খুঁজুন

টানা বৃষ্টিতে পানিতে তলিয়েছে ঢাকা, ভোগান্তিতে নগরবাসী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬, ৯:৪৫ অপরাহ্ণ
টানা বৃষ্টিতে পানিতে তলিয়েছে ঢাকা, ভোগান্তিতে নগরবাসী

বেশ কয়েকদিন ধরেই থেমে থেমে চলছে বৃষ্টি। কিন্তু গতকাল (শনিবার) রাত থেকে টানা বৃষ্টিতে কার্যত পানিতে তলিয়ে গেছে রাজধানী ঢাকার বেশিরভাগ এলাকা। প্রধান সড়ক থেকে অলিগলি—বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন নগরবাসী। অফিসগামী মানুষের যাতায়াতে দুর্ভোগ, চালকদের অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, যানবাহন বিকল হয়ে পড়া এবং ব্যবসায় মন্দা—সব মিলিয়ে সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবসেই বিপাকে পড়েছেন রাজধানীর বাসিন্দারা।

অলিগলি থেকে প্রধান সড়ক-সবখানেই পানি:

প্রায় পুরো ঢাকা শহর প্রায় পানিতে তলিয়ে গেছে। ধানমন্ডি, জিগাতলা, সাইন্সল্যাব, এলিফ্যান্ট রোড, মতিঝিল, খিলগাঁও, বনানী, খিলক্ষেত, মিরপুর ১০ নম্বর, কাজীপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকার প্রধান সড়ক থেকে গলির ভেতর পর্যন্ত পানি জমে গেছে। ফলে ঘর থেকে বের হওয়া থেকে শুরু করে কর্মস্থলে পৌঁছানো পর্যন্ত প্রতিটি ধাপেই ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়েছে নগরবাসীকে।

মিরপুর ১১ থেকে রওনা করেছেন সুমাইয়া ইয়াসমিন, তিনি বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। তার অফিস বনানীর কামাল আতাতুর্ক অ্যাভিনিউতে। তিনি বলেন, ‘মিরপুর থেকে প্রতিদিনের মতো আজও মোটরসাইকেল নিয়ে অফিসের উদ্দেশে বের হয়েছিলাম। কিন্তু বনানীর এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের র‍্যাম্পের কাছে এসে দেখি রাস্তায় হাঁটুসমান পানি। সেই পানির মধ্যেই আমার বাইক বিকল হয়ে যায়। এরপর আর স্টার্টই নেয়নি।’

তিনি বলেন, ‘বাধ্য হয়ে বাকি পথ মোটরসাইকেল ঠেলে হেঁটে অফিসে যেতে হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে অফিসে পৌঁছাতে পারিনি। সময় ও শ্রম—দুটোই অতিরিক্ত ব্যয় হয়েছে।’

অন্যদিকে এলিফ্যান্ট রোডের বাসিন্দা জোবায়ের একটি এনজিওতে কর্মরত। তার অফিস গুলশানে। তিনি বলেন, ‘সকালে ঘুম থেকে উঠে বারান্দায় গিয়ে দেখি বাসার সামনের রাস্তা পানিতে তলিয়ে গেছে। ভাবছিলাম কীভাবে অফিসে যাবো। তখনই অফিসের গ্রুপে জানানো হয়, আজকের জন্য ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ চালু করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘এতে অনেকটা স্বস্তি পেয়েছি। কারণ আজ ঢাকার প্রায় সব সড়কের অবস্থাই খুব খারাপ। অনেক জায়গায় পানি জমে আছে। তাই বাসা থেকে বের না হওয়াটাই ভালো হয়েছে।’

বৃষ্টিতে বাড়তি ভাড়া, যাত্রীদের ক্ষোভ:

বৃষ্টি হলেই পরিবহন চালকদের বাড়তি ভাড়া আদায় এক স্বাভাবিক চিত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম রিকশা ও সিএনজি চালকরা। প্রতিনিয়তই তাদের সঙ্গে যাত্রীদের ভাড়া নিয়ে বাগবিতণ্ডা চোখে পড়ে। বৃষ্টি হলে তা যেন আরও বেড়ে যায়। এই নিয়েই ক্ষোভ প্রকাশ করেন যাত্রীরা।

