খুঁজুন

জাকসু নির্বাচন: শুরু থেকে শেষ অবধি এক নজরে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১১:২৬ পূর্বাহ্ণ
জাকসু নির্বাচন: শুরু থেকে শেষ অবধি এক নজরে

দীর্ঘ ৩৩ বছর পর আজ বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত হচ্ছে ১০ম জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) নির্বাচন। একই দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১টি আবাসিক হলের সংসদ নির্বাচনও হবে। সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে ভোটগ্রহণ।

এ নির্বাচন শুধু নেতৃত্ব বাছাই নয়-এটি যেন শিক্ষার্থীদের অধিকার, স্বপ্ন আর ভবিষ্যতের প্রতিচ্ছবি হয়ে ওঠে, সেটিই প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের। ভোট দেয়ার সুযোগ আসায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন শিক্ষার্থীরা। তারা বলছেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ।

কেন্দ্রীয় সংসদের ২১টি এবং হল সংসদের ১৫টি মিলিয়ে প্রতিটি ভোটারকে মোট ৪০টি পদে ভোট দিতে হবে। ভোট গ্রহণে জাকসুর জন্য ৩ পাতা এবং দুটি হলের জন্য ২ পাতা এছাড়া বাকি হলগুলোর জন্য ১ পাতার ব্যালট ছাপানো হয়েছে।

এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার ১১ হাজার ৭৪৭ জন। এরমধ্যে ১১টি ছাত্র হলে ভোটার সংখ্যা ৬ হাজার ১৮ জন। আর ১০টি ছাত্রী হলে ভোটার সংখ্যা ৫ হাজার ৭২৯ জন।

কোন ছাত্র হলে কত ভোটার?

আল বেরুনী হল: অনার্স -১৪৮ জন, মাস্টার্স-৬২ জন, সর্বমোট: ২১০ জন
আফম কামাল উদ্দিন হল: অনার্স-২৪০, মাস্টার্স-৯৩ জন, সর্বমোট:৩৩৩ জন
মীর মোশারফ হোসেন হল: অনার্স-৩৪৬,মাস্টার্স-১১৮ জন, সর্বমোট:৪৬৪ জন
শহীদ সালাম বরকত হল: অনার্স-২৩৩, মাস্টার্স-৬৫ জন, সর্বমোট: ২৯৭ জন
মওলানা ভাসানী-অনার্স হল: ৪৫০, মাস্টার্স-৬৪জন, সর্বমোট: ৫১৪ জন
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হল: অনার্স-২৬৭, মাস্টার্স-৮৩ জন, সর্বমোট: ৩৫০ জন
১০ নম্বর ছাত্র হল-অনার্স হল: ৩৯৪, মাস্টার্স-১২৮জন, সর্বমোট: ৫২৬ জন
শহীদ রফিক জব্বার হল: অনার্স-৫০৬, মাস্টার্স-১৪৪জন, সর্বমোট: ৬৫০ জন
২১ নম্বর ছাত্র হল-অনার্স হল: ৫৪২, মাস্টার্স-১৯৩জন, সর্বমোট: ৭৩৫ জন
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হল: অনার্স-৯৮১, মাস্টার্স-১১জন, সর্বমোট: ৯৯২ জন
শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ হল: অনার্স-৮৪৯, মাস্টার্স-৯৮জন, সর্বমোট: ৯৪৭ জন

কোন ছাত্রী হলে কত ভোটার?

জাহানারা ইমাম হল: অনার্স-২৪৬, মাস্টার্স-১২১জন, সর্বমোট: ৩৬৭ জন
নওয়াব ফয়জুন্নেসা হল: অনার্স-২১০, মাস্টার্স-৬৯জন, সর্বমোট: ২৭৯ জন
প্রীতিলতা হল: অনার্স-২৯২, মাস্টার্স-১০৪জন, সর্বমোট: ৩৯৬ জন
বেগম খালেদা জিয়া হল: অনার্স-২৯৫, মাস্টার্স-১০৮জন, সর্বমোট: ৪০৩
বেগম সুফিয়া কামাল হল: অনার্স-৩৫১, মাস্টার্স-১০৫ জন, সর্বমোট: ৪৫৬ জন
১৩ নম্বর ছাত্রীহল: অনার্স-২৯১, মাস্টার্স-২২৮জন, সর্বমোট: ৫১৯ জন
১৫ নম্বর ছাত্রীহল: অনার্স-৪৮৮, মাস্টার্স-৮৩জন, সর্বমোট: ৫৭১ জন
রোকেয়া হল: অনার্স-৯১৮, মাস্টার্স-৩৮জন, সর্বমোট: ৯৫৬ জন
ফজিলাতুন্নেছা হল: অনার্স-৬৪০, মাস্টার্স-১৫৮জন, সর্বমোট: ৭৯৯ জন
বীরপ্রতীক তারামন বিবি হল: অনার্স-৯৭৬, মাস্টার্স-৭ জন, সর্বমোট: ৯৮৩ জন

