খুঁজুন

লিবিয়ার সঙ্গে ৪ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র চুক্তি পাকিস্তানের, থাকছে যুদ্ধবিমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১০:৩৫ পূর্বাহ্ণ
লিবিয়ার সঙ্গে ৪ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র চুক্তি পাকিস্তানের, থাকছে যুদ্ধবিমান

পাকিস্তান চীনের সঙ্গে যৌথভাবে তৈরি যুদ্ধবিমানসহ সামরিক সরঞ্জাম বিক্রির জন্য লিবিয়ার পূর্বাঞ্চল নিয়ন্ত্রণকারী জেনারেল খলিফা হাফতারের নেতৃত্বাধীন লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মির (এলএনএ) সঙ্গে চার বিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্যের একটি চুক্তি করেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।

এই চুক্তি কার্যকর হলে তেলসমৃদ্ধ উত্তর আফ্রিকার দেশ লিবিয়ায় সামরিক শক্তির ভারসাম্যে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। দেশটিতে বর্তমানে হাফতার পূর্বাঞ্চলের নিয়ন্ত্রণে থাকলেও পশ্চিমাঞ্চলে ত্রিপোলিভিত্তিক জাতিসংঘ স্বীকৃত সরকার পরিচালনা করছেন প্রধানমন্ত্রী আবদুল হামিদ দিবেইবা।

গত সপ্তাহে বেনগাজি সফরে গিয়ে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির হাফতারের ছেলে সাদ্দামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। ওই সফরেই অস্ত্রচুক্তিটি চূড়ান্ত হয় বলে জানিয়েছে রয়টার্স। সেখানে লিবিয়ান কর্মকর্তাদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে মুনির বলেন, ‘আপনাদের সশস্ত্র বাহিনীকে যতটা সম্ভব শক্তিশালী করুন। কারণ সশস্ত্র বাহিনীই রাষ্ট্রের অস্তিত্ব নিশ্চিত করে।’

লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মির কর্মকর্তাদের উদ্দেশে দেওয়া এক ভিডিও ভাষণে মুনির বলেন, ‘লিবিয়া বীরদের ভূমি।’ এ সময় তিনি লিবিয়ার ইসলামি চিন্তাবিদ ও স্বাধীনতা সংগ্রামী ওমর আল-মুখতারের কথা উল্লেখ করেন, যার নেতৃত্বে ১৯২০ ও ৩০-এর দশকে ইতালীয় দখলদারদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে ওঠে। তার জীবনসংগ্রাম নিয়ে ১৯৮১ সালে ‘লায়ন অব দ্য ডেজার্ট’ চলচ্চিত্র নির্মিত হয়।

রয়টার্সের দেখা চুক্তির একটি খসড়া অনুযায়ী, হাফতারের বাহিনী পাকিস্তান ও চীনের যৌথ উদ্যোগে তৈরি জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমানের ১৬টি এবং প্রাথমিক পাইলট প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহৃত সুপার মুশাক প্রশিক্ষণ বিমানের ১২টি কিনবে। রয়টার্সকে উদ্ধৃত এক পাকিস্তানি কর্মকর্তা জানান, চুক্তিটি আড়াই বছরে বাস্তবায়ন হবে এবং এতে স্থল, নৌ ও আকাশপথের বিভিন্ন সামরিক সরঞ্জাম অন্তর্ভুক্ত থাকবে। দুই পাকিস্তানি কর্মকর্তার মতে, চুক্তির মোট মূল্য সর্বোচ্চ ৪ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে, যা পাকিস্তানের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় অস্ত্র রপ্তানি চুক্তি।

বর্তমানে ত্রিপোলির সরকার বা হাফতারের বাহিনীর কারও কাছেই উল্লেখযোগ্য আকাশবাহিনী নেই।

২০১৯ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, মিসর ও রাশিয়ার সমর্থনে হাফতার ত্রিপোলি দখলের ব্যর্থ চেষ্টা চালান। সে সময় তুরস্ক ত্রিপোলিভিত্তিক সরকারকে রক্ষায় হস্তক্ষেপ করে, ভাড়াটে যোদ্ধা ও টিবি২ ড্রোন পাঠায়। এরপর থেকে তুরস্ক লিবিয়ার পশ্চিমাঞ্চলে হাজার হাজার সেনা মোতায়েন করে এবং ত্রিপোলির সরকারের সঙ্গে বিতর্কিত সামুদ্রিক চুক্তি করে।

জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে ২০২১ সালে নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে দিবেইবাকে প্রধানমন্ত্রী করা হলেও নির্বাচন আর হয়নি। বরং তিনি ত্রিপোলি নিয়ন্ত্রণকারী প্রভাবশালী মিলিশিয়াদের সঙ্গে সম্পর্ক দৃঢ় করে ক্ষমতা ধরে রেখেছেন।

২০১১ সালে ন্যাটোর নেতৃত্বে মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পর থেকে লিবিয়া উপসাগরীয় দেশগুলো ও তুরস্কের প্রক্সি সংঘাতের ক্ষেত্র হয়ে ওঠে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সেই বিভাজন অনেকটাই ঝাপসা হয়েছে।

লিবিয়ার পরিবর্তিত মিত্রতা:
সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরব ত্রিপোলির সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক বাড়িয়েছে। অন্যদিকে তুরস্ক হাফতারের ছেলে ও সম্ভাব্য উত্তরসূরি সাদ্দামের মাধ্যমে হাফতারের সঙ্গে যোগাযোগ জোরদার করেছে। চলতি বছরের শুরুতে খলিফা হাফতারের তুরস্ক সফরের আলোচনা হলেও শেষ পর্যন্ত তা বাস্তবায়িত হয়নি।

ইসলামাবাদের সঙ্গে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত—দু’দেশেরই ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। এর মধ্যে হাফতারের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ উপসাগরীয় মিত্র আমিরাত হলেও সৌদি আরবও তাকে সমর্থন দিয়েছে এবং তার পক্ষে লবিং করেছে। মিডল ইস্ট আইয়ের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রিয়াদে রাশিয়ার দূতাবাস একসময় মস্কোর সঙ্গে হাফতারের যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে কাজ করেছে।

তবে সুদানের সংঘাত ঘিরে হাফতার পরিবারের অবস্থানের কারণে মিসরের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক টানাপোড়েনে পড়েছে। অভিযোগ রয়েছে, সুদানের আধাসামরিক বাহিনী র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসকে (আরএসএফ) সমর্থন ও সমন্বয় করেছে হাফতারের বাহিনী।

লিবিয়ার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল ও সুদানের দারফুর অঞ্চলের মধ্যে সীমান্ত রয়েছে। মিডল ইস্ট আইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই সীমান্ত দিয়ে আরএসএফের কাছে অস্ত্র পাঠাতে সহায়তা করেছে হাফতার। জুন মাসে আরব কর্মকর্তারা জানান, হাফতারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বাহিনী আরএসএফের সঙ্গে যৌথভাবে সীমান্ত পেরিয়ে সুদানি সেনাবাহিনীর অনুগত বাহিনীর ওপর হামলা চালায়, যাদের মিসর সমর্থন দেয়।

হাফতারের কাছে পাকিস্তানের অস্ত্র বিক্রি দেশটির কূটনৈতিক সম্পর্কে জটিলতা তৈরি করতে পারে। উপসাগরীয় দেশগুলো এ চুক্তিতে খুব একটা উদ্বিগ্ন না হলেও তুরস্কের প্রতিক্রিয়া নেতিবাচক হতে পারে। পাকিস্তানের সঙ্গে তুরস্কের ঘনিষ্ঠ কূটনৈতিক ও নিরাপত্তা সম্পর্ক রয়েছে। কাশ্মীর ইস্যুতে ভারত-পাকিস্তান বিরোধে আঙ্কারা ইসলামাবাদের পক্ষে অবস্থান নেয়। তুরস্ক পাকিস্তানের তৃতীয় বৃহত্তম অস্ত্র সরবরাহকারী, যদিও সবচেয়ে বড় সরবরাহকারী চীনের তুলনায় তা অনেক কম।

পাকিস্তানের বাড়তে থাকা ভূমিকা:
অর্থনৈতিক সংকটে থাকা পাকিস্তান সরকার অস্ত্র রপ্তানি বাড়ানোর চেষ্টা করছে। মে মাসে ভারতের সঙ্গে সীমান্তে হওয়া প্রাণঘাতী সামরিক সংঘাতে নিজেদের সামরিক সরঞ্জামের কার্যকারিতা তুলে ধরে তারা আন্তর্জাতিক বাজারে আগ্রহ বাড়াতে চায়।

জাতিসংঘ ২০১১ সাল থেকে লিবিয়ার ওপর অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে রেখেছে। তবু বছরের পর বছর দেশটিতে অস্ত্র প্রবাহ অব্যাহত রয়েছে।

চীনের তৈরি অস্ত্র বিক্রি করলেও সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্কও উন্নত হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে ফেরার পর দুই দেশের যোগাযোগ বেড়েছে। গত অক্টোবরে মিসরে গাজা যুদ্ধবিরতির এক অনুষ্ঠানে সরাসরি সম্প্রচারিত বক্তব্যে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ ট্রাম্পকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন দেন।

পাকিস্তানে সবচেয়ে প্রভাবশালী নেতা হিসেবে বিবেচিত সেনাপ্রধান আসিম মুনির এ বছর দু’বার ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। গাজা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য তিনি তৃতীয়বারের মতো হোয়াইট হাউস সফরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।

‘কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৩০ অপরাহ্ণ
‘কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু

‘আমি বেঁচে থাকতে কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’-নির্বাচনী মাঠে এমন দৃঢ় প্রত্যয়ের কথা বলার কয়েক ঘণ্টা পরই চিরতরে নির্বাচনী মাঠ ছাড়লেন কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম খোকন।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়ে দিনভর গণসংযোগ করার পর রাতেই না ফেরার দেশে চলে যান তিনি।

তিনি চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এবং কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ছিলেন। গত কয়েক মাস ধরে শুহিলপুর ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ভোটার ও সমর্থকদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছিলেন তিনি।

জানা যায়, এদিন নিজের ইউনিয়ন শুহিলপুরে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার লক্ষে হাজারো নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে গণসংযোগ করেন বিএনপির এ নেতা। চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে দিনভর নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে নির্বাচনী শোডাউন করেছিলেন তিনি। সন্ধ্যায় পথসভায়ও দিয়েছিলেন জয়ের প্রত্যয়ী বক্তব্য।

দিনভর প্রচারণা শেষে গতকাল সন্ধ্যায় শালিখা বাজারে আয়োজিত পথসভায় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বক্তব্য দেন খোকন।

পথসভায় বিএনপি নেতা বলেন, আপনারা কি চান, শাওন সাহেব (বর্তমান এমপি) আমাকে দলীয় প্রার্থী করুক? তাহলে নিশ্চিত থাকেন, শাওন সাহেব এই ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আমাকে প্রার্থী ঘোষণা করবেন।

তার বক্তব্যে ছিল নির্বাচনে জয়ের প্রত্যয়, ছিল ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা পরিকল্পনা। নেতা-কর্মীদের মধ্যেও ছিল উৎসাহ-উদ্দীপনা। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানেই যেন বদলে গেল সবকিছু।

সারাদিনের নির্বাচনী কর্মসূচি শেষে রাতে বাড়ি ফিরে খাবার খান সাইফুল ইসলাম খোকন। এরপর ঘুমাতে যাওয়ার প্রস্তুতিকালে রাত আনুমানিক ১২টার দিকে হঠাৎ বুকে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করেন তিনি। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে ইলিয়টগঞ্জ বাজারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে পরে দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর বাজারের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে সেখানে তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন মেঝ ছেলে সাঈদ।

মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেও যে মানুষটি নেতা-কর্মীদের সামনে দাঁড়িয়ে নির্বাচনে নিজের প্রার্থিতার কথা বলছিলেন, রাত না পেরোতেই সেই মানুষটিই চলে গেলেন না ফেরার দেশে। থেমে গেল তার রাজনৈতিক পথচলা। থেমে গেল চেয়ারম্যান হওয়ার স্বপ্ন। নির্বাচনী মাঠ থেকে সরে গেলেন ঠিকই তবে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বীর কাছে পরাজিত হয়ে নয়, চিরদিনের জন্য।

সাইফুল ইসলাম খোকনের আকস্মিক মৃত্যুতে শুহিলপুর ইউনিয়নসহ পুরো চান্দিনার রাজনৈতিক অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজন, রাজনৈতিক সহকর্মী, নেতা-কর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে বিরাজ করছে গভীর শোক ও বেদনা।

জানা যায়, আজ সকাল ১১টায় ইলিয়টগঞ্জ রা.বি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার নামাজে জানাজে শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

এদিকে জানাজা নামাজের আগে কুমিল্লা-৭ আসনের সংসদ সদস্য উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আতিকুল আলম শাওন বলেন, সাইফুল ইসলাম খোকন আমার মরহুম পিতার সময়কাল থেকে বিএনপি’র রাজনীতি করেছেন। আমার কয়েকজন অভিভাবকদের মধ্যে তিনিও ছিলেন একজন। তার এই মৃত্যুতে শুহিলপুর ইউনিয়নসহ উপজেলা বিএনপিতে শূন্যতা সৃষ্টি হবে।

‘ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৩ অপরাহ্ণ
‘ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি

‘তুমি এখনো ভালো হওনি, ভালো হয়ে যাও মাসুদ’- সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের এমন মন্তব্যের পর দেশজুড়ে পরিচিতি পাওয়া বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) কর্মকর্তা মো. মাসুদ আলমকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় বদলি করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংস্থাটির আরও কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার দায়িত্বেও রদবদল আনা হয়েছে।

গত ৩১ আগস্ট বিআরটিএ চেয়ারম্যানের কার্যালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ বদলি ও পদায়নের বিষয়টি জানানো হয়। আদেশে উল্লেখ করা হয়, জনস্বার্থে নেওয়া এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে।

অফিস আদেশ অনুযায়ী, বিআরটিএ চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) মো. মাসুদ আলমকে ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

অন্যদিকে ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) শফিকুজ্জামান ভূঞাকে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের একই পদে বদলি করা হয়েছে। ফলে মাসুদ আলমের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন তিনি।

উল্লেখ্য, বিআরটিএর সেবা ও অনিয়ম নিয়ে এক পরিদর্শনকালে কর্মকর্তা মাসুদ আলমকে উদ্দেশ করে ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, ‘তুমি এখনো ভালো হওনি, ভালো হয়ে যাও মাসুদ।’ তার সেই বক্তব্য দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং মাসুদ আলমকে ঘিরে আলোচনা তৈরি হয়।

বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

মোঃ রেজাউল করিম, সিনিয়র রিপোর্টার:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৪ অপরাহ্ণ
বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকালে উপজেলার মুকুন্দগাঁতী ও ক্ষিদ্রমাটিয়া গ্রামের উদ্যোগে ও ঢাকা ব্যাংক পি এল সি অর্থায়নে ক্ষিদ্রমাটিয়া গ্রামের যমুনা নদীর শাখায় তিন দিনব্যাপী এই মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য আমিরুল ইসলাম খাঁন আলীম। 

বাইচ কমিটির সভাপতি আলতাফ হোসেনের সভাপতিত্বে আরোও উপস্থিত ছিলেন, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিষ্টার শাহানাজ প্রধান, সহকারী পুলিশ সুপার বেলকুচি সার্কেল শহিদুল ইসলাম, বেলকুচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোক্তারুজ্জামান, বেলকুচি কলেজের অধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা বিএনপির সদস্য গোলাম আজম, উপজেলার বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক মন্ডলসহ স্থানীয় গনমান্য ব্যক্তিবর্গ। 

সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পানসি ১৮ টা ও ১২ টা কোষা নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করেন। আগামী ৬ সেপ্টেম্বর রবিবার বাইচ প্রতিযোগিতার চুড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হবে।

'কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু 'ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন বিশ্বের সর্বোচ্চ খেলাপি ঋণের দেশ এখন বাংলাদেশ যতবারই নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়েছে ততবারই বিএনপি জিতেছে: মন্ত্রী দুলু