খুঁজুন

পাঁচ ইসলামী ব্যাংক একীভূতকরণ ও জটিলতা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ জুলাই, ২০২৫, ১১:০৫ পূর্বাহ্ণ
পাঁচ ইসলামী ব্যাংক একীভূতকরণ ও জটিলতা

শেখ হাসিনার ১৫ বছরের শাসনামলে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ ও ত্রুটিপূর্ণ নীতির কারণে অস্পষ্ট ছিল দেশের ব্যাংক ব্যবস্থার প্রকৃত অবস্থা। গত ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর বের হয়ে আসে ব্যাংকখাতের আসল চিত্র। নানান অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে লোকসানে থাকা ব্যাংকগুলোর ঋণের বড় একটি অংশ এখন খেলাপি। অনেক ক্ষেত্রে গ্রাহকের আমানত ফেরত দিতে পারছে না ব্যাংকগুলো।

এমতাবস্থায় ব্যাংকখাতে আস্থা ফেরাতে এবং দীর্ঘদিন ধরে লোকসানে থাকা (ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক এবং এক্সিম ব্যাংক) ব্যাংককে পুনরুজ্জীবিত করতে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে যেমন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, তেমনি দেখা দিয়েছে নানান শঙ্কা।

এরই অংশ হিসেবে অভ্যুত্থানের পর এক্সিম ব্যাংক ছাড়া বাকি চারটি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে বড় পরিবর্তন আনা হয়। এ চার ব্যাংকে স্বতন্ত্র পরিচালকদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

‘শুধু ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ নিলেই হবে না, সেটি হতে হবে বাস্তবভিত্তিক। দুর্বল ব্যাংক মার্জ করে সরকার দায়িত্ব নিলে একটি শক্তিশালী ইসলামী ব্যাংক গড়ে উঠবে- অর্থনীতিবিদ এম হেলাল আহমেদ জনি।

দুর্বল আর্থিক চিত্র:
পাঁচ ব্যাংকের সম্মিলিত আমানত এক লাখ ৪৭ হাজার ৩৬৮ কোটি টাকা ও ঋণ বিতরণ এক লাখ ৯০ হাজার ৪৮৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে এক লাখ ৪৬ হাজার ৯১৮ কোটি টাকা, অর্থাৎ প্রায় ৭৭ শতাংশ খেলাপি। মূলধন ঘাটতি বিশাল হলেও পরিশোধিত মূলধন মাত্র ৫ হাজার ৮১৯ কোটি টাকা। তবুও গ্রাহক সংখ্যা ৯২ লাখ এবং কর্মকর্তা-কর্মচারী ১৬ হাজার।

গ্রাহক ও কর্মীদের দোলাচল:
অনেকে সম্ভাবনার দিকে তাকিয়ে থাকলেও গ্রাহকদের মধ্যে আমানত নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। কর্মীরা শঙ্কায় রয়েছেন চাকরি ও অবস্থান হারানো নিয়ে। এরই মধ্যে কিছু ব্যাংক আমানত হারাতে শুরু করেছে।

এক্সিম ব্যাংকের আপত্তি:
মার্জারের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে এক্সিম ব্যাংক। ব্যাংকটির দাবি, তারা স্বনির্ভর ও মজবুত। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাসেট কোয়ালিটি রিভিউ অনুযায়ী, এক্সিমের ৫২ শতাংশ ঋণই অনাদায়ী এবং প্রভিশন ঘাটতি ১৫ হাজার ১১৭ কোটি টাকা।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) নিয়মে ৩০ শতাংশের বেশি খেলাপি থাকলে ব্যাংককে বিলুপ্ত বা পুনর্গঠন করতে হয়। সব ব্যাংকই সেই সীমা পেরিয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আশ্বস্ত করেছেন- এ প্রক্রিয়ায় কারও চাকরি যাবে না, কেবল অতিরিক্ত শাখা স্থানান্তর হতে পারে।

সম্ভাব্য সুফল:
মার্জারের ফলে দেশের বৃহত্তম ইসলামী ব্যাংক গড়ে উঠবে— ৭৭৯টি শাখা, ৬৯৮ উপশাখা, ৫০০ এজেন্ট আউটলেট ও হাজারের বেশি এটিএম বুথসহ। এতে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়বে, খরচ কমবে, উৎপাদনশীলতা ও গ্রামীণ ব্যাংকিংয়ে ভূমিকা বাড়বে।

