খুঁজুন

ফিরে দেখা ২০২৪

অভ্যুত্থানে অগ্নিগর্ভ ছিল ময়মনসিংহ, মণ্ডা-পায়েসের জিআই স্বীকৃতি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৪, ৮:০৬ অপরাহ্ণ
অভ্যুত্থানে অগ্নিগর্ভ ছিল ময়মনসিংহ, মণ্ডা-পায়েসের জিআই স্বীকৃতি

কালের আবর্তে বিদায় নিয়েছে ঘটনাবহুল আরও একটি বছর। দুয়ারে উঁকি দিচ্ছে নতুন বছর। আওয়ামী লীগের বিতর্কিত ডামি নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে ২০২৪ শুরু হলেও শেষ হয়েছে ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনের মধ্যে দিয়ে। ময়মনসিংহ বিভাগে অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী হিসেবে বিদায় নেওয়া বছরটিতে ছাত্র-জনতার রক্তস্নাত গণঅভ্যুত্থান রয়েছে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। এই বিভাগের পতিত সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রী-এমপিদের একসঙ্গে ‘পলায়ন’ এর বিষয়টিও ছিল নজিরবিহীন। 

বিজ্ঞাপন

ছাত্র-জনতার লাশের সারি আর দীর্ঘ না করতে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের ঐতিহাসিক পদক্ষেপ আর নন্দিত ভাবমূর্তির প্রশংসা কুড়িয়েছে তার নিজ জেলা শেরপুরেও। তার বলিষ্ঠ পদক্ষেপে সেনাবাহিনীর সহায়তায় সারাদেশের মতো ময়মনসিংহ রেঞ্জের ৩৬টি থানাতে পূর্ণোদ্যমে কাজে ফিরেছে পুলিশ। জনরোষ থেকে সচল হয়ে ওঠেছে থানাগুলোর নানাবিধ কার্যক্রম। বেশ কয়েকবার সেনাপ্রধান স্বচক্ষে শেরপুর ও গৌরীপুরের কার্যক্রম পরিদর্শন করে ঊর্ধ্বতনদের গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেছেন। সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সার্বক্ষণিক তৎপরতায় সব শঙ্কা কাটিয়ে নির্বিঘ্নে ১ হাজার ৭৬৫টি পূজা মণ্ডপে উৎসবের আমেজে নির্দ্বিধায় দুর্গোৎসব পালন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

সাফল্য-ব্যর্থতার বছরটিতে ময়মনসিংহ বিভাগের সীমান্তবর্তী তিন জেলার মানুষকে সামলাতে হয়েছে আকস্মিক বন্যার ধকল। বিদায়ী বছরটিতেই জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে মুক্তাগাছার মণ্ডা ও শেরপুরের ‘ছানার পায়েস’। মাদক বাণিজ্য, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে গত ৫ নভেম্বর ২৮ জন শিক্ষার্থীকে সাময়িকভাবে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) কর্তৃপক্ষের বহিষ্কারের বিষয়টিও ছিল চর্চিত। পরবর্তী সময়ে তদন্ত কমিটির মাধ্যমে অভিযোগ নিষ্পত্তি করে মমেক ছাত্রলীগের সভাপতিসহ ৮ শিক্ষার্থী ও ইর্ন্টান চিকিৎসককে কলেজ থেকে আজীবন বহিষ্কার করা হয়। নিজের সহোদর চাচার হাতে ওমর ফারুক সৌরভ (২৪) নামে এক যুবকের লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ড কাঁদিয়েছে সবাইকে।

বিজ্ঞাপন

সাফ ফুটবলে বিজয়-বৈজয়ন্তী উড়ানো বাংলার ৬ বাঘিনী দেশের নারী ফুটবলের জাগরণের গ্রাম হিসেবে পরিচিত ধোবাউড়ার কলসিন্দুর গ্রামকে করেছে আলোকোজ্জ্বল। বছরজুড়ে ক্রীড়াঙ্গণে স্থবিরতা থাকলেও শেষ সময়ে আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট ও জিয়া ক্রিকেট টুর্নামেন্ট প্রাণচাঞ্চল্য ফিরিয়েছে। প্রধান উপদেষ্টাকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করে নিন্দিত লালমনিরহাট জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাপসী তাবাসসুম ঊর্মির নিজ বিভাগ ময়মনসিংহেও ছিলেন আলোচিত-সমালোচিত।

