খুঁজুন

“প্রশাসনিক ক্যু” করে ক্ষমতায় যাওয়া আর হয়ে উঠবে না: ডা.শফিকুর রহমান

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১২:১৯ পূর্বাহ্ণ
“প্রশাসনিক ক্যু” করে ক্ষমতায় যাওয়া আর হয়ে উঠবে না: ডা.শফিকুর রহমান

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘একদল যে অপকর্ম করে চলে গিয়েছে, আরেক দল বাংলাদেশে সেই অপকর্মের দায়িত্ব নিয়েছে। কেউ যদি চিন্তা করেন জনগণের সমর্থন পাব না, তাহলে বাঁকা পথে প্রশাসনিক ক্যু-এর মাধ্যমে আমরা নির্বাচনের ক্রেডিট হাইজ্যাক করব, তাঁদের বলব, বন্ধু সেই সূর্য ডুবে গেছে, এই সূর্য আর বাংলাদেশে উঠবে না। এই কালো সূর্য আর বাংলাদেশের মুখ দেখবে না। এখন নতুন সূর্যের উদয় হবে, সেই সূর্য কোরআন বুকে নিয়ে উদিত হবে ইনশা আল্লাহ। বাংলাদেশ থেকে অপশাসন দূর হবে।’

তিনি বলেন, ‘যাঁরা এত দিন নির্বাচন নির্বাচন করে জনগণকে বেহুঁশ করে তুলেছিলেন, এখন তাঁরা কেউ কেউ ভিন্ন সুরে কথা বলতে শুরু করেছেন। তাঁরা বুঝতে পেরেছেন, তাঁরা যে সমস্ত কর্মকাণ্ড বাংলাদেশে পরিচালনা করছেন, বাংলাদেশের জনগণ তাঁদের আগামী নির্বাচনে লাল কার্ড দেখানোর জন্য প্রস্তুত হয়ে গিয়েছেন।’

শনিবার (৬ ডিসেম্বর) সিলেট নগরের আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে জামায়াতে ইসলামীসহ আট দলের বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শফিকুর রহমান এ কথা বলেন। আওয়ামী লীগ ও বিএনপিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘একদল চাঁদাবাজির কারণে জনগণের ঘৃণা কুড়িয়েছে, আরেক দল আবার তার চেয়ে বেশি শক্তি নিয়ে চাঁদাবাজিতে নেমে পড়েছে। একদল দখলদার বনতে গিয়ে জনগণ তাকে প্রত্যাখ্যান করেছে, আরেক দল বেপরোয়া দখলদার হয়ে উঠেছে। একদল জনগণের জানমাল নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে, আরেক দল একই পথ ধরেছে, এমনকি নিজেদের মধ্যে মারামারিতে নিজেদের শেষ করে দিচ্ছে।’

জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি দেওয়া, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে আলাদাভাবে গণভোট করাসহ পাঁচ দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে আসছে জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, নেজামে ইসলাম পার্টি, খেলাফত মজলিস, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা), বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি।

‘অপকর্মের’ দায় নিয়ে ফ্যাসিস্টরা বাংলাদেশ থেকে পালালেও ফ্যাসিজমের কালো ছায়া বাংলাদেশ থেকে যায়নি বলে উল্লেখ করেন জামায়াতের আমির।

আট দলের বাইরে থাকা ইসলামী দলগুলোকে আট দলের জোটে আসার আহ্বান জানান জামায়াতের আমির। তিনি বলেন, ‘দেশপ্রেমিক সব ইসলামি দল এবং আরও কিছু দেশপ্রেমিক দল মিলে আটদলীয় কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে। দু–একটি ইসলামি দল এখনো বাইরে আছে। আমি বন্ধুদের অনুরোধ করব, সব ধরনের মোহের জাল ছিন্ন করে আপনারা আপনাদের আঙিনায় চলে আসুন। এ আঙিনা আপনাদের আঙিনা।এখন যেখানে ঘোরাফেরা করছেন, এটা আপনাদের আঙিনা না।’

