খুঁজুন
মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

ডাক্তার নাম ব্যবহার করে চিকিৎসা দিচ্ছেন উপসহকারী মেডিকেল অফিসার রবিউল ইসলাম

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৪, ১১:২৩ অপরাহ্ণ
ডাক্তার নাম ব্যবহার করে চিকিৎসা দিচ্ছেন উপসহকারী মেডিকেল অফিসার রবিউল ইসলাম

ঝিনাইদহের সদর উপজেলা ডাকবাংলা বাজার সহ বিভিন্ন উপজেলায় নামে-বেনামে চেম্বার খুলে ডাক্তার এবং অভিজ্ঞ ডাক্তার সাইনবোর্ড লাগিয়ে, প্যাড-ভিজিটিং কার্ডে ডাক্তার নাম ব্যাবহার করছেন যারা তাদের অনেকেই ডাক্তারই নন।

সরেজমিন অনুসন্ধানে দেখা যায়, ঝিনাইদহের ডাকবাংলা বাজারে ‘নুর জাহান মেমোরিয়াল মেডিক্যাল সেন্টারে’ প্রতিদিন বিকাল ৪টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত যিনি রোগী দেখছেন এবং তিনি যে প্রেসক্রিপশন বা ব্যবস্থাপত্র লিখেছেন, সেখানে তিনার পরিচয় লেখা আছে ডাক্তার মোঃ রবিউল ইসলাম। নামের নিচে ডিগ্রি লেখা,ডিএমএফ (ঢাকা) সিএম এফ (আল্ট্রা), তার নিচে লেখা,বাত ব্যাথা, মেডিসিন, মা ও শিশু রোগের চিকিৎসক।

ডাক্তার না হয়েও ডাক্তার পরিচয় দিয়ে দিনে দুপুরে প্রকাশ্যে জনগণের সাথে প্রতারণা করে চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছেন এই মোঃ রবিউল ইমলাম, তিনি মুলত হরিনাকুন্ডু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর একজন উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসার।

বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিল অ্যাক্ট ২০ডিসেম্বর-২০১০-এ প্রকাশিত গেজেট এর ধারা ২২এর (১) ও ২৯এর (১) এর আওতায় এমবিবিএস ও বিডিএস ডিগ্রি বাদে অন্য যারা বিভিন্ন ভাবে চিকিৎসাসেবার সাথে যুক্ত আছেন তিনারা নামের আগে ডাক্তার পদবী ও নামের পরে ডিগ্রি ব্যবহার করলে তা অপরাধ ও প্রতারণা বলে গণ্য হবে।

তবে,বিকল্প ধারার চিকিৎসা পদ্ধতির পেশাধারীরা নামের পূর্বে: ইন্টিগ্রেটেড ফিজিশিয়ান, কমপ্লিমেন্টারি ফিজিশিয়ান, ইন্টিগ্রেটেড মেডিসিন প্র্যাকটিশনার, কমপ্লিমেন্টারি মেডিসিন প্র্যাকটিশনার- পদবী ব্যবহার করতে পারেন কিন্তু তারা কোনো ভাবেই নামের আগে ডাক্তার পদবি লিখতে পারেন না ও নামের পরে ডিগ্রি লিখতে পারবেন না। যদি কেউ আইন অমান্য করে তা করেন তবে সেটা অবশ্যই অপরাধ বা প্রতারণা বলে গণ্য হবে। অর্থাৎ ভূয়া ডাক্তার হিসাবে গণ্য হবে।

প্রকৃত ডাক্তার না হয়েও নিজের নামের সাথে ডাক্তার সংযুক্ত করে কিভাবে চিকিৎসা দিচ্ছেন, এই বিষয়ে কথা হয় হরিনাকুন্ডু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসার মো:রবিউল ইসলামের সাথে,তিনি সাংবাদিকদের বলেন আমরা নামের আগের ডাক্তার লিখতে পারবো,আমার মতো অনেকেই আছেন যিনারা ডাক্তার পরিচয়ে চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছেন। তাছাড়া আমি সারা দিন চাকরি করে বিকাল থেকে ওখানে রুগী দেখি, খুব বেশি রুগী আমান হয় না। আর যদি সম্ভব হয় তাহলে নিইজটা করার দরকার নাই।

এবিষয়ে ঝিনাইদহের বিভিন্ন তৃনমুল পর্যায়ের সাধারণ ভুক্তভোগী জনগণের সাথে কথা বলে জানাযায়, তারা চিকিৎসা সেবা নিতে আসেন বিভিন্ন লোকাল ক্লিনিক, চেম্বার বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে সেখানে বড়ো করে ডাক্তার লেখা থাকে, প্যাডে ডাক্তার লেখা থাকে, ভিজিটিং কার্ডে ডাক্তার লেখা থাকে, তাহলে আমরা কিভাবে বুঝবো কারা ডাক্তার আর কারা ছদ্মবেশী।

