হাদিকে গুলির ঘটনায় সিসি ক্যামেরার ফুটেজ যাচাই করছে পুলিশ
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদিকে গুলির ঘটনায় এখন পর্যন্ত শ্যুটারকে সনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ। তবে নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে থাকা সিসি ক্যামেরার ফুটেজ যাচাই-বাছাই চলছে। শুক্রবার রাতে মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) হারুনুর রশিদ গণমাধ্যমে এমন তথ্য জানান।
হারুনুর রশিদ ঢাকা মেইলকে বলেন, এখন পর্যন্ত যেসব সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পাওয়া গেছে সেগুলো দেখা হচ্ছে। এর বাইরেও আরো কিছু সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পাওয়া গেছে। আমরা সেগুলো যাচাই-বাছাই করছি।
ডিসি বলেন, যে দু’জন এসে গুলি করে পালিয়েছে তারা মাস্ক পড়ে থাকায় তাদেরকে চেনা যাচ্ছে না। পাশাপাশি মোটরসাইকেলের নম্বর প্লেটও অস্পষ্ট। ফলে একটু সময় লাগছে। তবে যেকোন সময়ে তাদের আটকের খবর পাওয়া যেতে পারে।
শুক্রবার দুপুর ২টা ২০ মিনিটে বিজয়নগরের কালভার্ট রোড এলাকায় রিকশাযোগে যাওয়ার সময় ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ হন। এসময় ওসমান হাদিকে বহনকারী অটোরিকশার কাছে গিয়ে মোটরসাইকেলে থাকা দুই আরোহীর একজন খুব কাছ থেকে গুলি করে পালিয়ে যায়। হাদির চোয়ালের একপাশ দিয়ে গুলি ঢুকে অন্য পাশ দিয়ে বের হয়ে যায়।
হাদির সঙ্গে থাকা লোকজন তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। তখন থেকে তার চিকিৎসা এবং অপারেশন চলছিল। সন্ধ্যার পরে অপারেশন করে তার শরীর থেকে গুলি বের করা হয়েছে। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়।
গুলিবিদ্ধ হওয়ার আগে হাদি তার ফেসবুক পেজে জানিয়েছিলেন, ভারতীয়সহ বিভিন্ন দেশের ৩০টি নম্বর থেকে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। শুধু তাই নয়, তার বাড়ি ঘরে আগুন এবং তার স্ত্রী এবং মাকেও ধর্ষণ করার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে জানান।
এদিকো যারা ওসমান হাদির ওপর গুলি চালিয়েছে তারা প্রায় দুই সপ্তাহ আগে তার প্রচারণার টিমে যোগ দিয়েছিল বলে জানিয়েছেন ইনকিলাব মঞ্চের একজন সদস্য।
ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য মোহাম্মদ ওসামা জানান, একটি মোটরসাইকেলে করে আসা দুইজনের মধ্যে থেকে একজন ওসমান হাদির ওপর গুলি চালায়।
তার দাবি, ‘এই দুই জন প্রায় দুই সপ্তাহ আগে ওসমান হাদির প্রচারণার টিমে যোগ দিয়েছিল। মাঝখানে কিছুদিন তাদের দেখা যায়নি। কয়েকদিন আগে তারা আবার এসে প্রচারণার কাজে যোগ দেয়।’




আপনার মতামত লিখুন