বিজ্ঞাপন

এসব কারণেই গ্রেগেরিয়ান ক্যালেন্ডারের পাতা থেকে খসে পড়া বছরটি ময়মনসিংহবাসীর স্মৃতিতে উদ্ভাসিত থাকবে অনন্ত সময়। অতীতের সব দুঃখ-গ্লানি, বেদনা আর হতাশাকে ভুলে বৈষম্য দূরীকরণ আর সাম্য ফিরিয়ে আনার নতুন প্রত্যয়ে অঙ্গীকারাবদ্ধ এই অঞ্চলের বাসিন্দারা।

জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সমালোচিত তাপসী তাবাসসুম

ডামি নির্বাচন, অতঃপর ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান

২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি আওয়ামী লীগ তথা মহাজোটের বিতর্কিত ডামি ভোটে ময়মনসিংহের ২৪টি সংসদীয় আসনে জয় লাভ করে আওয়ামী লীগ। ওই নির্বাচনে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ বেশিরভাগ রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ না করলেও ভোটারবিহীন নির্বাচনে ২৪টি আসনেই জয় পায় আওয়ামী লীগ। এতে সাধারণ মানুষের মাঝে ক্ষোভ ও অসন্তোষ ছিল চরমে। যার প্রভাব পড়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানে। গত ৫ আগস্টের পর থেকেই দলটির রাঘব-বোয়াল সব নেতারা ‘পলাতক’ রয়েছেন। তাদের খুঁজছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের ঢেউ লাগে রাজনৈতিক সচেতন জেলা ময়মনসিংহেও। ২০২৪ সালের ৬ জুলাই ময়মনসিংহে সর্বপ্রথম বিক্ষোভ মিছিল করেন শিক্ষার্থীরা। ওই দিন নগরীর ঐতিহ্যবাহী আনন্দমোহন বিশ্ববিদ্যালয়  কলেজ থেকে শিক্ষার্থীদের বের হওয়া বিক্ষোভ মিছিলটি নগরীর টাউন হলে এসে শেষ হয়। ধীরে ধীরে এই আন্দোলনে সম্পৃক্ত হতে শুরু করে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সাধারণ মানুষ। এরই মধ্যে ১৯ জুলাই নগরীতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সশস্ত্র হামলা চালায় আওয়ামী লীগ ও পুলিশ। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন কলেজ শিক্ষার্থী রোদোয়ান হাসান সাগর (১৯)। এদিন ময়মনসিংহসহ সারাদেশে উত্তাল পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে জারি হয় কারফিউ। পরদিন ২০ জুলাই কারফিউ ভঙ্গ করে সারাদেশের মধ্যে সর্বপ্রথম গৌরীপুরে বিক্ষোভ মিছিল করেন শিক্ষার্থীরা। মিছিলে পুলিশ ও আওয়ামী লীগ নির্বিচারে গুলি চালালে নূরে আলম রাকিব, বিপ্লব হাসান ও জুবায়ের আহমেদ শহীদ হন। এরপর ময়মনসিংহসহ সারাদেশে আন্দোলন দানা বাঁধতে শুরু করলে ৫ আগস্ট দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীসহ ময়মনসিংহের মন্ত্রী ও এমপিরা। ওই সময় স্থানীয় মন্ত্রী, এমপি ও আওয়ামী লীগ নেতাদের বাড়ি ঘরে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে।

পালিয়ে যান দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য

আওয়ামী লীগ নেতাদের পদাঙ্ক অনুসরণ করে গণঅভ্যুত্থানে পালিয়ে যেতে বাধ্য হন ময়মনসিংহে অবস্থিত বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. এমদাদুল হক চৌধুরী এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি সৌমিত্র শেখর। এ নিয়ে শিক্ষাঙ্গনে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরে অন্তর্বর্তী সরকার বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে অধ্যাপক ড. ফজলুল হক এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলমকে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ প্রদান করে।