একিউআর অনুযায়ী ৫ ব্যাংকের আর্থিক চিত্র উদ্বেগজনক
বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক অ্যাসেট কোয়ালিটি রিভিউ (একিউআর) প্রতিবেদনে দেখা গেছে, বেশ কয়েকটি ব্যাংকের আর্থিক অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। বিশেষ করে আমানতের তুলনায় উচ্চহারে ঋণ বিতরণ এবং বিপুল পরিমাণ খেলাপি ঋণ তাদের মূলধন ও লোকসানে বড় ধাক্কা দিয়েছে।

এক্সিম ব্যাংক বর্তমানে ৪২ হাজার ৯৯৩ কোটি টাকার আমানতের বিপরীতে ৫১ হাজার ৬৪২ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে। এর মধ্যে ২৫ হাজার ১০১ কোটি টাকা বা প্রায় ৪৯ শতাংশ ঋণই খেলাপিতে পরিণত হয়েছে। ব্যাংকটির পরিশোধিত মূলধন এক হাজার ৪৪৮ কোটি টাকা, শাখা ১৫৫টি এবং চলতি লোকসান ৪০৯ কোটি টাকা।

সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক (এসআইবিএল) ৩০ হাজার ৯৭৭ কোটি টাকার আমানতের বিপরীতে ঋণ দিয়েছে ৩৫ হাজার ২২০ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ২৩ হাজার ৫৭৫ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের প্রায় ৬৭ শতাংশ। ব্যাংকটির পরিশোধিত মূলধন এক হাজার ১৪০ কোটি টাকা, শাখা ১৮১টি এবং লোকসান ৫৩ কোটি টাকা।

গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ১২ হাজার ৩১৩ কোটি টাকার আমানতের বিপরীতে ১৪ হাজার ৪২৭ কোটি টাকা ঋণ বিতরণ করেছে। এর মধ্যে ১৩ হাজার ৫৬৯ কোটি টাকা খেলাপি, যা মোট ঋণের প্রায় ৯৪ শতাংশ। ব্যাংকটির পরিশোধিত মূলধন ৯৮৭ কোটি টাকা, শাখা ১০৪টি এবং লোকসান ২১৪ কোটি টাকা।

ইউনিয়ন ব্যাংক ১৭ হাজার ৯৪২ কোটি টাকার আমানতের বিপরীতে ২৮ হাজার ২৭৯ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে। অথচ এর মধ্যে ২৬ হাজার ৪৯১ কোটি টাকা খেলাপি হয়েছে, যা ঋণের প্রায় ৯৪ শতাংশ। ব্যাংকটির পরিশোধিত মূলধন এক হাজার ৩৬ কোটি টাকা, শাখা ১১৪টি এবং লোকসান ৮০ কোটি টাকা।

ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক সবচেয়ে বড় পরিমাণ খেলাপি ঋণে রয়েছে। ব্যাংকটির ৪৩ হাজার ১৪৩ কোটি টাকার আমানতের বিপরীতে ঋণ দিয়েছে ৬০ হাজার ৯১৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৫৮ হাজার ১৮২ কোটি টাকাই খেলাপি, যা মোট ঋণের প্রায় ৯৫ শতাংশ। পরিশোধিত মূলধন এক হাজার ২০৮ কোটি টাকা, শাখা ২০৬টি এবং লোকসান ৪০৫ কোটি টাকা।

খাত বিশ্লেষকরা মনে করেন, এ মার্জার সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হলে ব্যাংকখাতে স্থিতিশীলতা ও আস্থা ফিরে আসবে। আমানত নিয়েও চিন্তা থাকবে না, ব্যাংক হবে শক্তিশালী।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর সম্প্রতি সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘একীভূতকরণের এ উদ্যোগ নির্বাচনের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয় বরং এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া, যা কয়েক মাসের মধ্যেই বাস্তবায়ন হবে। তিনি বলেন, এ মার্জারে কারও চাকরি হারানোর আশঙ্কা নেই। কেবল অতিরিক্ত শাখাগুলো শহর থেকে গ্রামে সরিয়ে নেওয়া হতে পারে। মোট ছয় ব্যাংকের সম্পদের মান পর্যালোচনার পর পাঁচটি ব্যাংক একীভূত করার প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। কোনো ব্যাংক একীভূত না হওয়ার জন্য যৌক্তিক কারণ দেখালে পুনর্বিবেচনার সুযোগ রয়েছে।’

