খুঁজুন

২৮৫৭ কোটি টাকা আত্মসাৎ

সালমান এফ রহমান, ভাই ও ছেলেদের বিরুদ্ধে দুদকের ৪ মামলা

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারি, ২০২৬, ৪:২৬ অপরাহ্ণ
সালমান এফ রহমান, ভাই ও ছেলেদের বিরুদ্ধে দুদকের ৪ মামলা

ঋণের নামে জনতা ব্যাংকের ২ হাজার ৮৫৭ কোটি টাকা ‘আত্মসাৎ ও মানি লন্ডারিংয়ের’ অভিযোগে সালমান এফ রহমান, তার ভাই সোহেল এফ রহমান এবং তাদের দুই ছেলেসহ ৯৪ জনকে আসামি করে চারটি মামলার অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন মামলার অনুমোদনের এসব তথ্য জানান।

ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি, শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান। দেশের শীর্ষস্থানীয় এ শিল্পগোষ্ঠীর চেয়ারম্যান তার ভাই সোহেল এফ রহমান। সালমানের ছেলে শায়ান ফজলুর রহমান এবং সোহেলের ছেলে আহমেদ শাহরিয়ার রহমানও কোম্পানির বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্বে রয়েছেন।

দুদক বলছে, রপ্তানি উন্নয়ন তহবিল (ইডিএফ) থেকে অর্থ পাওয়ার জন্য বেক্সিমকো গ্রুপ ২৪টি কোম্পানি খোলে। এর মধ্যে চারটি কোম্পানির নামে জনতা ব্যাংকের লোকাল অফিস থেকে ঋণ ও ইডিএফ সুবিধা নিয়ে বিপুল অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে চারটি মামলার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এর আগে জনতা ব্যাংকের ১ হাজার ৯৫০ কোটি টাকা ‘আত্মসাৎ ও মানি লন্ডারিংয়ের’ অভিযোগে গত নভেম্বরে সালমান এফ রহমান ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে পাঁচটি মামলা করেছিল দুদক।

দুদকের নথি অনুযায়ী, প্রথম মামলায় ইয়েলো অ্যাপারেলস লিমিটেডের নামে মোট ৪৮ কোটি ৯ লাখ ৭৮ হাজার ডলার আত্মসাতের অভিযোগ আনা হচ্ছে। ২০২১–২২ অর্থবছরের গড় বিনিময় হার (ডলারপ্রতি ৮৫ টাকা) অনুযায়ী ওই অর্থের পরিমাণ প্রায় ৪১৬ কোটি ৩১ লাখ টাকা।

দ্বিতীয় মামলায় পিংক মেকার গার্মেন্টস লিমিটেডের নামে মোট ৭৯ কোটি ৪ লাখ ৫০ হাজার ডলার, অর্থাৎ প্রায় ৬৭৫ কোটি ৩২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।

তৃতীয় মামলায় এ্যাপোলো অ্যাপারেলস লিমিটেডের নামে মোট ৮৪ কোটি ৬০ লাখ ডলার, অর্থাৎ প্রায় ৭১৯ কোটি ১৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হচ্ছে।

চতুর্থ মামলায় বে সিটি অ্যাপারেলস লিমিটেডের নামে সর্বাধিক ১২৩ কোটি ১ লাখ ডলার, অর্থাৎ প্রায় ১ হাজার ৪৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করা হচ্ছে।

মামলাগুলোতে বলা হয়েছে- ‘ক্ষমতার অপব্যবহার ও পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণা-জালিয়াতির মাধ্যমে’ ঢাকায় জনতা ব্যাংকের লোকাল অফিসে কয়েকটি ‘নবসৃষ্ট ও অভিজ্ঞতাহীন’ পোশাক শিল্প প্রতিষ্ঠানের নামে ইডিএফ ও বিবি এলসি সুবিধা অনুমোদন ও বিতরণ করা হয়। পরে এসব কোম্পানি নিজেদের মধ্যে ভুয়া আমদানি-রপ্তানি দেখিয়ে ‘অ্যাকোমোডেশন বিল’ তৈরি করে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা ‘উত্তোলন ও আত্মসাৎ’ করে।

‘আত্মসাতকৃত’ অর্থ নিজেদের মধ্যে হস্তান্তর, রূপান্তর ও স্তরায়নের মাধ্যমে মানি লন্ডারিং করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হচ্ছে মামলায়। পাশাপাশি বলা হচ্ছে, সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্মকর্তারা দায়িত্বে থেকেও ‘জেনেশুনে’ অনিয়ম অনুমোদন করেছেন; ফলে রাষ্ট্রীয় ব্যাংকের মাধ্যমে বিপুল অর্থ আত্মসাৎ এবং এর একটি অংশ বিদেশে পাচার হয়েছে।

