খুঁজুন

চর দখল নিয়ে সংঘর্ষে ৬ জনের মৃত্যু

বাদীকে আটকে হত্যার হুমকি দিয়ে ওসির বিরুদ্ধে এজাহারে আসামি পরিবর্তনের অভিযোগ

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩ জানুয়ারি, ২০২৬, ৩:২১ অপরাহ্ণ
বাদীকে আটকে হত্যার হুমকি দিয়ে ওসির বিরুদ্ধে এজাহারে আসামি পরিবর্তনের অভিযোগ

নোয়াখালীর হাতিয়ার জাগলার চরে সংঘর্ষে ৬ জন নিহতের ঘটনায় হত্যা মামলার বাদীকে আটকে রেখে ভয় দেখিয়ে এজাহারে আসামি বদলের অভিযোগ উঠেছে হাতিয়া থানার ওসি মো. সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে। ওই ঘটনায় হাতিয়া থানায় পৃথক দুটি হত্যা মামলা হয়।

অভিযোগ উঠেছে, মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে ওসি দুই মামলার বাদীকে হত্যার হুমকি দিয়ে মনগড়াভাবে আসামির তালিকা করেছেন। দুই মামলার বাদী এ অভিযোগ এনে জেলা প্রশাসক বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

জানা যায়, গত ২৩ ডিসেম্বর হাতিয়া উপজেলার সুখচর ইউনিয়নের জাগলার চরে ভূমি দখল ও আধিপত্যকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসী আলাউদ্দিন বাহিনী, কোপা সামছু বাহিনী ও ফরিদ কমান্ডার বাহিনীর মধ্যে দিনভর ত্রিমুখী সংঘর্ষ চলে। একপর্যায়ে ফরিদ কমান্ডার বাহিনীর সদস্যরা পালিয়ে গেলেও আলাউদ্দিন বাহিনীর প্রধান আলাউদ্দিন, কোপা সামছু বাহিনীর প্রধান কোপা সামছু, তার ছেলে মোবারক হোসেন শিহাবসহ ছয়জনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ২৫ সেপ্টেম্বর নিহত কোপা সামছুর ভাই আবুল বাসার বাদী হয়ে ৩০ জনের নাম উল্লেখ ও ১০-১২ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে হাতিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

একই ঘটনায় ২৬ সেপ্টেম্বর নিহত আলাউদ্দিনের বাবা মহিউদ্দিন বাদী হয়ে ২১ জনের নাম উল্লেখ করে ও ৪০-৫০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে একই থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। এজাহারের সময় জোরপূর্বক আসামি পরিবর্তন করা হয়েছে বলে অভিযোগ দুই মামলার বাদী আবুল বাসার ও মহিউদ্দিনের।

নিহত আলাউদ্দিনের বাবা মহিউদ্দিনের অভিযোগ, ২৬ সেপ্টেম্বর দুপুরে হত্যার ঘটনায় হাতিয়া থানায় মামলা করতে গেলে স্থানীয় কয়েকজন রাজনৈতিক নেতা জোরপূর্বক তাকে থানায় ওসির কক্ষের পাশের একটি কক্ষে আটক করে রাখেন। এ সময় তাকে পুলিশের পক্ষ থেকে লিখিত একটি এজাহারে স্বাক্ষর দিতে বললে তিনি অপারগতা জানান। স্বাক্ষর না দেওয়ায় তাকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বাইরে থেকে তালা লাগিয়ে আটক রাখা হয় এবং স্বাক্ষর না করলে হত্যা করা হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়।

একপর্যায়ে প্রাণভয়ে তিনি এজাহারে স্বাক্ষর করেন বলে অভিযোগ করেন। এজাহারে অভিযুক্ত আসামিদের অনেকেই নিরপরাধ এবং এ ঘটনায় সম্পৃক্ত না উল্লেখ করে তিনি বলেন, এজাহারে ওসি নিজের ইচ্ছেমতো নাম বসিয়েছেন। অনেক আসামির নাম নিজেই নতুন শুনছি।

