খুঁজুন
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২৬, ২ মাঘ, ১৪৩২

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সাফল্যে প্রধান উপদেষ্টার অভিনন্দন

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:৪১ অপরাহ্ণ
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সাফল্যে প্রধান উপদেষ্টার অভিনন্দন

সাফল্যের সাথে ক্রিয়াশীল সকল রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বিরামহীন বৈঠক ও ঐকমত্যে পৌঁছে জুলাই জাতীয় সনদ তৈরি ও বাস্তবায়নের রূপরেখা নির্ধারণ করায় জাতীয় ঐক্যমত্য কমিশনের সদস্যদের অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।

বাংলাদেশে একটি স্থায়ী জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রের ভিত্তি স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঠামোগত সংস্কারের লক্ষ্যে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসকে সভাপতি করে ঐকমত্য কমিশনের যাত্রা শুরু হয় চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি; মেয়াদ শেষ হয় গতকাল (৩১ অক্টোবর)।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘জুলাই জাতীয় সনদ আমাদের ঐতিহাসিক অর্জন। এই সনদ আমাদের জাতির এক মূল্যবান দলিল, যা আমাদের আগামী জাতীয় নির্বাচনের পথকে কেবল সুগমই করবে না, জাতীয় রাজনীতির ভবিষ্যৎ পথনির্দেশক হিসেবে কাজ করবে এবং আমাদের গণতন্ত্রকে সুসংহত করবে।’

প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘জনগণ প্রত্যাশায় আছে জাতীয় জীবনে এমন কিছু পরিবর্তন দেখার জন্য, যা বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির বিকাশ ঘটাবে, এমন কিছু পরিবর্তন যা এদেশে আর কখনো কোনো স্বৈরাচারের আগমন ঘটতে দেবে না, এমন কিছু পরিবর্তন যা আমাদের জাতীয় জীবনে সামগ্রিক উন্নয়ন ঘটাবে, সবার নাগরিক অধিকার ও মর্যাদা রক্ষা করবে।’

‘সবচেয়ে আশার কথা হচ্ছে, আমরা নিজেরাই এই সংস্কার প্রক্রিয়াগুলো নিয়ে কাজ করেছি, একমত হয়েছি। বাইরের কেউ আমাদের ওপর কোনো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেয়নি। অতীতে বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশে যে সমস্ত রাজনৈতিক সংলাপ হয়েছে তাতে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে আমরা বিদেশিদের আসতে দেখেছি। বন্ধু রাষ্ট্রসহ জাতিসংঘের প্রতিনিধিবৃন্দ বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোকে এক টেবিলে আনার চেষ্টা করেছেন। তবে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলো একমত হয়েছে যে আমাদের নিজেদের সংকট নিজেদেরই সমাধান করতে হবে। এই কারণেই সকল রাজনৈতিক দল এক কাতারে এসেছে, রাজনৈতিক বিতর্কে অংশ নিয়েছে এবং আমাদেরকে সমাধানের পথ দেখিয়েছে। বিশ্ববাসীকে বাংলাদেশে রাজনৈতিক সংকট সমাধানে আমন্ত্রণ জানানোর পরিবর্তে আমরা নিজেরাই বিশ্ববাসীর দরবারে আমাদের জাতীয় ঐক্যকে তুলে ধরেছি।’

প্রধান উপদেষ্টা বাংলাদেশের সকল রাজনৈতিক দলকে এবং তাদের নেতৃবৃন্দকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, “রাজনৈতিক দলের নেতারা যারা এই সনদ তৈরিতে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন, অসম্ভবকে সম্ভব করেছেন তাদের সকলকে আমি জাতির পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা জানাই।

এই জুলাই সনদ সারাবিশ্বের জন্যই একটি অনন্য দৃষ্টান্ত উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “পৃথিবীর আর কোথাও এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। এটা পৃথিবীর রাজনৈতিক ইতিহাসে এক উজ্জ্বল ঘটনা হয়ে থাকবে। পৃথিবীর অন্যান্য দেশও সংকটকালীন সময়ে দেশগঠনের পদক্ষেপ হিসেবে ‘ঐকমত্য কমিশন’ গঠনের কথা বিবেচনা করবে।”

প্রধান উপদেষ্টা জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ, সদস্য ড. বদিউল আলম মজুমদার, ড. ইফতেখারুজ্জামান, সফর রাজ হোসেন, বিচারপতি এমদাদুল হক ও ড. মোহাম্মদ আইয়ুব মিয়া এবং বিশেষ সহকারী মনির হায়দারকে ধন্যবাদ জানান। এর পাশাপাশি, গণমাধ্যমের প্রতিনিধিবৃন্দ যারা মাসের পর মাস এই দীর্ঘ আলোচনার সঙ্গে থেকেছেন, ঐকমত্য কমিশনের সকল কার্যকলাপ মানুষের কাছে সহজ ভাষায় পৌঁছে দিয়েছেন তাঁদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান প্রধান উপদেষ্টা।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “আমাদের সকলের মনে রাখতে হবে, যে অভূতপূর্ব ঐক্য আমাদের মাঝে রয়েছে রাষ্ট্র সংস্কারে এই জাতীয় ঐক্য আমাদের ধরে রাখতেই হবে। কারণ ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠী এ জাতিকে বিভক্ত করতে সর্বশক্তি নিয়োজিত করেছে। গত ১৫ মাস আমরা তাদের নানা ষড়যন্ত্র ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবেলা করেছি। ফ্যাসিবাদকে পরাস্ত করতে হলে, এই দেশকে বাঁচাতে হলে জাতীয় ঐক্য ধরে রাখা ছাড়া আর কোনো বিকল্প নাই।”

“এ দেশের ভবিষ্যৎ নির্মাণে আমাদের সামনে মহা চ্যালেঞ্জ আছে” উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা কোনো একক ব্যক্তি, একক সংগঠন, একক সংস্থা অথবা একক সরকার দিয়ে সম্ভব হবে না; এজন্য সকল রাজনৈতিক দল ও পক্ষের মধ্যে একতা থাকতে হবে, যত প্রতিকূলতাই আসুক না কেন ঐক্য ধরে রাখতে হবে।”

উত্তরায় সাততলা ভবনে আগুন, ৩ জনের মৃত্যু

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:১৭ অপরাহ্ণ
উত্তরায় সাততলা ভবনে আগুন, ৩ জনের মৃত্যু

রাজধানীর উত্তরায় একটি ৭ তলা ভবনের দ্বিতীয় তলার এক বাসায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। এতে তিনজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে ২জন নারী ও ১ জন পুরুষ। এ ঘটনায় ১৩ জন আহত হয়েছে।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকালে এ ঘটনা ঘটে বলে জানান ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম।

তিনি জানান, শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে উত্তরার ১১ সেক্টরের ১৮ নম্বর সড়ক এলাকায় অগ্নিকাণ্ড ঘটে। সকাল ৭টা ৫৪ মিনিটে খবর পেয়ে একই সময়ে উত্তর ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয়। ফায়ার সার্ভিসের ইউনিটগুলো সকাল ৭টা ৫৮ মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।

প্রায় আধা ঘণ্টার চেষ্টায় সকাল ৮টা ২৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। পরে সকাল ১০টার দিকে আগুন সম্পূর্ণভাবে নির্বাপণ করা হয়।

ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা আরো বলেন, অগ্নিকাণ্ডে ওই বাসার ভেতরে থাকা ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে তাদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। এ ঘটনায় ১৩ জনকে উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস। তাদেরকে কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও নির্ধারণ করা যায়নি। ফায়ার সার্ভিস ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি তদন্ত করছে বলেও জানান তিনি।

বিসিএস প্রশ্নফাঁসের সেই আবেদ আলী রিমান্ডে

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:৩২ অপরাহ্ণ
বিসিএস প্রশ্নফাঁসের সেই আবেদ আলী রিমান্ডে

জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় সরকারী কর্ম কমিশনের (পিএসসি) অবসরপ্রাপ্ত গাড়ি চালক ও প্রশ্নফাঁসে জড়িত সৈয়দ আবেদ আলী জীবনের তিন দিনের রিমান্ডে মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ঢাকার মহানগর দায়রা জজ মো. সাব্বির ফয়েজ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

এদিন কারাগারে থেকে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর দুদকের সহকারী পরিচালক আল আমিন তার সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। এসময় আসামিপক্ষের আইনজীবী রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে আবেদন করেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়, জ্ঞাত আয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধান শেষে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আইন ও মানি লন্ডারিং আইনে আসামি সৈয়দ আবেদ আলী জীবনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তার সঙ্গে বিভিন্ন ব্যক্তির অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক ব্যাংকিং লেনদেন পাওয়া যায়। তার মধ্যে মো। জাকারিয়া রহমানসহ একাধিক সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারী জড়িত আছেন মর্মে তথ্য পাওয়া যায়।

আসামি সৈয়দ আবেদ আলী বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশনের (পিএসসি) একজন গাড়িচালক (অবসরপ্রাপ্ত) হয়েও তিনি সংঘবদ্ধ প্রশ্ন ফাঁস চক্রের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। অনেক সরকারী কর্মকর্তার সঙ্গে তার যোগাযোগ ছিল এবং অনৈতিকভাবে চাকুরি পেয়েছেন মর্মে বিশ্বস্থসূত্রে জানা যায়।

আসামি সৈয়দ আবেদ আলী ওরফে জীবনের কাছে থেকে মামলার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উপাত্ত পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে প্রকৃত তথ্য ও উপাত্ত সংগ্রহের জন্য আসামিকে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা একান্ত প্রয়োজন।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:২৯ অপরাহ্ণ
২
উত্তরায় সাততলা ভবনে আগুন, ৩ জনের মৃত্যু বিসিএস প্রশ্নফাঁসের সেই আবেদ আলী রিমান্ডে নির্বাচনী ঐক্য: জামায়াত লড়বে ১৭৯টিতে, সমঝোতা ২৫৩ আসনে বেলকুচিতে রাজস্ব তহবিল হতে প্রতিবন্ধী, নারী ও যুবদের মাঝে সহায়তা সামগ্রী ও সনদ বিতরণ