খুঁজুন
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৮ বৈশাখ, ১৪৩৩

জুলাই সনদ নিয়ে আলী রিয়াজ

সংবিধান সম্পর্কিত বিষয়গুলো সাংবিধানিক আদেশে বাস্তবায়নের পক্ষে বিশেষজ্ঞরা

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৬:১৯ অপরাহ্ণ
সংবিধান সম্পর্কিত বিষয়গুলো সাংবিধানিক আদেশে বাস্তবায়নের পক্ষে বিশেষজ্ঞরা

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, জুলাই জাতীয় সনদের সংবিধান সংশ্লিষ্ট প্রস্তাবগুলো সাংবিধানিক আদেশের মাধ্যমে বাস্তবায়নের পক্ষে মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

বুধবার (১৭ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমিতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে তৃতীয় দফার প্রথম বৈঠকের সূচনা বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আলী রীয়াজ বলেন, তৃতীয় দফায় বর্ধিত সময়ের আগেই জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে চায় কমিশন। এর জন্য কোনও অবস্থাতেই এক মাস লাগবে বলে মনে করি না। আশা করি, দ্রুত একটি পরিণতি দেখা যাবে।

তিনি জানান, আগামী জাতীয় নির্বাচনের দিন সনদের বিষয়ে গণভোটের মাধ্যমে জনগণের বৈধতা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের এই সহ-সভাপতি বলেন, কমিশনের সভাপতি হিসেবে প্রধান উপদেষ্টা সার্বিক বিষয়ে জানেন। আগামী ২১ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের অধিবেশনে যাবেন তিনি। এর আগেই সনদ বাস্তবায়নের অগ্রগতি সম্পর্কে তাকে অবগত করা হবে। সনদ বাস্তবায়নের বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে চূড়ান্ত খসড়া পাঠিয়েছে কমিশন। তারা ছয়টি উপায়ের পরামর্শ দিয়েছেন।

আলী রীয়াজ বলেন, সংবিধানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো গণভোট ও সংবিধানের মাধ্যমে করতে বলেছেন বিশেষজ্ঞরা। আর যেগুলো অধ্যাদেশের মাধ্যমে শেষ করা যাবে, তা যেন সরকার দ্রুত সম্পন্ন করে, সে পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, সনদে স্বাক্ষর করার বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে দুই জন করে প্রতিনিধির নাম পাঠানোর কথা বলা হয়েছিল। বেশিরভাগ দলই পাঠিয়েছে। আমরা চাই, এ বিষয়ে সরকার প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেবে।

বৈঠকে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি, এলডিপি, গণঅধিকার পরিষদ, গণসংহতি আন্দোলন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, এবিপার্টিসহ ৩০টি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি অংশ নেয়।

কমিশনের সদস্য হিসেবে রয়েছেন– বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, ড. ইফতেখারুজ্জামান, ড. বদিউল আলম মজুমদার, ড. মো. আইয়ুব মিয়া এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার।

চট্টগ্রাম সিটি কলেজে গ্রাফিতি আঁকা নিয়ে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, আহত ১০

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৫৯ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রাম সিটি কলেজে গ্রাফিতি আঁকা নিয়ে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, আহত ১০

‘ছাত্র রাজনীতি’র জায়গায় ‘গুপ্ত রাজনীতি’ লেখাকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১০জন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে।

এ ঘটনার পর ক্লাস ও পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। তবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে চলমান স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষ ও স্নাতকোত্তরের পরীক্ষাগুলো যথারীতি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় কলেজ ক্যাম্পাসে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল থেকেই দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। দুপুর ১২টার দিকে উভয়পক্ষ মুখোমুখি অবস্থান নিয়ে পাল্টাপাল্টি স্লোগান দেয়। একপর্যায়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। ঘণ্টাব্যাপী ধরে উত্তেজনা চলার পর অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কলেজের একটি ভবনের দেওয়ালে জুলাই-আগস্ট আন্দোলন ঘিরে আঁকা একটি গ্রাফিতির নিচে ‘ছাত্র রাজনীতি ও ছাত্রলীগমুক্ত ক্যাম্পাস’ লেখা ছিল। পরে কলেজ শাখা ছাত্রদলের এক নেতা সেটিতে ‘ছাত্র’ শব্দ মুছে ‘গুপ্ত’ শব্দ লিখে দেন। ফলে লেখাটি হয়ে যায় ‘গুপ্ত রাজনীতি ও ছাত্রলীগমুক্ত ক্যাম্পাস’।

