খুঁজুন

ভারতকে ইলিশ দেওয়ার সিদ্ধান্তের কারণ জানালেন আসিফ নজরুল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ১:৪৭ অপরাহ্ণ
ভারতকে ইলিশ দেওয়ার সিদ্ধান্তের কারণ জানালেন আসিফ নজরুল

হিন্দু সম্প্রদায়ের পূজা উৎসব মানেই আলোচনায় আসে ভারতে ইলিশ পাঠানোর প্রসঙ্গ। হাসিনা সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন ভারতকে কখনোই এতোটা আলোচনা করতে হয়নি ইলিশ নিয়ে। ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ভারত পালিয়ে যাওয়ার পর বাংলাদেশে গঠন করা হয় একটি অন্তর্বর্তী সরকার। এ সরকার আসার পর থেকে দেশের নাগরিকদের মধ্যে বেড়ে যায় বিরত বিরোধিতা। যার কারণে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের দূরত্ব তৈরি হয় নানা চাপ। সরকারের উপদেষ্টারা প্রথমে ভারতে মাছ পাঠাতে না চাইলেও পরবর্তীতে ভারতে ৩ হাজার টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি আদেশ জারি করা হয়।

গত ২১ সেপ্টেম্বর ভারতে ৩ হাজার টন ইলিশ রফতানির অনুমতিসংক্রান্ত আদেশ জারি করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। সরকারের ইলিশ রফতানির এ সিদ্ধান্তে চারদিকে সমালোচনা শুরু হয়। এসব বিষয়ে জানতে আইন এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলের মুখোমুখি হন নিউইয়র্ক থেকে সম্প্রচার হওয়া ঠিকানা টিভির প্রধান সম্পাদক খালেদ মুহিউদ্দীন।

মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাতে সম্প্রচার হওয়া ওই সাক্ষাৎকারের কিছু অংশ সময় সংবাদের পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো।

তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ৫০০ টন ইলিশ রফতানি করা হয়েছিল। তখন আপনি (আসিফ নজরুল) বলেছিলেন কেন ইলিশ রফতানি করা হবে। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার ৩ হাজার টন ইলিশ রফতানি করছে। এর কারণ কী?

খালেদ মুহিউদ্দীনের এমন প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেন, যখন ইলিশ রফতানির স্ট্যাটাস দিয়েছিলাম, তখন আমি উপদেষ্টা ছিলাম না। গত বছর ৩ হাজার ৯৫০ টন ইলিশ রফতানির সর্বোচ্চ অনুমোদন দেয়া হয়েছিল। এ বছর তারচেয়ে কম অনুমোদন দেওয়া হয়েছে ৩ হাজার টন। পরিসংখ্যানের দিক থেকে ৩ হাজার ৯৫০ টনের সঙ্গে ৩ হাজার টনের তুলনা করতে হবে। ৫০০ টনের যে স্ট্যাটাস দিয়েছিলাম তা দ্বিতীয় ফেজে রফতানি হয়েছিল। গত বছর আসলে রফতানি হয়েছিল ৮০২ টন। এ নিয়ে পত্রিকায়ও প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল। আর এ বছর প্রকৃত রফতানি কত হবে শেষ পর্যন্ত দেখেন।

‘যখন ইলিশ নিয়ে পোস্ট দিয়েছিলাম আমি বলেছিলাম, ৫০০ টন ইলিশ কেন পাঠানো হচ্ছে? ভারতকে খুশি করানোর জন্য, যারা আমাদের পানি দেয় না, যারা সীমান্তে হত্যা করে, যারা আমাদের নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য করে। যদি ভারতের সঙ্গে মর্যাদাপূর্ণ সম্পর্ক থাকে কিংবা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকে- এর আলোকে আপনি ইলিশ রফতানি করবেন কী করবেন না সেটা মানুষের মাথা ব্যথা থাকতো না,’ যোগ করেন আসিফ নজরুল।

ভারতের প্রতি তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের নতজানুমূলক দৃষ্টিভঙ্গির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সীমান্তে মানুষ মারা যাচ্ছে আর বাংলাদেশ সরকারের সাফল্য ছিল লাশটা নিয়ে আসা। মানুষ মারা যাচ্ছে সেটা শেখ হাসিনার সরকার সমর্থন করতো। বলতো, আমাদের লোক অপরাধ করে, সীমান্তে যায় দেখে মারা যায়। কিন্তু আমরা পানি পাচ্ছি না, তার জন্য প্রতিবাদ করতো না। অথচ ফেনী নদীর পানি ভারতকে দিচ্ছে।’

