খুঁজুন

সংরক্ষিত আসন ১০০ ও সরাসরি নির্বাচন চান নারী অধিকারকর্মীরা

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১:৪৭ অপরাহ্ণ
সংরক্ষিত আসন ১০০ ও সরাসরি নির্বাচন চান নারী অধিকারকর্মীরা

জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত আসনসংখ্যা বাড়িয়ে ১০০ করে তাতে নারী প্রার্থীদের সরাসরি নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন নারী অধিকারকর্মীরা। পাশাপাশি সাধারণ আসনে মনোনয়নের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলো যাতে ৩৩ শতাংশ নারী প্রার্থী দেয়, সে দাবিও করা হয়েছে কমিশনের পক্ষ থেকে।

মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে নারী অধিকারকর্মীরা এ দাবি জানান। তাঁরা ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নেওয়া সব রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে নারী অধিকারকর্মীদের একটি বৈঠক আয়োজনেরও অনুরোধ জানান।

জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে ‘নারীর রাজনৈতিক অধিকার ফোরাম’ নামে ৩১ আগস্ট আত্মপ্রকাশ করা নতুন সংগঠনের ব্যানারে এই আলোচনায় অংশ নেন নারী অধিকারকর্মীরা। আলোচনার জন্য এই সংগঠনের পক্ষ থেকে ঐকমত্য কমিশনকে চিঠি দেওয়া হয়েছিল।

বৈঠকে নারী অধিকারকর্মীদের পক্ষ থেকে প্রস্তাবিত জাতীয় জুলাই সনদে জাতীয় সংসদে নারীর আসন বিষয়ে আইন সভাবিষয়ক অধ্যায়ের ২৪ অনুচ্ছেদ বিষয়ে সংশোধনী ও সংযুক্তির প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে বলা হয়, ২০২৫-পরবর্তী সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের অভিপ্রায়ের ভিত্তিতে গঠিতব্য জাতীয় সংসদ উপযুক্ত বিষয়গুলো পুনর্বিবেচনার সুযোগ পাবে। রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজ, নারী সংগঠন ও বিশেষজ্ঞ মহলের সঙ্গে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও পদ্ধতিগত আলোচনার মাধ্যমে জাতীয় নির্বাচন ও জাতীয় সংসদে নারীর বর্ধিত ও কার্যকর প্রতিনিধিত্ব বিষয়ে আলোচনার মাধ্যমে ন্যায়সংগত সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

বৈঠকে ঐকমত্য কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়, নারী অধিকারকর্মীরা দাবি পূরণের জন্য যাতে রাজনৈতিক দলগুলোকে সম্মত করার চেষ্টা করেন। কারণ, কমিশন সুপারিশ করতে পারলেও বাস্তবায়নের এখতিয়ার নেই। বাস্তবায়ন করার কাজটি করবে রাজনৈতিক দল।

নারী অধিকারকর্মীদের পক্ষে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধূরী, নারীপক্ষের সভাপতি গীতা দাস, প্রকাশক মাহরুখ মহিউদ্দিন, বাংলাদেশ নারী মুক্তি কেন্দ্রের সীমা দত্ত, ক্ষুব্ধ নারী সমাজের ঋতু সাত্তার, শ্রমবিষয়ক সংস্কার কমিশনের সদস্য তাসলিমা আখতার, নারীর ডাকে রাজনীতির ওয়াসিমা ফারজানা, নারীপক্ষের সদস্য সাদাফ সায্‌ সিদ্দিকী, দুর্বার নেটওয়ার্কের মাহমুদা খাতুন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া নাজিফা জান্নাত, নারীগ্রন্থ প্রবর্তনার শাহনাজ পারভীন ও ফেমিনিস্ট অ্যালায়েন্স অব বাংলাদেশের (ফ্যাব) তৃষিয়া নাশতারান। আমন্ত্রিতদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সামিনা লুৎফা ও সহযোগী অধ্যাপক মোশাহিদা সুলতানা ডাকসু নির্বাচনের কারণে বৈঠকে উপস্থিত থাকতে পারেননি বলে জানানো হয়েছে।

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন কমিশনের সহসভাপতি আলী রীয়াজসহ কমিশনের সদস্যরা।

বৈঠকের বিষয়ে রাশেদা কে চৌধূরী গণমাধ্যমে বলেন, ‘নারীর রাজনৈতিক অধিকার ফোরামের পক্ষ থেকে চিঠি দেওয়ার পর কমিশন এ বৈঠক ডাকে। আমরা নারী আসন নিয়ে কমিশনের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ও হতাশার কথা জানিয়েছি।’

রাশেদা কে চৌধূরী আরও বলেন, ‘১০০ আসনে সরাসরি নির্বাচনব্যবস্থা সাংবিধানিক আদেশে করা যেতে পারে। সেটা আসন্ন জাতীয় নির্বাচনেই সম্ভব। বাস্তবতা ও সম্ভাব্যতা বিবেচনা করেই এই দাবি করা হয়েছে। রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকলে মূল তিনটি দাবিই পূরণ করা সম্ভব। রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর আমরা ভরসা রাখতে চাই।’

পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে নারীর রাজনৈতিক অধিকার ফোরামের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করা হবে বলে রাশেদা কে চৌধূরী জানান।

এর আগে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের দুই পর্বে আলোচনা শেষ হয় ৩১ জুলাই। এতে সিদ্ধান্ত হয়, আগের মতো জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনসংখ্যা ৫০ থাকবে। সেসব আসনে আগের মতো দলীয়ভাবে মনোনয়নের ব্যবস্থা থাকবে। আর ৩০০ আসনে সরাসরি নির্বাচনের ক্ষেত্রে দলগুলো ৫ শতাংশ আসনে মনোনয়ন দেবে নারীদের। এই পদ্ধতিতে রাজনৈতিক দলগুলো প্রার্থী মনোনয়নে ৩৩ শতাংশ নারী প্রার্থীর মনোনয়নের লক্ষ্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে প্রতিটি নির্বাচনে ৫ শতাংশ বর্ধিত হারে নারী প্রার্থী মনোনয়ন অব্যাহত রাখবে। ২৯টি দল ও জোট এতে একমত হয়। নোট অব ডিসেন্ট (ভিন্নমত) দেয় আমজনতার দল, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি ও বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল। প্রস্তাবিত জুলাই সনদের ২৪ অনুচ্ছেদে এসব প্রস্তাব যুক্ত করা হয়েছে।

নারীদের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং জাতীয় সংসদে নারী আসন ও সরাসরি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ না হওয়া ও ঐকমত্য কমিশনে কোনো নারী সদস্য না রাখায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন নারী অধিকারকর্মীরা।

মঙ্গলবার বৈঠক শেষে নারীপক্ষের গীতা দাস গণমাধ্যমে বলেন, এ বিষয়গুলো নিয়ে তাঁরা রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে কথা বলতে চান। এ জন্য ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নেওয়া দলগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে একটা বৈঠক আয়োজনের অনুরোধ করেছেন তাঁরা।

‘কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৩০ অপরাহ্ণ
‘কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু

‘আমি বেঁচে থাকতে কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’-নির্বাচনী মাঠে এমন দৃঢ় প্রত্যয়ের কথা বলার কয়েক ঘণ্টা পরই চিরতরে নির্বাচনী মাঠ ছাড়লেন কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম খোকন।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়ে দিনভর গণসংযোগ করার পর রাতেই না ফেরার দেশে চলে যান তিনি।

তিনি চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এবং কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ছিলেন। গত কয়েক মাস ধরে শুহিলপুর ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ভোটার ও সমর্থকদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছিলেন তিনি।

জানা যায়, এদিন নিজের ইউনিয়ন শুহিলপুরে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার লক্ষে হাজারো নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে গণসংযোগ করেন বিএনপির এ নেতা। চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে দিনভর নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে নির্বাচনী শোডাউন করেছিলেন তিনি। সন্ধ্যায় পথসভায়ও দিয়েছিলেন জয়ের প্রত্যয়ী বক্তব্য।

দিনভর প্রচারণা শেষে গতকাল সন্ধ্যায় শালিখা বাজারে আয়োজিত পথসভায় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বক্তব্য দেন খোকন।

পথসভায় বিএনপি নেতা বলেন, আপনারা কি চান, শাওন সাহেব (বর্তমান এমপি) আমাকে দলীয় প্রার্থী করুক? তাহলে নিশ্চিত থাকেন, শাওন সাহেব এই ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আমাকে প্রার্থী ঘোষণা করবেন।

তার বক্তব্যে ছিল নির্বাচনে জয়ের প্রত্যয়, ছিল ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা পরিকল্পনা। নেতা-কর্মীদের মধ্যেও ছিল উৎসাহ-উদ্দীপনা। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানেই যেন বদলে গেল সবকিছু।

সারাদিনের নির্বাচনী কর্মসূচি শেষে রাতে বাড়ি ফিরে খাবার খান সাইফুল ইসলাম খোকন। এরপর ঘুমাতে যাওয়ার প্রস্তুতিকালে রাত আনুমানিক ১২টার দিকে হঠাৎ বুকে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করেন তিনি। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে ইলিয়টগঞ্জ বাজারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে পরে দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর বাজারের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে সেখানে তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন মেঝ ছেলে সাঈদ।

মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেও যে মানুষটি নেতা-কর্মীদের সামনে দাঁড়িয়ে নির্বাচনে নিজের প্রার্থিতার কথা বলছিলেন, রাত না পেরোতেই সেই মানুষটিই চলে গেলেন না ফেরার দেশে। থেমে গেল তার রাজনৈতিক পথচলা। থেমে গেল চেয়ারম্যান হওয়ার স্বপ্ন। নির্বাচনী মাঠ থেকে সরে গেলেন ঠিকই তবে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বীর কাছে পরাজিত হয়ে নয়, চিরদিনের জন্য।

সাইফুল ইসলাম খোকনের আকস্মিক মৃত্যুতে শুহিলপুর ইউনিয়নসহ পুরো চান্দিনার রাজনৈতিক অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজন, রাজনৈতিক সহকর্মী, নেতা-কর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে বিরাজ করছে গভীর শোক ও বেদনা।

জানা যায়, আজ সকাল ১১টায় ইলিয়টগঞ্জ রা.বি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার নামাজে জানাজে শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

এদিকে জানাজা নামাজের আগে কুমিল্লা-৭ আসনের সংসদ সদস্য উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আতিকুল আলম শাওন বলেন, সাইফুল ইসলাম খোকন আমার মরহুম পিতার সময়কাল থেকে বিএনপি’র রাজনীতি করেছেন। আমার কয়েকজন অভিভাবকদের মধ্যে তিনিও ছিলেন একজন। তার এই মৃত্যুতে শুহিলপুর ইউনিয়নসহ উপজেলা বিএনপিতে শূন্যতা সৃষ্টি হবে।

‘ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৩ অপরাহ্ণ
‘ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি

‘তুমি এখনো ভালো হওনি, ভালো হয়ে যাও মাসুদ’- সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের এমন মন্তব্যের পর দেশজুড়ে পরিচিতি পাওয়া বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) কর্মকর্তা মো. মাসুদ আলমকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় বদলি করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংস্থাটির আরও কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার দায়িত্বেও রদবদল আনা হয়েছে।

গত ৩১ আগস্ট বিআরটিএ চেয়ারম্যানের কার্যালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ বদলি ও পদায়নের বিষয়টি জানানো হয়। আদেশে উল্লেখ করা হয়, জনস্বার্থে নেওয়া এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে।

অফিস আদেশ অনুযায়ী, বিআরটিএ চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) মো. মাসুদ আলমকে ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

অন্যদিকে ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) শফিকুজ্জামান ভূঞাকে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের একই পদে বদলি করা হয়েছে। ফলে মাসুদ আলমের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন তিনি।

উল্লেখ্য, বিআরটিএর সেবা ও অনিয়ম নিয়ে এক পরিদর্শনকালে কর্মকর্তা মাসুদ আলমকে উদ্দেশ করে ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, ‘তুমি এখনো ভালো হওনি, ভালো হয়ে যাও মাসুদ।’ তার সেই বক্তব্য দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং মাসুদ আলমকে ঘিরে আলোচনা তৈরি হয়।

বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

মোঃ রেজাউল করিম, সিনিয়র রিপোর্টার:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৪ অপরাহ্ণ
বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকালে উপজেলার মুকুন্দগাঁতী ও ক্ষিদ্রমাটিয়া গ্রামের উদ্যোগে ও ঢাকা ব্যাংক পি এল সি অর্থায়নে ক্ষিদ্রমাটিয়া গ্রামের যমুনা নদীর শাখায় তিন দিনব্যাপী এই মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য আমিরুল ইসলাম খাঁন আলীম। 

বাইচ কমিটির সভাপতি আলতাফ হোসেনের সভাপতিত্বে আরোও উপস্থিত ছিলেন, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিষ্টার শাহানাজ প্রধান, সহকারী পুলিশ সুপার বেলকুচি সার্কেল শহিদুল ইসলাম, বেলকুচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোক্তারুজ্জামান, বেলকুচি কলেজের অধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা বিএনপির সদস্য গোলাম আজম, উপজেলার বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক মন্ডলসহ স্থানীয় গনমান্য ব্যক্তিবর্গ। 

সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পানসি ১৮ টা ও ১২ টা কোষা নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করেন। আগামী ৬ সেপ্টেম্বর রবিবার বাইচ প্রতিযোগিতার চুড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হবে।

'কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু 'ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন বিশ্বের সর্বোচ্চ খেলাপি ঋণের দেশ এখন বাংলাদেশ যতবারই নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়েছে ততবারই বিএনপি জিতেছে: মন্ত্রী দুলু