ফুটবলকন্যা সানজিদা-তহুরা

ক্রীড়াঙ্গণে কলসিন্দুরের নারী ফুটবলারদের কৃতিময় সাফল্য  

আন্তর্জাতিক ফুটবলে ছেলেদের কোনো সাফল্য না থাকলেও আশা জাগিয়েছে নারী ফুটবল। সাফের শিরোপা ধরে রাখার পাশাপাশি মেয়েরা অনুর্ধ্ব-১৬ ও অনুর্ধ্ব-১৯ আসরে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। দেশের নারী ফুটবলে শক্তি ও সম্ভাবনার কথা জানান দেওয়া ফুটবলের আকাশে চাঁদ হিসেবে পরিচিতি পাওয়া মারিয়া মান্দা, শামসুন্নাহার সিনিয়র, শামসুন্নাহার জুনিয়র, তহুরা খাতুন, সানজিদা আক্তার ও শিউলি আজিম ময়মনসিংহের সীমান্তঘেষা শেষ উপজেলা ধোবাউড়ার কলসিন্দুর গ্রামের সন্তান। সাফ শিরোপাতেও তারা রেখেছেন নিজেদের শ্রেষ্ঠত্বের ছাপ। ওই টুর্নামেন্টে তহুরা ভুটানের বিপক্ষে ৩টি, ভারতের বিপক্ষে ২টি ও শামসুনাহার জুনিয়র একটি গোল করে আন্তর্জাতিক মহলে উজ্জ্বল করেন বাংলাদেশের মুখ। বছরের শেষ প্রান্তে এসে জেগে ওঠে ময়মনসিংহের ক্রীড়াঙ্গণ। জিয়া ক্রিকেট টুর্নামেন্ট এবং আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের সফল আয়োজন অনন্য মর্যাদায় মহিয়ান করেছে ময়মনসিংহকে।

যুবদল নেতার মৃত্যুতে তোলপাড়, বহিষ্কার অ্যাকশনে বিএনপি

অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর ময়মনসিংহের রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ ঘটে। মাঠ থেকে আওয়ামী লীগ লাপাত্তা থাকলেও পুরোদমে রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় রয়েছে বিএনপি, জামায়াতসহ সমমনা রাজনৈতিক দলগুলো। এরই মধ্যে ঘটে যায় একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। গত ১৬ সেপ্টেম্বর ময়মনসিংহ নগরীতে যৌথ বাহিনীর অভিযানে আটক মহানগর যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইদুল ইসলামের (৪০) মৃত্যুতে রাজনৈতিক অঙ্গণে তোলপাড় শুরু হয়। এদিকে, দলে শৃঙ্খলায় আনতে হার্ডলাইন কৌশল গ্রহণ করে বিএনপি। বহিষ্কারের মুখে পড়েন দক্ষিণ জেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক ও ভালুকা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফখরউদ্দিন আহমেদ বাচ্চুসহ প্রায় ডজন খানেক নেতা। এ ঘটনায় আতঙ্কে ছিলেন দলটির বেশিরভাগ শীর্ষ সারির নেতারাও। দলটির নির্বাহী কমিটিতে জায়গা করে নেন আন্দোলন-সংগ্রামের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত মহানগর বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ। তিনি দলটির নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে অভিষিক্ত হন।

জিআই পণ্য হিসাবে মুক্তাগাছা মণ্ডা ও ছানার পায়েস এর স্বীকৃতি  

স্বাদে-ঘ্রাণে অতুলনীয় মুক্তাগাছার মণ্ডার কদর দেশজুড়েই। অনন্য এই মিষ্টিকে গত ১২ ফেব্রুয়ারি জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে শিল্প মন্ত্রণালয়। একইভাবে শেরপুরের ঐতিহ্যবাহী ‘ছানার পায়েস’ পেয়েছে জিআই পণ্যের স্বীকৃতি। তারা মণ্ডা ও ছানার পায়েসের স্বাদসহ গুণগত মান বজায় রাখতে নিজেদের দৃঢ় অঙ্গীকারের কথা জানিয়েছেন।

জামালপুর কারাগারে বিদ্রোহে নিহত হন ৬ বন্দি

আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর দেশের বিভিন্ন কারাগারে বিদ্রোহের ঘটনা ঘটে। ময়মনসিংহ বিভাগের মধ্যে একমাত্র জামালপুর কারাগারে বিদ্রোহে নিহত হন ৬ বন্দি। জেলারসহ আহত হন ১৯ জন। প্রায় ১০ ঘণ্টা গোলাগুলির পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয় স্থানীয় প্রশাসন। এরপর কারা অধিদপ্তরের নির্দেশনায় শৃঙ্খলা ফিরতে শুরু করে জামালপুর কারাগার। বিদায়ী বছরটিতে আলোচিত এই ঘটনা ছাড়াও বিএনপির রাজনীতিতে অভ্যন্তরীণ বিরোধ দৃশ্যমান হয়ে ওঠে।

এরই জের ধরে গত ৩১ আগস্ট শহরের দেওয়ানপাড়া মোড়ে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় আহত হন ৩০ নেতাকর্মী। এছাড়া মামলা থেকে নাম কাটার জন্য স্থানীয় বকশিগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মাহবুবুর রহমান লাভলুকে ফোন করেন যুবমহিলা লীগের সভাপতি জহুরা বেগম। এ ঘটনার একটি অডিও কল রেকর্ড ফাঁস হলে যুবদল নেতা মাহবুবুর রহমান লাভলুকে কেন্দ্র থেকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে মারা যাওয়া সাবেক ছাত্রলীগ নেতার নামে মামলা, র‌্যাগিংয়ের শিকার হয়ে হাসপাতালে বশেফমুবিপ্রবির শিক্ষার্থী, ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে ক্যাম্পাস ছাড়েন দুই শিক্ষক। এছাড়া গত ১১ সেপ্টেম্বর জামালপুরের মেলান্দহে নিজ ঘর থেকে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় শাহিনা বেগম নামে এক সেনা সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নেত্রকোণায় পুলিশের অস্ত্র ও গুলি লুট; টংক আন্দোলনের নেতার মৃত্যু

গত ৪ আগস্ট সরকার পতনের এক দফার আন্দোলন চলাকালে নেত্রকোণা জেলার পূর্বধলা উপজেলার শ্যামগঞ্জ বাজারে পুলিশের গাড়িতে হামলা করে ৭টি অস্ত্র ও ৪২০ রাউন্ড গুলি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। এ সময় উত্তেজিত আন্দোলনকারীরা ৬ পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে আহত করে। এতে ভাঙচুর হয় পুলিশের গাড়ি। ৫ আগস্টের পর পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে ৭ আগস্ট শিক্ষার্থীরা রং তুলি দিয়ে শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম মুছে দিয়ে ‘নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়’ নামে একটি ব্যানার বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাসের সামনে ঝুলিয়ে দেয়। এরপর শিক্ষার্থীদের ১১ দফা দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এই নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এর আগে এই বছরের গত ২৩ মার্চ উপজেলার কুল্লাগড়া ইউনিয়নের বহেরাতলী গ্রামের বাড়িতে মারা যান ঐতিহাসিক টংক আন্দোলনের সংগ্রামী নারী কুমুদিনী হাজং। ৯২ বছর বয়সে বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি মারা যান। কমিউনিস্ট নেতা কমরেড মনি সিংহের নেতৃত্বে টংক আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত হয় দুর্গাপুরের হাজং সম্প্রদাযয়ের কুমুদিনী হাজংয়ের স্বামী লংকেশ্বর হাজং। তৎকালীন পুলিশ ১৯৪৬ সালে কুমুদিনী হাজংকে উঠিয়ে নিয়ে যেতে চাইলে রাশিমনি হাজংয়ের নেতৃত্বে পুলিশের ওপর হামলা চালানো হয়। সেখানে পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারান রাশিমনি হাজং ও সুরেন্দ্র হাজং। এ সময় পুলিশের দুইজন সদস্য নিহত হন ওই ঘটনায়। যা ছিল দেশের তৎকালীন সময়ে বিশ্বব্যাপী আলোচিত একটি ঘটনা।