‘আমাদের দেশের ভেতর দিয়ে ট্রানজিট নিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু আমার দেশ নেপাল আর ভুটানের সামান্য ট্রানজিটও পাচ্ছে না। দিনের পর দিন ভারতের শাসকরা আমাদের দেশ সম্পর্কে অত্যন্ত অবমাননাকর অপমানজনক উক্তি করতো। এতে আমাদের মন বিষিয়ে থাকতো সব সময়। এমন একটা দেশকে নিয়ে আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রী বলে থাকতেন, ভারতকে যা দিয়েছি কখনও তারা ভুলতে পারবে না। তখন মনে প্রশ্ন জাগতো, এটা কি আপনার পৈতৃক সম্পত্তি, আপনি যা ইচ্ছা দেবেন,’ বলেন আসিফ নজরুল।

ক্ষোভ প্রকাশ করে আসিফ নজরুল বলেন, ‘আপনি এমন একটা দেশকে এই জিনিসগুলো দিচ্ছেন যারা সীমান্তে আমাদের মানুষ মারে, পানি দেয় না, ওটা দেয় না। সেই ক্ষোভ থেকে তখন অনেক কিছু বলেছি। এখন আর সেই সরকার নেই। এখন কি আমার সরকার সীমান্তে হত্যা হলে প্রতিবাদ করে না? কঠোরভাবে প্রতিবাদ করে। ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সম্প্রতি একটা বক্তব্য দিয়েছেন, তার বক্তব্য দেখেন কত কড়াভাবে বলা হয়েছে। আমাদের প্রধান উপদেষ্টা ভারত সম্পর্কে কীভাবে কথা বলেন সেটা দেখতে হবে। আমি প্রথম আলোর সাক্ষাৎকারে কীভাবে ভারত সম্পর্কে কথা বলেছি সেটা দেখতে হবে। বর্তমানে ইলিশ রফতানি নিয়ে অনেকগুলো যুক্তি রয়েছে।

বাংলাদেশের সরকার পরিবর্তন হলেও ভারত সরকারের আচরণগত পরিবর্তন হয়নি। গত সরকার (আওয়ামী লীগ) কড়া কথা বলতো না, ইলিশ দিতো। তার মানে আপনারা কড়া কথা বলছেন আবার ইলিশও দিচ্ছেন। এটা কি সিম্বোলিক যে, আপনারা ভারতের সঙ্গে একই রকম সম্পর্ক রাখবেন, শুধু কিছু কড়া কথা মাঝখানে বলবেন। ব্যাপারটা কি এ রকম?

খালেদ মুহিউদ্দীনের- এমন প্রশ্নের জবাবে ড. আসিফ নজরুল বলেন, ‘না, এমন না। ইলিশ রফতানি নিয়ে আমি অনুসন্ধান করেছি, বিভিন্ন কথা শুনেছি। তখন একটা কথা বলা হয়েছে- আমাদের ছাত্র-জনতার যে বিপ্লব হয়েছিল, তাতে পশ্চিমবঙ্গের মানুষের সমর্থন ছিল। তারা আমাদের ওখানকার দূতাবাসের সামনে কর্মসূচি পালন করেছে। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি কড়া ভাষায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর (শেখ হাসিনা) সমালোচনা করেছিলেন এবং এটা নিয়ে একটা টানাপড়েন সৃষ্টি হয়েছিল। ইলিশ প্রধানত পশ্চিমবঙ্গের মানুষের জন্য যাচ্ছে। এগুলো কিন্তু আমার যুক্তি না, এসব আমি শুনেছি। আরেকটা বিষয়, মোট যে ইলিশ রফতানি করা হচ্ছে সেটা শূন্য দশমিক ২৯ শতাংশ।’

‘সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক রি-অ্যালাইনমেন করতে যাচ্ছি। ভারসাম্যমূলক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার দিকে যাচ্ছি। যেখানে আদানি বিদ্যুৎকেন্দ্র, রামপাল কেন্দ্র, বর্ডার কিলিং ইস্যু রয়েছ, সেখানে একটা অপেক্ষাকৃত লঘু বিষয়ে আমরা তাদের বার্তা দিতে চাই না, তোমাদের সঙ্গে হোস্টআই। আমরা ভারসাম্যমূলক সম্পর্ক সৃষ্টির প্রয়াস হিসেবে ইলিশের মতো ছোট একটা জিনিস নিয়ে আঘাত করতে চাই না,’ বলেন আসিফ নজরুল।

মমতা ব্যানার্জি এখন তার দেশে কিংবা তার প্রদেশে একটি ধর্ষণকাণ্ড নিয়ে বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছেন। তাকে সেফ করার জন্য আপনারা ইলিশ মাছ দিচ্ছেন। এতে মোদি সরকার বিরক্ত হবে বিব্রত হবে, সেটা আপনাদের লক্ষ্য- এটাও অনেকে বলছেন।

খালেদ মুহিউদ্দীনের এমন প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেন, ‘আমি সেভাবে বলতে চাচ্ছি না। আমি শুধু শুনেছি পশ্চিমবঙ্গের মানুষ আমাদের আন্দোলনে সমর্থন দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা শক্তভাবে নিন্দা করেছেন। ইলিশ পাঠানো বন্ধ মানে পশ্চিমবঙ্গের মানুষের সঙ্গে হোস্টেলটির মতো- এটা আমি শুনেছি।’

‘কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৩০ অপরাহ্ণ
‘কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু

‘আমি বেঁচে থাকতে কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’-নির্বাচনী মাঠে এমন দৃঢ় প্রত্যয়ের কথা বলার কয়েক ঘণ্টা পরই চিরতরে নির্বাচনী মাঠ ছাড়লেন কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম খোকন।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়ে দিনভর গণসংযোগ করার পর রাতেই না ফেরার দেশে চলে যান তিনি।

তিনি চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এবং কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ছিলেন। গত কয়েক মাস ধরে শুহিলপুর ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ভোটার ও সমর্থকদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছিলেন তিনি।

জানা যায়, এদিন নিজের ইউনিয়ন শুহিলপুরে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার লক্ষে হাজারো নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে গণসংযোগ করেন বিএনপির এ নেতা। চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে দিনভর নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে নির্বাচনী শোডাউন করেছিলেন তিনি। সন্ধ্যায় পথসভায়ও দিয়েছিলেন জয়ের প্রত্যয়ী বক্তব্য।

দিনভর প্রচারণা শেষে গতকাল সন্ধ্যায় শালিখা বাজারে আয়োজিত পথসভায় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বক্তব্য দেন খোকন।

পথসভায় বিএনপি নেতা বলেন, আপনারা কি চান, শাওন সাহেব (বর্তমান এমপি) আমাকে দলীয় প্রার্থী করুক? তাহলে নিশ্চিত থাকেন, শাওন সাহেব এই ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আমাকে প্রার্থী ঘোষণা করবেন।

তার বক্তব্যে ছিল নির্বাচনে জয়ের প্রত্যয়, ছিল ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা পরিকল্পনা। নেতা-কর্মীদের মধ্যেও ছিল উৎসাহ-উদ্দীপনা। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানেই যেন বদলে গেল সবকিছু।

সারাদিনের নির্বাচনী কর্মসূচি শেষে রাতে বাড়ি ফিরে খাবার খান সাইফুল ইসলাম খোকন। এরপর ঘুমাতে যাওয়ার প্রস্তুতিকালে রাত আনুমানিক ১২টার দিকে হঠাৎ বুকে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করেন তিনি। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে ইলিয়টগঞ্জ বাজারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে পরে দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর বাজারের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে সেখানে তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন মেঝ ছেলে সাঈদ।

মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেও যে মানুষটি নেতা-কর্মীদের সামনে দাঁড়িয়ে নির্বাচনে নিজের প্রার্থিতার কথা বলছিলেন, রাত না পেরোতেই সেই মানুষটিই চলে গেলেন না ফেরার দেশে। থেমে গেল তার রাজনৈতিক পথচলা। থেমে গেল চেয়ারম্যান হওয়ার স্বপ্ন। নির্বাচনী মাঠ থেকে সরে গেলেন ঠিকই তবে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বীর কাছে পরাজিত হয়ে নয়, চিরদিনের জন্য।

সাইফুল ইসলাম খোকনের আকস্মিক মৃত্যুতে শুহিলপুর ইউনিয়নসহ পুরো চান্দিনার রাজনৈতিক অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজন, রাজনৈতিক সহকর্মী, নেতা-কর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে বিরাজ করছে গভীর শোক ও বেদনা।

জানা যায়, আজ সকাল ১১টায় ইলিয়টগঞ্জ রা.বি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার নামাজে জানাজে শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

এদিকে জানাজা নামাজের আগে কুমিল্লা-৭ আসনের সংসদ সদস্য উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আতিকুল আলম শাওন বলেন, সাইফুল ইসলাম খোকন আমার মরহুম পিতার সময়কাল থেকে বিএনপি’র রাজনীতি করেছেন। আমার কয়েকজন অভিভাবকদের মধ্যে তিনিও ছিলেন একজন। তার এই মৃত্যুতে শুহিলপুর ইউনিয়নসহ উপজেলা বিএনপিতে শূন্যতা সৃষ্টি হবে।

‘ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৩ অপরাহ্ণ
‘ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি

‘তুমি এখনো ভালো হওনি, ভালো হয়ে যাও মাসুদ’- সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের এমন মন্তব্যের পর দেশজুড়ে পরিচিতি পাওয়া বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) কর্মকর্তা মো. মাসুদ আলমকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় বদলি করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংস্থাটির আরও কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার দায়িত্বেও রদবদল আনা হয়েছে।

গত ৩১ আগস্ট বিআরটিএ চেয়ারম্যানের কার্যালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ বদলি ও পদায়নের বিষয়টি জানানো হয়। আদেশে উল্লেখ করা হয়, জনস্বার্থে নেওয়া এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে।

অফিস আদেশ অনুযায়ী, বিআরটিএ চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) মো. মাসুদ আলমকে ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

অন্যদিকে ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) শফিকুজ্জামান ভূঞাকে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের একই পদে বদলি করা হয়েছে। ফলে মাসুদ আলমের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন তিনি।

উল্লেখ্য, বিআরটিএর সেবা ও অনিয়ম নিয়ে এক পরিদর্শনকালে কর্মকর্তা মাসুদ আলমকে উদ্দেশ করে ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, ‘তুমি এখনো ভালো হওনি, ভালো হয়ে যাও মাসুদ।’ তার সেই বক্তব্য দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং মাসুদ আলমকে ঘিরে আলোচনা তৈরি হয়।

বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

মোঃ রেজাউল করিম, সিনিয়র রিপোর্টার:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৪ অপরাহ্ণ
বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকালে উপজেলার মুকুন্দগাঁতী ও ক্ষিদ্রমাটিয়া গ্রামের উদ্যোগে ও ঢাকা ব্যাংক পি এল সি অর্থায়নে ক্ষিদ্রমাটিয়া গ্রামের যমুনা নদীর শাখায় তিন দিনব্যাপী এই মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য আমিরুল ইসলাম খাঁন আলীম। 

বাইচ কমিটির সভাপতি আলতাফ হোসেনের সভাপতিত্বে আরোও উপস্থিত ছিলেন, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিষ্টার শাহানাজ প্রধান, সহকারী পুলিশ সুপার বেলকুচি সার্কেল শহিদুল ইসলাম, বেলকুচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোক্তারুজ্জামান, বেলকুচি কলেজের অধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা বিএনপির সদস্য গোলাম আজম, উপজেলার বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক মন্ডলসহ স্থানীয় গনমান্য ব্যক্তিবর্গ। 

সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পানসি ১৮ টা ও ১২ টা কোষা নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করেন। আগামী ৬ সেপ্টেম্বর রবিবার বাইচ প্রতিযোগিতার চুড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হবে।

'কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু 'ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন বিশ্বের সর্বোচ্চ খেলাপি ঋণের দেশ এখন বাংলাদেশ যতবারই নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়েছে ততবারই বিএনপি জিতেছে: মন্ত্রী দুলু