এ বিষয়ে চেঞ্জ ইনিশিয়েটিভ রিসার্চ ফেলো ও অর্থনীতিবিদ এম হেলাল আহমেদ জনি বলেন, ‘শুধু ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ নিলেই হবে না সেটি হতে হবে বাস্তবভিত্তিক। পাঁচ দুর্বল ব্যাংক মার্জ করে সরকার দায়িত্ব নিলে দেশে আরও একটি শক্তিশালী ইসলামী ব্যাংক গড়ে উঠবে। আর এটা করতে পারলে একদিকে ব্যাংক আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হবে, অন্যদিকে আমানত নিয়ে শঙ্কা থাকবে না। অর্থাৎ আমানতকারীরা তাদের আমানত ফিরে পাবেন।’

বিশেষ দ্রষ্টব্য: ব্যাংকিং তথ্য ও গণমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।

‘কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৩০ অপরাহ্ণ
‘কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু

‘আমি বেঁচে থাকতে কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’-নির্বাচনী মাঠে এমন দৃঢ় প্রত্যয়ের কথা বলার কয়েক ঘণ্টা পরই চিরতরে নির্বাচনী মাঠ ছাড়লেন কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম খোকন।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়ে দিনভর গণসংযোগ করার পর রাতেই না ফেরার দেশে চলে যান তিনি।

তিনি চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এবং কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ছিলেন। গত কয়েক মাস ধরে শুহিলপুর ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ভোটার ও সমর্থকদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছিলেন তিনি।

জানা যায়, এদিন নিজের ইউনিয়ন শুহিলপুরে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার লক্ষে হাজারো নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে গণসংযোগ করেন বিএনপির এ নেতা। চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে দিনভর নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে নির্বাচনী শোডাউন করেছিলেন তিনি। সন্ধ্যায় পথসভায়ও দিয়েছিলেন জয়ের প্রত্যয়ী বক্তব্য।

দিনভর প্রচারণা শেষে গতকাল সন্ধ্যায় শালিখা বাজারে আয়োজিত পথসভায় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বক্তব্য দেন খোকন।

পথসভায় বিএনপি নেতা বলেন, আপনারা কি চান, শাওন সাহেব (বর্তমান এমপি) আমাকে দলীয় প্রার্থী করুক? তাহলে নিশ্চিত থাকেন, শাওন সাহেব এই ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আমাকে প্রার্থী ঘোষণা করবেন।

তার বক্তব্যে ছিল নির্বাচনে জয়ের প্রত্যয়, ছিল ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা পরিকল্পনা। নেতা-কর্মীদের মধ্যেও ছিল উৎসাহ-উদ্দীপনা। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানেই যেন বদলে গেল সবকিছু।

সারাদিনের নির্বাচনী কর্মসূচি শেষে রাতে বাড়ি ফিরে খাবার খান সাইফুল ইসলাম খোকন। এরপর ঘুমাতে যাওয়ার প্রস্তুতিকালে রাত আনুমানিক ১২টার দিকে হঠাৎ বুকে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করেন তিনি। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে ইলিয়টগঞ্জ বাজারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে পরে দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর বাজারের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে সেখানে তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন মেঝ ছেলে সাঈদ।

মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেও যে মানুষটি নেতা-কর্মীদের সামনে দাঁড়িয়ে নির্বাচনে নিজের প্রার্থিতার কথা বলছিলেন, রাত না পেরোতেই সেই মানুষটিই চলে গেলেন না ফেরার দেশে। থেমে গেল তার রাজনৈতিক পথচলা। থেমে গেল চেয়ারম্যান হওয়ার স্বপ্ন। নির্বাচনী মাঠ থেকে সরে গেলেন ঠিকই তবে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বীর কাছে পরাজিত হয়ে নয়, চিরদিনের জন্য।

সাইফুল ইসলাম খোকনের আকস্মিক মৃত্যুতে শুহিলপুর ইউনিয়নসহ পুরো চান্দিনার রাজনৈতিক অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজন, রাজনৈতিক সহকর্মী, নেতা-কর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে বিরাজ করছে গভীর শোক ও বেদনা।

জানা যায়, আজ সকাল ১১টায় ইলিয়টগঞ্জ রা.বি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার নামাজে জানাজে শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

এদিকে জানাজা নামাজের আগে কুমিল্লা-৭ আসনের সংসদ সদস্য উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আতিকুল আলম শাওন বলেন, সাইফুল ইসলাম খোকন আমার মরহুম পিতার সময়কাল থেকে বিএনপি’র রাজনীতি করেছেন। আমার কয়েকজন অভিভাবকদের মধ্যে তিনিও ছিলেন একজন। তার এই মৃত্যুতে শুহিলপুর ইউনিয়নসহ উপজেলা বিএনপিতে শূন্যতা সৃষ্টি হবে।

‘ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৩ অপরাহ্ণ
‘ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি

‘তুমি এখনো ভালো হওনি, ভালো হয়ে যাও মাসুদ’- সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের এমন মন্তব্যের পর দেশজুড়ে পরিচিতি পাওয়া বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) কর্মকর্তা মো. মাসুদ আলমকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় বদলি করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংস্থাটির আরও কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার দায়িত্বেও রদবদল আনা হয়েছে।

গত ৩১ আগস্ট বিআরটিএ চেয়ারম্যানের কার্যালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ বদলি ও পদায়নের বিষয়টি জানানো হয়। আদেশে উল্লেখ করা হয়, জনস্বার্থে নেওয়া এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে।

অফিস আদেশ অনুযায়ী, বিআরটিএ চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) মো. মাসুদ আলমকে ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

অন্যদিকে ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) শফিকুজ্জামান ভূঞাকে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের একই পদে বদলি করা হয়েছে। ফলে মাসুদ আলমের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন তিনি।

উল্লেখ্য, বিআরটিএর সেবা ও অনিয়ম নিয়ে এক পরিদর্শনকালে কর্মকর্তা মাসুদ আলমকে উদ্দেশ করে ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, ‘তুমি এখনো ভালো হওনি, ভালো হয়ে যাও মাসুদ।’ তার সেই বক্তব্য দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং মাসুদ আলমকে ঘিরে আলোচনা তৈরি হয়।

বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

মোঃ রেজাউল করিম, সিনিয়র রিপোর্টার:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৪ অপরাহ্ণ
বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকালে উপজেলার মুকুন্দগাঁতী ও ক্ষিদ্রমাটিয়া গ্রামের উদ্যোগে ও ঢাকা ব্যাংক পি এল সি অর্থায়নে ক্ষিদ্রমাটিয়া গ্রামের যমুনা নদীর শাখায় তিন দিনব্যাপী এই মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য আমিরুল ইসলাম খাঁন আলীম। 

বাইচ কমিটির সভাপতি আলতাফ হোসেনের সভাপতিত্বে আরোও উপস্থিত ছিলেন, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিষ্টার শাহানাজ প্রধান, সহকারী পুলিশ সুপার বেলকুচি সার্কেল শহিদুল ইসলাম, বেলকুচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোক্তারুজ্জামান, বেলকুচি কলেজের অধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা বিএনপির সদস্য গোলাম আজম, উপজেলার বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক মন্ডলসহ স্থানীয় গনমান্য ব্যক্তিবর্গ। 

সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পানসি ১৮ টা ও ১২ টা কোষা নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করেন। আগামী ৬ সেপ্টেম্বর রবিবার বাইচ প্রতিযোগিতার চুড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হবে।

'কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু 'ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন বিশ্বের সর্বোচ্চ খেলাপি ঋণের দেশ এখন বাংলাদেশ যতবারই নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়েছে ততবারই বিএনপি জিতেছে: মন্ত্রী দুলু