সংস্কার প্রশ্নে বিএনপিকে ইঙ্গিত করে শফিকুর রহমান বলেন, ‘দফায় দফায় এত রক্ত এত ত্যাগের পর দেশবাসী কি আশা করেছিল? দেশবাসী আশা করেছিল, অতীতের অপকর্মের যে পরিণতি সেখান থেকে শিক্ষা নিয়ে রাজনীতিবিদেরা নতুন রাজনীতি শুরু করবেন। কিন্তু আমরা দুঃখের সঙ্গে দেখতে পাচ্ছি, একদল সেই পুরাতন ধারায় পড়ে আছে। তারা কোনো সংস্কারে রাজি না, তারা সনদ বাস্তবায়নে রাজি না, তারা গণভোটেও প্রথমে রাজি ছিল না। তারপর ধাক্কায়-ধুক্কায় সেই গণভোট এক দিনেই হতে হবে, তা তারা বাধ্য করেছে সরকারকে।’

ইসলামি ও দেশপ্রেমিক নেতারা কারও রক্তচক্ষুকে ভয় পায় না উল্লেখ করে জামায়াতের আমির বলেন, ‘বিশ্বের সকল শান্তিকামী সভ্য দেশকে আমরা সম্মান জানাই। কিন্তু কেউ যেন আমাদের কোনো দাদাগিরি করতে না আসেন। আমরা আর কোনো দাদাগিরি দেখতেও চাই না, বরদাশত করতেও রাজি নই। বাংলাদেশ চলবে আল্লাহ তাআলার নির্দেশ মোতাবেক এই দেশের জনগণের পছন্দে।’

স্বাধীনতার ৫৪ বছর পেরিয়ে গেলেও বাংলাদেশের মানুষ সম্মানের সঙ্গে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারেনি বলেও মন্তব্য করেছেন জামায়াতের আমির। তিনি বলেন, বর্গিরা চলে যাওয়ার পর দেশের ভেতরে চিল যারা ছিল, সেই চিলগুলো ছোঁ মেরে জনগণের সম্পদ নিয়ে চলে গেছে। দেশের সম্পদ লুণ্ঠন করে বাইরে পাচার করেছে। দেশে দেশে বেগমপাড়া গড়ে তুলেছে। কেউ কেউ পালাতে গিয়ে খালে-বিলে আশ্রয় নিয়েছেন। আবার রসিক সিলেটবাসীর কাছে কেউ কেউ কলাপাতায় ধরা পড়েছে।

সমাবেশে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির চরমোনাইর পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেন, ‘আজকে বাংলাদেশের মধ্যে ৫৩ বছর পর্যন্ত যাঁরা আমাদের জিম্মি করে রেখেছিলেন, তাঁদের চরিত্র আমরা দেখি যে তাঁরা নিজেদের কাছে নিজেরা নিরাপদ নন। আজকে তাঁরা নিজেরা নিজেদের খেয়ে ফেলছেন। দুঃখ হয় আজকে এত গুম হলো, খুন হলো, লাখ লাখ নেতা-কর্মী যুগ যুগ পর্যন্ত তাঁদের জীবন বিপন্ন করেছেন জেলের মধ্যে। আমরা হতবাক আজকে সংস্কারের বিষয়ে বাধা, দৃশ্যমান বিচারে বাধা। এখন ওরা পাগল হয়ে গেছে নির্বাচনকে পেছানোর জন্য। আপনারা যত শয়তানি পরিকল্পনা করবেন ততই বাংলাদেশের জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হবেন।’

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেন, ফ্যাসিবাদী আমলে ১৫ বছর রাষ্ট্রযন্ত্রের নিপীড়ন, জুলুম-নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ইসলামপন্থীরা। এ দেশে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে বিদেশি আধিপত্যবাদী শক্তির বাংলাদেশি ক্রীড়নকদের হাতে ইসলামী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ নিগৃহীত হয়েছেন, কারা নির্যাতিত হয়েছেন, ফাঁসিকাষ্ঠ বরণ করতে হয়েছে। তবু অন্যায়ের সামনে জুলুমের সামনে তাঁরা মাথা নত করেননি। বাংলাদেশবিরোধী বিদেশি আধিপত্যবাদী শক্তি আবার বাংলাদেশে নতুন আরেক শক্তির ঘাড়ে সওয়ার হওয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, জুলাই সনদের বিপক্ষে যারা ‘না বাক্সের’ জন্য ক্যাম্পেইন করবে, জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করবে।

খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা আবদুল বাছিতের সভাপতিত্বে সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- ইসলামী ঐক্যজোটের আমির মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির আমির সরওয়ার কামাল আজিজী, জাগপার সহসভাপতি রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান এ কে এম আনোয়ারুল ইসলাম, জামায়াতে ইসলামীর সিলেট জেলার আমির হাবিবুর রহমান, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মাহমুদুল হাসান, নেজামে ইসলামী পার্টির প্রচার সম্পাদক আবদুল্লাহ মাসুদ খান প্রমুখ। সমাবেশে স্বাগত বক্তব্য দেন সিলেট মহানগর জামায়াতের আমির ফখরুল ইসলাম।

বিভাগীয় সমাবেশ উপলক্ষে সকাল থেকে দলে দলে সমাবেশস্থলে আসতে শুরু করেন আট দলের নেতা-কর্মীরা। দুপুর ১২টায় হাজার হাজার নেতা-কর্মীর উপস্থিতিতে সমাবেশ শুরু করা হয়। বিকেল চারটার দিকে সমাবেশ শেষ হয়। সিলেটের কর্মসূচির মধ্য দিয়ে সারা দেশে আট দলের বিভাগীয় সমাবেশ শেষ হলো।

‘কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৩০ অপরাহ্ণ
‘কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু

‘আমি বেঁচে থাকতে কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’-নির্বাচনী মাঠে এমন দৃঢ় প্রত্যয়ের কথা বলার কয়েক ঘণ্টা পরই চিরতরে নির্বাচনী মাঠ ছাড়লেন কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম খোকন।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়ে দিনভর গণসংযোগ করার পর রাতেই না ফেরার দেশে চলে যান তিনি।

তিনি চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এবং কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ছিলেন। গত কয়েক মাস ধরে শুহিলপুর ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ভোটার ও সমর্থকদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছিলেন তিনি।

জানা যায়, এদিন নিজের ইউনিয়ন শুহিলপুরে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার লক্ষে হাজারো নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে গণসংযোগ করেন বিএনপির এ নেতা। চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে দিনভর নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে নির্বাচনী শোডাউন করেছিলেন তিনি। সন্ধ্যায় পথসভায়ও দিয়েছিলেন জয়ের প্রত্যয়ী বক্তব্য।

দিনভর প্রচারণা শেষে গতকাল সন্ধ্যায় শালিখা বাজারে আয়োজিত পথসভায় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বক্তব্য দেন খোকন।

পথসভায় বিএনপি নেতা বলেন, আপনারা কি চান, শাওন সাহেব (বর্তমান এমপি) আমাকে দলীয় প্রার্থী করুক? তাহলে নিশ্চিত থাকেন, শাওন সাহেব এই ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আমাকে প্রার্থী ঘোষণা করবেন।

তার বক্তব্যে ছিল নির্বাচনে জয়ের প্রত্যয়, ছিল ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা পরিকল্পনা। নেতা-কর্মীদের মধ্যেও ছিল উৎসাহ-উদ্দীপনা। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানেই যেন বদলে গেল সবকিছু।

সারাদিনের নির্বাচনী কর্মসূচি শেষে রাতে বাড়ি ফিরে খাবার খান সাইফুল ইসলাম খোকন। এরপর ঘুমাতে যাওয়ার প্রস্তুতিকালে রাত আনুমানিক ১২টার দিকে হঠাৎ বুকে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করেন তিনি। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে ইলিয়টগঞ্জ বাজারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে পরে দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর বাজারের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে সেখানে তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন মেঝ ছেলে সাঈদ।

মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেও যে মানুষটি নেতা-কর্মীদের সামনে দাঁড়িয়ে নির্বাচনে নিজের প্রার্থিতার কথা বলছিলেন, রাত না পেরোতেই সেই মানুষটিই চলে গেলেন না ফেরার দেশে। থেমে গেল তার রাজনৈতিক পথচলা। থেমে গেল চেয়ারম্যান হওয়ার স্বপ্ন। নির্বাচনী মাঠ থেকে সরে গেলেন ঠিকই তবে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বীর কাছে পরাজিত হয়ে নয়, চিরদিনের জন্য।