সাধারণ জনগণের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার দ্বায়িত্ব জেলা সিভিল সার্জন,উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসনের হাতে তারাই যদি সব জেনে শুনে অদৃশ্য কোনো নিয়ন্ত্রনে নিরব ভুমিকায় থাকেন তবে এই ধরনের ভূয়া ডাক্তারের ছড়াছড়ি হয়ে যাবে। সুচিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হবে সাধারণ জনগণ।

রবিউলের ডাক্তার পরিচয়ে চিকিৎসা বানিজ্যের বিষয়ে কথা হয় ঝিনাইদহ সদর উপজেলা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাক্তার মিথিলা ইসলামের সাথে,তিনি সাংবাদিকদের কাছ থেক রবিউলের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করেন এবং তিনি বিষয়টি খোজ নিয়ে ব্যাবস্থা নেবার আশ্বাস দেন।

রাজারহাটে স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবীতে অনশন কর্মসূচি

মোঃ রেজাউল করিম, সিনিয়র রিপোর্টার:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ১২:৫৫ পূর্বাহ্ণ
রাজারহাটে স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবীতে অনশন কর্মসূচি

রাজারহাটের ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের খিতাম খা গ্রামে স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবীতে মানববন্ধনে অংশ নেন ভুক্তভোগী নারী সহ এলাকার প্রায় শতাধিক নারী পুরুষ। সোমবার (৮ জুন) বিকেল ৫ টার সময় এই মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

জানা যায়, ২০১৭ সালের পাশ্ববর্তী রাজারহাট সদর ইউনিয়নের নাটুয়া মহল গ্রামের হায়দার আলীর মেয়ে সামিনার সাথে পারিবারিক ভাবে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের খিতাবখা গ্রামের সোলেমান মুন্সীর চতুর্থ পুত্র রফিকুল ইসলাম। বিয়ের পরে তাদের সংসারে রোমানা নামের এক কন্যা সন্তান জন্ম নেয়।

বিয়ের পর রফিকুল ইসলাম তার ভাবীর সাথে পরকিয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়ে স্ত্রী সামিনার সাথে দুরত্ব তৈরি করতে থাকেন।এরেই এক পর্যায়ে ২০১৯ সালে তাদের মধ্যে ডিভোর্স হয়।সামিনার ডিভোর্সের পরে ঢাকায় গিয়ে একটি গার্মেন্টসে অপারেটর হিসাবে তিন বছর চাকুরী করেন।

এদিকে সামিনার সাবেক স্বামী রফিকুল ইসলাম বিদেশে (মরিচাস) গমন করেন।সামিনার সাবেক স্বামী রফিকুল ইসলাম পুনরায় সামিনার সাথে বিদেশ থেকে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করেন।তাদের একমাত্র কন্যা সন্তানের কথা চিন্তা করে পুনরায় স্বামী স্ত্রী রুপে ঘর সংসার করার প্রলোভন দেখান।সামিনা অবুঝ কন্যা সন্তানের কথা চিন্তা করে তার সাবেক স্বামীর কথায় রাজি হন।এরপরে রফিকুল ইসলাম সামিনা কে তার গ্রামের বাড়িতে আসতে বলেন।সামিনা ঢাকায় চাকুরী ছেড়ে রফিকুল ইসলামের গ্রামের বাসায় অবস্থান করতে থাকেন।

কয়েকমাস পেরিয়ে গেলে রফিকুল ইসলাম তার বসতবাড়ি পাকা করনের প্রস্তাব সামিনা কে দেন এবং সামিনাকে তার চাকুরীরত অবস্থায় সঞ্চয় করা প্রায় ৪ লক্ষাধিক টাকা বাড়ির কাজের জন্য খরচ করতে বলেন।সাদাসিধে সামিনা তার স্বামীর কথায় রাজি হয়ে নিজ উদ্যোগে তার সঞ্চিত টাকা খরচ করে রফিকুল ইসলামের নিজ বাড়িতে টিনশেডের ঘর ভেঙ্গে ইটের দালাল নির্মাণ করেন।এই দালান নির্মাণের সামিনার সমস্ত জমাকৃত অর্থ খরচ করার পাশাপাশি বাড়ি নির্মাণের রাজমিস্ত্রীদের রান্না বান্না করেও খাওয়ান।

বাড়ির কাজ শেষ হবার পরে সামিনা তার বাবার বাসা নাটিয়া মহলে ঘুরতে যান।সেখান থেকে ঘুরে এসে দেখেন তার নিজ হাতে গড়া বাড়িতে রফিকুল ইসলাম বিদেশ থেকে তার ভাইকে নির্দেশ দিয়ে তালাবন্ধ করে রেখেছেন।
এই ঘটনায় জানাজানি হলে এলাকার সাধারণ নারীপুরুষ ক্ষোভে ফেটে পড়েন।

সামিনা রফিকুল ইসলাম তার বাড়িতে উঠতে না দিয়ে যে অন্যায় করেছেন তার প্রতিবাদে রফিকুল ইসলামের উঠানে এলাকার প্রায় শতাধিক নারীপুরুষ মানববন্ধন করে সামিনা কে স্ত্রী রূপে গ্রহণ করতে রফিকুল ইসলামের প্রতি আহবান জানান।

উক্ত মানববন্ধনে স্থানীয় নারী রোকাইয়া বেগম,আব্দুল লতিফ,নাসির শেখ,আতিয়ার রহমান সহ বেশ কয়েকজন বক্তব্য দেন।মানববন্ধনে বক্তারা সামিনার সাথে এধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানান। সেই সাথে একমাত্র কন্যা সন্তান সহ সামিনাকে স্ত্রী রুপে গ্রহণ করার দাবী জানান।

ভুক্তভোগী সামিনা সাংবাদিক কে জানান,আমি ডিভোর্সের পরে আমার একমাত্র কন্যা সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে ঢাকায় গিয়ে গার্মেন্টসে চাকরি করি।
তিন বছর চাকুরী করে প্রায় ৪ লক্ষাধিক টাকা জমা করি।আমার সাবেক স্বামী রফিকুল ইসলামের প্রলোভনে সব টাকা দিয়ে তার বাড়ি নির্মাণ করি,এই আশায় আমার একমাত্র কন্যা সন্তান নিয়ে সুখে শান্তিতে থাকবো বলে।

কিন্তু লোভী রফিকুল ইসলাম বার বার আমার সাথে প্রতারণা করলো।আমি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে এর উপযুক্ত বিচার চাই।

১৪০ দেশে রপ্তানি হচ্ছে বাংলাদেশের ওষুধ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ৬:৫৪ অপরাহ্ণ
১৪০ দেশে রপ্তানি হচ্ছে বাংলাদেশের ওষুধ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

এখন পর্যন্ত ১৪০টি দেশে বাংলাদেশের ওষুধ রপ্তানি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। সোমবার (৮ জুন) সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসার সুবিধার্থে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যালস ইন্ডাস্ট্রিজের এক লাখ ইন্ট্রাভেনাস ফ্লুইড (আইভি স্যালাইন) হস্তান্তর উপলক্ষে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, ১৪০টি দেশে আমাদের ওষুধ রপ্তানি হচ্ছে। এতে আমরা গর্বিত। এখন দেশে টিকা তৈরি করতে পারলে সেটার পরিসর আরও বাড়বে। ওষুধ শিল্পকে আরও সমৃদ্ধ করতে আমরাও সহযোগিতা করে যাব।

তিনি বলেন, সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছ থেকে আমরা নির্দেশনা পেয়েছি, আমাদের শাখাগুলো বাড়াতে হবে। আমাদের অনেকগুলো জানালা খুলতে হবে। নাহলে একটি মন্ত্রণালয় ভালোভাবে চলতে পারে না।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেন, সামনে ডেঙ্গু মৌসুম আসছে, সে বিষয়ে আমরা সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিচ্ছি। পরিকল্পনা, চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ ও জনসচেতনতা তৈরিতে কাজ করছি। পাশাপাশি যারা আক্রান্ত হবেন, তারা যাতে যথাযথ চিকিৎসা পান, সেই ব্যবস্থা করছি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত তিন মাসে স্বাস্থ্যখাতে কৌশলগত বড় পরিবর্তন এসেছে। আমরা সবাই দেশের স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করতে পারছি।

উলিপুরে দলিল লেখকদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

মোঃ রেজাউল হক, কুড়িগ্রামঃ
প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ৬:৪৪ অপরাহ্ণ
উলিপুরে দলিল লেখকদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সোমবার (৮ জুন) ২০২৬ ইং সকাল ১১টায় উলিপুর সাব-রেজিস্ট্রি কার্যালয়ে দিনব্যাপী দলিল লেখকগণের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি, শুদ্ধাচার চর্চা, সুশাসন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করণ বিষয়ক এ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

কুড়িগ্রামের উলিপুর সাব-রেজিস্ট্রি কার্যালয়ের আয়োজনে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ রুহুল কুদ্দুস জেলা রেজিস্টার কুড়িগ্রাম। প্রশিক্ষণ সমন্বয়ক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ অহেদুল ইসলাম উলিপুর সাব-রেজিস্ট্রার (অঃদাঃ) কুড়িগ্রাম।

এসময় উলিপুর সাব-রেজিস্ট্রি কার্যালয়ে দলিল লেখক সমিতির সভাপতি মোঃ আব্দুল মালেক খাঁ সেক্রেটারি বাবলু পাঠান সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ হাফিজুর রহমান সহ শতাধিক সনদপ্রাপ্ত দলিল লেখক ও উলিপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে কর্মরত সকল কর্মকর্তা,কর্মচারীগণ প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।

এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন উলিপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের অফিস সহকারী সাজ্জাদুর রহমান প্রমুখ।

রাজারহাটে স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবীতে অনশন কর্মসূচি ১৪০ দেশে রপ্তানি হচ্ছে বাংলাদেশের ওষুধ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী উলিপুরে দলিল লেখকদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত ট্রাম্পের অবরোধ উপেক্ষা করে ইরানে পালটা হামলা চালাল ইসরাইল ঢাকা-চট্টগ্রামসহ ১১ জেলায় ঝড়বৃষ্টির আভাস