সেই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দুই সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। এর জেরেই সংঘর্ষের সূত্রপাত।

কলেজের একজন শিক্ষক বলেন, সংঘর্ষের কারণে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা ব্যাহত হলে প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন হতে পারতো। সে বিষয়টি বুঝিয়ে বলার পর শিক্ষার্থীরা সরে যান। এরপর দুপুর ১২টার পর থেকে কলেজের অভ্যন্তরীণ ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ রাখা হয়।

কলেজের অধ্যক্ষ আবু সালেহ মোহাম্মদ নঈম উদ্দিন গণমাধ্যমে বলেন, দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। প্রথমে শিক্ষকরা পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আফতাব উদ্দিন জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত।

জোট সঙ্গীদের প্রতি উদার জামায়াত

সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের ৮, এনসিপিসহ বাকিদের ৫

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৩৪ অপরাহ্ণ
সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের ৮, এনসিপিসহ বাকিদের ৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী চূড়ান্ত হয়েছে। যেখানে জোট সঙ্গীদের প্রতি উদার মনোভাব দেখিয়েছে জামায়াতে ইসলামী।

সংসদে জামায়াতের যাচ্ছেন ৮জন নারী সদস্য, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে যাচ্ছেন ২জন। এছাড়া জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) একজন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের একজন এবং জুলাই শহীদ পরিবারের একজনকে নারী আসনের সংসদ সদস্য করা হচ্ছে এই জোট থেকে।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ৬৮টি আসনে জয়ী হয় ১১ দলীয় ঐক্য। সেই হিসেবে তারা ১৩টি নারী আসন পাচ্ছে। ৫০ নারী আসনের ৩৬টি বিএনপি পাচ্ছে। ক্ষমতাসীন দলটি আজ (২০ এপ্রিল) তাদের প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে। এর পরপরই ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী চূড়ান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়।

জামায়াতের মহিলা বিভাগ সূত্র জানিয়েছে; সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য জোট থেকে যাদের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করতে বলা হয়েছে তারা হলেন- নূরুন্নিসা সিদ্দীকা, মারজিয়া বেগম, সাবিকুন নাহার মুন্নি, মাহফুজা সিদ্দিকা, নাজমুন নাহার নীলু, সাজেদা সামাদ, মারদিয়া মমতাজ, মাহমুদা আলম মিতু, মনিরা শারমিন, তাসমিয়া প্রধান, সামসুন নাহার, মাহবুবা হাকিম ও রোকেয়া বেগম।

জামায়াতের কেন্দ্রীয় কমিটির একজন নেতা ও কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের শীর্ষস্থানীয় একজন নেত্রী এই নামগুলো গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন। তারা জানিয়েছেন, জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের জন্য আগামীকাল মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে মনোনীত প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হবে।

জামায়াত থেকে যারা সংসদ সদস্য হচ্ছেন, তারা হলেন– কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নূরুন্নিসা সিদ্দীকা, সহকারী সেক্রেটারি মারজিয়া বেগম, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক সাবিকুন নাহার মুন্নি, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষক ও মহিলা বিভাগের সদস্য মারদিয়া মমতাজ, মহিলা বিভাগের সদস্য নাজমুন নাহার নীলু, সিলেটের নেত্রী মাহফুজা সিদ্দিকা, বগুড়ার নেত্রী ও সাবেক উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সাজেদা সামাদ এবং খুলনা মহানগরীর সেক্রেটারি সামসুন নাহার।