অন্য মামলার বাদী নিহত কোপা সামছুর ভাই আবুল বাসার বলেন, আমি এজাহারে যাদের নাম উল্লেখ করেছি থানার লোকজন সেসব নাম দেখে সেই এজাহার পরিবর্তন করে নতুন করে এজাহার লিখে আমার কাছ থেকে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নিয়েছে। বর্তমান এজাহারে থাকা আসামিদের অনেককেই আমি চিনি না। ভাইকে হারিয়েছি, আমরা এর ন্যায়বিচার চাই।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ওসি মো. সাইফুল আলম গণমাধ্যমে বলেন, জাগলারচরে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনায় এখন পর্যন্ত দুটি মামলা হয়েছে। মামলার বাদীরা আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ করছেন, এগুলো শতভাগ মিথ্যা। তারা স্বাধীনভাবে নিজেদের ইচ্ছাতে এজাহার দিয়েছে। এখন কেন, কী কারণে এগুলো বলছে, তা আমি জানি না। এ বিষয়ে কোনো মন্তব্যও করতে চাই না। থানায় আটকে রেখে বাদীকে ‘হত্যার ভয় দেখিয়ে এজাহারে স্বাক্ষর’-এর বিষয়ে জানতে চাইলে ওসি বলেন, থানা পুলিশের পক্ষ থেকে তাদের ওপর কোনো প্রেশার ছিল না।

এবিষয়ে নোয়াখালী পুলিশ সুপার টিএম মোশাররফ হোসেন গণমাধ্যমে বলেন, এ বিষয়ে একটি মৌখিক অভিযোগ শুনেছি। পাশাপাশি জেলা প্রশাসক বরাবর দেওয়া লিখিত অভিযোগের একটি অনুলিপি পেয়েছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

‘কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৩০ অপরাহ্ণ
‘কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু

‘আমি বেঁচে থাকতে কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’-নির্বাচনী মাঠে এমন দৃঢ় প্রত্যয়ের কথা বলার কয়েক ঘণ্টা পরই চিরতরে নির্বাচনী মাঠ ছাড়লেন কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম খোকন।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়ে দিনভর গণসংযোগ করার পর রাতেই না ফেরার দেশে চলে যান তিনি।

তিনি চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এবং কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ছিলেন। গত কয়েক মাস ধরে শুহিলপুর ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ভোটার ও সমর্থকদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছিলেন তিনি।

জানা যায়, এদিন নিজের ইউনিয়ন শুহিলপুরে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার লক্ষে হাজারো নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে গণসংযোগ করেন বিএনপির এ নেতা। চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে দিনভর নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে নির্বাচনী শোডাউন করেছিলেন তিনি। সন্ধ্যায় পথসভায়ও দিয়েছিলেন জয়ের প্রত্যয়ী বক্তব্য।

দিনভর প্রচারণা শেষে গতকাল সন্ধ্যায় শালিখা বাজারে আয়োজিত পথসভায় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বক্তব্য দেন খোকন।

পথসভায় বিএনপি নেতা বলেন, আপনারা কি চান, শাওন সাহেব (বর্তমান এমপি) আমাকে দলীয় প্রার্থী করুক? তাহলে নিশ্চিত থাকেন, শাওন সাহেব এই ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আমাকে প্রার্থী ঘোষণা করবেন।

তার বক্তব্যে ছিল নির্বাচনে জয়ের প্রত্যয়, ছিল ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা পরিকল্পনা। নেতা-কর্মীদের মধ্যেও ছিল উৎসাহ-উদ্দীপনা। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানেই যেন বদলে গেল সবকিছু।

সারাদিনের নির্বাচনী কর্মসূচি শেষে রাতে বাড়ি ফিরে খাবার খান সাইফুল ইসলাম খোকন। এরপর ঘুমাতে যাওয়ার প্রস্তুতিকালে রাত আনুমানিক ১২টার দিকে হঠাৎ বুকে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করেন তিনি। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে ইলিয়টগঞ্জ বাজারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে পরে দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর বাজারের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে সেখানে তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন মেঝ ছেলে সাঈদ।

মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেও যে মানুষটি নেতা-কর্মীদের সামনে দাঁড়িয়ে নির্বাচনে নিজের প্রার্থিতার কথা বলছিলেন, রাত না পেরোতেই সেই মানুষটিই চলে গেলেন না ফেরার দেশে। থেমে গেল তার রাজনৈতিক পথচলা। থেমে গেল চেয়ারম্যান হওয়ার স্বপ্ন। নির্বাচনী মাঠ থেকে সরে গেলেন ঠিকই তবে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বীর কাছে পরাজিত হয়ে নয়, চিরদিনের জন্য।

