খুঁজুন

বকেয়া বেতন ইস্যুতে তাফরিদ কটন মিলের এমডি সামিউলের প্রতারণা

স্টাফ রিপোর্টার:
প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৪, ১০:৩৪ অপরাহ্ণ
বকেয়া বেতন ইস্যুতে তাফরিদ কটন মিলের এমডি সামিউলের প্রতারণা

প্রতিষ্ঠানের স্টাফদের বেতন আটকে রেখে তা পরিশোধের আশ্বাস দিয়েও পাওনাদারদের নাকে দড়ি দিয়ে ঘোরাচ্ছেন বলে অভিযোগ এসেছে এমডি শেখ মোঃ সামিউল ইসলামের বিরুদ্ধে। স্টাফদের বেতন আটকে রাখা, সবাইকে মানসিক টর্চার করা, ব্যাংক ঋণ নিয়ে পরিশোধ না করা, স্টাফদের বেতন থেকে আয়কর কেটে রাখলেও সরকারি কোষাগারে জমা না দেয়াসহ ভয়ংকর সব বিষয়ে তাফরিদ কটন মিলসের এমডি সামিউল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন স্টাফরা।

বাধ্য হয়ে সংবাদ সম্মেলন করে সংবাদ প্রচার, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, থানা-পুলিশ, কলকারখানা পরিদর্শক এবং শ্রম আদালতে অভিযোগ দায়ের করার পর টনক নড়ে তাফরিদ কটন মিলের এমডি সামিউল ইসলামের। দীর্ঘদিন পর আজ সোমবার (১৪ অক্টোবর) উত্তরা পশ্চিম থানায় দুপুর সাড়ে বারোটায় আলোচনায় বসতে সম্মত হয়েছিলেন এমডি সামিউল ইসলাম। তবে শেষপর্যন্ত সেই বৈঠক আর হয়নি।

এমডি সামিউল ইসলামের বিরুদ্ধে তার স্টাফদের অভিযোগের কোনো ইয়ত্তা নেই। দীর্ঘদিন ধরে চালিয়ে আসা স্বৈরাচারসুলভ আচরণের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রচার হলে অভিযুক্ত তাফরিদ কটন মিলের এমডি সামিউল ইসলামের বিষয়ে নড়ে চড়ে বসে প্রশাসন। ইতিমধ্যেই ব্যাংক এশিয়া তাফরিদ কটন মিলের হবিগঞ্জ ফ্যাক্টরি নিলামে তোলার জন্য পত্রিকায় সার্কুলার প্রদান করেছে।

তাফরিদ কটন মিলের স্টাফদের ভাষ্য অনুযায়ী, ‘দীর্ঘ ২০ বছর যাবত তাফরিদ কটন মিলের এমডি সামিউল ইসলাম তার প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা কর্মচারীদের নিকট থেকে কৌশলে সরকারি কর আদায় করেন কিন্তু কখনো জমা করেননি। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশ শ্রম আইন ও চাকরিজীবী নীতিমালা তোয়াক্কা না করেই যখন তখন কর্মীদের ছাটাই, মানসিক এবং শারীরিকভাবে লাঞ্চিত করেন এই সামিউল ইসলাম।’

পরিচয় গোপন রাখার শর্তে কয়েকজন স্টাফ জানান, ‘এমডি সামিউল ইসলাম কৌশলে শুধু স্টাফদের বেতন আটকে রাখতেন তা-ই নয়। বিভিন্ন ব্যবসায়ী, পাওনাদারদের টাকাও আটকে রাখতেন। সেক্ষেত্রে ব্যাংক চেক ব্যবহার করে পাওনাদরদের নাকে দড়ি দিয়ে ঘোরাতেন। আওয়ামিলীগ সরকারের আমলে বিভিন্ন মহলে যোগাযোগ রেখে নিয়মিত হুমকি, অশালীন আচরণ এককথায় মাফিয়ার ভূমিকায় ছিলেন সামিউল।’

তবে গত পাঁচই আগস্ট ছাত্র জনতার বিপ্লবের পর সামিউলের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে শুরু করে অত্যাচারে জর্জরিত স্টাফরা। রাজধানীর একটি হোটেলে তারা সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই অন্যায়ের প্রতিবাদ করে এবং তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে সর্বমহলে দাবি জানাই।