এনসিপির দু’জন হলেন দলের নারী সংগঠন ‘জাতীয় নারীশক্তি’র আহ্বায়ক মনিরা শারমিন ও সদস্য সচিব মাহমুদা আলম মিতু।

তাসমিয়া প্রধান জাগপার চেয়ারম্যান। তিনি দলটির প্রয়াত চেয়ারম্যান শফিউল আলম প্রধানের মেয়ে। মাহবুবা হাকিম বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নারী মজলিসের সদস্য। তিনি সম্পর্কে দলটির আমির মাওলানা মামুনুল হকের ভাগনি হন বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে। এছাড়া জুলাই শহীদ শিশু জাবির ইব্রাহিমের মা রোকেয়া বেগমকে মনোনয়ন দিয়ে সংসদে নিচ্ছে ১১ দলীয় ঐক্য।

নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১২ মে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন হবে।

নিয়ম অনুযায়ী নারী আসনে সরাসরি নির্বাচন হয় না। সংসদে দলগুলোর আসন সংখ্যার অনুপাতে নারী আসনগুলো বণ্টিত হয়। সংসদের নারী আসন ৫০টি। প্রতি ৬ জন সাধারণ সদস্যের বিপরীতে একটি সংরক্ষিত নারী আসন বণ্টন হচ্ছে। সে অনুযায়ী, বিএনপি জোট ৩৬টি, জামায়াত জোট ১৩টি এবং স্বতন্ত্ররা মিলে ১টি সংরক্ষিত আসন পাবে।

নারী আসনে বিএনপি থেকে মনোনীত ৩৬ প্রার্থীর নাম ঘোষণা

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:২১ অপরাহ্ণ
নারী আসনে বিএনপি থেকে মনোনীত ৩৬ প্রার্থীর নাম ঘোষণা

জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনীত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে বিএনপি। বিএনপির প্রেস উইং সূত্রে এসব নাম জানা গেছে।

তালিকায় আছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির স্বনির্ভরবিষয়ক সম্পাদক শিরীন সুলতানা, প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক রাশেদা বেগম, সহপ্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক রেহেনা আক্তার, ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য নিপুণ রায় চৌধুরী, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক বিলকিস ইসলাম, বিএনপি সাবেক হুইপ সৈয়দ ওয়াহিদুল আলমের মেয়ে শাকিলা ফারজানা, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা নেওয়াজ হালিমা আরলী, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহশিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক হেলেন জেরিন খান, বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য মাহমুদা হাবিবা, মায়ের ডাক-এর সমন্বয়ক সানজিদা ইসলাম, সহস্থানীয় সরকারবিষয়ক সম্পাদক শাম্মী আক্তার, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি যুগ্ম আহ্বায়ক ফেরদৌসী আহমেদ, প্রয়াত শফিউল বারীর স্ত্রী বীথিকা বিনতে হোসাইন, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মানসুরা আক্তারসহ অনেকে।

১৭ এপ্রিল সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার শুরু করে বিএনপি। মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেন দলটির মনোনয়ন বোর্ডের সদস্যরা। মনোনয়ন পেতে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাত শতাধিক আবেদন জমা পড়ে।

আগামী ১২ মে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন হবে। জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন ৫০টি। প্রতি ৬ জন সাধারণ সদস্যের বিপরীতে একটি সংরক্ষিত নারী আসন বণ্টন হবে। সে অনুযায়ী, বিএনপি জোট ৩৬টি, জামায়াত জোট ১৩টি এবং স্বতন্ত্ররা মিলে ১টি সংরক্ষিত আসন পাবে।

চট্টগ্রাম সিটি কলেজে গ্রাফিতি আঁকা নিয়ে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, আহত ১০ সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের ৮, এনসিপিসহ বাকিদের ৫ নারী আসনে বিএনপি থেকে মনোনীত ৩৬ প্রার্থীর নাম ঘোষণা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে দুর্নীতি করলে কেউ ২৪ ঘণ্টাও থাকতে পারবে না: শিক্ষামন্ত্রী এক মাসে দাম বাড়লো ২ বার, ১২ কেজি এলপিজি ১৯৪০ টাকা