সাইফুল ইসলাম খোকনের আকস্মিক মৃত্যুতে শুহিলপুর ইউনিয়নসহ পুরো চান্দিনার রাজনৈতিক অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজন, রাজনৈতিক সহকর্মী, নেতা-কর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে বিরাজ করছে গভীর শোক ও বেদনা।

জানা যায়, আজ সকাল ১১টায় ইলিয়টগঞ্জ রা.বি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার নামাজে জানাজে শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

এদিকে জানাজা নামাজের আগে কুমিল্লা-৭ আসনের সংসদ সদস্য উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আতিকুল আলম শাওন বলেন, সাইফুল ইসলাম খোকন আমার মরহুম পিতার সময়কাল থেকে বিএনপি’র রাজনীতি করেছেন। আমার কয়েকজন অভিভাবকদের মধ্যে তিনিও ছিলেন একজন। তার এই মৃত্যুতে শুহিলপুর ইউনিয়নসহ উপজেলা বিএনপিতে শূন্যতা সৃষ্টি হবে।

‘ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৩ অপরাহ্ণ
‘ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি

‘তুমি এখনো ভালো হওনি, ভালো হয়ে যাও মাসুদ’- সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের এমন মন্তব্যের পর দেশজুড়ে পরিচিতি পাওয়া বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) কর্মকর্তা মো. মাসুদ আলমকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় বদলি করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংস্থাটির আরও কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার দায়িত্বেও রদবদল আনা হয়েছে।

গত ৩১ আগস্ট বিআরটিএ চেয়ারম্যানের কার্যালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ বদলি ও পদায়নের বিষয়টি জানানো হয়। আদেশে উল্লেখ করা হয়, জনস্বার্থে নেওয়া এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে।

অফিস আদেশ অনুযায়ী, বিআরটিএ চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) মো. মাসুদ আলমকে ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

অন্যদিকে ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) শফিকুজ্জামান ভূঞাকে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের একই পদে বদলি করা হয়েছে। ফলে মাসুদ আলমের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন তিনি।

উল্লেখ্য, বিআরটিএর সেবা ও অনিয়ম নিয়ে এক পরিদর্শনকালে কর্মকর্তা মাসুদ আলমকে উদ্দেশ করে ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, ‘তুমি এখনো ভালো হওনি, ভালো হয়ে যাও মাসুদ।’ তার সেই বক্তব্য দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং মাসুদ আলমকে ঘিরে আলোচনা তৈরি হয়।

বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

মোঃ রেজাউল করিম, সিনিয়র রিপোর্টার:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৪ অপরাহ্ণ
বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকালে উপজেলার মুকুন্দগাঁতী ও ক্ষিদ্রমাটিয়া গ্রামের উদ্যোগে ও ঢাকা ব্যাংক পি এল সি অর্থায়নে ক্ষিদ্রমাটিয়া গ্রামের যমুনা নদীর শাখায় তিন দিনব্যাপী এই মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য আমিরুল ইসলাম খাঁন আলীম। 

বাইচ কমিটির সভাপতি আলতাফ হোসেনের সভাপতিত্বে আরোও উপস্থিত ছিলেন, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিষ্টার শাহানাজ প্রধান, সহকারী পুলিশ সুপার বেলকুচি সার্কেল শহিদুল ইসলাম, বেলকুচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোক্তারুজ্জামান, বেলকুচি কলেজের অধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা বিএনপির সদস্য গোলাম আজম, উপজেলার বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক মন্ডলসহ স্থানীয় গনমান্য ব্যক্তিবর্গ। 

সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পানসি ১৮ টা ও ১২ টা কোষা নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করেন। আগামী ৬ সেপ্টেম্বর রবিবার বাইচ প্রতিযোগিতার চুড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হবে।

'কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু 'ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন বিশ্বের সর্বোচ্চ খেলাপি ঋণের দেশ এখন বাংলাদেশ যতবারই নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়েছে ততবারই বিএনপি জিতেছে: মন্ত্রী দুলু