সাইফুল ইসলাম খোকনের আকস্মিক মৃত্যুতে শুহিলপুর ইউনিয়নসহ পুরো চান্দিনার রাজনৈতিক অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজন, রাজনৈতিক সহকর্মী, নেতা-কর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে বিরাজ করছে গভীর শোক ও বেদনা।

জানা যায়, আজ সকাল ১১টায় ইলিয়টগঞ্জ রা.বি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার নামাজে জানাজে শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

এদিকে জানাজা নামাজের আগে কুমিল্লা-৭ আসনের সংসদ সদস্য উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আতিকুল আলম শাওন বলেন, সাইফুল ইসলাম খোকন আমার মরহুম পিতার সময়কাল থেকে বিএনপি’র রাজনীতি করেছেন। আমার কয়েকজন অভিভাবকদের মধ্যে তিনিও ছিলেন একজন। তার এই মৃত্যুতে শুহিলপুর ইউনিয়নসহ উপজেলা বিএনপিতে শূন্যতা সৃষ্টি হবে।

‘ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৩ অপরাহ্ণ
‘ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি

‘তুমি এখনো ভালো হওনি, ভালো হয়ে যাও মাসুদ’- সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের এমন মন্তব্যের পর দেশজুড়ে পরিচিতি পাওয়া বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) কর্মকর্তা মো. মাসুদ আলমকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় বদলি করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংস্থাটির আরও কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার দায়িত্বেও রদবদল আনা হয়েছে।

গত ৩১ আগস্ট বিআরটিএ চেয়ারম্যানের কার্যালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ বদলি ও পদায়নের বিষয়টি জানানো হয়। আদেশে উল্লেখ করা হয়, জনস্বার্থে নেওয়া এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে।

অফিস আদেশ অনুযায়ী, বিআরটিএ চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) মো. মাসুদ আলমকে ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

অন্যদিকে ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) শফিকুজ্জামান ভূঞাকে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের একই পদে বদলি করা হয়েছে। ফলে মাসুদ আলমের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন তিনি।

উল্লেখ্য, বিআরটিএর সেবা ও অনিয়ম নিয়ে এক পরিদর্শনকালে কর্মকর্তা মাসুদ আলমকে উদ্দেশ করে ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, ‘তুমি এখনো ভালো হওনি, ভালো হয়ে যাও মাসুদ।’ তার সেই বক্তব্য দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং মাসুদ আলমকে ঘিরে আলোচনা তৈরি হয়।

বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

মোঃ রেজাউল করিম, সিনিয়র রিপোর্টার:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৪ অপরাহ্ণ
বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকালে উপজেলার মুকুন্দগাঁতী ও ক্ষিদ্রমাটিয়া গ্রামের উদ্যোগে ও ঢাকা ব্যাংক পি এল সি অর্থায়নে ক্ষিদ্রমাটিয়া গ্রামের যমুনা নদীর শাখায় তিন দিনব্যাপী এই মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য আমিরুল ইসলাম খাঁন আলীম। 

বাইচ কমিটির সভাপতি আলতাফ হোসেনের সভাপতিত্বে আরোও উপস্থিত ছিলেন, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিষ্টার শাহানাজ প্রধান, সহকারী পুলিশ সুপার বেলকুচি সার্কেল শহিদুল ইসলাম, বেলকুচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোক্তারুজ্জামান, বেলকুচি কলেজের অধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা বিএনপির সদস্য গোলাম আজম, উপজেলার বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক মন্ডলসহ স্থানীয় গনমান্য ব্যক্তিবর্গ। 

সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পানসি ১৮ টা ও ১২ টা কোষা নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করেন। আগামী ৬ সেপ্টেম্বর রবিবার বাইচ প্রতিযোগিতার চুড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হবে।

'কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু 'ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন বিশ্বের সর্বোচ্চ খেলাপি ঋণের দেশ এখন বাংলাদেশ যতবারই নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়েছে ততবারই বিএনপি জিতেছে: মন্ত্রী দুলু