মিরপুরের একজন বাসিন্দা বলেন, ‘মিরপুর ২ নম্বর মসজিদ মার্কেট থেকে ১০ নম্বর মেট্রো স্টেশনের ভাড়া ৩০ থেকে ৪০ টাকা। আজকে চাচ্ছে ১০০ টাকা। অবাক হয়ে যাই আমি রিকশাওয়ালাদের কারবার দেখলে। বৃষ্টি হচ্ছে ঠিক আছে, তাদের যেমন সমস্যা আমাদেরও তেমন সমস্যা। তাই বলে ভাড়া চাওয়ার কোনও মাত্রা থাকবে না! তারা যা ইচ্ছা তাই চাইছে। এই বৃষ্টি-বাদলের দিনে অফিস যেতে এভাবেই অনেক খরচ বেড়ে যায়। যদি সম্ভব হতো তাহলে বেরই হতাম না।’

এদিকে জিগাতলার বাসিন্দা মামুনের অভিযোগও একই রকম। তিনি বলেন, ‘আমার বাসার সামনে জিগাতলা পোস্ট অফিস। কাজের জন্য শাহবাগ যাবো, কিন্তু পানির জন্য পারছি না। রিকশা পাচ্ছি না। আর পেলেও ভাড়া চাচ্ছে অনেক বেশি। আমার বাসা থেকে জিগাতলা বাসস্ট্যান্ডের ভাড়া ২০ টাকা। কিন্তু আজকে কাউকে ৫০ টাকার নিচে চাইতে দেখছি না। আমি একবার এক রিকশা ডেকে সিটি কলেজ যেতে চাইলাম, সে আমার কাছে ভাড়া চাইলো ১০০ টাকা। অথচ সেখানে সর্বোচ্চ ভাড়া ৪০ টাকা।’

‘পানি পার, পানি পার’ ডাকে ভ্যানে চড়ে বাসস্ট্যান্ডে:

জিগাতলার বাসিন্দা সাব্বির আহমেদের অফিস মতিঝিলে। তিনি বলেন, ‘বাসা থেকে বের হয়ে আর বাসস্ট্যান্ডে যাওয়ার মতো অবস্থা নেই। হাঁটুর ওপরে পানি। রিকশা নিয়ে যে যাবো, তাও পারছি না। ৪০ মিনিট দাঁড়িয়ে থেকেও খালি রিকশা পেলাম না। ১০টায় অফিস, কিন্তু দেরি হয়ে যাচ্ছে। পরে হেঁটেই রওনা দেবো ভেবেছি। তখন দেখি একটা ভ্যানে পারাপার করছে। ডাকছে ‘পানি পার, পানি পার’। পরে ভ্যানে চড়ে ৫০ টাকা দিয়ে বাসস্ট্যান্ডে আসলাম। ভ্যানে বসে শার্টটা ছাতা দিয়ে শুকনা রাখতে পেরেছি, কিন্তু প্যান্ট ভিজে গেছে। এরপর মতিঝিলে এসে দেখি এখানেও পানি। পরে রিকশা পেয়ে অফিসে এলাম। এই হচ্ছে আমার সপ্তাহের শুরু।’

শুধু যাত্রী নয়, বিপাকে চালকরাও:

বৃষ্টিতে শুরু হওয়া জলাবদ্ধতার কারণে কেবল যাত্রীরাই নয়, ভোগান্তিতে পড়েছেন যানবাহনের চালকরাও। অটোরিকশা চালক জামসেদ আলী বলেন, ‘রিকশা নিয়ে বের হয়েছি সকালে। ভাবলাম আজকে বৃষ্টি আছে, কিছু টাকা বেশি পাওয়া যাবে। কিন্তু পানিতে ডুবে রিকশাই বন্ধ হয়ে গেছে। এখন যাচ্ছি মেকারের কাছে। আজকে সারাদিনের টাকাটাই মাইর গেল।’

সিএনজি চালক আব্দুর রহমান বলেন, ‘আমাদের তো কাজ করেই যেতে হবে, যতই বৃষ্টি হোক। একদিন বসে থাকলেই আমাদের লস। তাই বৃষ্টির মধ্যেই বের হয়েছি। যদিও পানিতে গাড়ি চালানো কঠিন। কারণ বুঝতে পারি না কোথায় গর্ত আছে বা ম্যানহোলের ঢাকনা খোলা কিনা। তার মধ্যে যদি ইঞ্জিনে পানি ঢুকে তাহলে পুরো দিনই মাটি। তাই এরকম বৃষ্টির মধ্যে গাড়ি চালানো অনেক কঠিন। তারপর আবার ভাড়া একটু বেশি চাইলে যাত্রীদের নানান কথা শুনতে হয়।’

