খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৫, ২০ চৈত্র, ১৪৩১

মব জাস্টিস থামাতে ছাত্রদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে: নাহিদ

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ১০:৪৬ অপরাহ্ণ
মব জাস্টিস থামাতে ছাত্রদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে: নাহিদ

মব জাস্টিস নিয়ে ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য করে বলেছেন, সারাদেশে আমরা মব জাস্টিস পরিস্থিতি দেখতে পাচ্ছি। এ বিষয়ে ছাত্রদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। আমরা যেন আইন নিজের হাতে তুলে না নিই।

তিনি বলেন, প্রশাসনকে প্রশাসনের মতো কাজ করতে দিতে হবে। আমরা তাদের সহযোগিতা করবো। পুলিশের কাজ পুলিশকে দিয়েই করাতে হবে। এ বিষয়ে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।

শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে লক্ষ্মীপুর শহর পুলিশ ফাঁড়ির নবনির্মিত ভবনে সেনা ক্যাম্পে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্যকালে তিনি এসব কথা বলেন।

রাষ্ট্রীয় সফরে এদিন উপদেষ্টা নাহিদ লক্ষ্মীপুরের বন্যা দুর্গত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি সদর উপজেলা বাঙ্গাখাঁ উচ্চ বিদ্যালয় ও যাদৈয়া ইসলামিয়া ফাজিল ডিগ্রি মাদরাসার আশ্রয়কেন্দ্রে দুর্গতদের মধ্যে খাদ্য সহায়তা বিতরণ করেন।

উপদেষ্টা নাহিদ বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিবেশ দ্রুত ফিরিয়ে আনতে সারাদেশে সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। আমরা আশা করবো, তারা অতি দক্ষতার সঙ্গে ক্ষমতাটি প্রয়োগ করবেন। যৌথ বাহিনীর যে অভিযান চলমান রয়েছে, সেখানে যাতে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড না হয়, সে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। কারো ইমেজই যেন নষ্ট না হয়, সে বিষয়ে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। সশস্ত্র বাহিনী, সেনাবাহিনী, পুলিশ, শিক্ষার্থী ও রাজনৈতিক পক্ষগুলোকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। এ সময়কে মোকাবেলা করতে।

তিনি আরও বলেন, একটা অভ্যুত্থান পরবর্তী পরিস্থিতিতে বাংলাদেশকে একবারেই নতুন করে গঠন করার চেষ্টা করছি। সে জায়গায় আমাদের মূল শক্তি হচ্ছে ঐক্য। অভ্যুত্থানের মাধ্যমে জাতীয় ঐক্য তৈরি হয়েছে। আমাদের শিক্ষার্থী, নানান শ্রেণী-পেশার মানুষ, সশস্ত্র বাহিনী ও রাজনৈতিক দলগুলোসহ ফ্যাসিবাদ বিরোধী পক্ষগুলো মিলে আমরা একটা ঐক্য করেছি। আমরা কিছু কমিটমেন্টও করেছি। বাংলাদেশে আর কখনও কেউই যেন স্বৈরাচারী করতে না পারে। স্বৈরাচারী হয়ে উঠতে না পারে, এমন একটি বাংলাদেশ আমরা গড়বো। ন্যায় বিচারের বাংলাদেশ গড়তে আমরা কাজ করছি। সে ঐক্য ফাটল ধরাতে নানা ধরনের অপচেষ্টা করবে, সেক্ষেত্রে আপনারা সতর্ক থাকবেন। নিজেদের মধ্যে যেন বিশৃঙ্খলা না হয়, ঐক্যের ফাটল যেন না হয়।

নাহিদ বলেন, আমরা একটা অভ্যুত্থানের ভেতর দিয়েই আজকের এ পরিস্থিতিতে এসেছি। আমাদের অনেক রক্তাক্ত, অনেক ভাইহারা, বোনহারা বেদনার ভেতর দিয়েই এমন পরিস্থিতিতে আসছি। যারা শহীদ পরিবার রয়েছে, তাদের তালিকাটা যেন সঠিকভাবে হয় জেলাভিত্তিক, তা নিশ্চিত করবেন। আহতদের মধ্যেও যারা আছেন, তাদের মধ্যে যারা আশঙ্কাজনক অবস্থায় আছেন, ঢাকায় তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে। আমরা শহীদ ও আহতদের নিয়ে কাজ করছি। আমরা যে ফাউন্ডেশন করছি, তা সারাজীবনই এ পরিবারগুলোকে নিয়ে কাজ করবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন- লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক রাজীব কুমার সরকার, সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মাজিদুল হক রেজা, লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশ সুপার মো. আকতার হোসেন, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল হক, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা ইউছুফ মিয়া, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফুর রহমান প্রমুখ।

দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা হলে সরকার হার্ডলাইনে যাবে : তথ্য উপদেষ্টা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২ এপ্রিল, ২০২৫, ২:০১ অপরাহ্ণ
দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা হলে সরকার হার্ডলাইনে যাবে : তথ্য উপদেষ্টা

তিশীল করার চেষ্টা হলে সরকার হার্ডলাইনে যাবে।

গণঅভ্যুত্থানে শহীদ মাসুম মিয়ার কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার উত্তর রামপুর গ্রামে কবর জিয়ারত ও পরিবারের সাথে সাক্ষাত শেষে সাংবাদিকদের তিনি আজ এ কথা বলেন।

উপদেষ্টা বলেন, নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে বাংলাদেশে চরমপন্থার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এ সুযোগ কাউকে নিতে দেওয়া হবে না। আমরা চেষ্টা করব বাংলাদেশের কোনো রাজনৈতিক ও ধর্মীয় উগ্রপন্থা যেন মাথাচাড়া দিতে না পারে। নির্বাচনের মাধ্যমে যেন গণতান্ত্রিক রূপান্তরের ভূমিকা রাখতে পারি। যদি আলোচনা সতর্কতায় কাজ না হয়, যদি দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা হয়, সরকার অবশ্যই হার্ডলাইনে যাবে।

মাহফুজ আরো বলেন, শহীদের চেতনা যেন বাংলাদেশের জনগণ ধারণ করে। আমরা চেষ্টা করবো যাতে গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের খুনিদের বিচার কাজ শেষ করে যেতে পারি।

শহীদদের আকাঙ্খার বাংলাদেশ বিনির্মাণে এই সরকারের চেষ্টা আছে। জনগণ এটার সাথে আছে। আমরা বিশ্বাস করি এই চেতনার সাথে রাজনৈতিক দলের সদিচ্ছা প্রকাশ করলে আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ গঠন করবো।

গণমাধ্যমের সংস্কার প্রসঙ্গে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, যতদিন আছি আমরা চাইবো গণমাধ্যমের একটি গুণগত সংস্কারের জন্য। গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের পর্যালোচনা ও প্রস্তাবনায় মফস্বল ও কেন্দ্র নিয়ে বিস্তারিত বর্ণনা আছে।

এই সময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খান, বাংলাদেশ নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব জয়নাল আবেদীন শিশির, সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবাইয়া খানম, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন কুমিল্লা মহানগরের আহবায়ক আবু রায়হান ও সদস্য সচিব রাশেদুল হাসানসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

৪০ দিনের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব, হামাসকে যে শর্ত দিল ইসরাইল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ এপ্রিল, ২০২৫, ৭:৩৩ অপরাহ্ণ
৪০ দিনের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব, হামাসকে যে শর্ত দিল ইসরাইল

৫০ দিনের নয়, দখলদার ইসরাইল গাজায় ৪০ দিনের যুদ্ধবিরতির একটি নতুন প্রস্তাব দিয়েছে। যার মাধ্যমে ১১ জন জীবিত ইসরাইলি বন্দিকে মুক্ত করার পাশাপাশি ১৬টি মরদেহও ফেরত পাওয়ার চেষ্টা করছে নেতানিয়াহুর সরকার।

Advertisement

বিপরীতে ইসরাইলের কারাগার থেকে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক ফিলিস্তিনি বন্দির মুক্তি দেওয়া হবে।

সোমবার ইসরাইলি প্রভাবশালী দৈনিক হারেৎজ এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, মিশর ও কাতারের মধ্যস্থতায় ইসরাইল ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের কাছে এই প্রস্তাব পাঠিয়েছে।

প্রস্তাবের প্রধান শর্তগুলো হলো:

৪০ দিনের যুদ্ধবিরতি;
হামাসের কাছ থেকে ১১ জন জীবিত বন্দির মুক্তি ও ১৬টি মরদেহ ফেরত;
ইসরাইলের কারাগার থেকে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক ফিলিস্তিনি বন্দির মুক্তি;
যুদ্ধবিরতির ৫ম দিনে হামাসের কাছে বাকি বন্দিদের তথ্য চাওয়া;
১০ম দিনে ১৬ জনের মরদেহ হস্তান্তরের অনুরোধ।
পক্ষগুলোর প্রতিক্রিয়া

যদিও এই প্রতিবেদনের বিষয়ে ইসরাইল, হামাস বা মধ্যস্থতাকারীদের কেউই এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি।

বর্তমান পরিস্থিতি

নেতানিয়াহুর সরকার মনে করে যে, গাজায় হামাসের হাতে এখনো ৫৯ জন ইসরাইলি বন্দি রয়েছে। যাদের মধ্যে অন্তত ২৪ জন জীবিত।

অন্যদিকে, ইসরাইলি কারাগারে ৯,৫০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি বন্দি রয়েছেন। যাদের ওপর চরম মানবাধিকার লঙ্ঘন, নির্যাতন ও চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ রয়েছে।

