খুঁজুন

সনদ সই অনুষ্ঠানে যারা গিয়েছে তারা জনগণ থেকে ছিটকে গেছে: নাহিদ ইসলাম

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৫, ৪:১৩ অপরাহ্ণ
সনদ সই অনুষ্ঠানে যারা গিয়েছে তারা জনগণ থেকে ছিটকে গেছে: নাহিদ ইসলাম

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, যেই দলগুলো জুলাই সনদে সই করেছে তাদের ভিন্ন দাবি আছে, তাদের সঙ্গে আমাদের কোনো ধরনের সম্পর্ক নেই এবং দাবিরও মিল নেই। যারা গতকালকের অনুষ্ঠানে গিয়েছিল, যেই প্রক্রিয়ায় সই দিয়েছে, গণঅভ্যুত্থান এবং জনগণ থেকে তারা ছিটকে গেছে। ফলে আমরা চাই তারা জনগণের কাছে আসুক।

শনিবার (১৮ অক্টোবর) বাংলা মোটরে এনসিপি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

নাহিদ ইসলাম বলেন, জুলাই সনদে সই কেবলই আনুষ্ঠানিকতা। এটা আমরা আগেও বলেছি, যদি এর কোনও আইনি ভিত্তি না, তবে হয় এর কোনও অর্থ তৈরি হবে না। ফলে আমরা এই আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নেইনি। যদি এর আইনি ভিত্তি তৈরি না হয় এটা কেবল আর আনুষ্ঠানিকতা থাকবে না এটি একটি গণপ্রতারণা এবং জাতির সঙ্গে একটি প্রহসন হবে। বাংলাদেশের ইতিহাস থেকে এই অভিজ্ঞতা আমরা দেখেছি। ৯০-এর গণঅভ্যুত্থানের পরেও তিন দলের জোটের যে রূপরেখা মনে আছে সেই রাজনৈতিক সমঝোতা কিন্তু রক্ষা করা হয়নি। ফলে ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ে যেই দলগুলো আমাদের সঙ্গে ছিলেন তাদের প্রতি বিশ্বাস-অবিশ্বাসের প্রশ্ন নয়, বরং সংবিধানের মতো একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যদি আমরা পরিবর্তন করতে চাই তার অবশ্যই একটি আইনি ভিত্তি প্রয়োজন।

তিনি বলেন, এই ৭২-এর সংবিধান যাতে পরিবর্তন না হয় পুরানো ফ্যাসিস্ট কাঠামো যাতে থেকে যায়, তার জন্য নানা অপচেষ্টা দেশের ভেতর এবং বাইরে থেকে করা হচ্ছে। কারণ বিগত ফ্যাসিস্ট কাঠামোর সুবিধাভোগী আছে নানা জায়গায়। ফলে তাদের জায়গা থেকে চাপ অবশ্যই আছে এবং আমরা মনে করি কিছু কিছু রাজনৈতিক দলও আপোষ করেছে। সেই ফ্যাসিস্ট কাঠামো টিকিয়ে রাখতে, অক্ষুণ্ন রাখতে চেষ্টা করেছে নানাভাবে। কিন্তু এনসিপি ও আরও কিছু রাজনৈতিক দল অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া ছাত্র-জনতার চাপেই কিন্তু এই সরকার কমিশন গঠন, ঐকমত্য কমিশন গঠন, সংস্কার প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা এবং জুলাই সনদ নিয়ে এতদূর এসেছে।

এনসিপির এই নেতা বলেন, ৯০-এর পুনরাবৃত্তি বাংলাদেশে দেখতে চাই না। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় আমাদের এই উপলব্ধি ছিল যে আমাদের এই লড়াই শেখ হাসিনা কিংবা আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে নয় একটা ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিরুদ্ধে। ফলে রাজনৈতিক নেতৃত্ব পরিবর্তন হলেই বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সমস্যার সমাধান হবে না বরং এই সংস্কারের মধ্য দিয়েই যেতে হবে। দ্বিতীয়ত ৯০-এর গণঅভ্যুত্থানের পরে যে প্রতারণা করা হয়েছিল, গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাকে, জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে যেভাবে জাতীয় নেতারা এবং সেই সময়ের রাজনৈতিক নেতারা যেভাবে পকেটবন্দি করেছিল আমরা এবার সেটা হতে দেবো না।

জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক বলেন, সরকার এটাকে আইনি ভিত্তি দেয়নি, অনেক রাজনৈতিক দল এগুলো নিয়ে বলেছে, অনেকে বলে নাই, তারা সই করেছে এটা নিয়ে আমাদের আপত্তি নাই। কিন্তু এখন আমরা বলছি এখন এটার আইনি ভিত্তি দিতে হবে। আইনি ভিত্তির মাধ্যমে এটি অর্থবহ হবে। এছাড়া এর কোনও অর্থ থাকবে না। ফলে সরকার, রাজনৈতিক দল ও জনগণের প্রতি আমাদের এই আহ্বান থাকবে। গতকাল সেখানে জুলাইযোদ্ধা, শহিদ পরিবারদের কীভাবে অবমাননা করা হয়েছে। জনগণের আকাঙ্ক্ষার কোনও প্রতিফলন গতকালকের অনুষ্ঠানে হয়েছে বলে আমরা মনে করি না। ড. মুহাম্মদ ইউনূস যখন একটি আদেশ জারির মাধ্যমে এর আইনি ভিত্তি তৈরি করবে এবং সেই ভিত্তি অনুসারে গণভোট এবং পরবর্তী নির্বাচিত সংসদ এবং গণপরিষদ একটি নতুন সংবিধান তৈরি করবে।

নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, কেউ ছবিতে আসলো কী আসলো না সেটা নিয়ে আমাদের মাথা ব্যথা নেই। গণঅভ্যুত্থানের পর আমরা দায়িত্ব প্রফেসর ইউনূসকে দিয়েছিলাম এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলাম ছাত্র-জনতা তাদের দায়িত্ব পালন করেছে, আপনারা আপনাদের দায়িত্ব পালন করুন। একটা নতুন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ আমাদের উপহার দিন, সাংবিধানিক ও অর্থনৈতিক সংস্কার করুন। জাতীয় সরকার গঠনের মাধ্যমে দেশকে নেতৃত্ব দিন। তারা আমাদের সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছেন। ফিরিয়ে দিয়েছিলেন বলেই আমাদের সরকারে প্রবেশ করতে হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক দল গঠন করতে হয়েছে। ফলে যেই নতুন বাংলাদেশের কথা আমরা বলছি সেই বাংলাদেশ কোন প্রক্রিয়ায় তৈরি হওয়া আসলেই সম্ভব—সেই জায়গায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করা। সেখানে যেকোনও রাজনৈতিক দল, সরকার যদি এগিয়ে আসে আমরা তাদের সমর্থন জানাবো, আমরা তাদের সঙ্গে থাকবো। কিন্তু কেউই যদি না থাকে আমরা এককভাবে আমাদের এই লড়াই চালিয়ে যাবো।

এক প্রশ্নের জবাবে নাহিদ ইসলাম বলেন, গতকাল বেশিরভাগ দল সই অনুষ্ঠানে গেল। তারা সরকারের আমন্ত্রণে গেছেন। কিন্তু পুরো ঐকমত্য কমিশনের আলোচনা জুড়ে সংস্কারের সঙ্গে অনেকগুলো দল আমাদের সঙ্গে দৃঢ় অবস্থান জানিয়েছে। আইনি ভিত্তির কথা কিন্তু গতকাল সইয়ের পরেও বলেছেন। ফলে আমরা মনে করি আমাদের ঐক্যটা আছে।

