খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৫, ২০ চৈত্র, ১৪৩১

বকেয়া বেতন ইস্যুতে তাফরিদ কটন মিলের এমডি সামিউলের প্রতারণা

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৪, ১০:৩৪ অপরাহ্ণ
বকেয়া বেতন ইস্যুতে তাফরিদ কটন মিলের এমডি সামিউলের প্রতারণা

প্রতিষ্ঠানের স্টাফদের বেতন আটকে রেখে তা পরিশোধের আশ্বাস দিয়েও পাওনাদারদের নাকে দড়ি দিয়ে ঘোরাচ্ছে প্রতারক এমডি সামিউল ইসলাম। স্টাফদের বেতন আটকে রাখা, মহিলা স্টাফদের শরীরে হাত দেয়া, সবাইকে মানসিক টর্চার করা, ব্যাংক ঋণ নিয়ে পরিশোধ না করা, স্টাফদের বেতন থেকে আয়কর কেটে রাখলেও সরকারি কোষাগারে জমা না দেয়াসহ ভয়ংকর সব অপরাধে অভিযুক্ত তাফরিদ কটন মিলসের এমডি সামিউল ইসলাম।

বাধ্য হয়ে সংবাদ সম্মেলন করে সংবাদ প্রচার, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, থানা-পুলিশ, কলকারখানা পরিদর্শক এবং শ্রম আদালতে অভিযোগ দায়ের করার পর টনক নড়ে তাফরিদ কটন মিলের এমডি সামিউল ইসলামের। দীর্ঘদিনের নাটকের পর আজ সোমবার (১৪ অক্টোবর) উত্তরা পশ্চিম থানায় দুপুর সাড়ে বারোটায় আলোচনায় বসতে সম্মত হয়েছিলো মাফিয়া এমডি সামিউল ইসলাম।

এমডি সামিউল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগের কোনো ইয়ত্তা নেই। দীর্ঘদিন ধরে চালিয়ে আসা স্বৈরাচারসুলভ একনায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রচার হলে অভিযুক্ত তাফরিদ কটন মিলের এমডি সামিউল ইসলামের বিষয়ে নড়ে চড়ে বসে প্রশাসন। ইতিমধ্যেই ব্যাংক এশিয়া তাফরিদ কটন মিলের হবিগঞ্জ ফ্যাক্টরি নিলামে তোলার জন্য পত্রিকায় সার্কুলার প্রদান করেছে।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, দীর্ঘ ২০ বছর যাবত তাফরিদ কটন মিলের এমডি সামিউল ইসলাম তার প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা কর্মচারীদের নিকট থেকে কৌশলে সরকারি কর আদায় করেন কিন্তু কখনো জমা করেননি। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশ শ্রম আইন ও চাকরিজীবী নীতিমালা তোয়াক্কা না করেই যখন তখন কর্মীদের ছাটাই, মানসিক এবং শারীরিকভাবে লাঞ্চিত করেন এই সামিউল ইসলাম।

শুধু তাই নয়। তার হাত থেকে রেহাই পাইনা মহিলা স্টাফও। অফিসের মহিলা কর্মকর্তা কর্মচারীদের সঙ্গে অসভ্য আচরণ এবং কুপ্রস্তাব দেয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। কিন্তু কর্মকর্তা-কর্মচারী কেউই এযাবতকালে ভয়ে মুখ খুলতে পারেনি।

এমডি সামিউল ইসলাম কৌশলে শুধু স্টাফদের বেতন আটকে রাখতেন তা-ই নয়। বিভিন্ন ব্যবসায়ী, পাওনাদারদের টাকাও আটকে রাখতেন। সেক্ষেত্রে ব্যাংক চেক ব্যবহার করে পাওনাদরদের নাকে দড়ি দিয়ে ঘোরাতেন। আওয়ামিলীগ সরকারের আমলে বিভিন্ন মহলে যোগাযোগ রেখে নিয়মিত হুমকি, অশালীন আচরণ এককথায় মাফিয়ার ভূমিকায় ছিলেন সামিউল।

তবে গত পাঁচই আগস্ট ছাত্র জনতার বিপ্লবের পর সামিউলের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে শুরু করে অত্যাচারে জর্জরিত স্টাফরা। রাজধানীর একটি হোটেলে তারা সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই অন্যায়ের প্রতিবাদ করে এবং তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে সর্বমহলে দাবি জানাই।

হামলা, মামলা, হুমকি, চাকরিচ্যুতির ভয়ে আতঙ্কিত হয়েও সামিউলের বিরুদ্ধে এর আগেও সবাই সোচ্চার হতে চেয়েছে, করেছে প্রতিবাদ। কিন্তু মাফিয়া সামিউল সবসময়ই কৌশল গ্রহণ করে। আন্দোলনরত কর্মকর্তা কর্মচারীদের ভিতর থেকে দু’এক জনকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি অথবা লোভ দেখিয়ে আন্দোলন বানচাল করার চেষ্টা করেছে। এমনকি এবারের আন্দোলনকেও সামিউল কৌশলে সর্বশক্তি প্রয়োগ করে বানচাল করতে চেয়েছে। যার অডিও রেকর্ডও ফাঁস হয়েছে।

সবশেষ আন্দোলনরত স্টাফদের বেতন পরিশোধের আশ্বাস দিয়ে আজ সোমবার উত্তরা পশ্চিম থানায় বসতে চেয়েছিলো এমডি সামিউল ইসলাম। কিন্তু সে আশায় গুড়ে বালি। নাটকের এই ইপিসোডে প্রতারক সামিউল তার অফিসের এ্যাডমিন থেকে প্রতিনিধি পাঠিয়ে জানান, তিনি আজ বসতে পারবেন না, এমনকি টাকাও দিতে পারবপন না। উল্টো পাওনাদার, স্টাফদের বিরুদ্ধে তুলেছেন নানা অভিযোগ। অর্থাৎ আগের নাটকের একই পুনরাবৃত্তি।

এবিষয়ে ব্যাপক ক্ষোভ প্রকাশ করেছে পাওনাদার স্টাফরা। তারা বাধ্য হয়ে ছাত্র জনতার আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়া সমন্বয়কদের দারস্থ হয়ে অভিযোগ করে। ঘটনার বিস্তারিত জেনে সমন্বয়কেরাও এমডি সামিউলকে আজ রাতের মধ্যে সিদ্ধান্ত জানাতে বলে। সেই সাথে উত্তরা পশ্চিম থানার অফিসার ইনচার্জও সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এখন দেখার বিষয়- বঞ্চিত স্টাফরা তাদের পাওনা বকেয়া বেতন পান নাকি আবারো তাদেরকে দারে দারে ঘুরতে হয়।

দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা হলে সরকার হার্ডলাইনে যাবে : তথ্য উপদেষ্টা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২ এপ্রিল, ২০২৫, ২:০১ অপরাহ্ণ
দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা হলে সরকার হার্ডলাইনে যাবে : তথ্য উপদেষ্টা

তিশীল করার চেষ্টা হলে সরকার হার্ডলাইনে যাবে।

গণঅভ্যুত্থানে শহীদ মাসুম মিয়ার কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার উত্তর রামপুর গ্রামে কবর জিয়ারত ও পরিবারের সাথে সাক্ষাত শেষে সাংবাদিকদের তিনি আজ এ কথা বলেন।

উপদেষ্টা বলেন, নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে বাংলাদেশে চরমপন্থার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এ সুযোগ কাউকে নিতে দেওয়া হবে না। আমরা চেষ্টা করব বাংলাদেশের কোনো রাজনৈতিক ও ধর্মীয় উগ্রপন্থা যেন মাথাচাড়া দিতে না পারে। নির্বাচনের মাধ্যমে যেন গণতান্ত্রিক রূপান্তরের ভূমিকা রাখতে পারি। যদি আলোচনা সতর্কতায় কাজ না হয়, যদি দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা হয়, সরকার অবশ্যই হার্ডলাইনে যাবে।

মাহফুজ আরো বলেন, শহীদের চেতনা যেন বাংলাদেশের জনগণ ধারণ করে। আমরা চেষ্টা করবো যাতে গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের খুনিদের বিচার কাজ শেষ করে যেতে পারি।

শহীদদের আকাঙ্খার বাংলাদেশ বিনির্মাণে এই সরকারের চেষ্টা আছে। জনগণ এটার সাথে আছে। আমরা বিশ্বাস করি এই চেতনার সাথে রাজনৈতিক দলের সদিচ্ছা প্রকাশ করলে আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ গঠন করবো।

গণমাধ্যমের সংস্কার প্রসঙ্গে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, যতদিন আছি আমরা চাইবো গণমাধ্যমের একটি গুণগত সংস্কারের জন্য। গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের পর্যালোচনা ও প্রস্তাবনায় মফস্বল ও কেন্দ্র নিয়ে বিস্তারিত বর্ণনা আছে।

এই সময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খান, বাংলাদেশ নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব জয়নাল আবেদীন শিশির, সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবাইয়া খানম, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন কুমিল্লা মহানগরের আহবায়ক আবু রায়হান ও সদস্য সচিব রাশেদুল হাসানসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

৪০ দিনের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব, হামাসকে যে শর্ত দিল ইসরাইল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ এপ্রিল, ২০২৫, ৭:৩৩ অপরাহ্ণ
৪০ দিনের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব, হামাসকে যে শর্ত দিল ইসরাইল

৫০ দিনের নয়, দখলদার ইসরাইল গাজায় ৪০ দিনের যুদ্ধবিরতির একটি নতুন প্রস্তাব দিয়েছে। যার মাধ্যমে ১১ জন জীবিত ইসরাইলি বন্দিকে মুক্ত করার পাশাপাশি ১৬টি মরদেহও ফেরত পাওয়ার চেষ্টা করছে নেতানিয়াহুর সরকার।

Advertisement

বিপরীতে ইসরাইলের কারাগার থেকে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক ফিলিস্তিনি বন্দির মুক্তি দেওয়া হবে।

সোমবার ইসরাইলি প্রভাবশালী দৈনিক হারেৎজ এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, মিশর ও কাতারের মধ্যস্থতায় ইসরাইল ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের কাছে এই প্রস্তাব পাঠিয়েছে।

প্রস্তাবের প্রধান শর্তগুলো হলো:

৪০ দিনের যুদ্ধবিরতি;
হামাসের কাছ থেকে ১১ জন জীবিত বন্দির মুক্তি ও ১৬টি মরদেহ ফেরত;
ইসরাইলের কারাগার থেকে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক ফিলিস্তিনি বন্দির মুক্তি;
যুদ্ধবিরতির ৫ম দিনে হামাসের কাছে বাকি বন্দিদের তথ্য চাওয়া;
১০ম দিনে ১৬ জনের মরদেহ হস্তান্তরের অনুরোধ।
পক্ষগুলোর প্রতিক্রিয়া

যদিও এই প্রতিবেদনের বিষয়ে ইসরাইল, হামাস বা মধ্যস্থতাকারীদের কেউই এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি।

বর্তমান পরিস্থিতি

নেতানিয়াহুর সরকার মনে করে যে, গাজায় হামাসের হাতে এখনো ৫৯ জন ইসরাইলি বন্দি রয়েছে। যাদের মধ্যে অন্তত ২৪ জন জীবিত।

অন্যদিকে, ইসরাইলি কারাগারে ৯,৫০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি বন্দি রয়েছেন। যাদের ওপর চরম মানবাধিকার লঙ্ঘন, নির্যাতন ও চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ রয়েছে।

ইসরাইল চলতি বছরের জানুয়ারিতে হওয়া একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে গাজায় গত ১৮ মার্চ থেকে নতুন বিমান হামলা চালিয়েছে। গত ১৫ দিন ধরে অব্যাহতভাবে চালানো এই হামলায় ১,০০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি নিহত এবং ২,৫০০-এর বেশি মানুষ আহত হয়েছে।

এ নিয়ে ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইসরাইলের হামলায় সবমিলিয়ে ৬৩,০০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে বেশিরভাগই নারী ও শিশু।

আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া

আইসিসি (International Criminal Court) গত বছর ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গাজায় যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে।

অন্যদিকে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (ICJ) ইসরাইলের বিরুদ্ধে গণহত্যার মামলা চলমান।সূত্র: আনাদোলু

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনটি ‘উদ্বেগজনক ও বিভ্রান্তিকর’

