খুঁজুন
শনিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ২১ অগ্রহায়ণ, ১৪৩২

নতুন খসড়ায় ব্যাংক-বহির্ভূত প্রতিষ্ঠান ই-মানি ইস্যু করতে পারবে

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৫, ১:৪৮ অপরাহ্ণ
নতুন খসড়ায় ব্যাংক-বহির্ভূত প্রতিষ্ঠান ই-মানি ইস্যু করতে পারবে

সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক একটি খসড়া প্রবিধান প্রকাশ করেছে, যার ফলে ব্যাংক-বহির্ভূত দেশি ও বিদেশি কোম্পানিগুলো পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার (পিএসপি) বা মোবাইল ফাইনান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রোভাইডার হিসেবে কাজ করার লাইসেন্স পেতে পারবে।

এরইমধ্যে ‘রেগুলেশনস ফর ই-মানি ইস্যুয়ারস ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক খসড়াটি জনসাধারণের মতামতের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। এই বিধামালার মাধ্যমে মোবাইল ও অনলাইন আর্থিক সেবায় দীর্ঘদিনের ব্যাংক-নির্ভর যে মডেল প্রচলিত ছিল, তা থেকে সরে আসা হচ্ছে।

নতুন এই কাঠামোর আওতায় ব্যাংক ও স্বাধীন ডিজিটাল ফিন্যান্স কোম্পানি উভয়ই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদন সাপেক্ষে ই-মানি ইস্যু করতে পারবে।

বিদ্যমান এমএফএস ও পিএসপি অপারেটরদের তারা ব্যাংক-নির্ভর হোক বা না হোক- এই প্রবিধান কার্যকর হওয়ার ছয় মাসের মধ্যে নতুন কাঠামোর সাথে সংগতি রেখে নতুন লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে হবে।

বাংলাদেশে বর্তমানে ই-মানি ইস্যু করে বিকাশ, রকেট ও নগদের মতো এমএফএস প্রতিষ্ঠানসহ টালি-পে, পাঠাও পে ও সেবা পে-র মতো পিএসপিগুলো। এসব প্রতিষ্ঠান ডিজিটাল লেনদেন ও পেমেন্ট সেবার মাধ্যমে ই-মানি সৃষ্টি করে থাকে।

তাদের কার্যক্রমকে নীতিমালা ও তদারকির আওতায় আনতে বাংলাদেশ ব্যাংক এই খসড়া প্রবিধান প্রণয়ন করেছে। এর লক্ষ্য ই-মানি ইস্যুকারী প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা, আর্থিক স্থিতিশীলতা ও গ্রাহক সুরক্ষা নিশ্চিত করা।

খসড়া অনুযায়ী, এসব নতুন নিয়মের লক্ষ্য আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়ানো, ই-মানির নিরাপত্তা ও নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করা এবং প্রতিযোগিতামূলক ও উদ্ভাবন-নির্ভর পেমেন্ট পরিবেশ তৈরি করা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এই খসড়াকে ‘একটি যুগান্তকারী সংস্কার’ উল্লেখ করে বলেন, এটি ‘প্রচলিত ব্যাংকিং খাতের বাইরে ডিজিটাল ফিন্যান্সের ক্ষেত্রকে উন্মুক্ত করবে।’

তিনি বলেন, এর লক্ষ্য হলো প্রতিযোগিতা, উদ্ভাবন ও ইন্টারঅপারেবিলিটিকে উৎসাহিত করা। ‘আমরা একটি নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও প্রযুক্তি-নিরপেক্ষ কাঠামো চাই, যেখানে ব্যাংক ও ফিনটেক উভয়ই আর্থিক সেবার পরিধি বাড়াতে পারবে।’

এ খাতের শীর্ষ নির্বাহীরা এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন। একজন শীর্ষস্থানীয় ফিনটেক নির্বাহী বলেন, ‘ব্যাংক-বহির্ভূত ইএমআইদের (ই-মানি ইস্যুকারী) অনুমতি দিলে তা মোবাইল ও অনলাইন পেমেন্ট খাতে উদ্ভাবন এবং অংশীদারিত্বে উল্লেখযোগ্য গতি আনতে পারে।’

যা আছে খসড়া প্রবিধানে:

এই কাঠামোতে দুই ধরনের ই-মানি ইস্যুকারী প্রতিষ্ঠানের কথা বলা হয়েছে: অনুমোদিত ইএমআই, যার মধ্যে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মতো নিয়ন্ত্রিত প্রতিষ্ঠানগুলো থাকবে; এবং ডেডিকেটেড ইএমআই, যারা ব্যাংক-বহির্ভূত সত্তা হিসেবে শুধু ই-মানি ও এ-সংক্রান্ত পেমেন্ট কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

আবেদনকারীদের, বিশেষ করে ডিইএমআই-দের ন্যূনতম ৫০ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধন থাকতে হবে, তিন বছরের ব্যবসায়িক ও ঝুঁকি পরিকল্পনা জমা দিতে হবে, যথাযথ ও উপযুক্ত সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে এবং গ্রাহকের অর্থ সুরক্ষিত রাখতে ট্রাস্ট অ্যান্ড সেটেলমেন্ট অ্যাকাউন্ট প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

ই-মানি ইস্যুকারীদের অবশ্যই শক্তিশালী ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কাঠামো বাস্তবায়ন করতে হবে, নির্ভরযোগ্য অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণসহ পরীক্ষিত প্রযুক্তি ব্যবস্থা বজায় রাখতে হবে, উচ্চ মূল্যের লেনদেনের জন্য মাল্টি-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন ব্যবহার করতে হবে এবং ক্রমাগত পরিবর্তনশীল হুমকির বিরুদ্ধে নিরবচ্ছিন্ন জালিয়াতি শনাক্তকরণ ও সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

এছাড়া ই-মানি ইস্যুকারীদের শক্তিশালী অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ও নিরবচ্ছিন্ন নিয়ন্ত্রক তদারকি নিশ্চিত করার জন্য বাধ্যতামূলক বোর্ড অডিট ও ঝুঁকি কমিটি গঠন করতে হবে।

এই নিয়ম লঙ্ঘন করলে ন্যূনতম ৫০ লাখা টাকা জরিমানা, লাইসেন্স বাতিল বা দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা হতে পারে।

চূড়ান্ত প্রবিধান জারির আগে অংশীজনদের মতামত জমা দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। প্রবিধানটি গৃহীত হলে নতুন এই কাঠামো বাংলাদেশের ডিজিটাল ফিন্যান্স খাতকে নতুনভাবে সাজাবে এবং চীন, ভারত ও মালয়েশিয়ায় প্রচলিত আন্তর্জাতিক চর্চার সাথে আরও বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তুলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ ও পেমেন্ট অ্যান্ড সেটেলমেন্ট সিস্টেমস অ্যাক্ট, ২০২৪-এর প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বাংলাদেশ ব্যাংক ই-মানি ইস্যুকারীদের ওপর তদারকি ও তত্ত্বাবধানের ক্ষমতা প্রয়োগ করবে।

বিশেষ দ্রষ্টব্য: বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট ও গণমাধ্যমের তথ্য মিলিয়ে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়েছে।

বিএনপির সঙ্গে ২০ বছরের সম্পর্ক ছিন্ন করল বাংলাদেশ লেবার পার্টি

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ২:২১ অপরাহ্ণ
বিএনপির সঙ্গে ২০ বছরের সম্পর্ক ছিন্ন করল বাংলাদেশ লেবার পার্টি

আসনে ছাড় না পেয়ে এবার বিএনপির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্নের ঘোষণা দিয়েছে লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান।

শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) নয়া পল্টনের দলীয় কার্যালয়ে দলটির জাতীয় নির্বাহী কমিটির এক সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। সভায় লেবার পার্টির শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝালকাঠির একটি আসনে বিএনপির পক্ষ থেকে ছাড় দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই আসনে বিএনপি নিজ দলের প্রার্থী ঘোষণা করায় ক্ষুব্ধ হয় দলটি। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করেই বিএনপির সঙ্গে প্রায় ২০ বছরের রাজনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করল দলটি।

দলের পক্ষ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিএনপি দীর্ঘ দিনের মিত্রতার সম্পর্ককে অবজ্ঞা করে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে। তারা সমমনা দলগুলোকে বাদ দিয়ে এককভাবে ক্ষমতায় যাওয়ার চেষ্টা করছে। এমন আচরণকে প্রতারণামূলক ও বেঈমানিপূর্ণ বলে উল্লেখ করা হয় বিজ্ঞপ্তিতে।

লেবার পার্টির নেতৃবৃন্দ বলেন, বিএনপি অযোগ্য ও বিতর্কিত ব্যক্তিদকে মনোনয়ন দিয়ে টাকার বিনিময়ে ‘মনোনয়ন বাণিজ্যে’ লিপ্ত হয়েছে। এতে বিএনপির নৈতিক নেতৃত্ব সম্পূর্ণরূপে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। বেগম খালেদা জিয়ার সংকটকালে মিত্রদের সঙ্গে এমন আচরণ কেউ প্রত্যাশা করেনি।

এছাড়া আগেও বিএনপি জামায়াতে ইসলামীকে বাদ দিয়ে ২০ দলীয় জোট ভেঙে দিয়েছিল বলে উল্লেখ করেন তারা। নেতারা মনে করেন, শরিকদের প্রতি অবজ্ঞা ও নীতিহীন মনোনয়নের মধ্য দিয়ে বিএনপি নিজেকে বন্ধুহীন ও নেতৃত্বহীন দলে পরিণত হয়েছে।

সভায় লেবার পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান এস এম ইউসুফ আলী, অ্যাডভোকেট জোহরা খাতুন জুঁই, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব খন্দকার মিরাজুল ইসলামসহ কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যান্য সদস্যরা বক্তব্য দেন।

৩৬ বছর পর বিশ্বকাপে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা মহারণের সম্ভাবনা

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১:৩৯ অপরাহ্ণ
৩৬ বছর পর বিশ্বকাপে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা মহারণের সম্ভাবনা

দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিল আর আর্জেন্টিনা হরহামেশাই মুখোমুখি হয় একে অপরের। কিন্তু ফিফা বিশ্বকাপে এই নজির খুবই বিরল। সবশেষ ১৯৯০ সালে দুই দল মুখোমুখি হয়েছিল ফুটবলের বিশ্বআসরে। ৩৬ বছর পর আবারও দুই দলের মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা জেগেছে ২০২৬ বিশ্বকাপে এসে।

তবে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা মুখোমুখি হবে কোন পর্যায়ে—এই প্রশ্নের উত্তর পুরোটা নির্ভর করছে গ্রুপপর্বের অবস্থানের ওপর। দুটি দলই যদি নিজ নিজ গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হয়, তাহলে সেমিফাইনালের আগে তাদের দেখা হওয়ার সুযোগ নেই। দুই দলই যদি রানার্সআপ হয়, তবুও সেমিফাইনালের আগে মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।

একটি দল যদি গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয় এবং অন্যটি রানার্সআপ হয়ে পরবর্তী রাউন্ডে ওঠে, তাহলেও ফাইনালের আগে এই দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী একে অপরের সামনে পড়বে না।

তবে কোনো একটি দল যদি সেরা আটটি তৃতীয় স্থানের দল হিসেবে নকআউট পর্বে যায়, তখন পরিস্থিতি জটিল হয়ে পড়বে। সেই অবস্থায় দুই দলের ঠিক কোন পর্যায়ে মুখোমুখি হতে পারে, তা অনুমান করা কঠিন। আজ বিশ্বকাপের নকআউটের সূচি নির্ধারিত হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে পরিষ্কার জানা যেতে পারে।

ইমরান খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ নিষিদ্ধ করলো পাকিস্তান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১:৩৫ অপরাহ্ণ
ইমরান খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ নিষিদ্ধ করলো পাকিস্তান

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)–এর প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানের সঙ্গে আদিয়ালা কারাগারে সব ধরনের সাক্ষাৎ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) দেশটির তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার এ ঘোষণা দেন। সেইসঙ্গে তিনি ইমরান খানকে ‘যুদ্ধোন্মাদনায় আক্রান্ত উগ্রপন্থি’ হিসেবে আখ্যা দেন।

পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজের ‘নয়া পাকিস্তান’ অনুষ্ঠানে তারার বলেন, ‘কারাগারের নিয়ম অনুযায়ীই বন্দীদের সাক্ষাৎকার হয়। এখন কোনো সাক্ষাৎ নেই; সব সাক্ষাৎ বন্ধ।’

কারাগারের বাইরে আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করতে কেউ চেষ্টা করলে তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘রাষ্ট্রের কর্তৃত্ব পুনরুদ্ধারের এখনই সময়। কোনো জেল সাক্ষাৎ হবে না, কোনো জমায়েতও অনুমোদন দেওয়া হবে না।’

কারা বিধি অনুযায়ী সাক্ষাতের সময় জেল সুপারিনটেন্ডেন্ট উপস্থিত থাকেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে এসব সাক্ষাতে রাজনৈতিক আলোচনা এবং নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছিল।

তিনি বলেন, ‘কারাগারের ভেতর থেকে রাষ্ট্রবিরোধী এজেন্ডা এগিয়ে নিতে কোনো অনুমতি দেওয়া হবে না।’

তারার দাবি করেন, খান ও তার দল দেশকে ডিফল্টে ঠেলে দিতে চেয়েছিল। ‘আইএমএফকে চিঠি লেখা হয়েছিল যাতে পাকিস্তান ডিফল্টে যায়। ৯ মে সামরিক স্থাপনায় হামলাও চালানো হয়েছিল।’

তিনি বলেন, ‘সাবেক প্রধানমন্ত্রী নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত দেখেই রাষ্ট্রবিরোধী বক্তব্য ছড়াচ্ছেন।’

তিনি আরও দাবি করেন, ইমরান খানের ‘তালেবানসুলভ মানসিকতা’ রয়েছে এবং তিনি ‘সন্ত্রাসীদের বন্ধু’ মনে করেন।

তারার প্রশ্ন ছুড়ে দেন, ‘এই উগ্র ও যুদ্ধোন্মাদ ব্যক্তি—তাকে তার নিজের দলের সদস্যরাই বা আর কতদিন সহ্য করবে?’

তথ্যমন্ত্রী জানান, ফেডারেল সরকার খাইবার পাখতুনখোয়ায় গভর্নর শাসন জারির বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করছে।

তিনি আরও বলেন, ‘পিটিআই সদস্যরা তার (ইমরান খানের) বর্ণনার সঙ্গে নেই।’ রাষ্ট্রবিরোধী প্রচারণা চালানো ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

তারার বলেন, ‘তাদের আর কোনো ভবিষ্যৎ নেই; তাদের রাজনৈতিক জায়গা ও বর্ণনা সীমিত করে দেওয়া হবে।’

পিটিআইয়ের সঙ্গে পুনর্মিলন সম্ভব কি না- এ প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘তারা সুযোগ নষ্ট করেছে। যারা বিশৃঙ্খলা, সন্ত্রাস বা উগ্রবাদী চিন্তা ছড়ায়, তাদের সঙ্গে কোনো সংলাপ হবে না।’

বিএনপির সঙ্গে ২০ বছরের সম্পর্ক ছিন্ন করল বাংলাদেশ লেবার পার্টি ৩৬ বছর পর বিশ্বকাপে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা মহারণের সম্ভাবনা ইমরান খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ নিষিদ্ধ করলো পাকিস্তান নজিরবিহীন আত্মহত্যা ইসরাইলি বাহিনীতে, নেপথ্যে কী? পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তে রাতভর গোলাগুলি, নিহত ৪