ইয়েলো অ্যাপারেলস লিমিটেড:

জনতা ব্যাংকের মাধ্যমে ইয়েলো অ্যাপারেলস লিমিটেডের নামে ইডিএফ ও বিবি এলসি সুবিধা নিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আসামি করা হচ্ছে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি, শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, বেক্সিমকো গ্রুপের চেয়ারম্যান সোহেল এফ রহমান, সালমানের ছেলে আহমেদ শায়ান ফজলুর রহমান এবং সোহেলের ছেলে আহমেদ শাহরিয়ার রহমানকে।

এছাড়া বেক্সিমকো লিমিটেডের পরিচালক ইকবাল আহমেদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওসমান কায়সার চৌধুরী, পরিচালক এ বি সিদ্দিকুর রহমান, মাসুদ ইকরামুল্লাহ খান, শাহ মঞ্জুরুল হক ও রীম এইচ শামসুদ্দোহার নাম থাকছে মামলায়।

আসামির তালিকায় আরো থাকছেন ইয়েলো অ্যাপারেলস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাকসুদুর রহমান ও পরিচালক আইরিন আখতার।

জনতা ব্যাংকের সাবেক সিইও আব্দুছ ছালাম আজাদ, সাবেক ডেপুটি এমডি আব্দুল জব্বার, সাবেক মহাব্যবস্থাপক মো. শহিদুল হক, সাবেক উপ-মহাব্যবস্থাপক মিজানুর রহমান, সাবেক ডিজিএম মো. মমতাজুল ইসলাম ও মো. আব্দুর রহিম, সাবেক এজিএম মো. মোয়াজ্জেম হোসেন, তৎকালীন ম্যানেজার মো. সালেহ আহমেদ এবং সিনিয়র অফিসার রফিকুল ইসলামকেও এ মামলায় আসামি করা হচ্ছে।

পিংক মেকার গার্মেন্টস লিমিটেড:

পিংক মেকার গার্মেন্টস লিমিটেডের নামে ঋণ ও ইডিএফ সুবিধা নিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সালমান এফ রহমান, সোহেল এফ রহমান, তাদের দুই ছেলে আহমেদ শায়ান ফজলুর রহমান ও আহমেদ শাহরিয়ার রহমানকে আসামি করা হচ্ছে।

বেক্সিমকো লিমিটেডের পরিচালক ইকবাল আহমেদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওসমান কায়সার চৌধুরী, পরিচালক এ বি সিদ্দিকুর রহমান, মাসুদ ইকরামুল্লাহ খান, শাহ মঞ্জুরুল হক ও রীম এইচ শামসুদ্দোহার নাম থাকছে মামলায়।

আসামির তালিকায় নাম থাকছে পিংক মেকার গার্মেন্টস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুম্মান মোহাম্মদ ফাহীম খান ও পরিচালক কাজী উম্মে কুলসুম মৈত্রীর।

এছাড়া জনতা ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা মিজানুর রহমান, মো. মোয়াজ্জেম হোসেন, মো. আব্দুর রহিম, শ. ম. মাহাতাব হোসাইন বাদশা, মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, আবু নাঈম মাহমুদ সালেহিন ও মোস্তাফিজুর রহমান তানভীরকে এ মামলায় আসামি করা হচ্ছে।

এ্যাপোলো অ্যাপারেলস লিমিটেড:

এ্যাপোলো অ্যাপারেলস লিমিটেডের নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আসামি করা হচ্ছে সালমান এফ রহমান, সোহেল এফ রহমান, তাদের দুই ছেলে আহমেদ শায়ান ফজলুর রহমান ও আহমেদ শাহরিয়ার রহমানকে।

বেক্সিমকো লিমিটেডের পরিচালক ইকবাল আহমেদ, ওসমান কায়সার চৌধুরী, এ বি সিদ্দিকুর রহমান, মাসুদ ইকরামুল্লাহ খান, শাহ মঞ্জুরুল হক ও রীম এইচ শামসুদ্দোহার নাম থাকছে আসামির তালিকায়।

এ্যাপোলো অ্যাপারেলস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ ফরিদুজ্জামান ও পরিচালক কামরুন নাহার নাসিমাও এ মামলার আসামি হচ্ছেন।

