খুঁজুন

বিশেষ পেমেন্ট স্কিমে টাকা ফেরত পাবেন একীভূত পাঁচ ব্যাংকের আমানতকারীরা

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১২:৫৭ অপরাহ্ণ
বিশেষ পেমেন্ট স্কিমে টাকা ফেরত পাবেন একীভূত পাঁচ ব্যাংকের আমানতকারীরা

একীভূত হতে চলা ৫টি ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীদের সুরক্ষায় একটি পেমেন্ট স্কিম প্রণয়ন করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই ব্যাংকগুলো একীভূত হয়ে একটি বৃহৎ একক সত্ত্বায় রূপ নেবে, যা সম্পদের দিক থেকে দেশের সবচেয়ে বড় ব্যাংক হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, পাঁচটি ব্যাংকের সম্মিলিত আমানত ১.৫২ লাখ কোটি টাকা, যার বিপরীতে তাদের প্রদত্ত ঋণ ছাড়িয়েছে ২ লাখ কোটি টাকা। আমানতের মধ্যে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ- যা প্রায় ৪৬ হাজার কোটি টাকা ব্যক্তি আমানতকারীদের, আর বাকি অংশ প্রাতিষ্ঠানিক আমানতকারীর।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আমানতের অর্থ ফেরত দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যক্তি আমানতকারীদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। তবে প্রাতিষ্ঠানিক আমানতকারীরা নগদ অর্থের পরিবর্তে নবগঠিত ব্যাংকের শেয়ার পেতে পারেন।

প্রস্তাবিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, ব্যক্তি আমানতকারীরা সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পর্যন্ত বীমাকৃত অর্থ পাবেন- যেমনটা আমানত আইনের এর খসড়া সংশোধনীতে প্রস্তাব করা হয়েছে এবং বর্তমানে এটি চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর অধীনে ব্যাংকের লাইসেন্স বাতিলের দুই মাসের মধ্যেই এই অর্থ পরিশোধ করতে হবে।

আর ২ লাখ টাকার বেশি আমানত ধাপে ধাপে ফেরত দেওয়া হবে, যদিও এ জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা চূড়ান্ত হয়নি। একীভূতকরণের মধ্যবর্তী সময়ে আমানতকারীরা ৪ শতাংশ হারে নির্দিষ্ট রিটার্ন পেতে পারেন, তবে সব বিদ্যমান আমানত স্কিম বাতিল হয়ে যাবে।

কোনো আমানতকারীর যদি পাঁচটি ব্যাংকেই একাধিক অ্যাকাউন্ট থাকে; তাহলে সেগুলো একটি হিসাব হিসেবে গণ্য হবে এবং মোট বীমার সীমা থাকবে ২ লাখ টাকা পর্যন্ত। এর অতিরিক্ত অর্থ ধাপে ধাপে ফেরত দেওয়ার পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত হবে।

অন্যদিকে, ঋণগ্রহীতাদের ক্ষেত্রে কোনো পরিবর্তন হবে না, কিস্তি নিয়মমতো পরিশোধ করতে হবে। আর খেলাপি হলে আগের নিয়মেই শাস্তি কার্যকর হবে।

তবে আমানতকারীদের জন্য পুরো ফেরত দেওয়ার পরিকল্পনা নির্ভর করছে আমানত সুরক্ষা আইনের এর খসড়া সংশোধনী চূড়ান্ত অনুমোদনের ওপর।

নতুন ব্যাংককে মূলধন সহায়তা:

সবশেষ তথ্য অনুযায়ী পাঁচ ব্যাংক একীভূত হওয়ার পর নতুন ব্যাংকের সম্পদ দাঁড়াবে প্রায় ২.২০ লাখ কোটি টাকা। এর পরিশোধিত মূলধন হবে ৩৫ হাজার কোটি টাকা- যার মধ্যে ২০ হাজার কোটি টাকা আসবে সরকারের কাছ থেকে, ১০ হাজার কোটি টাকা ডিপোজিট ইনসুরেন্স ফান্ড থেকে, আর ৫ হাজার কোটি টাকা আন্তর্জাতিক দাতাসংস্থা যেমন আইএমএফ, বিশ্বব্যাংক ও এডিবি থেকে পাওয়া যাবে। যদিও শেষ পর্যন্ত এই বৈদেশিক সহায়তাও পরিশোধ করতে হবে দেশের করদাতাদের অর্থেই।