বৃষ্টিতে কমেছে বেচাকেনা, দুশ্চিন্তায় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা:

টানা বৃষ্টির প্রভাব পড়েছে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ওপরও। মিরপুর ১১ নম্বর এলাকায় ভ্যানে সবজি বিক্রি করেন ওমর ফারুক। তিনি বলেন, ‘এই দুই-তিনদিন ধরে যে বৃষ্টি শুরু হয়েছে, এটা আমাদের ব্যবসার অনেক ক্ষতি করলো। সব সবজির দাম তো বাড়তি আছেই। সঙ্গে আমি যে ভ্যানে করে সবজি বিক্রি করবো বা এক জায়গায় দাঁড়িয়ে বিক্রি করবো, সেটাও পারছি না। কারণ কাস্টমার বাসা থেকে বের হতে পারছেন না। আবার আমিও বৃষ্টিতে ভ্যান এত টেনে নিয়ে যেতে পারছি না। তাই বেচাকেনা খারাপ। তারপর আবার সবকিছুর দাম বেশি হওয়াতে মাল কিনতে পারি কম। এই কারণে আমার মতো যারা ভ্যানে করে তরকারি বিক্রি করে, সবারই বেচাকেনার অবস্থা খারাপ।’

খিলগাও কাঁচা বাজারের সবজি বিক্রেতা আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘এরকম টানা বৃষ্টি হলে সবজির দাম আরও অনেক বেড়ে যাবে। তখন আমাদের মতো ছোট ব্যবসায়ীরা পড়বে বিপদে।’

‘কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৩০ অপরাহ্ণ
‘কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু

‘আমি বেঁচে থাকতে কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’-নির্বাচনী মাঠে এমন দৃঢ় প্রত্যয়ের কথা বলার কয়েক ঘণ্টা পরই চিরতরে নির্বাচনী মাঠ ছাড়লেন কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম খোকন।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়ে দিনভর গণসংযোগ করার পর রাতেই না ফেরার দেশে চলে যান তিনি।

তিনি চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এবং কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ছিলেন। গত কয়েক মাস ধরে শুহিলপুর ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ভোটার ও সমর্থকদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছিলেন তিনি।

জানা যায়, এদিন নিজের ইউনিয়ন শুহিলপুরে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার লক্ষে হাজারো নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে গণসংযোগ করেন বিএনপির এ নেতা। চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে দিনভর নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে নির্বাচনী শোডাউন করেছিলেন তিনি। সন্ধ্যায় পথসভায়ও দিয়েছিলেন জয়ের প্রত্যয়ী বক্তব্য।

দিনভর প্রচারণা শেষে গতকাল সন্ধ্যায় শালিখা বাজারে আয়োজিত পথসভায় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বক্তব্য দেন খোকন।

পথসভায় বিএনপি নেতা বলেন, আপনারা কি চান, শাওন সাহেব (বর্তমান এমপি) আমাকে দলীয় প্রার্থী করুক? তাহলে নিশ্চিত থাকেন, শাওন সাহেব এই ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আমাকে প্রার্থী ঘোষণা করবেন।

তার বক্তব্যে ছিল নির্বাচনে জয়ের প্রত্যয়, ছিল ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা পরিকল্পনা। নেতা-কর্মীদের মধ্যেও ছিল উৎসাহ-উদ্দীপনা। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানেই যেন বদলে গেল সবকিছু।

সারাদিনের নির্বাচনী কর্মসূচি শেষে রাতে বাড়ি ফিরে খাবার খান সাইফুল ইসলাম খোকন। এরপর ঘুমাতে যাওয়ার প্রস্তুতিকালে রাত আনুমানিক ১২টার দিকে হঠাৎ বুকে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করেন তিনি। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে ইলিয়টগঞ্জ বাজারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে পরে দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর বাজারের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে সেখানে তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন মেঝ ছেলে সাঈদ।

মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেও যে মানুষটি নেতা-কর্মীদের সামনে দাঁড়িয়ে নির্বাচনে নিজের প্রার্থিতার কথা বলছিলেন, রাত না পেরোতেই সেই মানুষটিই চলে গেলেন না ফেরার দেশে। থেমে গেল তার রাজনৈতিক পথচলা। থেমে গেল চেয়ারম্যান হওয়ার স্বপ্ন। নির্বাচনী মাঠ থেকে সরে গেলেন ঠিকই তবে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বীর কাছে পরাজিত হয়ে নয়, চিরদিনের জন্য।

সাইফুল ইসলাম খোকনের আকস্মিক মৃত্যুতে শুহিলপুর ইউনিয়নসহ পুরো চান্দিনার রাজনৈতিক অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজন, রাজনৈতিক সহকর্মী, নেতা-কর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে বিরাজ করছে গভীর শোক ও বেদনা।

জানা যায়, আজ সকাল ১১টায় ইলিয়টগঞ্জ রা.বি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার নামাজে জানাজে শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

এদিকে জানাজা নামাজের আগে কুমিল্লা-৭ আসনের সংসদ সদস্য উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আতিকুল আলম শাওন বলেন, সাইফুল ইসলাম খোকন আমার মরহুম পিতার সময়কাল থেকে বিএনপি’র রাজনীতি করেছেন। আমার কয়েকজন অভিভাবকদের মধ্যে তিনিও ছিলেন একজন। তার এই মৃত্যুতে শুহিলপুর ইউনিয়নসহ উপজেলা বিএনপিতে শূন্যতা সৃষ্টি হবে।

‘ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৩ অপরাহ্ণ
‘ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি

‘তুমি এখনো ভালো হওনি, ভালো হয়ে যাও মাসুদ’- সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের এমন মন্তব্যের পর দেশজুড়ে পরিচিতি পাওয়া বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) কর্মকর্তা মো. মাসুদ আলমকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় বদলি করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংস্থাটির আরও কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার দায়িত্বেও রদবদল আনা হয়েছে।

গত ৩১ আগস্ট বিআরটিএ চেয়ারম্যানের কার্যালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ বদলি ও পদায়নের বিষয়টি জানানো হয়। আদেশে উল্লেখ করা হয়, জনস্বার্থে নেওয়া এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে।

অফিস আদেশ অনুযায়ী, বিআরটিএ চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) মো. মাসুদ আলমকে ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

অন্যদিকে ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) শফিকুজ্জামান ভূঞাকে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের একই পদে বদলি করা হয়েছে। ফলে মাসুদ আলমের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন তিনি।

উল্লেখ্য, বিআরটিএর সেবা ও অনিয়ম নিয়ে এক পরিদর্শনকালে কর্মকর্তা মাসুদ আলমকে উদ্দেশ করে ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, ‘তুমি এখনো ভালো হওনি, ভালো হয়ে যাও মাসুদ।’ তার সেই বক্তব্য দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং মাসুদ আলমকে ঘিরে আলোচনা তৈরি হয়।

বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

মোঃ রেজাউল করিম, সিনিয়র রিপোর্টার:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৪ অপরাহ্ণ
বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকালে উপজেলার মুকুন্দগাঁতী ও ক্ষিদ্রমাটিয়া গ্রামের উদ্যোগে ও ঢাকা ব্যাংক পি এল সি অর্থায়নে ক্ষিদ্রমাটিয়া গ্রামের যমুনা নদীর শাখায় তিন দিনব্যাপী এই মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য আমিরুল ইসলাম খাঁন আলীম। 

বাইচ কমিটির সভাপতি আলতাফ হোসেনের সভাপতিত্বে আরোও উপস্থিত ছিলেন, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিষ্টার শাহানাজ প্রধান, সহকারী পুলিশ সুপার বেলকুচি সার্কেল শহিদুল ইসলাম, বেলকুচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোক্তারুজ্জামান, বেলকুচি কলেজের অধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা বিএনপির সদস্য গোলাম আজম, উপজেলার বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক মন্ডলসহ স্থানীয় গনমান্য ব্যক্তিবর্গ। 

সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পানসি ১৮ টা ও ১২ টা কোষা নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করেন। আগামী ৬ সেপ্টেম্বর রবিবার বাইচ প্রতিযোগিতার চুড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হবে।

'কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু 'ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন বিশ্বের সর্বোচ্চ খেলাপি ঋণের দেশ এখন বাংলাদেশ যতবারই নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়েছে ততবারই বিএনপি জিতেছে: মন্ত্রী দুলু