খুঁজুন

সিএমপির ৩০০ ‘দুষ্কৃতকারীর’ তালিকা: বিকেলে গণবিজ্ঞপ্তি, মধ্যরাতে সংশোধন, বাদ বিএনপি নেতা

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬, ৫:৫০ অপরাহ্ণ
সিএমপির ৩০০ ‘দুষ্কৃতকারীর’ তালিকা: বিকেলে গণবিজ্ঞপ্তি, মধ্যরাতে সংশোধন, বাদ বিএনপি নেতা

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) নগরজুড়ে ৩৩০ জনকে ‘দুষ্কৃতিকারী’ আখ্যা দিয়ে বহিষ্কারের ঘোষণা দিয়েছে। নগরীর শান্তি–শৃঙ্খলা ও জানমালের নিরাপত্তার কথা জানিয়ে জারি করা এই তালিকায় বেশির ভাগই আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী, যাদের গত অন্তত এক বছরে প্রকাশ্যে নগরে দেখা যায়নি। তালিকায় রাখা হয়, তিন মাস আগে মারা যাওয়া এক আওয়ামী লীগ সমর্থক সাবেক কাউন্সিলরও। যদিও সমালোচনার মুখে পরে তার নাম কেটে নতুন তালিকা প্রকাশ করে সিএমপি।

এছাড়া তালিকার তিন নম্বরে রয়েছে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা। তবে গণবিজ্ঞপ্তি জারির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তা সংশোধন করেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) মধ্যরাতে পাঠানো সংশোধিত তালিকা থেকে নগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শওকত আজম খাজার নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।

শনিবার বিকেলে সিএমপি কমিশনার হাসিব আজিজ স্বাক্ষরিত প্রথম বিজ্ঞপ্তিতে ৩৩০ জনের নাম প্রকাশ করা হয়। সেখানে ৪ নম্বর ক্রমিকে ছিল বিএনপি নেতা শওকত আজম খাজার নাম। গণমাধ্যমে এই তালিকা পাঠানোর পর এ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। পরে দিবাগত রাত ১২টা ২৪ মিনিটে পুলিশ পুনরায় সংশোধিত তালিকা পাঠায়, যেখানে শওকত আজমের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার হাসিব আজিজ স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মহানগর এলাকায় শান্তি–শৃঙ্খলা রক্ষা ও জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তালিকাভুক্ত ৩৩০ জনের চট্টগ্রাম মহানগর এলাকায় প্রবেশ ও অবস্থান সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে।

গণবিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ অধ্যাদেশ, ১৯৭৮-এর ৪০,৪১ ও ৪৩ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আদেশ অমান্য করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়।

‘দুষ্কৃতিকারী’ হিসেবে তালিকাভুক্তদের মধ্যে আছেন, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, সাবেক সংসদ সদস্য ফজলে করিম চৌধুরী, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দিন, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, যুবলীগ নেতা হেলাল আকবর চৌধুরী বাবর, যুবলীগ নেতা দিদারুল আলম মাসুম, আওয়ামী লীগ নেতা খলিলুর রহমান নাহিদ, চসিকের সাবেক কাউন্সিলর নুর মোস্তফা টিনু, শৈবাল দাশ সুমন, গাজী শফিউল আজম, শাহেদ ইকবাল বাবু, শফিকুল ইসলাম, এসরারুল হক, মোহাম্মদ কাজী নুরুল আমিন, মোবারক আলী, মোরশেদ আলম, জহুরুল আলম জসিম, নিছার উদ্দিন আহমেদ, মোহাম্মদ ইসমাইল, ওয়াসিম উদ্দিন চৌধুরী, আবুল হাসনাত মোহাম্মদ বেলাল, গিয়াস উদ্দিন, শহিদুল আলম, হারুনুর রশিদ, নুরুল আলম, চৌধুরী হাসান মাহামুদ হাসানি, মোহাম্মদ সলিম উল্লাহ, নাজমুল হক ডিউক, মোহাম্মদ জাবেদ, আব্দুর সবুর লিটন, মোহাম্মদ ইলিয়াছ, শেখ জাফরুল হায়দার চৌধুরী, নজরুল ইসলাম বাহাদুর, মোহাম্মদ জুবায়ের, আতা উল্লাহ চৌধুরী, আব্দুস সালাম, বাবু জহুর লাল হাজারী, হাসান মুরাদ বিপ্লব, পুলক কাস্তগীর, হাজী নুরুল হক, মোর্শেদ আলী, আব্দুল মন্নান, গোলাম মোহাম্মদ চৌধুরী, জিয়াউল হক সুমন, আবদুল বারেক, সালেহ আহমদ চৌধুরী, যুবলীগ নেতা দেবাশীষ পাল দেবু, ছাত্রলীগ নেতা নুরল আজিম রনি, জাকারিয়া দস্তগীরসহ অনেকে।

