খুঁজুন
মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

সাকিব ইস্যুতে উত্তাল মিরপুর স্টেডিয়াম

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৪, ৩:৫৯ অপরাহ্ণ
সাকিব ইস্যুতে উত্তাল মিরপুর স্টেডিয়াম

নিরাপত্তার কারণে বিদায়ী টেস্ট খেলতে সাকিবকে দেশে ফিরতে মানা করা হয়েছে বিসিবি এবং সরকারের পক্ষ থেকে। তার পরিবর্তে হাসান ‍মুরাদকে দলে নিয়েছে বিসিবি। এরপরই উত্তাল উঠেছে মিরপুরের হোম অব ক্রিকেট। সাকিবকে দল ফেরাতে আন্দোলন শুরু করেছে তার ভক্তরা। আজ শুক্রবার বিকেলে মিরপুর স্টেডিয়ামের সামনে হাজির হন সাকিব ভক্তরা। তারা সাকিবকে দলে ফেরাতে বিসিবিকে চারটি দাবি জানিয়েছেন।

সেই সঙ্গে সাকিব সাকিব স্লোগানে মুখোরিত হয়ে ওঠে স্টেডিয়াম পাড়া। ভক্তদের দাবি, ক্রিকেটে বৈষম্য রাখা যাবে না। সাকিবকে দেশে ফিরতে দিতে হবে এবং মিরপুর থেকে তার বিদায়ের ব্যবস্থা করতে হবে। সে আমাদের দেশের সেরা ক্রিকেটার।

এক আন্দোলনকারী আক্ষেপ করে বলেন, ভারতে কানপুর টেস্ট দিয়ে সাকিব টেস্ট এবং টি-টোয়েন্টি থেকে অবসরের ঘোষণা করেছে। এরপরই আইসিসি টি-টোয়েন্টি র‌্যাঙ্কিং থেকে তার নামটা তুলে নিয়েছে। এতদিন সেই সেখানে বাংলাদেশের পতাকাটা ছিল। কিন্তু এখন আর নেই, ১৭ বছর ধরে দেশের পতাকাটা সেখানে ধরে রেখেছিলেন তিনি।

‘তাই আমরা চাই, তার মতো একজন ক্রিকেটারকে দেশ থেকে ভালোভাবে বিদায় দেওয়া হক। যারা তাকে দেশে আসতে দিচ্ছে না, সেই সিন্ডিকেট ভাঙতে হবে।’

আন্দোলনে উপস্থিত এক বয়স্ক ব্যক্তি বলেন, দেশে আওয়ামী লীগের আরও ৩০০ সংসদ সদস্য আছে। কই তাদেরকে আটক করা বা তাদের বিরুদ্ধে এইভাবে আন্দোলন হচ্ছে না। সেই দেশের একজন ক্রিকেটার, তাকে দেশে আসতে দেওয়া হক। তারপর সে যদি অন্যায় করে থাকে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

‘কিন্তু বর্তমানে কিছু মানুষ শুধু সাকিব নিয়েই পড়ে আছে। মাশরাফী তো দেশে আছে, কই তাকে নিয়ে তো কোনো কথা হচ্ছে না। তাকে তো আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য হিসেবে কোনোভাবে জায়গায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে না। আমরা এই বৈষম্য চাই না, সবার ক্ষেত্রে নিয়ম এক হতে হবে।,

আরেক আন্দোলনকারী বলেন, আমরা জানি সাকিবকে কারা দেশে আসতে দিচ্ছেন না। এখানে একটা সিন্ডিকেট কাজ করছে। তাদের পরিচয় এখনই বলতে চাই না। আমরা চার দফা দাবি তুলে ধরেছি। না মানলে আমরা এক দফায় যাব এবং কঠোর আন্দোলন করা হবে। তাই সাকিব ছাড়া যেন এই ম্যাচে না নামা হয়।

অন্যদিকে গতকাল সাকিবকে দল থেকে বাদ দিতে বিসিবিকে বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) একটি স্মারকলিপি দিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একাংশ।

বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদের উদ্দেশে দেওয়া স্মারকলিপিতে আন্দোলনরত ছাত্র-জনতা বলছেন, গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী রাষ্ট্র বিনির্মাণের লক্ষ্যে সব জায়গায় যে পরিবর্তন হয়েছে তার অংশ আপনি নিজে। যদি এই গণ-অভ্যুত্থান না হতো, তাহলে আপনি বিসিবিপ্রধান হতেন না।

‘তাই আপনার প্রথম লক্ষ্য হওয়া উচিত ফ্যাসিবাদ নির্মূল করে নিজের প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করা। আপনি কোনোভাবেই ফ্যাসিবাদের পুনর্বাসন করতে পারেন না। আপনি পারেন না বাংলাদেশের জার্সি একজন ভোটচোর এমপির গায়ে জড়িয়ে দিতে। এই কাজের মাধ্যমে আপনি কেবলমাত্র পতিত স্বৈরাচারের মন্ত্রী ও সাবেক বিসিবিপ্রধান পাপনের প্রতিজ্ঞা পূরণ করতে যাচ্ছেন।’

স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়েছে, পাপন (বিসিবির সাবেক সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন) কথা দিয়েছিল, যে সে সাকিবকে মিরপুরের মাটিতে বিদায় দেবে। আপনিও ঠিক একই কাজটা করতে যাচ্ছেন। সাকিবকে বাংলাদেশের জার্সি গায়ে খেলতে দেওয়ার মাধ্যমে আপনি একজন ভোটচোর, হাসিনার দালাল, দুর্নীতিবাজ, শেয়ার বাজার কেলেঙ্কারির অপরাধী, জুয়ার দালালের শরীরে আমাদের প্রিয় মাতৃভূমির জার্সি তুলে দিচ্ছেন।

এ ছাড়াও স্টেডিয়ামের দেওয়ালে সাকিবের বিপক্ষে বিভিন্ন মন্তব্য এবং গ্রাফিতি অঙ্কন করেছে আন্দোলনকারী সমন্বয়করা। কিন্তু আজ সেই সব গ্রাফিতি মুছে দিয়ে সাকিবের পক্ষে গ্রাফিতি অঙ্কন করেছে তার ভক্তরা।

সুতরাং, সাকিব ইস্যুতে বিপাকে পড়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এবং দেশের ক্রিকেট। কারণ, দুই পক্ষের আন্দোলনকারীরা যেখানে তাদের দাবি নিয়ে আন্দোলন করছেন, তার পাশে অনুশীলন এবং ম্যাচ খেলবেন দক্ষিণ আফ্রিকা দল। যার ফলে অনাকাঙ্খিত কিছু ঘটলে বিপাকে পড়বে দেশের ক্রিকেট।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নষ্ট হবে দেশের ক্রিকেটের ভাবমূর্তি। সাকিব ইস্যুর প্রভাব কোনোভাবে দক্ষিণ আফ্রিকা দলে উপর পড়লে আইসিসি টুর্নামেন্ট এবং বাইরের দেশের খেলতে আশা নিয়ে হুমকির মুখে পড়বে বাংলাদেশ।

উল্লেখ্য, আর মাত্র দুই দিন পর মাঠে গড়াবে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথম টেস্ট। তাই শেষ পর্যন্ত দেখার অপেক্ষা পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়।

রাজারহাটে স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবীতে অনশন কর্মসূচি

মোঃ রেজাউল করিম, সিনিয়র রিপোর্টার:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ১২:৫৫ পূর্বাহ্ণ
রাজারহাটে স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবীতে অনশন কর্মসূচি

রাজারহাটের ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের খিতাম খা গ্রামে স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবীতে মানববন্ধনে অংশ নেন ভুক্তভোগী নারী সহ এলাকার প্রায় শতাধিক নারী পুরুষ। সোমবার (৮ জুন) বিকেল ৫ টার সময় এই মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

জানা যায়, ২০১৭ সালের পাশ্ববর্তী রাজারহাট সদর ইউনিয়নের নাটুয়া মহল গ্রামের হায়দার আলীর মেয়ে সামিনার সাথে পারিবারিক ভাবে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের খিতাবখা গ্রামের সোলেমান মুন্সীর চতুর্থ পুত্র রফিকুল ইসলাম। বিয়ের পরে তাদের সংসারে রোমানা নামের এক কন্যা সন্তান জন্ম নেয়।

বিয়ের পর রফিকুল ইসলাম তার ভাবীর সাথে পরকিয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়ে স্ত্রী সামিনার সাথে দুরত্ব তৈরি করতে থাকেন।এরেই এক পর্যায়ে ২০১৯ সালে তাদের মধ্যে ডিভোর্স হয়।সামিনার ডিভোর্সের পরে ঢাকায় গিয়ে একটি গার্মেন্টসে অপারেটর হিসাবে তিন বছর চাকুরী করেন।

এদিকে সামিনার সাবেক স্বামী রফিকুল ইসলাম বিদেশে (মরিচাস) গমন করেন।সামিনার সাবেক স্বামী রফিকুল ইসলাম পুনরায় সামিনার সাথে বিদেশ থেকে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করেন।তাদের একমাত্র কন্যা সন্তানের কথা চিন্তা করে পুনরায় স্বামী স্ত্রী রুপে ঘর সংসার করার প্রলোভন দেখান।সামিনা অবুঝ কন্যা সন্তানের কথা চিন্তা করে তার সাবেক স্বামীর কথায় রাজি হন।এরপরে রফিকুল ইসলাম সামিনা কে তার গ্রামের বাড়িতে আসতে বলেন।সামিনা ঢাকায় চাকুরী ছেড়ে রফিকুল ইসলামের গ্রামের বাসায় অবস্থান করতে থাকেন।

কয়েকমাস পেরিয়ে গেলে রফিকুল ইসলাম তার বসতবাড়ি পাকা করনের প্রস্তাব সামিনা কে দেন এবং সামিনাকে তার চাকুরীরত অবস্থায় সঞ্চয় করা প্রায় ৪ লক্ষাধিক টাকা বাড়ির কাজের জন্য খরচ করতে বলেন।সাদাসিধে সামিনা তার স্বামীর কথায় রাজি হয়ে নিজ উদ্যোগে তার সঞ্চিত টাকা খরচ করে রফিকুল ইসলামের নিজ বাড়িতে টিনশেডের ঘর ভেঙ্গে ইটের দালাল নির্মাণ করেন।এই দালান নির্মাণের সামিনার সমস্ত জমাকৃত অর্থ খরচ করার পাশাপাশি বাড়ি নির্মাণের রাজমিস্ত্রীদের রান্না বান্না করেও খাওয়ান।

বাড়ির কাজ শেষ হবার পরে সামিনা তার বাবার বাসা নাটিয়া মহলে ঘুরতে যান।সেখান থেকে ঘুরে এসে দেখেন তার নিজ হাতে গড়া বাড়িতে রফিকুল ইসলাম বিদেশ থেকে তার ভাইকে নির্দেশ দিয়ে তালাবন্ধ করে রেখেছেন।
এই ঘটনায় জানাজানি হলে এলাকার সাধারণ নারীপুরুষ ক্ষোভে ফেটে পড়েন।

সামিনা রফিকুল ইসলাম তার বাড়িতে উঠতে না দিয়ে যে অন্যায় করেছেন তার প্রতিবাদে রফিকুল ইসলামের উঠানে এলাকার প্রায় শতাধিক নারীপুরুষ মানববন্ধন করে সামিনা কে স্ত্রী রূপে গ্রহণ করতে রফিকুল ইসলামের প্রতি আহবান জানান।

উক্ত মানববন্ধনে স্থানীয় নারী রোকাইয়া বেগম,আব্দুল লতিফ,নাসির শেখ,আতিয়ার রহমান সহ বেশ কয়েকজন বক্তব্য দেন।মানববন্ধনে বক্তারা সামিনার সাথে এধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানান। সেই সাথে একমাত্র কন্যা সন্তান সহ সামিনাকে স্ত্রী রুপে গ্রহণ করার দাবী জানান।

ভুক্তভোগী সামিনা সাংবাদিক কে জানান,আমি ডিভোর্সের পরে আমার একমাত্র কন্যা সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে ঢাকায় গিয়ে গার্মেন্টসে চাকরি করি।
তিন বছর চাকুরী করে প্রায় ৪ লক্ষাধিক টাকা জমা করি।আমার সাবেক স্বামী রফিকুল ইসলামের প্রলোভনে সব টাকা দিয়ে তার বাড়ি নির্মাণ করি,এই আশায় আমার একমাত্র কন্যা সন্তান নিয়ে সুখে শান্তিতে থাকবো বলে।