একীভূত হতে যাওয়া ব্যাংকগুলো হলো:

ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক এবং এক্সিম ব্যাংক। এর মধ্যে চারটি ব্যাংক দীর্ঘদিন ধরে এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে ছিল, চট্টগ্রামভিত্তিক এই শিল্পগোষ্ঠী নানান পন্থায় বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান নিয়ন্ত্রণে নেওয়া ও জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে বিপুল ঋণের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ব্যাপক সমালোচিত।

বাংলাদেশ ব্যাংক ইতোমধ্যেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এই ব্যাংকগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এর জায়গায় প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হবে। তারা পুরো একীভূতকরণ প্রক্রিয়ার সময় কার্যক্রম পরিচালনা করবেন, আর বোর্ড নিষ্ক্রিয় থাকবে।

সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের ভবিষ্যৎ কী?

একীভূত হতে যাওয়া পাঁচটি ব্যাংকই ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) তালিকাভুক্ত, তবে একীভূত হওয়ার পর সেগুলো ডিলিস্ট করা হবে।

ব্যাংক কোম্পানি আইনে বলা আছে, অবসায়ন বা একীভূতকরণের ক্ষেত্রে সাধারণ শেয়ারহোল্ডাররা কোনো ক্ষতিপূরণ পাওয়ার অধিকারী নন। তবে অর্থ মন্ত্রণালয়ের পরামর্শে বাংলাদেশ ব্যাংক তাদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়ে ভাবছে বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একজন জ্যেষ্ঠ নির্বাহী টিবিএসকে জানান।

ডিলিস্টিং প্রক্রিয়া ও সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের সম্ভাব্য ক্ষতিপূরণ নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বৈঠক করবে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)-এর সঙ্গে। ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ অনুযায়ী, এই পাঁচ ব্যাংকের লাইসেন্স বাতিল হবে, আর একীভূত নবগঠিত ব্যাংকের জন্য নতুন লাইসেন্স দেওয়া হবে।

তবে সাধারণ শেয়ারহোল্ডাররা ইতোমধ্যেই বড় ক্ষতির মুখে পড়েছেন। কারণ পাঁচ ব্যাংকের শেয়ারের দাম ১০ টাকা ফেইস ভ্যালুর বিপরীতে ৫ টাকারও নিচে নেমে গেছে।
ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, এ বছরের আগস্ট পর্যন্ত ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকে পাবলিক শেয়ারহোল্ডিং ছিল ৬৫ শতাংশ, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকে ৩১.৪৬ শতাংশ, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকে ১৮ শতাংশ, এক্সিম ব্যাংকে ৩৯.২৮ শতাংশ এবং ইউনিয়ন ব্যাংকে ৩১ শতাংশ।

এই ব্যাংকগুলোর ক্ষতির প্রভাব গোটা ব্যাংক খাতের বিনিয়োগকারীদের মনোভাবেও পড়েছে। তালিকাভুক্ত ৩৬টি ব্যাংকের মধ্যে মাত্র ডজনখানেক ব্যাংকের শেয়ার এখন তাদের ১০ টাকা ফেইস ভ্যালুর উপরে লেনদেন হচ্ছে।

সবচেয়ে লাভজনক বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক ব্র্যাক ব্যাংকের শেয়ারের দাম সবচেয়ে বেশি ৭০ টাকার উপরে। তাছাড়া এমনকি শক্তিশালী পারফর্মার সিটি ব্যাংকের শেয়ারও সংগ্রাম করছে।

২০২৪ সালে ১,০০০ কোটি টাকার মুনাফা অর্জন করলেও সিটি ব্যাংকের শেয়ারদর ২৫ টাকায় আটকে আছে, যা বর্তমানে ব্যাংকখাতে বিনিয়োগকারীদের আস্থার ঘাটতি তুলে ধরছে।

ব্যাংক প্রশাসকদের ভূমিকা:

ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ অনুযায়ী, বাংলাদেশ ব্যাংক সরাসরি কিংবা নিযুক্ত প্রশাসকদের মাধ্যমে প্রম্পট কারেকটিভ অ্যাকশন ফ্রেমওয়ার্কের আওতায় তার ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।

প্রশাসকরা ব্যাংকগুলোর আর্থিক স্বাস্থ্য মূল্যায়ন করবেন, স্থিতিশীলতা রক্ষা করবেন এবং অন্তর্বর্তী সময়ে সঠিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করবেন। প্রয়োজনে তারা গুরুত্বপূর্ণ নির্বাহীদের বদলাতে পারবেন এবং চেয়ারম্যান বা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।

তাদের নিয়োগের ঘোষণা অন্তত দুটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশ করতে হবে, এবং বাংলাদেশ ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের ওয়েবসাইটেও দিতে হবে।

ইসলামী ব্যাংকের ক্ষেত্রে প্রশাসকদের শরীয়াহ-ভিত্তিক ফাইন্যান্সের বিষয়ে দক্ষ হতে হবে, অথবা এধরনের বিশেষজ্ঞ কর্মী নিয়োগের অনুমোদন থাকতে হবে, যাতে সঠিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত হয়।

‘কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৩০ অপরাহ্ণ
‘কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু

‘আমি বেঁচে থাকতে কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’-নির্বাচনী মাঠে এমন দৃঢ় প্রত্যয়ের কথা বলার কয়েক ঘণ্টা পরই চিরতরে নির্বাচনী মাঠ ছাড়লেন কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম খোকন।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়ে দিনভর গণসংযোগ করার পর রাতেই না ফেরার দেশে চলে যান তিনি।

তিনি চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এবং কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ছিলেন। গত কয়েক মাস ধরে শুহিলপুর ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ভোটার ও সমর্থকদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছিলেন তিনি।

জানা যায়, এদিন নিজের ইউনিয়ন শুহিলপুরে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার লক্ষে হাজারো নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে গণসংযোগ করেন বিএনপির এ নেতা। চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে দিনভর নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে নির্বাচনী শোডাউন করেছিলেন তিনি। সন্ধ্যায় পথসভায়ও দিয়েছিলেন জয়ের প্রত্যয়ী বক্তব্য।

দিনভর প্রচারণা শেষে গতকাল সন্ধ্যায় শালিখা বাজারে আয়োজিত পথসভায় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বক্তব্য দেন খোকন।

পথসভায় বিএনপি নেতা বলেন, আপনারা কি চান, শাওন সাহেব (বর্তমান এমপি) আমাকে দলীয় প্রার্থী করুক? তাহলে নিশ্চিত থাকেন, শাওন সাহেব এই ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আমাকে প্রার্থী ঘোষণা করবেন।

তার বক্তব্যে ছিল নির্বাচনে জয়ের প্রত্যয়, ছিল ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা পরিকল্পনা। নেতা-কর্মীদের মধ্যেও ছিল উৎসাহ-উদ্দীপনা। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানেই যেন বদলে গেল সবকিছু।

সারাদিনের নির্বাচনী কর্মসূচি শেষে রাতে বাড়ি ফিরে খাবার খান সাইফুল ইসলাম খোকন। এরপর ঘুমাতে যাওয়ার প্রস্তুতিকালে রাত আনুমানিক ১২টার দিকে হঠাৎ বুকে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করেন তিনি। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে ইলিয়টগঞ্জ বাজারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে পরে দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর বাজারের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে সেখানে তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন মেঝ ছেলে সাঈদ।

মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেও যে মানুষটি নেতা-কর্মীদের সামনে দাঁড়িয়ে নির্বাচনে নিজের প্রার্থিতার কথা বলছিলেন, রাত না পেরোতেই সেই মানুষটিই চলে গেলেন না ফেরার দেশে। থেমে গেল তার রাজনৈতিক পথচলা। থেমে গেল চেয়ারম্যান হওয়ার স্বপ্ন। নির্বাচনী মাঠ থেকে সরে গেলেন ঠিকই তবে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বীর কাছে পরাজিত হয়ে নয়, চিরদিনের জন্য।

সাইফুল ইসলাম খোকনের আকস্মিক মৃত্যুতে শুহিলপুর ইউনিয়নসহ পুরো চান্দিনার রাজনৈতিক অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজন, রাজনৈতিক সহকর্মী, নেতা-কর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে বিরাজ করছে গভীর শোক ও বেদনা।

জানা যায়, আজ সকাল ১১টায় ইলিয়টগঞ্জ রা.বি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার নামাজে জানাজে শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

এদিকে জানাজা নামাজের আগে কুমিল্লা-৭ আসনের সংসদ সদস্য উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আতিকুল আলম শাওন বলেন, সাইফুল ইসলাম খোকন আমার মরহুম পিতার সময়কাল থেকে বিএনপি’র রাজনীতি করেছেন। আমার কয়েকজন অভিভাবকদের মধ্যে তিনিও ছিলেন একজন। তার এই মৃত্যুতে শুহিলপুর ইউনিয়নসহ উপজেলা বিএনপিতে শূন্যতা সৃষ্টি হবে।

‘ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৩ অপরাহ্ণ
‘ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি

‘তুমি এখনো ভালো হওনি, ভালো হয়ে যাও মাসুদ’- সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের এমন মন্তব্যের পর দেশজুড়ে পরিচিতি পাওয়া বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) কর্মকর্তা মো. মাসুদ আলমকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় বদলি করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংস্থাটির আরও কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার দায়িত্বেও রদবদল আনা হয়েছে।

গত ৩১ আগস্ট বিআরটিএ চেয়ারম্যানের কার্যালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ বদলি ও পদায়নের বিষয়টি জানানো হয়। আদেশে উল্লেখ করা হয়, জনস্বার্থে নেওয়া এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে।

অফিস আদেশ অনুযায়ী, বিআরটিএ চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) মো. মাসুদ আলমকে ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

অন্যদিকে ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) শফিকুজ্জামান ভূঞাকে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের একই পদে বদলি করা হয়েছে। ফলে মাসুদ আলমের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন তিনি।

উল্লেখ্য, বিআরটিএর সেবা ও অনিয়ম নিয়ে এক পরিদর্শনকালে কর্মকর্তা মাসুদ আলমকে উদ্দেশ করে ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, ‘তুমি এখনো ভালো হওনি, ভালো হয়ে যাও মাসুদ।’ তার সেই বক্তব্য দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং মাসুদ আলমকে ঘিরে আলোচনা তৈরি হয়।

বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

মোঃ রেজাউল করিম, সিনিয়র রিপোর্টার:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৪ অপরাহ্ণ
বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকালে উপজেলার মুকুন্দগাঁতী ও ক্ষিদ্রমাটিয়া গ্রামের উদ্যোগে ও ঢাকা ব্যাংক পি এল সি অর্থায়নে ক্ষিদ্রমাটিয়া গ্রামের যমুনা নদীর শাখায় তিন দিনব্যাপী এই মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য আমিরুল ইসলাম খাঁন আলীম। 

বাইচ কমিটির সভাপতি আলতাফ হোসেনের সভাপতিত্বে আরোও উপস্থিত ছিলেন, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিষ্টার শাহানাজ প্রধান, সহকারী পুলিশ সুপার বেলকুচি সার্কেল শহিদুল ইসলাম, বেলকুচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোক্তারুজ্জামান, বেলকুচি কলেজের অধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা বিএনপির সদস্য গোলাম আজম, উপজেলার বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক মন্ডলসহ স্থানীয় গনমান্য ব্যক্তিবর্গ। 

সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পানসি ১৮ টা ও ১২ টা কোষা নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করেন। আগামী ৬ সেপ্টেম্বর রবিবার বাইচ প্রতিযোগিতার চুড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হবে।

'কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু 'ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন বিশ্বের সর্বোচ্চ খেলাপি ঋণের দেশ এখন বাংলাদেশ যতবারই নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়েছে ততবারই বিএনপি জিতেছে: মন্ত্রী দুলু