খুঁজুন

মানবসম্পদ বিভাগের প্রধানসহ আহত ১৫

আল-আরাফাহ্‌ ইসলামী ব্যাংকে চাকরিচ্যুতদের হামলা

বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ আগস্ট, ২০২৫, ১:০৮ অপরাহ্ণ
আল-আরাফাহ্‌ ইসলামী ব্যাংকে চাকরিচ্যুতদের হামলা

গণ–অভ্যুত্থানের পরে আল-আরাফাহ্‌ ইসলামী ব্যাংক থেকে চাকরিচ্যুতদের হামলায় ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয়ের মানবসম্পদ (এইচআর) বিভাগের প্রধানসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর দৈনিক বাংলার মোড়ে আল-আরাফাহ্‌ ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে এই হামলা হয়। আহত ব্যক্তিদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ একাধিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ বলেছে, বিকেলে ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান আমির হোসেন ব্যাংক থেকে নেমে গাড়িতে ওঠার সময় আন্দোলনরত চাকরিচ্যুত কর্মকর্তারা তাঁকে মারধর করেন। এ নিয়ে চাকরিচ্যুত কর্মকর্তাদের সঙ্গে ব্যাংকটির নিরাপত্তাকর্মীসহ কর্মকর্তাদের হাতাহাতি ও ইটের টুকরা নিয়ে পাল্টাপাল্টি হামলা হয়। এতে দুই পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হন।

গত বছরের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বাংলাদেশ ব্যাংকসহ বিভিন্ন তদারককারী সংস্থার তদন্তে আল-আরাফাহ্‌ ইসলামী ব্যাংকের নিয়োগপ্রক্রিয়ার বিভিন্ন অসংগতি ধরা পড়ে। আল–আরাফাহ্‌ ব্যাংক কর্তৃপক্ষের ভাষ্যমতে, বিষয়টি নিয়মের মধ্যে আনার লক্ষ্যে যথাযথ কর্তৃপক্ষের নির্দেশে কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। এর অংশ হিসেবে চিহ্নিত ১ হাজার ৪১৪ কর্মকর্তার মূল্যায়ন পরীক্ষা নেওয়া হয়। তাঁদের মধ্যে অকৃতকার্য ৫৪৭ জনকে অব্যাহতি দিতে বাধ্য হয় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

চাকরিচ্যুত এই কর্মকর্তারা গত ২৮ জুলাই সকালে আকস্মিকভাবে আল-আরাফাহ্‌ ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের প্রবেশমুখে জড়ো হয়ে মারমুখী আচরণ করতে থাকেন। এরপর থেকে আট দিন ধরে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তাঁরা একইভাবে ব্যাংকের প্রধান ফটক বন্ধ করে রাখেন। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ আন্দোলনকারীদের সরাতে কোনোরূপ শক্তি প্রয়োগ না করার নীতি অবলম্বন করার পরও বৃহস্পতিবার হামলার ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনা তুলে ধরে আল–আরাফাহ্‌ ইসলামী ব্যাংকের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বেশ কিছুদিন ধরেই আল-আরাফাহ্‌ টাওয়ার ভবনে চাকরিচ্যুত কর্মকর্তারা কাউকে প্রবেশ করতে না দেওয়ায় ব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম সম্পাদনের জন্য পাশের সুরমা টাওয়ারে বসার ব্যবস্থা করা হয়। আজ বিকেল চারটার দিকে ব্যাংকের তিনজন উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) ও এইচআর প্রধান আমির হোসেন সুরমা টাওয়ার থেকে নেমে গাড়িতে উঠছিলেন। চাকরিতে বহালের দাবিতে আন্দোলনকারীরা এইচআর প্রধানকে মারধর করেন। তাঁদের উদ্ধার করতে ব্যাংকের নিরাপত্তাকর্মীরা এগিয়ে গেলে চাকরিচ্যুত শতাধিক কর্মকর্তা লাঠিসোঁটা নিয়ে তাঁদের ওপর হামলা চালান।

এ বিষয়ে পল্টন থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মনিরুল ইসলাম গণমাধ্যমে বলেন, বিকেল সোয়া চারটার দিকে আল–আরাফাহ্‌ ইসলামী ব্যাংকের তিনজন ডিএমডি ও এইচআর প্রধান ব্যাংক থেকে নেমে গাড়িতে উঠছিলেন। এ সময় ব্যাংকটির চাকরিচ্যুত কর্মকর্তারা তাঁদের গাড়ি ঘিরে ফেলেন। একপর্যায়ে তাঁরা এইচআর প্রধান আমির হোসেনকে মারধর করেন। এ সময় ব্যাংকের নিরাপত্তাকর্মীরা বাধা দেন। এতে চাকরিচ্যুত কর্মকর্তারা ক্ষুব্ধ হয়ে নিরাপত্তাকর্মীদের ওপর হামলা চালান। এ সময় ইটের টুকরা নিয়ে দুই পক্ষ পাল্টাপাল্টি হামলা করে। প্রায় ২০ মিনিট এই অবস্থা চলার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হন। এ ব্যাপারে থানায় অভিযোগ দেওয়া হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আল–আরাফাহ্‌ ব্যাংকের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চাকরিচ্যুতদের আক্রমণে আহত ব্যাংকটির এইচআর বিভাগের প্রধান আমির হোসেনকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গুরুতর আহত ব্যাংকের নিরাপত্তাকর্মী শাহিনুরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হামলাকারীদের হাত থেকে ব্যাংকের তিনজন ডিএমডিকে উদ্ধার করে পুলিশ। আহত অন্যদের মধ্যে রয়েছেন আল–আরাফাহ্‌ ব্যাংকের কর্মী লিটন (২৫), ইলিয়াস (৩৮), ফাহিম (১৯), রকি হোসেন (২৬), তোফায়েল (৩২), নুর আলম (৪২), আরিফ (২৫), জাকির হোসেন (২৫), সাগর (২৯), লুৎফর, ফারুক ও সোহেল।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাংলাদেশ ব্যাংকের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা বলেন, ‘এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রিত ব্যাংকগুলোতে কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে দুর্নীতি করা হয়েছে। নির্দিষ্ট একটি এলাকার লোকজনকে যাচাই-বাছাই ছাড়া সরাসরি নিয়োগ দেয়া হয়। এতে সারা দেশের মেধাবীরা বঞ্চিত হন।’

‘কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৩০ অপরাহ্ণ
‘কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু

‘আমি বেঁচে থাকতে কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’-নির্বাচনী মাঠে এমন দৃঢ় প্রত্যয়ের কথা বলার কয়েক ঘণ্টা পরই চিরতরে নির্বাচনী মাঠ ছাড়লেন কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম খোকন।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়ে দিনভর গণসংযোগ করার পর রাতেই না ফেরার দেশে চলে যান তিনি।

তিনি চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এবং কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ছিলেন। গত কয়েক মাস ধরে শুহিলপুর ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ভোটার ও সমর্থকদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছিলেন তিনি।

জানা যায়, এদিন নিজের ইউনিয়ন শুহিলপুরে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার লক্ষে হাজারো নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে গণসংযোগ করেন বিএনপির এ নেতা। চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে দিনভর নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে নির্বাচনী শোডাউন করেছিলেন তিনি। সন্ধ্যায় পথসভায়ও দিয়েছিলেন জয়ের প্রত্যয়ী বক্তব্য।

দিনভর প্রচারণা শেষে গতকাল সন্ধ্যায় শালিখা বাজারে আয়োজিত পথসভায় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বক্তব্য দেন খোকন।

পথসভায় বিএনপি নেতা বলেন, আপনারা কি চান, শাওন সাহেব (বর্তমান এমপি) আমাকে দলীয় প্রার্থী করুক? তাহলে নিশ্চিত থাকেন, শাওন সাহেব এই ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আমাকে প্রার্থী ঘোষণা করবেন।

তার বক্তব্যে ছিল নির্বাচনে জয়ের প্রত্যয়, ছিল ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা পরিকল্পনা। নেতা-কর্মীদের মধ্যেও ছিল উৎসাহ-উদ্দীপনা। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানেই যেন বদলে গেল সবকিছু।

সারাদিনের নির্বাচনী কর্মসূচি শেষে রাতে বাড়ি ফিরে খাবার খান সাইফুল ইসলাম খোকন। এরপর ঘুমাতে যাওয়ার প্রস্তুতিকালে রাত আনুমানিক ১২টার দিকে হঠাৎ বুকে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করেন তিনি। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে ইলিয়টগঞ্জ বাজারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে পরে দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর বাজারের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে সেখানে তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন মেঝ ছেলে সাঈদ।

মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেও যে মানুষটি নেতা-কর্মীদের সামনে দাঁড়িয়ে নির্বাচনে নিজের প্রার্থিতার কথা বলছিলেন, রাত না পেরোতেই সেই মানুষটিই চলে গেলেন না ফেরার দেশে। থেমে গেল তার রাজনৈতিক পথচলা। থেমে গেল চেয়ারম্যান হওয়ার স্বপ্ন। নির্বাচনী মাঠ থেকে সরে গেলেন ঠিকই তবে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বীর কাছে পরাজিত হয়ে নয়, চিরদিনের জন্য।

সাইফুল ইসলাম খোকনের আকস্মিক মৃত্যুতে শুহিলপুর ইউনিয়নসহ পুরো চান্দিনার রাজনৈতিক অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজন, রাজনৈতিক সহকর্মী, নেতা-কর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে বিরাজ করছে গভীর শোক ও বেদনা।

জানা যায়, আজ সকাল ১১টায় ইলিয়টগঞ্জ রা.বি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার নামাজে জানাজে শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

এদিকে জানাজা নামাজের আগে কুমিল্লা-৭ আসনের সংসদ সদস্য উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আতিকুল আলম শাওন বলেন, সাইফুল ইসলাম খোকন আমার মরহুম পিতার সময়কাল থেকে বিএনপি’র রাজনীতি করেছেন। আমার কয়েকজন অভিভাবকদের মধ্যে তিনিও ছিলেন একজন। তার এই মৃত্যুতে শুহিলপুর ইউনিয়নসহ উপজেলা বিএনপিতে শূন্যতা সৃষ্টি হবে।

‘ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৩ অপরাহ্ণ
‘ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি

‘তুমি এখনো ভালো হওনি, ভালো হয়ে যাও মাসুদ’- সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের এমন মন্তব্যের পর দেশজুড়ে পরিচিতি পাওয়া বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) কর্মকর্তা মো. মাসুদ আলমকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় বদলি করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংস্থাটির আরও কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার দায়িত্বেও রদবদল আনা হয়েছে।

গত ৩১ আগস্ট বিআরটিএ চেয়ারম্যানের কার্যালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ বদলি ও পদায়নের বিষয়টি জানানো হয়। আদেশে উল্লেখ করা হয়, জনস্বার্থে নেওয়া এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে।

অফিস আদেশ অনুযায়ী, বিআরটিএ চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) মো. মাসুদ আলমকে ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

অন্যদিকে ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) শফিকুজ্জামান ভূঞাকে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের একই পদে বদলি করা হয়েছে। ফলে মাসুদ আলমের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন তিনি।

উল্লেখ্য, বিআরটিএর সেবা ও অনিয়ম নিয়ে এক পরিদর্শনকালে কর্মকর্তা মাসুদ আলমকে উদ্দেশ করে ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, ‘তুমি এখনো ভালো হওনি, ভালো হয়ে যাও মাসুদ।’ তার সেই বক্তব্য দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং মাসুদ আলমকে ঘিরে আলোচনা তৈরি হয়।

বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

মোঃ রেজাউল করিম, সিনিয়র রিপোর্টার:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৪ অপরাহ্ণ
বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকালে উপজেলার মুকুন্দগাঁতী ও ক্ষিদ্রমাটিয়া গ্রামের উদ্যোগে ও ঢাকা ব্যাংক পি এল সি অর্থায়নে ক্ষিদ্রমাটিয়া গ্রামের যমুনা নদীর শাখায় তিন দিনব্যাপী এই মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য আমিরুল ইসলাম খাঁন আলীম। 

বাইচ কমিটির সভাপতি আলতাফ হোসেনের সভাপতিত্বে আরোও উপস্থিত ছিলেন, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিষ্টার শাহানাজ প্রধান, সহকারী পুলিশ সুপার বেলকুচি সার্কেল শহিদুল ইসলাম, বেলকুচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোক্তারুজ্জামান, বেলকুচি কলেজের অধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা বিএনপির সদস্য গোলাম আজম, উপজেলার বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক মন্ডলসহ স্থানীয় গনমান্য ব্যক্তিবর্গ। 

সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পানসি ১৮ টা ও ১২ টা কোষা নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করেন। আগামী ৬ সেপ্টেম্বর রবিবার বাইচ প্রতিযোগিতার চুড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হবে।

'কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু 'ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন বিশ্বের সর্বোচ্চ খেলাপি ঋণের দেশ এখন বাংলাদেশ যতবারই নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়েছে ততবারই বিএনপি জিতেছে: মন্ত্রী দুলু