খুঁজুন

ডিসি পদ নিয়ে সচিবালয়ে হট্টগোল, শাস্তি পাচ্ছেন ১৭ জন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২ অক্টোবর, ২০২৪, ২:২১ অপরাহ্ণ
ডিসি পদ নিয়ে সচিবালয়ে হট্টগোল, শাস্তি পাচ্ছেন ১৭ জন

সচিবালয়ে জেলা প্রশাসক (ডিসি) পদ নিয়ে হট্টগোলের ঘটনায় ১৭ জন উপ-সচিবকে শাস্তি দেওয়ার সুপারিশ করেছে এ ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি।

জানা গেছে, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সিনিয়র সচিব এম এ আকমল হোসেন আজাদের নেতৃত্বে তদন্ত কমিটি আট জনকে গুরুদণ্ড, চার জনকে লঘুদণ্ড ও পাঁচ জনকে তিরস্কারের শাস্তি দেওয়ার সুপারিশ করেছে।

এর মধ্যে নুরজাহান খানম, মো. নুরুল করিম ভূঁইয়া, মো. জসিম উদ্দিন, রেবেকা খান, মো. সাইফুল হাসান, মোহাম্মদ জয়নুল আবেদিন, নুরুল হাফিজ এবং মোতাকাব্বীর আহমেদকে গুরুদণ্ড দেওয়ার জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। হাসান হাবীব, মো. আ. কুদদূস, আব্দুল মালেক, মোহাম্মদ নজরুল ইসলামকে লঘুদণ্ড এবং মো. সগীর হোসেন, মো. মুনিরুজ্জামান, এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, মো. হেমায়েত উদ্দীন, মো. তোফায়েল হোসেনকে শাস্তি হিসেবে ‘তিরস্কার’ করার সুপারিশ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ৯ ও ১০ সেপ্টেম্বর দুই দিনে দেশের ৫৯ জেলায় নতুন ডিসি নিয়োগ দেওয়া হয়। এ পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ তুলে ১০ সেপ্টেম্বর সচিবালয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে হট্টগোল করেন উপসচিব পর্যায়ের এসব কর্মকর্তা।

এ ঘটনায় সমালোচনার মুখে তদন্ত কমিটি গঠন করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মো. মোখলেস উর রহমান বলেন, গত ১০ সেপ্টেম্বর আমাদের মন্ত্রণালয়ে একটি আনরেস্ট (অসন্তোষ) হয়েছিল। সেটার জন্য এক সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। এটার প্রধান ছিলেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সিনিয়র সচিব এম এ আকমল হোসেন আজাদ। তার রিপোর্ট পাওয়া গেছে। বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা থেকেও প্রতিবেদন পাওয়া গেছে, সাক্ষী-প্রমাণ পাওয়া গেছে।

সিনিয়র সচিব বলেন, ১৭ জনকে তিনি জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন। তিনটি পর্যায়ে তিনি সাজেস্ট করেছেন কী কী ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। আটজনের বিষয় বলা হয়েছে, তদন্তসাপেক্ষে কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করে গুরুদণ্ড দেওয়া যেতে পারে। চারজনের বিষয় বলা হয়েছে তদন্ত সাপেক্ষে বিধিবিধান অনুযায়ী লঘুদণ্ড দেওয়া যেতে পারে। আর পাঁচজনের ব্যাপারে বলা হয়েছে, তাদের শাস্তি তিরস্কার দেওয়া যেতে পারে। তাদের সাবধান করা, যাতে ভবিষ্যতে এটা না করে।

ট্রেনে রাবি শিক্ষার্থীকে মারধরের প্রতিবাদে রাজশাহীতে রেললাইন অবরোধ, ভোগান্তি চরমে

মোঃ হাসানুজ্জামান, বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ১০:১৪ পূর্বাহ্ণ
ট্রেনে রাবি শিক্ষার্থীকে মারধরের প্রতিবাদে রাজশাহীতে রেললাইন অবরোধ, ভোগান্তি চরমে

পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনের টিটির মারধরের শিকার হয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক শিক্ষার্থী। এই ঘটনায় অভিযুক্তের শাস্তির দাবিতে রেললাইন অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে ক্যাম্পাস সংলগ্ন এলাকায় রেললাইন অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ফোরকান উদ্দীন জানান, ঢাকা থেকে পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনে রাজশাহী ফিরছিলেন তিনি। এ সময় যাত্রীদের কাছ থেকে রসিদ ছাড়াই টিটি টাকা আদায় করায় এর প্রতিবাদ করেন। এজন্য তাকে মারধর করেন টিটি।

পদ্মা এক্সপ্রেসের টিটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ২০১৯-২০ সেশনের এক শিক্ষার্থীকে মারধরের প্রতিবাদে ট্রেন চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ।

তিনি জানান, রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এসে বিষয়টির সুরাহা না করা পর্যন্ত রাজশাহীর সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকবে। অভিযুক্ত টিটিকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে এবং তার বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

তিনি উল্লেখ করেন যে, ইতিপূর্বে রাবি শিক্ষার্থীদের সাথে একাধিকবার বিভিন্ন ধরনের অন্যায় আচরণ করা হয়েছে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আজকের পর থেকে কোনো রেলগুন্ডা যেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থীর দিকে আর বাঁকা চোখে তাকানোর সাহস না পায়- সেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

এদিকে শিক্ষার্থীদের রেললাইন অবরোধে পুরোপুরি থেমে আছে রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী সকল ট্রেন। যার ফলে চরম ক্ষুব্ধ ট্রেনের যাত্রীরা। অভিযোগ তুলে তারা বলেন, ‘আমরা এদের কাছে জিম্মি। মার খেয়েছে ছাত্র, দোষ করলো টিটি। অথচ ভোগান্তি হচ্ছে আমাদের। রেল কর্তৃপক্ষ এসব সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধান না করলে ভোগান্তি বাড়বেই।’

বিজিবির জনবল, অস্ত্র ও প্রযুক্তি সক্ষমতা বাড়াতে সরকারের একাধিক সিদ্ধান্ত

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬, ১১:২৪ অপরাহ্ণ
বিজিবির জনবল, অস্ত্র ও প্রযুক্তি সক্ষমতা বাড়াতে সরকারের একাধিক সিদ্ধান্ত

সীমান্ত নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর জনবল বৃদ্ধি, আধুনিক অস্ত্র ও সরঞ্জাম সংগ্রহ, প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি ব্যবস্থা সম্প্রসারণ এবং মাদক দমনে ডগ স্কোয়াডের সক্ষমতা আরও কার্যকরভাবে ব্যবহারের বিষয়ে একাধিক নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

সোমবার (২০ জুলাই) রাজধানীর পিলখানায় বিজিবি সদর দপ্তর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

তিনি বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর এই প্রথম বিজিবি সদর দপ্তর পরিদর্শন করে বাহিনীটির কার্যক্রম, সক্ষমতা, জনবল, সেক্টর ও ব্যাটালিয়নের বর্তমান অবস্থা এবং ভবিষ্যৎ প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা নেওয়া হয়েছে। বৈঠকে সীমান্তে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে কীভাবে নজরদারি ও গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ আরও কার্যকর করা যায়, সে বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশে মাদক প্রবেশ ঠেকাতে বিজিবির ভূমিকা আরও জোরদার করা হবে। এ ক্ষেত্রে বাহিনীটির ডগ স্কোয়াডের সক্ষমতা বাড়িয়ে তা আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানোর পরিকল্পনাও সরকারের রয়েছে।

