খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১৪ ফাল্গুন, ১৪৩১

‘আমরা আন্দোলন করেছি গণতন্ত্র ও সংসদ নির্বাচনের জন্য স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য নয়’

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১০:৩০ অপরাহ্ণ
‘আমরা আন্দোলন করেছি গণতন্ত্র ও সংসদ নির্বাচনের জন্য স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য নয়’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, যারা আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন চাচ্ছেন, তাদের এই উদ্দেশ্য ষড়যন্ত্রমূলক। গ্রামে গঞ্জে অনেকের পায়ের তলার মাটি নেই, স্থানীয় সরকার নির্বাচন করে তারা পায়ের তলার মাটি করতে চাচ্ছে। আমরা আন্দোলন লড়াই করেছি গণতন্ত্র ও সংসদ নির্বাচনের জন্য। স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য লড়াই করিনি। ঘোড়ার আগে গাড়িতে উঠতে হয় না।

তিনি বলেন, বিএনপির জনপ্রিয়তা দেখে কিছু দল বা মানুষ হিংসা করে বিএনপিকে দুর্নাম করার চেষ্টা করছে। বিএনপি ভারতেই তাবেদারী করে না। বিএনপি নির্দোষ দল না, লক্ষ্য লক্ষ্য নেতাকর্মীকে মধ্যে একজন খারাপ হতে পারে। কিন্তু তাদের ছাড় দেয়া হবে না। আপনারা আমাদের তথ্য দেন, যদি কারো বিরুদ্ধে প্রমাণ দিতে পারেন তাহলে আমি মির্জা আব্বাস কথা দিচ্ছি সে বিএনপিতে থাকতে পারবে না।

২৫ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) নগরীর ডন চেম্বার মোড়ে জেলা বিএনপির জণসভায় যোগ দিয়ে এ কথা বলেন মির্জা আব্বাস।

মির্জা আব্বাস বলেন, আওয়ামীলীগের সময় আমি এই নারায়ণগঞ্জের মিটিং করতে এসেছিলাম। আমার নেতাকর্মীরা অনেক ভয়ে হলেও নারায়ণগঞ্জ ক্লাবে বসার ব্যবস্থা করেছে। কিন্তু আজ কোনো ভয় ছাড়াই এই লাখো মানুষের মাঝে দাঁড়িয়ে কথা বলতে পারছি। প্রথমে আমাদের নিজেদের মধ্যে ঐক্য থাকতে হবে পরে জাতির মধ্যে ঐক্য থাকতে হবে। ৭১ সালে আমরা অনেক কষ্ট করে স্বাধীন করেছি। দ্বিতীয় স্বাধীনতা বলে কিছু নাই, স্বাধীন হয়েছি ৭১ এ। আমরা বাংলাদেশকে পরপর ২ বার স্বৈরাচার মুক্ত করেছি। প্রথমে এরশাদ পরে শেখ হাসিনাকে পতন করিয়েছি। কেউ ২য় স্বাধীনতা বলবেন না। এতে স্বাধীনতাকে ও সেই শহীদদের ছোট করা হয়, আপনারা স্বৈরাচারের পতন বইলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, সরকার পতনের আগে ৩ আগস্ট শেখ হাসিনা ব্যবসায়ীদের সাথে সভা করেছিলো। সেখানে অনেকেই বক্তব্য বলেছে, শেখ হাসিনার মরলেও নাকি তার সাথে আছে। অনেকে আবার বলেছে আমরা আপনার সাথে থাকতে চাই। সেই বক্তব্য দেওয়া ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট এখনো ভাঙ্গা হয়নি। তাদের কেউকে গ্রেফতার করা হয়নি। যতদিন আপনারা সেই সবার বক্তব্য শুনে, তাদের সিন্ডিকেট না ভাঙ্গবেন তাদের গ্রেফতার না করেছেন ততদিন এই দ্রব্যমূল্য কমবে না। এই নারায়ণগঞ্জে অনেক কুলাঙ্গার আছে, যারা এখন ঘরে বসে আছে। আর ভারত থেকে নির্দেশ আসলে দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য কাজ করে। ওরা বলে নির্বাচনের কথা যারা বলে তারা নাকি জাতির শত্রু। শেখ হাসিনা ১৫ বছর থেকেছিল, আপনারাও থাকেন, দেখেন পারেন কিনা। মানুষ স্বাধীনভাবে কথা বলতে চায়।

জণসভায় তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে যারা মিথ্যা মামলা এখনও জেলে পচে মরছে তাদেরকে ছেড়ে দেওয়া হোক। আওয়ামী লীগ সরকার থাকতে তাদের কারণেই পুলিশ এদেরকে ছাড়তে পারেনি। কিন্তু এ সরকার থাকা অবস্থায় কেন তাদের ছাড়া হচ্ছে না তা আমার জানা নেই। আমি মনে করি তাদেরকে বিনা শর্তে মুক্তি দেওয়া হোক। এদেশের মানুষের ঐক্য কখনও কেউ ভাঙতে পারবেন না। মানুষ শান্তি চায়, নিরাপদে বাঁচতে চায়। কিন্তু যারা এই শান্তিতে থাকতে দিচ্ছে না তাদের জনগণ ছেড়ে দেবে না। এই সরকারের কাছে আমাদের দাবি ছিলো দ্রব্যমূল্য কমানোর ও সুষ্টু নির্বাচন দেওয়া। এই সরকার আসার সময় আমরাই সমর্থন করেছিলাম। আমরা বলেছি এ সরকারকে সফল করতে হবে, যদি এ সরকার ব্যর্থ হয় তাহলে দেশের জনগণ ব্যর্থ হয়ে যাবে। কিন্তু যদি আজীবন ক্ষমতায় থাকার ষড়যন্ত্র হয় তাহলে সেই ষড়যন্ত্র আমরা রুখে দিবো। অনেকেই বলে যারা নির্বাচন চায় তারা দেশের ভালো চায় না, যারা এগুলো বলেছে তারা এই ১৭ বছর কই ছিল ? আমরা নিজেদের জন্য নির্বাচন চাই না। অনেকেই ধরে নিয়েছে নির্বাচন হলেও বিএমপি ক্ষমতায় আসবে। তারা ধরে নিয়েছে কারণ তারা বুঝেছে এই দেশে বিএনপিকে মানুষ চায়।

সভায় নারায়ণগঞ্জ জেলার যুগ্ম আহ্বায়ক মাসকুল ইসলাম রাজীবের সঞ্চালনায় ও জেলা বিএনপির আহবায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদের সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম আহবায়ক শরীফ আহমেদ টুটুল, ১ম যুগ্ম আহবায়ক মুস্তাফিজুর রহমান ভূইয়া দিপু, সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, মহানগর বিএনপির আহবায়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান সদস্য সচিব আবুল ইউসুফ খান টিপু জেলা যুবদলের আহবায়ক সাদিকুর রহমান সাদেক সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনি সহ জেলার বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

এসময় জেলার বিভিন্ন উপজেলা, থানা, নগর-মহানগর, ওর্য়াডের নেতা কর্মীরা দলে দলে মিছিল নিয়ে সমাবেশ সফল করার উদ্দেশ্যে যোগদান করেন।

দুর্ঘটনায় পা হারানো মোবাস্বিরের চিকিৎসার আকুতি

মোঃ কুরবান আলী, সিনিয়র রিপোর্টার
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১১:৩৬ অপরাহ্ণ
দুর্ঘটনায় পা হারানো মোবাস্বিরের চিকিৎসার আকুতি

নাটোরের সিংড়ায় মোবাস্বির খান (৬) নামের এক শিশু দুর্ঘটনায় বাম পা হারিয়েছে। চিকিৎসা করানোর জন্য আর্থিক অভাবে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন তার পরিবার। গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর এক দুর্ঘটনায় বাম পা হারায় সে।

উপজেলার লালোর ইউনিয়নের বড় বেলঘরিয়া গ্রামের মো. আল মাহমুদ ও মোছাঃ আসমানী খাতুন দম্পতির চার সন্তানের মধ্যে বড় মোবাস্বির খান।

মোবাস্বিরের মা মোছাঃ আসমানী খাতুন জানান, গত ১৫ ডিসেম্বর বাড়ির পাশে নলবাতা একটি স্কুলের সিঁড়ির উপর বসা অবস্থায় নষ্ট ট্রাক মেরামত করার সময় ট্রাকটি মোবাস্বিরের পায়ের উপর পড়ে ঘটনাস্থলেই পা কেটে পড়ে যায়। পরে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। এরপর ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে নিয়ে অপারেশন করা হয়। চিকিৎসায় ১ লাখের উপর খরচ হয়েছে। কিন্তু ট্রাক মালিক আমাদেরকে ৭০ হাজার টাকা দিয়েছে। চিকিৎসক বলেছে, তিনটি অপারেশন করতে হবে, এতে খরচ হবে ২ লাখ ১০ হাজার টাকা। চিকিৎসক বলেছেন ছেলের বয়স ২২ বছর হলে কৃত্রিম পা লাগিয়ে দিবেন।

আসমানী খাতুন আরও বলেন, আমার স্বামী টাঙ্গাইলে তাঁতের কাজ করে কোনোরকমে সংসার চালায়। ছেলেকে সুস্থ করতে অনেক টাকার প্রয়োজন। কিন্তু এত টাকা কোথায় পাব? যদি চিকিৎসা করানো যায়, তাহলে সে কাটা পা নিয়েও বেঁচে থাকতে পারবে। সরকার ও সমাজের বিত্তবানদের সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।

লালোর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান একরামুল হক শুভ বলেন, মোবাস্বিরের বাবা দরিদ্র মানুষ। তাঁতের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে। ছেলের চিকিৎসার জন্য অনেক টাকার প্রয়োজন। এজন্য যার যার জায়গা থেকে এগিয়ে আসতে আহ্বান জানান তিনি।

সাহায্যের জন্য ০১৭০৬৩৯৭৪৩৩ (বিকাশ)
মোছাঃ আসমানী খাতুন

সাদিয়া-রনির প্রেমের গুঞ্জন

মেহজাবীনের বিয়ে উসকে দিল জেফার-রাফসান

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১০:৫৮ অপরাহ্ণ
মেহজাবীনের বিয়ে উসকে দিল জেফার-রাফসান

বিয়ের মাধ্যমে অবসান ঘটল মেহজাবীন চৌধুরী-আদনান আল রাজীবের বিতর্কিত প্রেমের গুঞ্জন অধ্যায়ের। সেখান থেকেই ফের ডানা মেলল দীর্ঘ দিন ধরে চলতে থাকা রেদওয়ান রনি-সাদিয়া আয়মান এবং জেফার-রাফসানের প্রেমের গুঞ্জন।

নির্মাতা রেদওয়ান রনির সঙ্গে সাদিয়া আয়মানের প্রেমের গুঞ্জন অনেক দিনের। একই গুঞ্জনের নৌকা বাইছেন সংগীতশিল্পী জেফার রহমান ও উপস্থাপক রাফসান সাবাব। মেহজাবীনের বিয়েতে রনি-সাদিয়া, জেফার-রাফসানের পাশাপাশি কাছাকাছি থাকা যেন ফের ঘি ঢালল আগুনে।

মেহজাবীন-রাজীবের বিয়েতে বসেছিল তারার মেলা। বিনোদন অঙ্গনের জনপ্রিয় ব্যক্তিত্বরা এক হয়েছিলেন। সামাজিক মাধ্যমে ভেসে বেড়াচ্ছে সেসব ভিডিও। একটি ভিডিওতে দেখা যায় নব দম্পতির পাশেই দাঁড়িয়ে রেদওয়ান রনি ও সাদিয়া আয়মান। সাদিয়ার পেছনে রনি। হাত দুটি অভিনেত্রী কাঁধে রাখতে দেখা যায় এক সময়। এসময় উচ্ছ্বসিত দুজনকে কথাও বলতে দেখা যায়।

ওই সময় রাফসান-জেফারও ছিলেন পাশাপাশি। নেটিজেনদের নজর এড়ায়নি তা। সাদিয়া-রনি, জেফার- রাফসানের পাশাপাশি থাকাটা অন্য চোখে দেখছেন তারা। মন্তব্যের ঘরে একজন লিখেছেন, ‘রেদওয়ান রনির সামনে সাদিয়া আয়মান। ঘটনা কি?’ অন্য একজন লিখেছেন ‘সাদিয়া আর রনিরটা (বিয়ে) কবে?’

নেটাগরিকরা ছাড়েননি রাফসান-সাদিয়াকেও। তাদের নিয়ে কেউ লিখেছেন, ‘সব বুঝলাম তবে জেফার আর রাফসানরে মনে হলো কাপল হিসেবে দেখলাম।’ অন্য একজনের কথায়, ‘বাঙালির সন্দেহ কখনোই ভুল হয় না। এখানে রাফসান শাবাব আর জেফার একসাথেই বসে আছে।’

গেল বছর ঘর ভাঙে রাফসানের। তখন অনেকের মন্তব্য ছিল, কণ্ঠশিল্পী জেফারের সঙ্গে প্রেম করছেন রাফসান। সেকারণেই স্ত্রী সানিয়া এশাকে তালাক দিয়েছেন তিনি। তবে বিষয়টিকে উড়িয়ে দিয়ে সেসময় জেফার বলেছিলেন, ‘সে আমার একজন বন্ধু। আমরা একসঙ্গে শো করেছি, বিভিন্ন প্রোগ্রামে অংশ নিয়েছি। যেমনটি আমরা আরও অনেক সহকর্মীর সঙ্গে করি। এর বাইরে তার সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই।’

অন্যদিকে রনির সঙ্গে সাদিয়া আয়মানের প্রেমের গুঞ্জন উঠতে সাদিয়া রহস্য জিইয়ে রেখে বলেছিলেন, ‘সামাজিক মাধ্যমে মানুষ অনেক কিছুই বলে। এগুলো নিয়ে কথা বলতে আর ভালো লাগছে না।’

আরও বলেছিলেন, ‘যদি সত্যি হয়ে থাকে দুই পক্ষ থেকে বিষয়টি আসবে। সামাজিক মাধ্যমে এমনিতে মানুষ কত কিছুই বলে। যে যা বলছেন, বলতে দেন। কি আর করার আছে।’

এদিকে অনেকদিন ধরে আলচনায় নেই সাদিয়া আয়মান। এরমধ্যে আলোচনায় আসার মতো কাজও দেখা যায়নি তার। অন্যদিকে জেফার-রাফসানের গুঞ্জনের সূর্য যখন অস্তমিত তখন মেহজাবীন-রাজীবের বিয়েতে ফের মাথাচাড়া দিল রাফসান-জেফার, সাদিয়া-রনির প্রেমের গুঞ্জন।

সিরাজগঞ্জে “সুখ পাখির” আয়োজনে দুঃস্থ, অসহায়, প্রতিবন্ধীদের মাঝে ফুডপ্যাকেজ বিতরণ

রেজাউল করিম স্টাফ রিপোর্টার, সিরাজগঞ্জঃ
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১০:৫১ অপরাহ্ণ
সিরাজগঞ্জে “সুখ পাখির” আয়োজনে দুঃস্থ, অসহায়, প্রতিবন্ধীদের মাঝে ফুডপ্যাকেজ বিতরণ

সিরাজগঞ্জে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষ্যে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন “সুখ পাখি”র আয়োজনে, দুঃস্থ, অসহায়, প্রতিবন্ধী, বিধবা নারী, স্বামী পরিত্যক্তা দুই শতাধিক মানুষদের মাঝে ফুডপ্যাকেজ বিতরণ বিতরণ করা হয়।

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারী) সকালে সিরাজগঞ্জ পৌরএলাকার হোসেনপুর দক্ষিণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গণে ফুড প্যাকেজ (ইফতার বাজার) বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে ছিলো চাউল-১৫ কেজি, সয়াবিন তেল -১কেজি, মসুর ডাউল-২ কেজি, ছোলা- ২ কেজি, আলু-৩ কেজি, পিয়াজ -২ কেজি, মুড়ি -১ কেজি। 

উক্ত ফুড প্যাকেজ বিতরণকালে, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিরাজগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ হারুন অর রশিদ খান হাসান। সন্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সমাজসেবক ও ব্যবসায়ী ইকবাল আহমেদ বাবু, মঞ্জুর হোসেন, “সুখ পাখি” সংগঠনের সদস্য ও ব্যবসায়ী মোঃ সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।

এ সময়ে “সুখ পাখি” প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক শেখ মোঃ রজব আলী, প্রতিষ্ঠা সদস্য রাসেল রহমান এর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় বিতরণ কার্যক্রমে সহযোগিতা করেন, “সুখ পাখি” র স্বেচ্ছাসেবী সদস্য মোঃ নাজমুল ইসলাম,  আসিফ, হামিদা ইসলাম, সিনথিয়া, সেতু, হৃদয়, রাব্বি সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

উক্ত মানবিক সহায়তা ফুড প্যাকেজ দুঃস্থ, অসহায় মানুষেরা পেয়ে খুশি হয়ে বাড়ি ফিরছেন।