কিন্তু লোভী রফিকুল ইসলাম বার বার আমার সাথে প্রতারণা করলো।আমি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে এর উপযুক্ত বিচার চাই।

১৪০ দেশে রপ্তানি হচ্ছে বাংলাদেশের ওষুধ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ৬:৫৪ অপরাহ্ণ
১৪০ দেশে রপ্তানি হচ্ছে বাংলাদেশের ওষুধ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

এখন পর্যন্ত ১৪০টি দেশে বাংলাদেশের ওষুধ রপ্তানি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। সোমবার (৮ জুন) সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসার সুবিধার্থে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যালস ইন্ডাস্ট্রিজের এক লাখ ইন্ট্রাভেনাস ফ্লুইড (আইভি স্যালাইন) হস্তান্তর উপলক্ষে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, ১৪০টি দেশে আমাদের ওষুধ রপ্তানি হচ্ছে। এতে আমরা গর্বিত। এখন দেশে টিকা তৈরি করতে পারলে সেটার পরিসর আরও বাড়বে। ওষুধ শিল্পকে আরও সমৃদ্ধ করতে আমরাও সহযোগিতা করে যাব।

তিনি বলেন, সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছ থেকে আমরা নির্দেশনা পেয়েছি, আমাদের শাখাগুলো বাড়াতে হবে। আমাদের অনেকগুলো জানালা খুলতে হবে। নাহলে একটি মন্ত্রণালয় ভালোভাবে চলতে পারে না।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেন, সামনে ডেঙ্গু মৌসুম আসছে, সে বিষয়ে আমরা সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিচ্ছি। পরিকল্পনা, চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ ও জনসচেতনতা তৈরিতে কাজ করছি। পাশাপাশি যারা আক্রান্ত হবেন, তারা যাতে যথাযথ চিকিৎসা পান, সেই ব্যবস্থা করছি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত তিন মাসে স্বাস্থ্যখাতে কৌশলগত বড় পরিবর্তন এসেছে। আমরা সবাই দেশের স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করতে পারছি।

উলিপুরে দলিল লেখকদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

মোঃ রেজাউল হক, কুড়িগ্রামঃ
প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ৬:৪৪ অপরাহ্ণ
উলিপুরে দলিল লেখকদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সোমবার (৮ জুন) ২০২৬ ইং সকাল ১১টায় উলিপুর সাব-রেজিস্ট্রি কার্যালয়ে দিনব্যাপী দলিল লেখকগণের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি, শুদ্ধাচার চর্চা, সুশাসন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করণ বিষয়ক এ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

কুড়িগ্রামের উলিপুর সাব-রেজিস্ট্রি কার্যালয়ের আয়োজনে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ রুহুল কুদ্দুস জেলা রেজিস্টার কুড়িগ্রাম। প্রশিক্ষণ সমন্বয়ক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ অহেদুল ইসলাম উলিপুর সাব-রেজিস্ট্রার (অঃদাঃ) কুড়িগ্রাম।

এসময় উলিপুর সাব-রেজিস্ট্রি কার্যালয়ে দলিল লেখক সমিতির সভাপতি মোঃ আব্দুল মালেক খাঁ সেক্রেটারি বাবলু পাঠান সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ হাফিজুর রহমান সহ শতাধিক সনদপ্রাপ্ত দলিল লেখক ও উলিপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে কর্মরত সকল কর্মকর্তা,কর্মচারীগণ প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।

এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন উলিপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের অফিস সহকারী সাজ্জাদুর রহমান প্রমুখ।

রাজারহাটে স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবীতে অনশন কর্মসূচি ১৪০ দেশে রপ্তানি হচ্ছে বাংলাদেশের ওষুধ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী উলিপুরে দলিল লেখকদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত ট্রাম্পের অবরোধ উপেক্ষা করে ইরানে পালটা হামলা চালাল ইসরাইল ঢাকা-চট্টগ্রামসহ ১১ জেলায় ঝড়বৃষ্টির আভাস