তাফরিদ কটন মিলের কয়েকজন সাবেক কর্মকর্তা জানান, কৌশলে হুমকি ও চাকরিচ্যুতির ভয়ে আতঙ্কিত হয়েও সামিউলের বিরুদ্ধে এর আগেও সবাই সোচ্চার হতে চেয়েছে, করেছে প্রতিবাদ। কিন্তু সামিউল ইসলাম সবসময়ই কৌশল গ্রহণ করেন। আন্দোলনরত কর্মকর্তা কর্মচারীদের ভিতর থেকে দু’এক জনকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি অথবা লোভ দেখিয়ে আন্দোলন বানচাল করার চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ এসেছে। এমনকি এবারের আন্দোলনকেও সামিউল কৌশলে সর্বশক্তি প্রয়োগ করে বানচাল করতে চেয়েছে বলে অভিযোগ এসেছে।

সবশেষ আন্দোলনরত স্টাফদের বেতন পরিশোধের আশ্বাস দিয়ে আজ সোমবার উত্তরা পশ্চিম থানায় বসতে চেয়েছিলো এমডি সামিউল ইসলাম। কিন্তু সে আশায় গুড়ে বালি। সামিউল ইসলাম তার অফিসের এ্যাডমিন থেকে প্রতিনিধি পাঠিয়ে জানান, তিনি আজ বসতে পারবেন না, এমনকি টাকাও দিতে পারবেন না। উল্টো পাওনাদার, স্টাফদের বিরুদ্ধে তুলেছেন নানা অভিযোগ। অর্থাৎ আগের নাটকের একই পুনরাবৃত্তি।

এবিষয়ে ব্যাপক ক্ষোভ প্রকাশ করেছে পাওনাদার স্টাফরা। তারা বাধ্য হয়ে ছাত্র জনতার আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়া সমন্বয়কদের দারস্থ হয়ে অভিযোগ করে। ঘটনার বিস্তারিত জেনে সমন্বয়কেরাও এমডি সামিউলকে আজ রাতের মধ্যে সিদ্ধান্ত জানাতে বলে। সেই সাথে উত্তরা পশ্চিম থানার অফিসার ইনচার্জও সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এখন দেখার বিষয়- বঞ্চিত স্টাফরা তাদের পাওনা বকেয়া বেতন পান, না-কি আবারো তাদেরকে দারে দারে ঘুরতে হয়।

‘কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৩০ অপরাহ্ণ
‘কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু

‘আমি বেঁচে থাকতে কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’-নির্বাচনী মাঠে এমন দৃঢ় প্রত্যয়ের কথা বলার কয়েক ঘণ্টা পরই চিরতরে নির্বাচনী মাঠ ছাড়লেন কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম খোকন।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়ে দিনভর গণসংযোগ করার পর রাতেই না ফেরার দেশে চলে যান তিনি।

তিনি চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এবং কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ছিলেন। গত কয়েক মাস ধরে শুহিলপুর ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ভোটার ও সমর্থকদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছিলেন তিনি।

জানা যায়, এদিন নিজের ইউনিয়ন শুহিলপুরে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার লক্ষে হাজারো নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে গণসংযোগ করেন বিএনপির এ নেতা। চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে দিনভর নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে নির্বাচনী শোডাউন করেছিলেন তিনি। সন্ধ্যায় পথসভায়ও দিয়েছিলেন জয়ের প্রত্যয়ী বক্তব্য।

দিনভর প্রচারণা শেষে গতকাল সন্ধ্যায় শালিখা বাজারে আয়োজিত পথসভায় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বক্তব্য দেন খোকন।

পথসভায় বিএনপি নেতা বলেন, আপনারা কি চান, শাওন সাহেব (বর্তমান এমপি) আমাকে দলীয় প্রার্থী করুক? তাহলে নিশ্চিত থাকেন, শাওন সাহেব এই ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আমাকে প্রার্থী ঘোষণা করবেন।

তার বক্তব্যে ছিল নির্বাচনে জয়ের প্রত্যয়, ছিল ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা পরিকল্পনা। নেতা-কর্মীদের মধ্যেও ছিল উৎসাহ-উদ্দীপনা। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানেই যেন বদলে গেল সবকিছু।

সারাদিনের নির্বাচনী কর্মসূচি শেষে রাতে বাড়ি ফিরে খাবার খান সাইফুল ইসলাম খোকন। এরপর ঘুমাতে যাওয়ার প্রস্তুতিকালে রাত আনুমানিক ১২টার দিকে হঠাৎ বুকে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করেন তিনি। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে ইলিয়টগঞ্জ বাজারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে পরে দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর বাজারের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে সেখানে তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন মেঝ ছেলে সাঈদ।

মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেও যে মানুষটি নেতা-কর্মীদের সামনে দাঁড়িয়ে নির্বাচনে নিজের প্রার্থিতার কথা বলছিলেন, রাত না পেরোতেই সেই মানুষটিই চলে গেলেন না ফেরার দেশে। থেমে গেল তার রাজনৈতিক পথচলা। থেমে গেল চেয়ারম্যান হওয়ার স্বপ্ন। নির্বাচনী মাঠ থেকে সরে গেলেন ঠিকই তবে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বীর কাছে পরাজিত হয়ে নয়, চিরদিনের জন্য।

সাইফুল ইসলাম খোকনের আকস্মিক মৃত্যুতে শুহিলপুর ইউনিয়নসহ পুরো চান্দিনার রাজনৈতিক অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজন, রাজনৈতিক সহকর্মী, নেতা-কর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে বিরাজ করছে গভীর শোক ও বেদনা।

জানা যায়, আজ সকাল ১১টায় ইলিয়টগঞ্জ রা.বি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার নামাজে জানাজে শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

এদিকে জানাজা নামাজের আগে কুমিল্লা-৭ আসনের সংসদ সদস্য উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আতিকুল আলম শাওন বলেন, সাইফুল ইসলাম খোকন আমার মরহুম পিতার সময়কাল থেকে বিএনপি’র রাজনীতি করেছেন। আমার কয়েকজন অভিভাবকদের মধ্যে তিনিও ছিলেন একজন। তার এই মৃত্যুতে শুহিলপুর ইউনিয়নসহ উপজেলা বিএনপিতে শূন্যতা সৃষ্টি হবে।

‘ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৩ অপরাহ্ণ
‘ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি

‘তুমি এখনো ভালো হওনি, ভালো হয়ে যাও মাসুদ’- সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের এমন মন্তব্যের পর দেশজুড়ে পরিচিতি পাওয়া বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) কর্মকর্তা মো. মাসুদ আলমকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় বদলি করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংস্থাটির আরও কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার দায়িত্বেও রদবদল আনা হয়েছে।

গত ৩১ আগস্ট বিআরটিএ চেয়ারম্যানের কার্যালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ বদলি ও পদায়নের বিষয়টি জানানো হয়। আদেশে উল্লেখ করা হয়, জনস্বার্থে নেওয়া এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে।

অফিস আদেশ অনুযায়ী, বিআরটিএ চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) মো. মাসুদ আলমকে ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

অন্যদিকে ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) শফিকুজ্জামান ভূঞাকে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের একই পদে বদলি করা হয়েছে। ফলে মাসুদ আলমের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন তিনি।

উল্লেখ্য, বিআরটিএর সেবা ও অনিয়ম নিয়ে এক পরিদর্শনকালে কর্মকর্তা মাসুদ আলমকে উদ্দেশ করে ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, ‘তুমি এখনো ভালো হওনি, ভালো হয়ে যাও মাসুদ।’ তার সেই বক্তব্য দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং মাসুদ আলমকে ঘিরে আলোচনা তৈরি হয়।

বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

মোঃ রেজাউল করিম, সিনিয়র রিপোর্টার:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৪ অপরাহ্ণ
বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকালে উপজেলার মুকুন্দগাঁতী ও ক্ষিদ্রমাটিয়া গ্রামের উদ্যোগে ও ঢাকা ব্যাংক পি এল সি অর্থায়নে ক্ষিদ্রমাটিয়া গ্রামের যমুনা নদীর শাখায় তিন দিনব্যাপী এই মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য আমিরুল ইসলাম খাঁন আলীম। 

বাইচ কমিটির সভাপতি আলতাফ হোসেনের সভাপতিত্বে আরোও উপস্থিত ছিলেন, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিষ্টার শাহানাজ প্রধান, সহকারী পুলিশ সুপার বেলকুচি সার্কেল শহিদুল ইসলাম, বেলকুচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোক্তারুজ্জামান, বেলকুচি কলেজের অধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা বিএনপির সদস্য গোলাম আজম, উপজেলার বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক মন্ডলসহ স্থানীয় গনমান্য ব্যক্তিবর্গ। 

সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পানসি ১৮ টা ও ১২ টা কোষা নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করেন। আগামী ৬ সেপ্টেম্বর রবিবার বাইচ প্রতিযোগিতার চুড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হবে।