তিনি আরও বলেন, বিদ্যমান সংবিধানের অধীনে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের সাংবিধানিক এখতিয়ার বৈধতা বর্তমান রাষ্ট্রপতির নেয়। সাংবিধানিক আদেশ জারি করতে হলে তার বৈধতা নিতে হবে জুলাই গণঅভ্যুত্থান থেকে—যেখানে জনগণের সার্বভৌম অভিপ্রায়ের প্রতিফলন ঘটেছিল। ফলে জুলাই গণভ্যুত্থানের অভিপ্রায় বর্তমান রাষ্ট্রপতি ধারণ করতে পারেন না। তার কাছ থেকে এই আদেশ জারি হলে রাজনৈতিকভাবে জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না। কারণ রাষ্ট্রপতি চুপ্পু সাহেব জুলাই গণঅভ্যুত্থানের কোনও প্রতীক নন। বরং প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস ছাত্র-জনতার আহ্বানে সেই সময়ে বাংলাদেশে এসেছেন, দায়িত্ব নিয়েছেন এবং ছাত্র-জনতার অভিপ্রায় সবকিছু তার কাছে অর্পণ করা হয়েছে। ফলে আমরা বলছি‌ সাংবিধানিক আদেশ যেহেতু বিদ্যমান সংবিধানের ভেতর থেকে দিতে পারবেন না, ফলে তার বাইরে থেকেই দিতে হবে। সেক্ষেত্রে বৈধতার একমাত্র উৎস হচ্ছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান এবং সেটা একমাত্র জারি করতে পারবেন সরকার প্রধান হিসেবে ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ফলে তার ওপর দাঁড়িয়ে সনদ আইনি ভিত্তি পাবে।

‘কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৩০ অপরাহ্ণ
‘কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু

‘আমি বেঁচে থাকতে কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’-নির্বাচনী মাঠে এমন দৃঢ় প্রত্যয়ের কথা বলার কয়েক ঘণ্টা পরই চিরতরে নির্বাচনী মাঠ ছাড়লেন কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম খোকন।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়ে দিনভর গণসংযোগ করার পর রাতেই না ফেরার দেশে চলে যান তিনি।

তিনি চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এবং কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ছিলেন। গত কয়েক মাস ধরে শুহিলপুর ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ভোটার ও সমর্থকদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছিলেন তিনি।

জানা যায়, এদিন নিজের ইউনিয়ন শুহিলপুরে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার লক্ষে হাজারো নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে গণসংযোগ করেন বিএনপির এ নেতা। চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে দিনভর নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে নির্বাচনী শোডাউন করেছিলেন তিনি। সন্ধ্যায় পথসভায়ও দিয়েছিলেন জয়ের প্রত্যয়ী বক্তব্য।

দিনভর প্রচারণা শেষে গতকাল সন্ধ্যায় শালিখা বাজারে আয়োজিত পথসভায় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বক্তব্য দেন খোকন।

পথসভায় বিএনপি নেতা বলেন, আপনারা কি চান, শাওন সাহেব (বর্তমান এমপি) আমাকে দলীয় প্রার্থী করুক? তাহলে নিশ্চিত থাকেন, শাওন সাহেব এই ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আমাকে প্রার্থী ঘোষণা করবেন।

তার বক্তব্যে ছিল নির্বাচনে জয়ের প্রত্যয়, ছিল ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা পরিকল্পনা। নেতা-কর্মীদের মধ্যেও ছিল উৎসাহ-উদ্দীপনা। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানেই যেন বদলে গেল সবকিছু।

সারাদিনের নির্বাচনী কর্মসূচি শেষে রাতে বাড়ি ফিরে খাবার খান সাইফুল ইসলাম খোকন। এরপর ঘুমাতে যাওয়ার প্রস্তুতিকালে রাত আনুমানিক ১২টার দিকে হঠাৎ বুকে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করেন তিনি। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে ইলিয়টগঞ্জ বাজারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে পরে দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর বাজারের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে সেখানে তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন মেঝ ছেলে সাঈদ।

মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেও যে মানুষটি নেতা-কর্মীদের সামনে দাঁড়িয়ে নির্বাচনে নিজের প্রার্থিতার কথা বলছিলেন, রাত না পেরোতেই সেই মানুষটিই চলে গেলেন না ফেরার দেশে। থেমে গেল তার রাজনৈতিক পথচলা। থেমে গেল চেয়ারম্যান হওয়ার স্বপ্ন। নির্বাচনী মাঠ থেকে সরে গেলেন ঠিকই তবে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বীর কাছে পরাজিত হয়ে নয়, চিরদিনের জন্য।

সাইফুল ইসলাম খোকনের আকস্মিক মৃত্যুতে শুহিলপুর ইউনিয়নসহ পুরো চান্দিনার রাজনৈতিক অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজন, রাজনৈতিক সহকর্মী, নেতা-কর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে বিরাজ করছে গভীর শোক ও বেদনা।

জানা যায়, আজ সকাল ১১টায় ইলিয়টগঞ্জ রা.বি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার নামাজে জানাজে শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

এদিকে জানাজা নামাজের আগে কুমিল্লা-৭ আসনের সংসদ সদস্য উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আতিকুল আলম শাওন বলেন, সাইফুল ইসলাম খোকন আমার মরহুম পিতার সময়কাল থেকে বিএনপি’র রাজনীতি করেছেন। আমার কয়েকজন অভিভাবকদের মধ্যে তিনিও ছিলেন একজন। তার এই মৃত্যুতে শুহিলপুর ইউনিয়নসহ উপজেলা বিএনপিতে শূন্যতা সৃষ্টি হবে।

‘ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৩ অপরাহ্ণ
‘ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি

‘তুমি এখনো ভালো হওনি, ভালো হয়ে যাও মাসুদ’- সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের এমন মন্তব্যের পর দেশজুড়ে পরিচিতি পাওয়া বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) কর্মকর্তা মো. মাসুদ আলমকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় বদলি করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংস্থাটির আরও কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার দায়িত্বেও রদবদল আনা হয়েছে।

গত ৩১ আগস্ট বিআরটিএ চেয়ারম্যানের কার্যালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ বদলি ও পদায়নের বিষয়টি জানানো হয়। আদেশে উল্লেখ করা হয়, জনস্বার্থে নেওয়া এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে।

অফিস আদেশ অনুযায়ী, বিআরটিএ চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) মো. মাসুদ আলমকে ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

অন্যদিকে ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) শফিকুজ্জামান ভূঞাকে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের একই পদে বদলি করা হয়েছে। ফলে মাসুদ আলমের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন তিনি।

উল্লেখ্য, বিআরটিএর সেবা ও অনিয়ম নিয়ে এক পরিদর্শনকালে কর্মকর্তা মাসুদ আলমকে উদ্দেশ করে ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, ‘তুমি এখনো ভালো হওনি, ভালো হয়ে যাও মাসুদ।’ তার সেই বক্তব্য দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং মাসুদ আলমকে ঘিরে আলোচনা তৈরি হয়।

বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

মোঃ রেজাউল করিম, সিনিয়র রিপোর্টার:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৪ অপরাহ্ণ
বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকালে উপজেলার মুকুন্দগাঁতী ও ক্ষিদ্রমাটিয়া গ্রামের উদ্যোগে ও ঢাকা ব্যাংক পি এল সি অর্থায়নে ক্ষিদ্রমাটিয়া গ্রামের যমুনা নদীর শাখায় তিন দিনব্যাপী এই মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য আমিরুল ইসলাম খাঁন আলীম। 

বাইচ কমিটির সভাপতি আলতাফ হোসেনের সভাপতিত্বে আরোও উপস্থিত ছিলেন, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিষ্টার শাহানাজ প্রধান, সহকারী পুলিশ সুপার বেলকুচি সার্কেল শহিদুল ইসলাম, বেলকুচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোক্তারুজ্জামান, বেলকুচি কলেজের অধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা বিএনপির সদস্য গোলাম আজম, উপজেলার বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক মন্ডলসহ স্থানীয় গনমান্য ব্যক্তিবর্গ। 

সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পানসি ১৮ টা ও ১২ টা কোষা নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করেন। আগামী ৬ সেপ্টেম্বর রবিবার বাইচ প্রতিযোগিতার চুড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হবে।

'কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু 'ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন বিশ্বের সর্বোচ্চ খেলাপি ঋণের দেশ এখন বাংলাদেশ যতবারই নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়েছে ততবারই বিএনপি জিতেছে: মন্ত্রী দুলু