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ এপ্রিল, ২০২৫, ৭:৩১ অপরাহ্ণ
নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনটি ‘উদ্বেগজনক ও বিভ্রান্তিকর’

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, বাংলাদেশে ইসলামিস্টদের উত্থান নিয়ে নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনটি উদ্বেগজনক এবং বিভ্রান্তিকর।

মঙ্গলবার সিএ প্রেস উইং থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিউইয়র্ক টাইমসের নিবন্ধটি ইঙ্গিত দেয় যে বাংলাদেশে ধর্মীয় চরমপন্থা উত্থানের দ্বারপ্রান্তে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এটি বাংলাদেশের ভুল চিত্র তুলে ধরেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিভ্রান্তিকর এ চিত্রায়ন কেবল দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক গতিশীলতাকে অতি সরলীকৃত করে না বরং ১৮ কোটি মানুষের একটি সমগ্র জাতিকে অন্যায়ভাবে কলঙ্কিত করার ঝুঁকিও তৈরি করে।

নিউইয়র্ক টাইমস প্রকাশিত নিবন্ধে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ যখন নিজেকে পুনরুজ্জীবিত করছে, তখন কট্টরপন্থি ইসলামিস্টরা একটি সুযোগ দেখতে পাচ্ছে। তবে এ বক্তব্যকে প্রত্যাখ্যান করে প্রেস উইং বলছে, নিউইয়র্ক টাইমসের নিবন্ধটি বাংলাদেশ সম্পর্কে একটি উদ্বেগজনক এবং একপেশে দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছে।

সিএ প্রেস উইংয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রকাশ করার জন্য সুনির্দিষ্টভাবে উসকানিমূলক নিবন্ধের ওপর নির্ভর করার পরিবর্তে বাংলাদেশের অগ্রগতিকে স্বীকৃতি দেওয়া বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বছর ধরে বাংলাদেশ যে অগ্রগতি করেছে সেটাকে এবং পরিস্থিতির জটিলতাকে স্বীকার করা উচিত।

আরও বলছে, যদিও নিবন্ধটি ধর্মীয় উত্তেজনা এবং রক্ষণশীল আন্দোলনের কিছু ঘটনা তুলে ধরেছে, তবে এটি অগ্রগতির বৃহত্তর প্রেক্ষাপটকে উপেক্ষা করেছে। বাংলাদেশ নারীদের অবস্থার উন্নতিতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তাদের সুরক্ষা এবং কল্যাণের জন্য বিশেষভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এটি এমন একটি সরকার যা নারীর অধিকার এবং সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। অথচ নিবন্ধে এর উলটোটা বলা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশের মতো একটি দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং ধর্মীয় সহিংসতার মধ্যে পার্থক্য করা গুরুত্বপূর্ণ। শেখ হাসিনার বিদায়ের পর এবং তার পর থেকে বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘটিত অনেক সংঘর্ষকে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা হিসেবে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যদিও বাস্তবে এসব ঘটনা ঘটেছিল রাজনৈতিক কারণে। রাজনৈতিক দলগুলি প্রায়শই সমর্থন জোগাড় করার জন্য ধর্মকে ব্যবহার করে। যা বিষয়টিকে জটিল করে তোলে এবং রাজনৈতিক অস্থিরতাকে ধর্মীয় নিপীড়নের সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার ঝুঁকি তৈরি করে। সুতরাং পুরো পরিস্থিতিকে সাম্প্রদায়িক সংঘাত হিসেবে উপস্থাপন করা বিভ্রান্তিকর। এটি প্রকৃত রাজনৈতিক এবং আর্থ-সামাজিক বিষয়গুলিকে উপেক্ষা করে।

প্রেস উইং জানিয়েছে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সমস্ত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে রক্ষা করার জন্য তার প্রতিশ্রুতি স্পষ্ট করেছে এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও সন্ত্রাসবাদ দমন প্রচেষ্টার সাথে তার চলমান কাজ এই প্রতিশ্রুতিকে আরও জোরদার করে। সামাজিক সংস্কার এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে সহযোগিতার মাধ্যমে চরমপন্থা মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রচেষ্টা ভুল তথ্যের বিস্তারের দ্বারা ম্লান হওয়া উচিত নয়।