এছাড়া জনতা ব্যাংকের সাবেক সিইও আব্দুছ ছালাম আজাদ, সাবেক ডেপুটি এমডি ইসমাইল হোসেন, সাবেক মহাব্যবস্থাপক মো. শহিদুল হক, মিজানুর রহমান, মো. রফিকুল ইসলাম, মো. সালেহ আহমেদ, মো. মমতাজুল ইসলাম, মো. মোয়াজ্জেম হোসেন, শ. ম. মাহাতাব হোসাইন বাদশা ও মোবারক হোসেনকে এজাহারে আসামি করা হচ্ছে।

বে সিটি অ্যাপারেলস লিমিটেড:

বে সিটি অ্যাপারেলস লিমিটেডের নামে সর্বাধিক অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আসামি করা হচ্ছে সালমান এফ রহমান, সোহেল এফ রহমান, তাদের দুই ছেলে আহমেদ শায়ান ফজলুর রহমান ও আহমেদ শাহরিয়ার রহমানকে।

বেক্সিমকো লিমিটেডের পরিচালক ইকবাল আহমেদ, ওসমান কায়সার চৌধুরী, এ বি সিদ্দিকুর রহমান, মাসুদ ইকরামুল্লাহ খান, শাহ মঞ্জুরুল হক ও রীম এইচ শামসুদ্দোহার নাম থাকছে আসামির তালিকায়।

বে সিটি অ্যাপারেলস লিমিটেডের পরিচালক হাসান মাহমুদ সানাউল হক ও নূসরাৎ হায়দারও এ মামলার আসামি হচ্ছেন।

এছাড়া জনতা ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা আব্দুছ ছালাম আজাদ, আব্দুল জব্বার, মো. শহিদুল হক, মিজানুর রহমান, মো. রফিকুল ইসলাম, মো. সালেহ আহমেদ, মো. মমতাজুল ইসলাম, মো. মোয়াজ্জেম হোসেন, মো. হুমায়ুন কবির ঢালী, শ. ম. মাহাতাব হোসাইন বাদশা, মো. আব্দুর রহিম, সালাউদ্দিন খান মজলিস, আব্দুর রউফ, আবু নাঈম মাহমুদ সালেহিন ও মোস্তাফিজুর রহমান তানভীরকে মামলার আসামি করা হচ্ছে।

বিশেষ দ্রষ্টব্য: দুদক ও কিছু সূত্রের ভিত্তিতে নিউজটি প্রকাশিত হয়েছে।

‘কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৩০ অপরাহ্ণ
‘কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু

‘আমি বেঁচে থাকতে কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’-নির্বাচনী মাঠে এমন দৃঢ় প্রত্যয়ের কথা বলার কয়েক ঘণ্টা পরই চিরতরে নির্বাচনী মাঠ ছাড়লেন কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম খোকন।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়ে দিনভর গণসংযোগ করার পর রাতেই না ফেরার দেশে চলে যান তিনি।

তিনি চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এবং কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ছিলেন। গত কয়েক মাস ধরে শুহিলপুর ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ভোটার ও সমর্থকদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছিলেন তিনি।

জানা যায়, এদিন নিজের ইউনিয়ন শুহিলপুরে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার লক্ষে হাজারো নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে গণসংযোগ করেন বিএনপির এ নেতা। চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে দিনভর নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে নির্বাচনী শোডাউন করেছিলেন তিনি। সন্ধ্যায় পথসভায়ও দিয়েছিলেন জয়ের প্রত্যয়ী বক্তব্য।

দিনভর প্রচারণা শেষে গতকাল সন্ধ্যায় শালিখা বাজারে আয়োজিত পথসভায় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বক্তব্য দেন খোকন।

পথসভায় বিএনপি নেতা বলেন, আপনারা কি চান, শাওন সাহেব (বর্তমান এমপি) আমাকে দলীয় প্রার্থী করুক? তাহলে নিশ্চিত থাকেন, শাওন সাহেব এই ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আমাকে প্রার্থী ঘোষণা করবেন।

তার বক্তব্যে ছিল নির্বাচনে জয়ের প্রত্যয়, ছিল ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা পরিকল্পনা। নেতা-কর্মীদের মধ্যেও ছিল উৎসাহ-উদ্দীপনা। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানেই যেন বদলে গেল সবকিছু।

সারাদিনের নির্বাচনী কর্মসূচি শেষে রাতে বাড়ি ফিরে খাবার খান সাইফুল ইসলাম খোকন। এরপর ঘুমাতে যাওয়ার প্রস্তুতিকালে রাত আনুমানিক ১২টার দিকে হঠাৎ বুকে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করেন তিনি। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে ইলিয়টগঞ্জ বাজারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে পরে দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর বাজারের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে সেখানে তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন মেঝ ছেলে সাঈদ।

মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেও যে মানুষটি নেতা-কর্মীদের সামনে দাঁড়িয়ে নির্বাচনে নিজের প্রার্থিতার কথা বলছিলেন, রাত না পেরোতেই সেই মানুষটিই চলে গেলেন না ফেরার দেশে। থেমে গেল তার রাজনৈতিক পথচলা। থেমে গেল চেয়ারম্যান হওয়ার স্বপ্ন। নির্বাচনী মাঠ থেকে সরে গেলেন ঠিকই তবে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বীর কাছে পরাজিত হয়ে নয়, চিরদিনের জন্য।

সাইফুল ইসলাম খোকনের আকস্মিক মৃত্যুতে শুহিলপুর ইউনিয়নসহ পুরো চান্দিনার রাজনৈতিক অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজন, রাজনৈতিক সহকর্মী, নেতা-কর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে বিরাজ করছে গভীর শোক ও বেদনা।

জানা যায়, আজ সকাল ১১টায় ইলিয়টগঞ্জ রা.বি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার নামাজে জানাজে শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

এদিকে জানাজা নামাজের আগে কুমিল্লা-৭ আসনের সংসদ সদস্য উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আতিকুল আলম শাওন বলেন, সাইফুল ইসলাম খোকন আমার মরহুম পিতার সময়কাল থেকে বিএনপি’র রাজনীতি করেছেন। আমার কয়েকজন অভিভাবকদের মধ্যে তিনিও ছিলেন একজন। তার এই মৃত্যুতে শুহিলপুর ইউনিয়নসহ উপজেলা বিএনপিতে শূন্যতা সৃষ্টি হবে।

‘ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৩ অপরাহ্ণ
‘ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি

‘তুমি এখনো ভালো হওনি, ভালো হয়ে যাও মাসুদ’- সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের এমন মন্তব্যের পর দেশজুড়ে পরিচিতি পাওয়া বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) কর্মকর্তা মো. মাসুদ আলমকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় বদলি করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংস্থাটির আরও কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার দায়িত্বেও রদবদল আনা হয়েছে।

গত ৩১ আগস্ট বিআরটিএ চেয়ারম্যানের কার্যালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ বদলি ও পদায়নের বিষয়টি জানানো হয়। আদেশে উল্লেখ করা হয়, জনস্বার্থে নেওয়া এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে।

অফিস আদেশ অনুযায়ী, বিআরটিএ চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) মো. মাসুদ আলমকে ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

অন্যদিকে ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) শফিকুজ্জামান ভূঞাকে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের একই পদে বদলি করা হয়েছে। ফলে মাসুদ আলমের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন তিনি।

উল্লেখ্য, বিআরটিএর সেবা ও অনিয়ম নিয়ে এক পরিদর্শনকালে কর্মকর্তা মাসুদ আলমকে উদ্দেশ করে ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, ‘তুমি এখনো ভালো হওনি, ভালো হয়ে যাও মাসুদ।’ তার সেই বক্তব্য দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং মাসুদ আলমকে ঘিরে আলোচনা তৈরি হয়।

বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

মোঃ রেজাউল করিম, সিনিয়র রিপোর্টার:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৪ অপরাহ্ণ
বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকালে উপজেলার মুকুন্দগাঁতী ও ক্ষিদ্রমাটিয়া গ্রামের উদ্যোগে ও ঢাকা ব্যাংক পি এল সি অর্থায়নে ক্ষিদ্রমাটিয়া গ্রামের যমুনা নদীর শাখায় তিন দিনব্যাপী এই মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য আমিরুল ইসলাম খাঁন আলীম। 

বাইচ কমিটির সভাপতি আলতাফ হোসেনের সভাপতিত্বে আরোও উপস্থিত ছিলেন, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিষ্টার শাহানাজ প্রধান, সহকারী পুলিশ সুপার বেলকুচি সার্কেল শহিদুল ইসলাম, বেলকুচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোক্তারুজ্জামান, বেলকুচি কলেজের অধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা বিএনপির সদস্য গোলাম আজম, উপজেলার বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক মন্ডলসহ স্থানীয় গনমান্য ব্যক্তিবর্গ। 

সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পানসি ১৮ টা ও ১২ টা কোষা নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করেন। আগামী ৬ সেপ্টেম্বর রবিবার বাইচ প্রতিযোগিতার চুড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হবে।

'কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু 'ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন বিশ্বের সর্বোচ্চ খেলাপি ঋণের দেশ এখন বাংলাদেশ যতবারই নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়েছে ততবারই বিএনপি জিতেছে: মন্ত্রী দুলু