বিশেষ করে ১৬ বছরে দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর চেয়ে বেশি কেউ নির্যাতনের শিকার হয়নি। আর কোনো দলের প্রধান নেতা, সেক্রেটারি জেনারেল থেকে শুরু করে ১১ জনকে জেলখানায় ফাঁসি দিয়ে এবং বিনাচিকিৎসায় হত্যা করা হয়।

আজহারুল ইসলাম বলেন, জামায়াতে ইসলামী প্রমাণ করেছে তারা বাংলাদেশের জনগণকে ভালোবাসে। তারা ভয় করে জীবন রক্ষা করার জন্য সুন্দর জীবনযাপন করার জন্য কোনো সময় দেশ থেকে পালিয়ে যায়নি। ফাঁসির মঞ্চে গিয়েছেন শহীদ হয়েছেন, দেশ তো ছাড়েন নাই। এদেশের জনগণ জানেন কারা ত্যাগ বেশি স্বীকার করেছে। আমি কারও ত্যাগকে অস্বীকার করি না, ছোট করে দেখতে চাই না। এমন কথা বলবেন না যেটা জনগণ বিশ্বাস করে না এবং আমাদের মনে আঘাত সৃষ্টি করে।

তিনি বলেন, আপনি একদিকে ঐক্যের কথা বলবেন, আবার ঐক্য বিনিষ্ট হয়, জাতীয় সংসদে এ ধরনের কথাও বলবেন। আর পরবর্তীসময় আমাদের নসিহত করবেন যে আপনি এমন কথা বলেন কেন, যেটাতে ঐক্য নষ্ট হবে। আমরা তো শহীদ জিয়া, বেগম জিয়ার মুখে এমন কথা শুনিনি। আপনারা কি অস্বীকার করবেন? নিজামী সাহেবসহ আমরা যখন গ্রেফতার ছিলাম, আমাদের মুক্তির দাবি বেগম খালেদা জিয়া করেছিলেন। তাহলে কি আপনি বলবেন, উনি মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তিকে বা দলগুলো, লোকগুলোর মুক্তির আন্দোলন করেছিলেন। কারণ উনি ঐক্যের রাজনীতি চেয়েছেন। দেশকে গঠন করতে হলে বিভক্ত রাজনীতির মাধ্যমে কোনো দেশ কোনোভাবেই এগিয়ে যেতে পারে না । কিন্তু সেটাই দেখতে পাচ্ছি।

যে কারণে সংসদে নিজের আসনে না বসে পেছনে বসলেন প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:২২ অপরাহ্ণ
যে কারণে সংসদে নিজের আসনে না বসে পেছনে বসলেন প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় সংসদে অধিবেশন চলাকালে নিজের নির্ধারিত আসনে না গিয়ে পেছনের সারিতে বসে সংসদীয় রীতি মেনে চলার নজির স্থাপন করলেন সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনার সময় এ ঘটনা ঘটে।

আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান যখন বক্তব্য দিচ্ছিলেন, ঠিক সেই সময় অধিবেশন কক্ষে প্রবেশ করেন সংসদ নেতা। তবে নিজের নির্ধারিত আসনে যেতে হলে বক্তার সামনে দিয়ে অর্থাৎ স্পিকার ও বক্তার মাঝখান দিয়ে যেতে হতো। সংসদীয় বিধি অনুযায়ী এটি শৃঙ্খলাভঙ্গ হিসেবে বিবেচিত হওয়ায় তিনি তা না করে পেছনের সারিতে একটি আসনে বসেন।

পরে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল বিষয়টি উল্লেখ করে বলেন, সংসদে ‘শৃঙ্খলা ও শালীনতা’ বজায় রাখার ক্ষেত্রে সংসদ নেতার এই আচরণ অন্য সদস্যদের জন্যও উদাহরণ হওয়া উচিত।

তিনি বলেন, ‘মাননীয় সদস্যবৃন্দ, আমরা মহান জাতীয় সংসদে সর্বদা একটা শৃঙ্খলা চাই। আজকে মাননীয় সংসদ নেতা যে ডিসেন্সি এবং শৃঙ্খলার নিদর্শন দেখিয়েছেন, আমরা অন্যান্য সম্মানিত সদস্য, মাননীয় সদস্য যারা আছি, তারা আমরা একটু অবজারভ করব।’