তালিকায় আরও রয়েছে শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত সাজ্জাদ আলী প্রকাশ সাজ্জাদ, সাজ্জাদ প্রকাশ ছোট সাজ্জাদ, ছোট সাজ্জাদের স্ত্রী শারমিন আক্তার তামান্না, বার্মা সাইফুল, রায়হান, বোরহান, মোবারক হোসেন ইমন, হাড্ডি জনি, চুক্কু, ডেনডাইয়া, গিট্টু মানিক, টারজেন, গলাকাটা রইন্যা, অস্ত্র মিলন, নলা কাসেম, বাইক বাবু, সুমন চন্দ্র দাশ, পিচ্চি জাহিদ, হাত কাটা ইদু, কালা জাহিদ, কট নাজিম, ডাকাত ইউসুফ, বুইশ্যা, কার মাসুদ, কানা কুদ্দুস, সোর্স আনোয়ার, লাল বাদশা, পিচ্ছি কাওসার, লাল সাগর, পিচ্চি সাবু, কালা নোমান, মাছ কাদের, কানা মাসুদ, ঢাকাইয়া সুমন, ব্লেড রুবেল, ডাইল জাহেদ, কসাই সোহেল, ডিবি ফয়সালসহ আরও অনেকে।

রাষ্ট্রদ্রোহ ও আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলায় কারাবন্দি ইসকনের সাবেক সংগঠক চন্দন কুমার ধর ওরফে চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর নাম দুষ্কৃতকারীর তালিকায় উঠেছে।

অন্যদিকে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) ৩০ নম্বর মাদারবাড়ি ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আতাউল্লাহ চৌধুরী গেলো বছরের নভেম্বরে মারা গেলেও তাঁর নাম বহিষ্কার তালিকায় ছিলো ২২৭ নম্বরে। যদিও তালিকা প্রকাশের কিচ্ছুক্ষণের মধ্যেই বিষয়টি নিয়ে আলোচনার সৃষ্টি হলে, তাঁর নাম বাদ দিয়ে নতুন তালিকা প্রকাশ করে সিএমপি।

উল্লেখ্য, তালিকায় সন্ত্রাসী, চোর, ছিনতাইকারী, রাজনৈতিক নেতা ও জনপ্রতিনিধিদের নাম একসাথে থাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকের ভাষ্য, এতে তালিকাটি এক ধরনের জগাখিচুড়ি হয়ে গেছে। কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন, থানা থেকে অস্ত্র লুটের ঘটনার আসামিরা এখনো অধরা থাকলেও ২০২৪ সালের পর দায়ের হওয়া বহু বিতর্কিত মামলার আসামিদের দুষ্কৃতিকারী হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে, যেগুলোর অনেক ক্ষেত্রে আরও তদন্ত ও চার্জশিট দরকার। তবে মামলার ক্রিমিনাল ডাটাবেইজ অনুযায়ী তাঁদের অপরাধ সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

তালিকায় নগরীর শীর্ষ সন্ত্রাসীদের নামও রয়েছে, যাদের কেউ পলাতক, কেউ কারাবন্দি। সিএমপি সূত্র জানায়, নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে এ ধরনের প্রশাসনিক কার্যক্রম আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ অধ্যাদেশ, ১৯৭৮-এর ধারা ৪০, ৪১ ও ৪৩ মহানগর এলাকায় জনশৃঙ্খলা রক্ষা, বিপজ্জনক ব্যক্তিদের নিয়ন্ত্রণ এবং নির্দিষ্ট এলাকা থেকে বহিষ্কার বা প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার ক্ষমতা দেয়। ধারা ৪০-এর মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি শান্তি ভঙ্গ বা অপরাধের কারণ হলে তাঁকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বহিষ্কার করা যায়। ধারা ৪১ পুনরায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপের সুযোগ দেয়। ধারা ৪৩ অনুযায়ী এসব আদেশ সাধারণত নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বলবৎ থাকে, প্রয়োজন হলে জননিরাপত্তার স্বার্থে মেয়াদ বাড়ানো যায়।

‘কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৩০ অপরাহ্ণ
‘কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু

‘আমি বেঁচে থাকতে কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’-নির্বাচনী মাঠে এমন দৃঢ় প্রত্যয়ের কথা বলার কয়েক ঘণ্টা পরই চিরতরে নির্বাচনী মাঠ ছাড়লেন কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম খোকন।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়ে দিনভর গণসংযোগ করার পর রাতেই না ফেরার দেশে চলে যান তিনি।

তিনি চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এবং কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ছিলেন। গত কয়েক মাস ধরে শুহিলপুর ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ভোটার ও সমর্থকদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছিলেন তিনি।

জানা যায়, এদিন নিজের ইউনিয়ন শুহিলপুরে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার লক্ষে হাজারো নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে গণসংযোগ করেন বিএনপির এ নেতা। চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে দিনভর নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে নির্বাচনী শোডাউন করেছিলেন তিনি। সন্ধ্যায় পথসভায়ও দিয়েছিলেন জয়ের প্রত্যয়ী বক্তব্য।

দিনভর প্রচারণা শেষে গতকাল সন্ধ্যায় শালিখা বাজারে আয়োজিত পথসভায় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বক্তব্য দেন খোকন।

পথসভায় বিএনপি নেতা বলেন, আপনারা কি চান, শাওন সাহেব (বর্তমান এমপি) আমাকে দলীয় প্রার্থী করুক? তাহলে নিশ্চিত থাকেন, শাওন সাহেব এই ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আমাকে প্রার্থী ঘোষণা করবেন।

তার বক্তব্যে ছিল নির্বাচনে জয়ের প্রত্যয়, ছিল ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা পরিকল্পনা। নেতা-কর্মীদের মধ্যেও ছিল উৎসাহ-উদ্দীপনা। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানেই যেন বদলে গেল সবকিছু।

সারাদিনের নির্বাচনী কর্মসূচি শেষে রাতে বাড়ি ফিরে খাবার খান সাইফুল ইসলাম খোকন। এরপর ঘুমাতে যাওয়ার প্রস্তুতিকালে রাত আনুমানিক ১২টার দিকে হঠাৎ বুকে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করেন তিনি। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে ইলিয়টগঞ্জ বাজারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে পরে দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর বাজারের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে সেখানে তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন মেঝ ছেলে সাঈদ।

মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেও যে মানুষটি নেতা-কর্মীদের সামনে দাঁড়িয়ে নির্বাচনে নিজের প্রার্থিতার কথা বলছিলেন, রাত না পেরোতেই সেই মানুষটিই চলে গেলেন না ফেরার দেশে। থেমে গেল তার রাজনৈতিক পথচলা। থেমে গেল চেয়ারম্যান হওয়ার স্বপ্ন। নির্বাচনী মাঠ থেকে সরে গেলেন ঠিকই তবে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বীর কাছে পরাজিত হয়ে নয়, চিরদিনের জন্য।

সাইফুল ইসলাম খোকনের আকস্মিক মৃত্যুতে শুহিলপুর ইউনিয়নসহ পুরো চান্দিনার রাজনৈতিক অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজন, রাজনৈতিক সহকর্মী, নেতা-কর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে বিরাজ করছে গভীর শোক ও বেদনা।

জানা যায়, আজ সকাল ১১টায় ইলিয়টগঞ্জ রা.বি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার নামাজে জানাজে শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

এদিকে জানাজা নামাজের আগে কুমিল্লা-৭ আসনের সংসদ সদস্য উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আতিকুল আলম শাওন বলেন, সাইফুল ইসলাম খোকন আমার মরহুম পিতার সময়কাল থেকে বিএনপি’র রাজনীতি করেছেন। আমার কয়েকজন অভিভাবকদের মধ্যে তিনিও ছিলেন একজন। তার এই মৃত্যুতে শুহিলপুর ইউনিয়নসহ উপজেলা বিএনপিতে শূন্যতা সৃষ্টি হবে।

‘ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৩ অপরাহ্ণ
‘ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি

‘তুমি এখনো ভালো হওনি, ভালো হয়ে যাও মাসুদ’- সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের এমন মন্তব্যের পর দেশজুড়ে পরিচিতি পাওয়া বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) কর্মকর্তা মো. মাসুদ আলমকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় বদলি করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংস্থাটির আরও কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার দায়িত্বেও রদবদল আনা হয়েছে।

গত ৩১ আগস্ট বিআরটিএ চেয়ারম্যানের কার্যালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ বদলি ও পদায়নের বিষয়টি জানানো হয়। আদেশে উল্লেখ করা হয়, জনস্বার্থে নেওয়া এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে।

অফিস আদেশ অনুযায়ী, বিআরটিএ চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) মো. মাসুদ আলমকে ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

অন্যদিকে ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) শফিকুজ্জামান ভূঞাকে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের একই পদে বদলি করা হয়েছে। ফলে মাসুদ আলমের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন তিনি।

উল্লেখ্য, বিআরটিএর সেবা ও অনিয়ম নিয়ে এক পরিদর্শনকালে কর্মকর্তা মাসুদ আলমকে উদ্দেশ করে ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, ‘তুমি এখনো ভালো হওনি, ভালো হয়ে যাও মাসুদ।’ তার সেই বক্তব্য দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং মাসুদ আলমকে ঘিরে আলোচনা তৈরি হয়।

বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

মোঃ রেজাউল করিম, সিনিয়র রিপোর্টার:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৪ অপরাহ্ণ
বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকালে উপজেলার মুকুন্দগাঁতী ও ক্ষিদ্রমাটিয়া গ্রামের উদ্যোগে ও ঢাকা ব্যাংক পি এল সি অর্থায়নে ক্ষিদ্রমাটিয়া গ্রামের যমুনা নদীর শাখায় তিন দিনব্যাপী এই মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য আমিরুল ইসলাম খাঁন আলীম। 

বাইচ কমিটির সভাপতি আলতাফ হোসেনের সভাপতিত্বে আরোও উপস্থিত ছিলেন, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিষ্টার শাহানাজ প্রধান, সহকারী পুলিশ সুপার বেলকুচি সার্কেল শহিদুল ইসলাম, বেলকুচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোক্তারুজ্জামান, বেলকুচি কলেজের অধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা বিএনপির সদস্য গোলাম আজম, উপজেলার বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক মন্ডলসহ স্থানীয় গনমান্য ব্যক্তিবর্গ। 

সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পানসি ১৮ টা ও ১২ টা কোষা নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করেন। আগামী ৬ সেপ্টেম্বর রবিবার বাইচ প্রতিযোগিতার চুড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হবে।

'কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু 'ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন বিশ্বের সর্বোচ্চ খেলাপি ঋণের দেশ এখন বাংলাদেশ যতবারই নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়েছে ততবারই বিএনপি জিতেছে: মন্ত্রী দুলু