ইসরাইল চলতি বছরের জানুয়ারিতে হওয়া একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে গাজায় গত ১৮ মার্চ থেকে নতুন বিমান হামলা চালিয়েছে। গত ১৫ দিন ধরে অব্যাহতভাবে চালানো এই হামলায় ১,০০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি নিহত এবং ২,৫০০-এর বেশি মানুষ আহত হয়েছে।

এ নিয়ে ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইসরাইলের হামলায় সবমিলিয়ে ৬৩,০০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে বেশিরভাগই নারী ও শিশু।

আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া

আইসিসি (International Criminal Court) গত বছর ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গাজায় যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে।

অন্যদিকে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (ICJ) ইসরাইলের বিরুদ্ধে গণহত্যার মামলা চলমান।সূত্র: আনাদোলু

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনটি ‘উদ্বেগজনক ও বিভ্রান্তিকর’

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ এপ্রিল, ২০২৫, ৭:৩১ অপরাহ্ণ
নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনটি ‘উদ্বেগজনক ও বিভ্রান্তিকর’

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, বাংলাদেশে ইসলামিস্টদের উত্থান নিয়ে নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনটি উদ্বেগজনক এবং বিভ্রান্তিকর।

মঙ্গলবার সিএ প্রেস উইং থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিউইয়র্ক টাইমসের নিবন্ধটি ইঙ্গিত দেয় যে বাংলাদেশে ধর্মীয় চরমপন্থা উত্থানের দ্বারপ্রান্তে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এটি বাংলাদেশের ভুল চিত্র তুলে ধরেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিভ্রান্তিকর এ চিত্রায়ন কেবল দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক গতিশীলতাকে অতি সরলীকৃত করে না বরং ১৮ কোটি মানুষের একটি সমগ্র জাতিকে অন্যায়ভাবে কলঙ্কিত করার ঝুঁকিও তৈরি করে।

নিউইয়র্ক টাইমস প্রকাশিত নিবন্ধে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ যখন নিজেকে পুনরুজ্জীবিত করছে, তখন কট্টরপন্থি ইসলামিস্টরা একটি সুযোগ দেখতে পাচ্ছে। তবে এ বক্তব্যকে প্রত্যাখ্যান করে প্রেস উইং বলছে, নিউইয়র্ক টাইমসের নিবন্ধটি বাংলাদেশ সম্পর্কে একটি উদ্বেগজনক এবং একপেশে দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছে।

সিএ প্রেস উইংয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রকাশ করার জন্য সুনির্দিষ্টভাবে উসকানিমূলক নিবন্ধের ওপর নির্ভর করার পরিবর্তে বাংলাদেশের অগ্রগতিকে স্বীকৃতি দেওয়া বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বছর ধরে বাংলাদেশ যে অগ্রগতি করেছে সেটাকে এবং পরিস্থিতির জটিলতাকে স্বীকার করা উচিত।

আরও বলছে, যদিও নিবন্ধটি ধর্মীয় উত্তেজনা এবং রক্ষণশীল আন্দোলনের কিছু ঘটনা তুলে ধরেছে, তবে এটি অগ্রগতির বৃহত্তর প্রেক্ষাপটকে উপেক্ষা করেছে। বাংলাদেশ নারীদের অবস্থার উন্নতিতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তাদের সুরক্ষা এবং কল্যাণের জন্য বিশেষভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এটি এমন একটি সরকার যা নারীর অধিকার এবং সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। অথচ নিবন্ধে এর উলটোটা বলা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশের মতো একটি দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং ধর্মীয় সহিংসতার মধ্যে পার্থক্য করা গুরুত্বপূর্ণ। শেখ হাসিনার বিদায়ের পর এবং তার পর থেকে বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘটিত অনেক সংঘর্ষকে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা হিসেবে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যদিও বাস্তবে এসব ঘটনা ঘটেছিল রাজনৈতিক কারণে। রাজনৈতিক দলগুলি প্রায়শই সমর্থন জোগাড় করার জন্য ধর্মকে ব্যবহার করে। যা বিষয়টিকে জটিল করে তোলে এবং রাজনৈতিক অস্থিরতাকে ধর্মীয় নিপীড়নের সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার ঝুঁকি তৈরি করে। সুতরাং পুরো পরিস্থিতিকে সাম্প্রদায়িক সংঘাত হিসেবে উপস্থাপন করা বিভ্রান্তিকর। এটি প্রকৃত রাজনৈতিক এবং আর্থ-সামাজিক বিষয়গুলিকে উপেক্ষা করে।

প্রেস উইং জানিয়েছে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সমস্ত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে রক্ষা করার জন্য তার প্রতিশ্রুতি স্পষ্ট করেছে এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও সন্ত্রাসবাদ দমন প্রচেষ্টার সাথে তার চলমান কাজ এই প্রতিশ্রুতিকে আরও জোরদার করে। সামাজিক সংস্কার এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে সহযোগিতার মাধ্যমে চরমপন্থা মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রচেষ্টা ভুল তথ্যের বিস্তারের দ্বারা ম্লান হওয়া উচিত নয়।