এবারের নির্বাচনে কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের জন্য ১৭৮ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। পুরুষ প্রার্থী ১৩২ জন ও নারী প্রার্থী ৪৬ জন। পদের সংখ্যা ২৫টি। প্রার্থী তালিকায় রয়েছে ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, স্বতন্ত্র, বাগছাসসহ স্বতন্ত্র প্যানেল।

কোন পদে কত প্রার্থী:

সহ-সভাপতি (ভিপি): ৯ জন
সাধারণ সম্পাদক (জিএস): ৯জন
সহ-সাধারণ সম্পাদক পুরুষ (এজিএস): ১০ জন
সহ-সাধারণ সম্পাদক নারী (এজিএস): ৬ জন

শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক: ৯ জন
পরিবেশ ও প্রকৃত সংরক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক: ৬ জন
সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক: ৮ জন
সাংস্কৃতিক সম্পাদক: ৮ জন
সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক: ৮জন
নাট্য সম্পাদক: ৫ জন
ক্রীড়া সম্পাদক: ৩ জন
সহ-ক্রীড়া সম্পাদক (নারী): ৬ জন
সহ-ক্রীড়া সম্পাদক (পুরুষ): ৬ জন
তথ্যপ্রযুক্তি ও গ্রন্থাগার সম্পাদক: ৭ জন
সমাজসেবা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক: ৮ জন
সহ-সমাজসেবা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক (নারী): ৭ জন
সহ-সমাজসেবা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক (পুরুষ): ৭ জন
স্বাস্থ্য ও খাদ্যনিরাপত্তা বিষয়ক সম্পাদক: ৭ জন
পরিবহন ও যোগাযোগ সম্পাদক: ৭ জন
কার্যকরী সদস্য (নারী): ১৬ জন
কার্যকরী সদস্য (পুরুষ): ২৬ জন

উল্লেখ্য, ১৯৭২ সালে জাকসু প্রতিষ্ঠিত হয়। ওই বছরই জাকসুর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম নির্বাচনের সহসভাপতি (ভিপি) নির্বাচিত হন গোলাম মোর্শেদ এবং সাধারণ সম্পাদক (জিএস) নির্বাচিত হন জাসদ ছাত্রলীগ নেতা শাহ বোরহানউদ্দিন রোকন।

এরপর ১৯৭৩, ১৯৭৪, ১৯৮০, ১৯৮১, ১৯৮৯, ১৯৯০, ১৯৯১ ও ১৯৯২ সালে জাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ১৯৯২ সালের সর্বশেষ নির্বাচনে ছাত্রদল একচেটিয়াভাবে জয়লাভ করেছিল। তারা জাকসু ও হল সংসদের ১০৭টি পদের মধ্যে ১০৫টি পেয়েছিল।

‘কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৩০ অপরাহ্ণ
‘কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু

‘আমি বেঁচে থাকতে কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’-নির্বাচনী মাঠে এমন দৃঢ় প্রত্যয়ের কথা বলার কয়েক ঘণ্টা পরই চিরতরে নির্বাচনী মাঠ ছাড়লেন কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম খোকন।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়ে দিনভর গণসংযোগ করার পর রাতেই না ফেরার দেশে চলে যান তিনি।

তিনি চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এবং কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ছিলেন। গত কয়েক মাস ধরে শুহিলপুর ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ভোটার ও সমর্থকদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছিলেন তিনি।

জানা যায়, এদিন নিজের ইউনিয়ন শুহিলপুরে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার লক্ষে হাজারো নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে গণসংযোগ করেন বিএনপির এ নেতা। চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে দিনভর নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে নির্বাচনী শোডাউন করেছিলেন তিনি। সন্ধ্যায় পথসভায়ও দিয়েছিলেন জয়ের প্রত্যয়ী বক্তব্য।

দিনভর প্রচারণা শেষে গতকাল সন্ধ্যায় শালিখা বাজারে আয়োজিত পথসভায় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বক্তব্য দেন খোকন।

পথসভায় বিএনপি নেতা বলেন, আপনারা কি চান, শাওন সাহেব (বর্তমান এমপি) আমাকে দলীয় প্রার্থী করুক? তাহলে নিশ্চিত থাকেন, শাওন সাহেব এই ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আমাকে প্রার্থী ঘোষণা করবেন।

তার বক্তব্যে ছিল নির্বাচনে জয়ের প্রত্যয়, ছিল ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা পরিকল্পনা। নেতা-কর্মীদের মধ্যেও ছিল উৎসাহ-উদ্দীপনা। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানেই যেন বদলে গেল সবকিছু।

সারাদিনের নির্বাচনী কর্মসূচি শেষে রাতে বাড়ি ফিরে খাবার খান সাইফুল ইসলাম খোকন। এরপর ঘুমাতে যাওয়ার প্রস্তুতিকালে রাত আনুমানিক ১২টার দিকে হঠাৎ বুকে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করেন তিনি। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে ইলিয়টগঞ্জ বাজারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে পরে দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর বাজারের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে সেখানে তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন মেঝ ছেলে সাঈদ।

মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেও যে মানুষটি নেতা-কর্মীদের সামনে দাঁড়িয়ে নির্বাচনে নিজের প্রার্থিতার কথা বলছিলেন, রাত না পেরোতেই সেই মানুষটিই চলে গেলেন না ফেরার দেশে। থেমে গেল তার রাজনৈতিক পথচলা। থেমে গেল চেয়ারম্যান হওয়ার স্বপ্ন। নির্বাচনী মাঠ থেকে সরে গেলেন ঠিকই তবে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বীর কাছে পরাজিত হয়ে নয়, চিরদিনের জন্য।

সাইফুল ইসলাম খোকনের আকস্মিক মৃত্যুতে শুহিলপুর ইউনিয়নসহ পুরো চান্দিনার রাজনৈতিক অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজন, রাজনৈতিক সহকর্মী, নেতা-কর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে বিরাজ করছে গভীর শোক ও বেদনা।

জানা যায়, আজ সকাল ১১টায় ইলিয়টগঞ্জ রা.বি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার নামাজে জানাজে শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

এদিকে জানাজা নামাজের আগে কুমিল্লা-৭ আসনের সংসদ সদস্য উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আতিকুল আলম শাওন বলেন, সাইফুল ইসলাম খোকন আমার মরহুম পিতার সময়কাল থেকে বিএনপি’র রাজনীতি করেছেন। আমার কয়েকজন অভিভাবকদের মধ্যে তিনিও ছিলেন একজন। তার এই মৃত্যুতে শুহিলপুর ইউনিয়নসহ উপজেলা বিএনপিতে শূন্যতা সৃষ্টি হবে।

‘ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৩ অপরাহ্ণ
‘ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি

‘তুমি এখনো ভালো হওনি, ভালো হয়ে যাও মাসুদ’- সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের এমন মন্তব্যের পর দেশজুড়ে পরিচিতি পাওয়া বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) কর্মকর্তা মো. মাসুদ আলমকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় বদলি করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংস্থাটির আরও কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার দায়িত্বেও রদবদল আনা হয়েছে।

গত ৩১ আগস্ট বিআরটিএ চেয়ারম্যানের কার্যালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ বদলি ও পদায়নের বিষয়টি জানানো হয়। আদেশে উল্লেখ করা হয়, জনস্বার্থে নেওয়া এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে।

অফিস আদেশ অনুযায়ী, বিআরটিএ চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) মো. মাসুদ আলমকে ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

অন্যদিকে ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) শফিকুজ্জামান ভূঞাকে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের একই পদে বদলি করা হয়েছে। ফলে মাসুদ আলমের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন তিনি।

উল্লেখ্য, বিআরটিএর সেবা ও অনিয়ম নিয়ে এক পরিদর্শনকালে কর্মকর্তা মাসুদ আলমকে উদ্দেশ করে ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, ‘তুমি এখনো ভালো হওনি, ভালো হয়ে যাও মাসুদ।’ তার সেই বক্তব্য দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং মাসুদ আলমকে ঘিরে আলোচনা তৈরি হয়।

বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

মোঃ রেজাউল করিম, সিনিয়র রিপোর্টার:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৪ অপরাহ্ণ
বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকালে উপজেলার মুকুন্দগাঁতী ও ক্ষিদ্রমাটিয়া গ্রামের উদ্যোগে ও ঢাকা ব্যাংক পি এল সি অর্থায়নে ক্ষিদ্রমাটিয়া গ্রামের যমুনা নদীর শাখায় তিন দিনব্যাপী এই মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য আমিরুল ইসলাম খাঁন আলীম। 

বাইচ কমিটির সভাপতি আলতাফ হোসেনের সভাপতিত্বে আরোও উপস্থিত ছিলেন, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিষ্টার শাহানাজ প্রধান, সহকারী পুলিশ সুপার বেলকুচি সার্কেল শহিদুল ইসলাম, বেলকুচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোক্তারুজ্জামান, বেলকুচি কলেজের অধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা বিএনপির সদস্য গোলাম আজম, উপজেলার বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক মন্ডলসহ স্থানীয় গনমান্য ব্যক্তিবর্গ। 

সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পানসি ১৮ টা ও ১২ টা কোষা নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করেন। আগামী ৬ সেপ্টেম্বর রবিবার বাইচ প্রতিযোগিতার চুড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হবে।

'কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু 'ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন বিশ্বের সর্বোচ্চ খেলাপি ঋণের দেশ এখন বাংলাদেশ যতবারই নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়েছে ততবারই বিএনপি জিতেছে: মন্ত্রী দুলু