ডেপুটি স্পিকার বলেন, ‘আজকে মাননীয় সদস্য বক্তব্য রাখছিলেন। মাননীয় আইনমন্ত্রী, উনার সামনের আসন ছিল মাননীয় সংসদ নেতার, যেহেতু ফ্লোর ক্রসিং হয়ে যাবে, উনি তৃতীয়তে বসলেন। এইটা আমি একটা এক্সাম্পল দিচ্ছি টুয়ার্ডস অল দা আদারস অনারেবল মেম্বার। লেট আস লার্ন।’

উল্লেখ্য, সংসদীয় কার্যপ্রণালী বিধির ২৬৭(৪) উপবিধি অনুযায়ী, কোনো সদস্য কথা বলার সময় তার ও স্পিকারের মাঝখান দিয়ে অন্য সদস্যের যাতায়াত নিষিদ্ধ। এই বিধান মূলত বক্তব্যরত সদস্যের প্রতি সম্মান ও সংসদের মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে। একই অধ্যায়ে বলা হয়েছে, সংসদ সদস্যদের অধিবেশনকক্ষে চলাফেরা, বসা, ওঠা এবং বক্তব্যের সময় এমন আচরণ করতে হবে যাতে কার্যক্রম ব্যাহত না হয় এবং চেয়ারের মর্যাদা অক্ষুণ্ন থাকে।

তামিম নির্বাচিত হয়নি, নির্বাচন আয়োজনের দায়িত্ব পেয়েছে: সাকিব

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৫৩ অপরাহ্ণ
তামিম নির্বাচিত হয়নি, নির্বাচন আয়োজনের দায়িত্ব পেয়েছে: সাকিব

দেশের ক্রিকেটের অন্যতম সেরা দুই তারকা হলেন সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবাল। ক্যারিয়ারের শুরু থেকে লম্বা সময় ধরে তারা ছিলেন একে অপরের খুব ভালো বন্ধু। কিন্তু ক্যারিয়ারের শেষলগ্নে তাদের সেই বন্ধুত্বে সম্পর্কে ফাঁটল ধরে। দেখা দেয় বৈরিতা। আর সেই বৈরিতা চরম পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছায়; যা এখনো বিদ্যমান।

সাকিব–তামিমের সম্পর্ক নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপ্রীতিকর অনেক সমালোচনা রটে। যা দেখে ক্রিকেট বিশ্লেষক থেকে শুরু করে সাধারণ দর্শকরাও বিরক্তি প্রকাশ করেন।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে আওয়ামী লীগের দোসর হিসেবে বিপদে আছেন সাকিব। ক্রিকেট থেকে অবসরের আগে আওয়ামী লীগের নৌকার প্রতীকে মাগুরা-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া সাকিবের বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক মামলা।

খুনের মামলায়ও তাকে আসামি করা হয়েছে। গ্রেফতার এড়াতে যুক্তরাষ্ট্রে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর পাশাপাশি দীর্ঘদিন হলো বিদেশে ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ খেলেছেন সাকিব।

অন্যদিকে তামিম ইকবাল এখন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) প্রধানের দায়িত্ব পালন করছেন। গত ৭ এপ্রিল আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বাধীন বিসিবির নির্বাচিত পরিচালনা পর্ষদকে ভেঙে দিয়ে; তামিমকে প্রধান করে ১১ সদস্যের এডহক কমিটি গঠন করে দেয় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে তিন মাসের মধ্যে তামিম ইকবালকে বিসিবির নির্বাচন আয়োজন করতে হবে।

ক্রিকেট বোর্ডে তামিম ইকবালের নতুন দায়িত্ব প্রসঙ্গে সাকিব আল হাসান সম্প্রতি বলেছেন, ‘তামিম এখনও নির্বাচিত হয়ে আসেননি, তাকে নির্বাচন আয়োজনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে ভবিষ্যতে তিনি যদি নির্বাচিত হয়ে সভাপতি হন এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করেন, তাহলে বাংলাদেশ ক্রিকেট তার কাছ থেকে লাভবান হবে বলে আমি মনে করি।’

১৯৭৮ সালে জন্ম নেয়া বিএনপি কীভাবে মুক্তিযুদ্ধের দল হয় ? যে কারণে সংসদে নিজের আসনে না বসে পেছনে বসলেন প্রধানমন্ত্রী তামিম নির্বাচিত হয়নি, নির্বাচন আয়োজনের দায়িত্ব পেয়েছে: সাকিব রোমানিয়ায় অবৈধভাবে বসবাসরত বাংলাদেশিদের জন্য সুখবর লিটারে ৪ টাকা বাড়লো বোতলজাত তেলের দাম