খুঁজুন

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৫, ১১:৩৬ পূর্বাহ্ণ
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

filter: 0; fileterIntensity: 0.0; filterMask: 0; captureOrientation: 0; module: photo; hw-remosaic: false; touch: (-1.0, -1.0); modeInfo: ; sceneMode: 8; cct_value: 5500; AI_Scene: (0, 0); aec_lux: 68.0; aec_lux_index: 0; hist255: 0.0; hist252~255: 0.0; hist0~15: 0.0; albedo: ; confidence: ; motionLevel: 0; weatherinfo: null; temperature: 37;

শুধু বাংলায় কথা বললেই কি একজন ব্যক্তিকে বাংলাদেশি বলে ধরে নেওয়া যায়? অনুপ্রবেশ ঠেকাতে কি মেক্সিকো সীমান্তে আমেরিকার মতো প্রাচীর তুলতে হবে?

শুক্রবার (২৯ আগস্ট) এই তীক্ষ্ণ প্রশ্নগুলো ছুড়ে দিয়ে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট চরম ভর্ৎসনা করেছে নরেন্দ্র মোদীর সরকারকে। বিচারপতিরা বলেছেন, দেশের নিরাপত্তা অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু ভারত একটি বহু ভাষাভাষীর দেশ।

তাই সরকারকে এই বিষয়ে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করতে হবে।

এই ঘটনা মূলত বিজেপিশাসিত রাজ্যগুলোতে বাংলাভাষীদের ওপর হয়রানি এবং আক্রমণের অভিযোগকে কেন্দ্র করে সামনে এসেছে। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তার দল তৃণমূল কংগ্রেস অনেকবার এই অভিযোগ তুলেছেন যে, বাংলাভাষীদের ওপর হামলা হচ্ছে এবং অনেককে বাংলাদেশে ‘পুশ-ইন’ করা হচ্ছে। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতেই ভারতের সুপ্রিম কোর্ট মোদী সরকারের কঠোর সমালোচনা করেছে।

সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সূর্যকান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি বিএম পাঞ্চোলির ডিভিশন বেঞ্চ রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীর কাছে জানতে চায়, ‘বাংলায় কথা বলার কারণে কি ভারত সরকার কাউকে বাংলাদেশি বলতে পারে? ভারতের মতো বহু ভাষাভাষীর দেশে শুধু ভাষার জন্য কাউকে বাংলাদেশি বা বিদেশি হিসেবে চিহ্নিত করা যায় না। ’

কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতার উদ্দেশে বিচারপতিরা বলেন, ‘আমরা চাই, আপনি পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ স্পষ্ট করুন। কেন একটি ভাষা দিয়ে কাউকে বিদেশি বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে?’

বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী প্রশ্ন করেন, ‘একজন ব্যক্তি কোন ভাষায় কথা বলেন, তা দিয়ে কি তার নাগরিকত্বের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়?’

মেহতা অনুপ্রবেশকে একটি বৈশ্বিক সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করলে বিচারপতি বাগচী ব্যঙ্গ করে জানতে চান, ‘তাহলে কি অনুপ্রবেশ ঠেকাতে কেন্দ্রীয় সরকারও বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘ সীমান্তে উঁচু প্রাচীর নির্মাণ করতে চায়, যেমনটা মেক্সিকো সীমান্তে করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র?’

মামলাটি এখন কলকাতা হাইকোর্টে স্থানান্তরিত হয়েছে এবং সুপ্রিম কোর্ট দ্রুত শুনানির নির্দেশ দিয়েছে।

অন্তঃসত্ত্বা সোনালীর ঘটনা:
এই মামলার সূত্রপাত হয় বীরভূম জেলার আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা সোনালী বিবি এবং তার পরিবারকে বাংলাদেশে ‘পুশ ইন’ করার অভিযোগ থেকে। পশ্চিমবঙ্গের পরিযায়ী শ্রমিক উন্নয়ন পর্ষদ এই অভিযোগ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছিল। তাদের আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ আদালতকে জানিয়েছিলেন, বাংলা ভাষায় কথা বলার কারণে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিকেরা আতঙ্কে রয়েছেন। তাদের অপরাধ তারা বাংলা ভাষায় কথা বলেছিলেন। কিন্তু তারা পশ্চিমবঙ্গের পরিযায়ী শ্রমিক। কোনো পদ্ধতি অনুসরণ না করে তাদের ধরে নিয়ে বাংলাদেশে ‘পুশ-ইন’ করা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন।

তবে আদালত কেবল কেন্দ্রীয় সরকারকেই নয়, শ্রমিক সংগঠনকেও প্রশ্ন করেছে। বিচারপতিরা জানতে চেয়েছেন, এমন কোনো ঘটনা ঘটে থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা তার পরিবার কেন সরাসরি আদালতে আসছেন না? কেন একটি সংগঠন এসে মামলা করছে? একই সঙ্গে আদালত বলেছে, ‘ভারত তো আর অনুপ্রবেশকারীদের রাজধানী হতে পারে না!’

বিচারপতি বাগচী জানান, দেশের নিরাপত্তা অবশ্যই দেখতে হবে, কিন্তু এই মামলায় দুটি স্পর্শকাতর বিষয় রয়েছে। প্রথমত, শুধু বাংলা ভাষার জন্য কাউকে বিদেশি বলা যায় না। দ্বিতীয়ত, সোনালী বিবির ঘটনাটি অত্যন্ত সংবেদনশীল।

গত ২৮ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের পরিযায়ী শ্রমিক উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান সামিরুল ইসলাম অভিযোগ করেন যে, দিল্লির দুটি বাঙালি পরিবারকে আসাম সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছে। এই পরিবার দুটির মধ্যে একটি হলো বীরভূমের পাইকর থানার সুইটি বিবি, কুরবান শেখ ও ইমাম শেখের। আরেকটি পরিবার মুরারই থানার দানিস শেখ, সোনালী বিবি ও সাবির শেখের।

গত ২২ আগস্ট অন্তঃসত্ত্বা সোনালী বিবি ও তার পরিবারকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে বাংলাদেশের পুলিশ হেফাজতে নেয়। এরপরই মামলাটি সুপ্রিম কোর্টে ওঠে। এই মামলার পরবর্তী শুনানি কলকাতা হাইকোর্টে হবে।

‘কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৩০ অপরাহ্ণ
‘কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু

‘আমি বেঁচে থাকতে কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’-নির্বাচনী মাঠে এমন দৃঢ় প্রত্যয়ের কথা বলার কয়েক ঘণ্টা পরই চিরতরে নির্বাচনী মাঠ ছাড়লেন কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম খোকন।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়ে দিনভর গণসংযোগ করার পর রাতেই না ফেরার দেশে চলে যান তিনি।

তিনি চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এবং কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ছিলেন। গত কয়েক মাস ধরে শুহিলপুর ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ভোটার ও সমর্থকদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছিলেন তিনি।

জানা যায়, এদিন নিজের ইউনিয়ন শুহিলপুরে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার লক্ষে হাজারো নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে গণসংযোগ করেন বিএনপির এ নেতা। চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে দিনভর নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে নির্বাচনী শোডাউন করেছিলেন তিনি। সন্ধ্যায় পথসভায়ও দিয়েছিলেন জয়ের প্রত্যয়ী বক্তব্য।

দিনভর প্রচারণা শেষে গতকাল সন্ধ্যায় শালিখা বাজারে আয়োজিত পথসভায় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বক্তব্য দেন খোকন।

পথসভায় বিএনপি নেতা বলেন, আপনারা কি চান, শাওন সাহেব (বর্তমান এমপি) আমাকে দলীয় প্রার্থী করুক? তাহলে নিশ্চিত থাকেন, শাওন সাহেব এই ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আমাকে প্রার্থী ঘোষণা করবেন।

তার বক্তব্যে ছিল নির্বাচনে জয়ের প্রত্যয়, ছিল ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা পরিকল্পনা। নেতা-কর্মীদের মধ্যেও ছিল উৎসাহ-উদ্দীপনা। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানেই যেন বদলে গেল সবকিছু।

সারাদিনের নির্বাচনী কর্মসূচি শেষে রাতে বাড়ি ফিরে খাবার খান সাইফুল ইসলাম খোকন। এরপর ঘুমাতে যাওয়ার প্রস্তুতিকালে রাত আনুমানিক ১২টার দিকে হঠাৎ বুকে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করেন তিনি। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে ইলিয়টগঞ্জ বাজারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে পরে দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর বাজারের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে সেখানে তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন মেঝ ছেলে সাঈদ।

মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেও যে মানুষটি নেতা-কর্মীদের সামনে দাঁড়িয়ে নির্বাচনে নিজের প্রার্থিতার কথা বলছিলেন, রাত না পেরোতেই সেই মানুষটিই চলে গেলেন না ফেরার দেশে। থেমে গেল তার রাজনৈতিক পথচলা। থেমে গেল চেয়ারম্যান হওয়ার স্বপ্ন। নির্বাচনী মাঠ থেকে সরে গেলেন ঠিকই তবে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বীর কাছে পরাজিত হয়ে নয়, চিরদিনের জন্য।

সাইফুল ইসলাম খোকনের আকস্মিক মৃত্যুতে শুহিলপুর ইউনিয়নসহ পুরো চান্দিনার রাজনৈতিক অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজন, রাজনৈতিক সহকর্মী, নেতা-কর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে বিরাজ করছে গভীর শোক ও বেদনা।

জানা যায়, আজ সকাল ১১টায় ইলিয়টগঞ্জ রা.বি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার নামাজে জানাজে শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

এদিকে জানাজা নামাজের আগে কুমিল্লা-৭ আসনের সংসদ সদস্য উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আতিকুল আলম শাওন বলেন, সাইফুল ইসলাম খোকন আমার মরহুম পিতার সময়কাল থেকে বিএনপি’র রাজনীতি করেছেন। আমার কয়েকজন অভিভাবকদের মধ্যে তিনিও ছিলেন একজন। তার এই মৃত্যুতে শুহিলপুর ইউনিয়নসহ উপজেলা বিএনপিতে শূন্যতা সৃষ্টি হবে।

‘ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৩ অপরাহ্ণ
‘ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি

‘তুমি এখনো ভালো হওনি, ভালো হয়ে যাও মাসুদ’- সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের এমন মন্তব্যের পর দেশজুড়ে পরিচিতি পাওয়া বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) কর্মকর্তা মো. মাসুদ আলমকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় বদলি করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংস্থাটির আরও কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার দায়িত্বেও রদবদল আনা হয়েছে।

গত ৩১ আগস্ট বিআরটিএ চেয়ারম্যানের কার্যালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ বদলি ও পদায়নের বিষয়টি জানানো হয়। আদেশে উল্লেখ করা হয়, জনস্বার্থে নেওয়া এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে।

অফিস আদেশ অনুযায়ী, বিআরটিএ চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) মো. মাসুদ আলমকে ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

অন্যদিকে ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) শফিকুজ্জামান ভূঞাকে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের একই পদে বদলি করা হয়েছে। ফলে মাসুদ আলমের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন তিনি।

উল্লেখ্য, বিআরটিএর সেবা ও অনিয়ম নিয়ে এক পরিদর্শনকালে কর্মকর্তা মাসুদ আলমকে উদ্দেশ করে ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, ‘তুমি এখনো ভালো হওনি, ভালো হয়ে যাও মাসুদ।’ তার সেই বক্তব্য দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং মাসুদ আলমকে ঘিরে আলোচনা তৈরি হয়।

বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

মোঃ রেজাউল করিম, সিনিয়র রিপোর্টার:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৪ অপরাহ্ণ
বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকালে উপজেলার মুকুন্দগাঁতী ও ক্ষিদ্রমাটিয়া গ্রামের উদ্যোগে ও ঢাকা ব্যাংক পি এল সি অর্থায়নে ক্ষিদ্রমাটিয়া গ্রামের যমুনা নদীর শাখায় তিন দিনব্যাপী এই মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য আমিরুল ইসলাম খাঁন আলীম। 

বাইচ কমিটির সভাপতি আলতাফ হোসেনের সভাপতিত্বে আরোও উপস্থিত ছিলেন, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিষ্টার শাহানাজ প্রধান, সহকারী পুলিশ সুপার বেলকুচি সার্কেল শহিদুল ইসলাম, বেলকুচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোক্তারুজ্জামান, বেলকুচি কলেজের অধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা বিএনপির সদস্য গোলাম আজম, উপজেলার বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক মন্ডলসহ স্থানীয় গনমান্য ব্যক্তিবর্গ। 

সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পানসি ১৮ টা ও ১২ টা কোষা নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করেন। আগামী ৬ সেপ্টেম্বর রবিবার বাইচ প্রতিযোগিতার চুড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হবে।

'কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু 'ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন বিশ্বের সর্বোচ্চ খেলাপি ঋণের দেশ এখন বাংলাদেশ যতবারই নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়েছে ততবারই বিএনপি জিতেছে: মন্ত্রী দুলু