৪ মাস পর শেরপুর কারাগারের কার্যক্রম শুরু

বিগত ৪ আগস্ট শেরপুরে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে সরকারি গাড়ির ধাক্কায় দুই কলেজ ছাত্রের মৃত্যুতে শেরপুর উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ওই দিনই শেরপুর কারাগারেও ঘটে হামলার ঘটনা। এতে অস্ত্র লুট, বন্দি পালিয়ে যাওয়াসহ নানা অঘটনের সূত্রপাত হয়। প্রায় ৪ মাস কারাগারের কার্যক্রম বন্ধ থাকার পর গত ১২ ডিসেম্বর ফের শুরু হয়েছে  শেরপুর জেলা কারাগারের কার্যক্রম।

সেই সঙ্গে বিগত ৩৫ বছরের রেকর্ড ভেঙে আকস্মিক বন্যায় ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয় জেলার ৫টি উপজেলার দুই লাখেরও বেশি মানুষ। এতে ৪৫ হাজার হেক্টর জমির ফসল তলিয়ে যায়। ভেঙে পড়ে প্রায় ৮ হাজার ঘড়বাড়ি। বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগে শেরপুর সদরের দোজা পীরের দরবারে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের ঘটনাও ছিল বহুল আলোচিত।

এই প্রতিবেদন তৈরিতে তথ্য-উপাত্ত দিয়ে সহযোগিতা করেছেন নেত্রকোণা জেলা প্রতিনিধি চয়ন দেবনাথ মুন্না, জামালপুরের জেলা প্রতিনিধি মুত্তাছিম বিল্লাহ এবং শেরপুরের জেলা প্রতিনিধি মো. নাইমুর রহমান।

‘কোনো মানুষই ভুলের ঊর্ধ্বে নয়’, আখতারুজ্জামানের পক্ষে জামায়াত আমীর

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ণ
‘কোনো মানুষই ভুলের ঊর্ধ্বে নয়’, আখতারুজ্জামানের পক্ষে জামায়াত আমীর

‘কোনো মানুষই ভুলের ঊর্ধ্বে নয়’- মন্তব্য করে গ্রেপ্তার বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের পক্ষে দাঁড়িয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমীর শফিকুর রহমান।

রোববার (৪ অক্টোবর) সকালে নিজের ফেসবুক পোস্টে শফিকুর রহমান লেখেন, বিমানবন্দরে যাত্রী সাধারণের দুর্ভোগ-ভোগান্তি, কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা, অনিয়ম ও অন্যায় কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আখতারুজ্জামান আওয়াজ তুলেছেন। কার্যত তিনি ভুক্তভোগী যাত্রী সাধারণ, বিশেষ করে বিদেশফেরত প্রবাসীদের প্রতিবাদের কণ্ঠে পরিণত হয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

শফিকুর রহমান বলেন, তার এই প্রতিবাদকে আমলে নিয়ে দুর্বলতাগুলো সংশোধন করার পরিবর্তে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এমনকি দুইবারের সাবেক সংসদ সদস্য ও একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে জনসম্মুখে অপমানিত করার নানা হীন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ফেসবুক পোস্টে তিনি আরও লেখেন, ‘জনগণ অন্ধ নয়, সবই দেখছে।’ অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে আখতারুজ্জামান বীরত্বের প্রমাণ দিয়েছেন এবং ভুক্তভোগী মানুষের হৃদয়ের বীরে পরিণত হয়েছেন বলেও দাবি করেন জামায়াতের আমীর।

শেষে আখতারুজ্জামানের জন্য দোয়া করে শফিকুর রহমান লেখেন, ‘আল্লাহ তায়ালা তার সম্মান বৃদ্ধি করুন। আমীন।’

এর আগে গত ১ অক্টোবর বিমানবন্দরে অব্যবস্থাপনা, লাগেজ ট্রলির সংকট, লাগেজ পেতে বিলম্ব এবং জমজমের পানি না আসাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে বিষয়টি হুমকি-ধামকির পর্যায়ে পৌঁছায়।

পরে বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, সরকারি কাজে বাধা এবং নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে হেনস্তার অভিযোগে আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর ক্যান্টনমেন্টের ডিওএইচএসের বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)।

পরদিন শনিবার প্রিজনভ্যানে করে তাকে ঢাকার সিএমএম আদালতে নেওয়ার সময় মাথায় নিরাপত্তা হেলমেট পরানো হয়। আদালতে নেওয়ার সময় হেলমেট পরার প্রতিবাদ করেন আখতারুজ্জামান। পরে তিনি হেলমেট খুলে ফেলে দেন।

প্রিজনভ্যান থেকে নামার সময় তিনি বলেন, ‘আমি হেলমেট পড়বো না। আমাকে অন্যায়ভাবে-অবৈধভাবে হেলমেট পরানো হচ্ছে। আমি আওয়ামী লীগ না। হালের হেলমেট এখন আওয়ামী লীগের ফ্যাশন হয়েছে। আমাকে হাতকড়া পরান।’ এরপর দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য তার হাতে হাতকড়া পরান।

মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর পরই ইরানে মার্কিন সেনা!

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৩৮ পূর্বাহ্ণ
মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর পরই ইরানে মার্কিন সেনা!

ইরানের বিপক্ষে বড় যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে নভেম্বর মাসে আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে সেনা মোতায়েনের বিষয় বিবেচনা করছেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। গালফ নিউজের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট মনে করেন ইরানে সেনা পাঠানোর ক্ষেত্রে তার ‘হারানোর কিছু নেই’। ট্রাম্পের একাধিক হুমকি ও সেনা মোতায়েন নিয়ে অবশ্য তেমন উদ্বিগ্ন নয় ইরান। দেশটির মেহের নিউজের তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন হামলার কঠোর জবাব দিতে প্রস্তুত ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।

গত শুক্রবার রাতে এক জনসভায় ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি অবিলম্বে যুদ্ধ বন্ধও করে দেয়, তবুও ইরানের অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে লেগে যাবে কয়েক বছর। ট্রাম্প বলেছেন, ‘আমরা আগামীকালই চলে আসতে পারি; কিন্তু তাদের যে ক্ষতি করেছি, তা পুষিয়ে উঠতে তাদের কয়েক বছর সময় লাগবে। কারণ, তারা কোনো সমঝোতায় আসতে চায়নি। তারা তাদের চাল চেলেছিল; তবে তারা অত্যন্ত কঠোর অবস্থান নিয়েছিল।’

এরই মধ্যে ইরানের কাছাকাছি মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় যুক্তরাষ্ট্র তৃতীয় একটি বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্টের নেতৃত্বে একটি স্ট্রাইক গ্রুপ মোতায়েন করছে বলে আলজাজিরাকে জানিয়েছেন এক মার্কিন কর্মকর্তা। আলজাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ অষ্টম মাসে গড়িয়েছে এবং উভয় পক্ষ সংঘাতের তীব্রতা বাড়ানো কিংবা কূটনৈতিক আলোচনার বিষয়টি বিবেচনা করছে।

ইরানে নতুন করে সেনা মোতায়েন
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের মাত্র এক মাস আগে পাঠানো হচ্ছে আরও হাজার হাজার সেনা। দেশটির আশপাশে নতুন করে প্রায় ১০ হাজার সেনা মোতায়েনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ওয়াশিংটন। একজন মার্কিন কর্মকর্তা আলজাজিরাকে জানিয়েছেন, ‘ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট’ ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপটি গত রবিবার স্যান ডিয়েগো ঘাঁটি থেকে ওই অঞ্চলের উদ্দেশে রওনা হয়েছে। এর ঠিক এক দিন পর ‘মার্কিন আইল্যান্ড মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিট’ (এমইইউ), যেটিতে ২ হাজারের বেশি মেরিন সেনা রয়েছেন, সেটিও একই পথে যাত্রা করেছে। ‘দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’- এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই স্ট্রাইক গ্রুপ ও নৌবাহিনীর মোতায়েন প্রক্রিয়ায় সব মিলিয়ে যুক্ত হতে পারে অতিরিক্ত ৯-১০ হাজার মার্কিন সেনা। এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ ও অন্যান্য জাহাজে নিয়োজিত নাবিক ও মেরিন সেনাও।

জবাব দিতে প্রস্তুত ইরান
যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। ‘ট্রিগারে আঙুল রেখে’ হামলার জবাব দিতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছে তারা। মেহের নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র বা আঞ্চলিক হুমকি, আগ্রাসন কিংবা ভুল পদক্ষেপের মোকাবিলায় পুরোপুরি প্রস্তুত আইআরজিসি। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থাপনা এবং অবস্থান সম্পর্কে আইআরজিসির কাছে বিস্তারিত গোয়েন্দা তথ্য রয়েছে এবং যেকোনো উসকানির জবাবে তারা “অত্যন্ত কঠোর, তাৎক্ষণিক, বেদনাদায়ক এবং ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ২’-এর চেয়েও অধিক প্রাণঘাতী” পাল্টা ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।

‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ২’ ছিল ২০২৪ সালের অক্টোবরে ইসরায়েলের ওপর ইরানের চালানো ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা। সে সময় তেহরান নিক্ষেপ করেছিল প্রায় ২০০টি ক্ষেপণাস্ত্র। আইআরজিসি স্পষ্টভাবে হুঁশিয়ারি দিয়েছে, নতুন কোনো সংঘাতের ঘটনা ঘটলে তার জবাবে যে পদক্ষেপ নেওয়া হবে, তা ওই হামলার চেয়েও অনেক বড় ও অধিক প্রাণঘাতী হতে পারে।

সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের ফু-ওয়াংসহ চার বারে অভিযান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৫৬ অপরাহ্ণ
সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের ফু-ওয়াংসহ চার বারে অভিযান

কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুর শেখ নূর ইসলামের মালিকানাধীন ফু-ওয়াং বোলিং অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডসহ রাজধানীর চারটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালাচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কয়েকটি সংস্থা।

শনিবার (৩ অক্টোবর) বিকেলে গুলশানের র-ক্যানভাস রেস্তোরাঁ, হাবিব হোটেল ইন্টারন্যাশনাল, মার্গারিটা লাউঞ্জ ও ফু-ওয়াং বোলিং অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডে অভিযান শুরু হয়।

অভিযানের কারণ

শনিবার সন্ধ্যায় এনবিআরের বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ে বিশেষ অভিযান পরিচালনার কথা জানায় কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি)।

সিআইআইডির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকার কিছু বার, রেস্তোরাঁ, ডিপ্লোম্যাটিক বন্ডেড ওয়্যারহাউজ ও ডিউটি ফ্রি শপে অবৈধ উৎস থেকে অ্যালকোহল বা অ্যালকোহলজাত পণ্য সংগ্রহ, শুল্ক-মূসক ও আয়কর ফাঁকি এবং অননুমোদিত গ্রাহকের কাছে এসব পণ্য সরবরাহের অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগ অনুসন্ধানে সিআইআইডি চারটি দল গঠন করে।

অভিযানে এসব দলের সঙ্গে এনবিআরের আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট, সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল, মূসক নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর এবং ঢাকা উত্তর কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কর্মকর্তারা অংশ নিচ্ছেন।

এনবিআর সূত্রের দাবি, ফু-ওয়াং বোলিং অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডের মালিক শেখ নুরুল ইসলাম। তবে ফু-ওয়াং কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে শেখ নুর ইসলাম বা তাঁর পরিবারের কোনো ধরনের সম্পর্ক নেই।

অভিযান শেষে প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্য ও সার্বিক ফলাফল জানাতে শনিবার রাতে সংবাদ সম্মেলন করবে এনবিআর। রাত সাড়ে ১০টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নিচতলায় এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার শুল্কমুক্ত মদ মজুদের অভিযোগে সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুর শেখ নুরুল ইসলামের চারটি গুদাম সিলগালা করা হয়।

‘কোনো মানুষই ভুলের ঊর্ধ্বে নয়’, আখতারুজ্জামানের পক্ষে জামায়াত আমীর মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর পরই ইরানে মার্কিন সেনা! সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের ফু-ওয়াংসহ চার বারে অভিযান একযোগে ১১ পুলিশ কর্মকর্তাকে ঢাকার বাইরে বদলি 'কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু