খুঁজুন

সাংবাদিকদের নেওয়ার কিছু নেই, দেওয়ার আছে অনেক

রাজশাহীতে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত

রাজশাহী প্রতিনিধি
প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২৫, ১২:২০ পূর্বাহ্ণ
রাজশাহীতে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত

রাজশাহীতে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার উদ্যোগে উৎসবমুখর পরিবেশে সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিভাগীয় সমাবেশ। শনিবার (১৫ নভেম্বর) সকাল ১১টায় নগরীর এস.কে ফুড কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত উক্ত সমাবেশে রাজশাহী বিভাগের ৮টি জেলা, মহানগর এবং বিভিন্ন উপজেলার কমিটির সদস্যরা অংশ নেন। দুপুর ২টা পর্যন্ত চলা এই সমাবেশে সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা, অধিকার, স্বাধীনতা, আধুনিক সাংবাদিকতার চ্যালেঞ্জ এবং বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়।

সমাবেশ শেষে প্রধান অতিথি, প্রধান বক্তা ও বিশেষ অতিথিদের হাতে তুলে দেয়া হয় সম্মাননা স্মারক। ৩৬ জুলাই আহত মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক সানোয়ার আরিফ, কালের কণ্ঠের আহত সাংবাদিক নাঈম হোসেন এবং সংবাদ চলমানের সাংবাদিক মতিউর রহমানকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। পাশাপাশি রাজশাহীর ৮ জেলা, মহানগর এবং সকল উপজেলা কমিটির সদস্যদেরও সম্মাননা স্মারক দেওয়া হয়।

সম্মাননা প্রদান করা হয় রাজশাহী বিভাগের সভাপতি মো. নুরে ইসলাম মিলন এবং সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আজম অপুকেও। বিভাগীয় দপ্তর সম্পাদক মো. সুরুজ আলী সম্মেলন সফল করার বিশেষ অবদানের জন্য বিশেষ সম্মাননায় ভূষিত হন। প্রধান অতিথি জাতীয় সংবাদিক সংস্থার কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের মহাসচিব মো. আলমগীর গনি সবার হাতে সম্মাননা তুলে দেন।

মহতি এ সমাবেশের সভাপতিত্ব করেন, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা রাজশাহী বিভাগের সভাপতি মো. নুরে ইসলাম মিলন এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আজম অপু। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নীতি নির্ধারণ পরিষদের সদস্য মোহাম্মদ মনজুর হোসেন এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সহ-সভাপতি মো. আবুল বাশার মজুমদার।

প্রধান অতিথি মো. আলমগীর গনি তার বক্তব্যে বলেন, সাংবাদিকরা সত্য, ন্যায় ও মানবতার পক্ষে দাঁড়ানো মানুষ। অথচ তাদের ওপর অব্যাহত হামলা, মামলা, হুমকি ও হয়রানি গণতন্ত্রের জন্য গভীর হুমকি। তিনি বলেন, “সত্য বলা কখনোই অপরাধ হতে পারে না, বরং সেই সত্য রক্ষা করা রাষ্ট্রের নৈতিক দায়িত্ব।” তিনি সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষায় জাতীয়ভাবে সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।

প্রধান বক্তা মোহাম্মদ মনজুর হোসেন বলেন, সাংবাদিকরা জাতির পথ দেখান, তারা অন্ধকারের মধ্যেও আলো জ্বালান। তিনি বলেন, “গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সংকুচিত হলে দেশ পিছিয়ে পড়ে। সাংবাদিকদের ঐক্যই গণতন্ত্রের শক্ত ভিত্তি গড়ে তোলে।” তিনি জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার ভূমিকাকে অত্যন্ত সময়োপযোগী বলে উল্লেখ করেন।

বিশেষ অতিথি মো. আবুল বাশার মজুমদার বলেন, পেশাদার সাংবাদিকতার উন্নতি নিশ্চিত করতে আধুনিক প্রযুক্তি, আইনি জ্ঞান এবং দক্ষতা অর্জনের বিকল্প নেই। তিনি বলেন, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা সেই লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও আরও শক্তিশালী ভূমিকা রাখবে।

রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি মামুন রশিদ মামুন তার বক্তব্যে বলেন, সত্য প্রকাশ করতে গিয়ে সাংবাদিকদের যেভাবে হয়রানি, হামলা ও মামলার মুখে পড়তে হচ্ছে, তা গণতন্ত্রের জন্য মারাত্মক হুমকি। তিনি বলেন, “যারা সত্য বলেন, তাদের রুখে দেওয়া যায় না। গণতন্ত্রকে বাঁচাতে হলে সাংবাদিকদের স্বাধীনতা রক্ষা জরুরি।”

রাজশাহী মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি নজরুল হুদা বলেন, দেশে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সংকুচিত হয়ে এসেছে, যা সাংবাদিকদের দায়িত্ব পালনকে কঠিন করে তুলেছে। তিনি জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার ভূমিকাকে সাহসী ও দায়িত্বশীল উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেন।

সমাবেশে রাজশাহী প্রেসক্লাবের সভাপতি সাইদুর রহমান বলেন, সাংবাদিকরা কারও বিরোধী নয়; তারা সত্যের পক্ষে কাজ করে। তিনি বলেন, “সত্য বলার পথ কখনো সহজ ছিল না, কিন্তু এই পথেই আলো রয়েছে।”

প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা মামুন বলেন, সাংবাদিকদের ওপর অব্যাহত হামলা ও হয়রানি বন্ধ করতে হবে। তিনি নতুন প্রজন্মের সাংবাদিকদের জন্য নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও পেশাগত সুরক্ষা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন।

রাজশাহীর আলো পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক আজিবার রহমান বলেন, সাংবাদিকরা দেশ ও মানুষের জন্য কাজ করেন, তাই তাদের দেওয়ার আছে অনেক, নেওয়ার কিছু নেই। তিনি বলেন, “সত্যের পক্ষে কলম চালানো সাংবাদিকরাই জাতির প্রকৃত আলোকবর্তিকা।”

রাজশাহী মডেল প্রেসক্লাবের সভাপতি এমদাদুল হক বলেন, সাংবাদিকতা শুধু পেশা নয়, এটি দেশের উন্নয়ন ও সমাজ পরিবর্তনের অস্ত্র। তিনি বলেন, “ঐক্যবদ্ধ সাংবাদিক সমাজই ন্যায় ও সত্য প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখতে পারে।” তিনি ডিজিটাল যুগে সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ ও সুরক্ষা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সমাবেশের শেষ পর্যায়ে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা রাজশাহী বিভাগের সভাপতি মো. নুরে ইসলাম মিলন তার সমাপনী বক্তব্যে বলেন, সাংবাদিকদের মর্যাদা, নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা সর্বদা কাজ করে যাবে। তিনি বলেন, “সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষার সংগ্রাম থেমে থাকার নয়। আমাদের ঐক্যই আমাদের শক্তি, আর সেই শক্তিতে অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে আমরা সবসময় সোচ্চার থাকব।” তিনি সমাবেশে উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জানান এবং এই ঐক্য আরও জোরদার করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

সবশেষে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা মরহুম আলতাফ হোসেনের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

‘কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৩০ অপরাহ্ণ
‘কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু

‘আমি বেঁচে থাকতে কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’-নির্বাচনী মাঠে এমন দৃঢ় প্রত্যয়ের কথা বলার কয়েক ঘণ্টা পরই চিরতরে নির্বাচনী মাঠ ছাড়লেন কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম খোকন।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়ে দিনভর গণসংযোগ করার পর রাতেই না ফেরার দেশে চলে যান তিনি।

তিনি চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এবং কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ছিলেন। গত কয়েক মাস ধরে শুহিলপুর ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ভোটার ও সমর্থকদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছিলেন তিনি।

জানা যায়, এদিন নিজের ইউনিয়ন শুহিলপুরে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার লক্ষে হাজারো নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে গণসংযোগ করেন বিএনপির এ নেতা। চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে দিনভর নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে নির্বাচনী শোডাউন করেছিলেন তিনি। সন্ধ্যায় পথসভায়ও দিয়েছিলেন জয়ের প্রত্যয়ী বক্তব্য।

দিনভর প্রচারণা শেষে গতকাল সন্ধ্যায় শালিখা বাজারে আয়োজিত পথসভায় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বক্তব্য দেন খোকন।

পথসভায় বিএনপি নেতা বলেন, আপনারা কি চান, শাওন সাহেব (বর্তমান এমপি) আমাকে দলীয় প্রার্থী করুক? তাহলে নিশ্চিত থাকেন, শাওন সাহেব এই ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আমাকে প্রার্থী ঘোষণা করবেন।

তার বক্তব্যে ছিল নির্বাচনে জয়ের প্রত্যয়, ছিল ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা পরিকল্পনা। নেতা-কর্মীদের মধ্যেও ছিল উৎসাহ-উদ্দীপনা। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানেই যেন বদলে গেল সবকিছু।

সারাদিনের নির্বাচনী কর্মসূচি শেষে রাতে বাড়ি ফিরে খাবার খান সাইফুল ইসলাম খোকন। এরপর ঘুমাতে যাওয়ার প্রস্তুতিকালে রাত আনুমানিক ১২টার দিকে হঠাৎ বুকে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করেন তিনি। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে ইলিয়টগঞ্জ বাজারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে পরে দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর বাজারের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে সেখানে তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন মেঝ ছেলে সাঈদ।

মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেও যে মানুষটি নেতা-কর্মীদের সামনে দাঁড়িয়ে নির্বাচনে নিজের প্রার্থিতার কথা বলছিলেন, রাত না পেরোতেই সেই মানুষটিই চলে গেলেন না ফেরার দেশে। থেমে গেল তার রাজনৈতিক পথচলা। থেমে গেল চেয়ারম্যান হওয়ার স্বপ্ন। নির্বাচনী মাঠ থেকে সরে গেলেন ঠিকই তবে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বীর কাছে পরাজিত হয়ে নয়, চিরদিনের জন্য।

সাইফুল ইসলাম খোকনের আকস্মিক মৃত্যুতে শুহিলপুর ইউনিয়নসহ পুরো চান্দিনার রাজনৈতিক অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজন, রাজনৈতিক সহকর্মী, নেতা-কর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে বিরাজ করছে গভীর শোক ও বেদনা।

জানা যায়, আজ সকাল ১১টায় ইলিয়টগঞ্জ রা.বি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার নামাজে জানাজে শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

এদিকে জানাজা নামাজের আগে কুমিল্লা-৭ আসনের সংসদ সদস্য উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আতিকুল আলম শাওন বলেন, সাইফুল ইসলাম খোকন আমার মরহুম পিতার সময়কাল থেকে বিএনপি’র রাজনীতি করেছেন। আমার কয়েকজন অভিভাবকদের মধ্যে তিনিও ছিলেন একজন। তার এই মৃত্যুতে শুহিলপুর ইউনিয়নসহ উপজেলা বিএনপিতে শূন্যতা সৃষ্টি হবে।

‘ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৩ অপরাহ্ণ
‘ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি

‘তুমি এখনো ভালো হওনি, ভালো হয়ে যাও মাসুদ’- সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের এমন মন্তব্যের পর দেশজুড়ে পরিচিতি পাওয়া বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) কর্মকর্তা মো. মাসুদ আলমকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় বদলি করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংস্থাটির আরও কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার দায়িত্বেও রদবদল আনা হয়েছে।

গত ৩১ আগস্ট বিআরটিএ চেয়ারম্যানের কার্যালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ বদলি ও পদায়নের বিষয়টি জানানো হয়। আদেশে উল্লেখ করা হয়, জনস্বার্থে নেওয়া এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে।

অফিস আদেশ অনুযায়ী, বিআরটিএ চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) মো. মাসুদ আলমকে ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

অন্যদিকে ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) শফিকুজ্জামান ভূঞাকে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের একই পদে বদলি করা হয়েছে। ফলে মাসুদ আলমের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন তিনি।

উল্লেখ্য, বিআরটিএর সেবা ও অনিয়ম নিয়ে এক পরিদর্শনকালে কর্মকর্তা মাসুদ আলমকে উদ্দেশ করে ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, ‘তুমি এখনো ভালো হওনি, ভালো হয়ে যাও মাসুদ।’ তার সেই বক্তব্য দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং মাসুদ আলমকে ঘিরে আলোচনা তৈরি হয়।

বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

মোঃ রেজাউল করিম, সিনিয়র রিপোর্টার:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৪ অপরাহ্ণ
বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকালে উপজেলার মুকুন্দগাঁতী ও ক্ষিদ্রমাটিয়া গ্রামের উদ্যোগে ও ঢাকা ব্যাংক পি এল সি অর্থায়নে ক্ষিদ্রমাটিয়া গ্রামের যমুনা নদীর শাখায় তিন দিনব্যাপী এই মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য আমিরুল ইসলাম খাঁন আলীম। 

বাইচ কমিটির সভাপতি আলতাফ হোসেনের সভাপতিত্বে আরোও উপস্থিত ছিলেন, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিষ্টার শাহানাজ প্রধান, সহকারী পুলিশ সুপার বেলকুচি সার্কেল শহিদুল ইসলাম, বেলকুচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোক্তারুজ্জামান, বেলকুচি কলেজের অধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা বিএনপির সদস্য গোলাম আজম, উপজেলার বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক মন্ডলসহ স্থানীয় গনমান্য ব্যক্তিবর্গ। 

সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পানসি ১৮ টা ও ১২ টা কোষা নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করেন। আগামী ৬ সেপ্টেম্বর রবিবার বাইচ প্রতিযোগিতার চুড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হবে।

'কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু 'ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন বিশ্বের সর্বোচ্চ খেলাপি ঋণের দেশ এখন বাংলাদেশ যতবারই নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়েছে ততবারই বিএনপি জিতেছে: মন্ত্রী দুলু