তিনি জানান, বিজিবিকে আরও আধুনিক ও কার্যকর বাহিনীতে রূপ দিতে জনবল বৃদ্ধি, নতুন যানবাহন, আধুনিক সরঞ্জাম এবং প্রয়োজনীয় অস্ত্র সংগ্রহের বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় বিজিবির সক্ষমতা আরও বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সাম্প্রতিক বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবির ভূমিকা প্রশংসনীয় ছিল। দুর্গম এলাকায় ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া এবং উদ্ধার কার্যক্রমে বাহিনীটির সক্রিয় অংশগ্রহণ সাধারণ মানুষের আস্থা আরও বাড়িয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সীমান্ত পাহারার পাশাপাশি জনসম্পৃক্ত কার্যক্রমেও বিজিবির অংশগ্রহণ বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে প্রশাসনিক ভবন নির্মাণ, বিজিবি হাসপাতালের সক্ষমতা বৃদ্ধি, চিকিৎসক ও নার্স নিয়োগসহ অবকাঠামোগত উন্নয়নের যেসব প্রস্তাব বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে আটকে রয়েছে, সেগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হবে।

অতিরিক্ত অর্থ আত্মসাৎ ও মানব পাচার

মালয়েশিয়া শ্রমবাজার সিন্ডিকেট: ৪৯ রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬, ৭:২০ অপরাহ্ণ
মালয়েশিয়া শ্রমবাজার সিন্ডিকেট: ৪৯ রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল

মালয়েশিয়া শ্রমবাজারে সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত থাকার দায়ে ৪৯টি রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স প্রত্যাহার করেছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।

গতকাল রোববার (১৯ জুলাই) মন্ত্রণালয়ের মনিটরিং শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। সংশ্লিষ্ট এজেন্সিগুলোর বিরুদ্ধে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে সিন্ডিকেট তৈরি করে কয়েক হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও বিদেশে পাচারের অভিযোগ রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মালয়েশিয়ায় সিন্ডিকেট করে লোক পাঠিয়ে অতিরিক্ত অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে পল্টন থানায় একটি মানবপাচার মামলা দায়ের করা হয়। সেই মামলায় ৪৯টি এজেন্সির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। তারই প্রেক্ষিতে এই ৪৯টি লাইসেন্স বাতিল করেছে মন্ত্রণালয়।

এদিকে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর অনুকূলে ইস্যুকৃত লাইসেন্সের শর্ত অনুযায়ী প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান আইন, ২০১৩, বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী (সংশোধন) আইন, ২০২৩ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য আইন ও বিধি-বিধান মেনে চলা বাধ্যতামূলক। তবে সংশ্লিষ্ট রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪০৬, ৪২০, ৩৮৫, ৩৮৬, ৪২৭ ও ৩৪ ধারায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল এবং তা গৃহীত হওয়ায় বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী আইন, ২০১৩-এর ১৩ ধারার ক্ষমতাবলে তাদের লাইসেন্স প্রত্যাহার করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনটিতে স্বাক্ষর করেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব রাশিদা আক্তার।

লাইসেন্স প্রত্যাহার হওয়া সাদিয়া ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী ও বায়রা’র সাবেক মহাসচিব শামিম আহমেদ চৌধুরী নোমান গণমাধ্যমে বলেন, ‘মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর সাথে ১০০ এজেন্সি জড়িত ছিল। তাহলে ৪১ জনের লাইসেন্স প্রত্যাহার হলো কীভাবে। অন্যায় যদি হয়ে থাকে সবারই তো দায় থাকার কথা।’

‘আদালতের মাধ্যমে কোনো অভিযোগের ভিত্তিতে চূড়ান্ত বিচার সম্পন্ন হওয়ার আগে এভাবে লাইসেন্স প্রত্যাহার কীভাবে হতে পারে জানা নেই, বলে আপত্তি তোলেন তিনি।

ট্রেনে রাবি শিক্ষার্থীকে মারধরের প্রতিবাদে রাজশাহীতে রেললাইন অবরোধ, ভোগান্তি চরমে বিজিবির জনবল, অস্ত্র ও প্রযুক্তি সক্ষমতা বাড়াতে সরকারের একাধিক সিদ্ধান্ত মালয়েশিয়া শ্রমবাজার সিন্ডিকেট: ৪৯ রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল সিরাজগঞ্জে জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতা (জিবিভি) ওয়ার্কিং সভা অনুষ্ঠিত বেলকুচি উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত