খুঁজুন

দিয়েছে চিঠি, দায় নিচ্ছে না সরকার

শেখ হাসিনার দপ্তর ও বাসার আড়াই কোটি টাকার খাবারের বিল বাকি

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০২৬, ২:২৮ অপরাহ্ণ
শেখ হাসিনার দপ্তর ও বাসার আড়াই কোটি টাকার খাবারের বিল বাকি

২০২৪ এর জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি কার্যালয় ও বাসভবন গণভবনের খাবার সরবরাহ করে আড়াই কোটি টাকার বকেয়া পাচ্ছে না সরকারি প্রতিষ্ঠান হোটেল অবকাশ। এদিকে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারও খাবার বাবদ বকেয়ার এই দায় নিচ্ছে না। ফলে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের (বাপক) এই বকেয়া আদায় নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

সূত্রে জানা যায়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি কার্যালয় ও বাসভবন গণভবনে চাহিদা অনুযায়ী নিয়মিত খাবার সরবরাহ করা হতো সরকারি প্রতিষ্ঠান হোটেল অবকাশ থেকে। এজন্য উভয় পক্ষের মধ্যে একটি চুক্তিও রয়েছে। সেই চুক্তির আওতায় নিয়মিত খাবার সরবরাহ করা হতো। সরকারের পক্ষ থেকে সময়ে–সময়ে খাবারের কিছু বিল পরিশোধ করা হতো, বকেয়াও থাকত কিছু পাওনা। এ অবস্থায় ২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর খাবারের বকেয়া বিল আর পাচ্ছে না সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানটি। এই বকেয়া আদায়ে কয়েক দফা বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে চিঠিও দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। তবে গত দেড় বছরে সেই বকেয়া পায়নি হোটেল অবকাশ কর্তৃপক্ষ।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে হোটেল অবকাশের মালিকানা সংস্থা পর্যটন করপোরেশনের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, বকেয়া আদায়ের জন্য কয়েক দফায় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। তবে বিগত সরকারের বকেয়া পরিশোধে অপারগতা প্রকাশ করছে বর্তমান সরকার। তারা বিগত সরকারের এই দায় নিতে চান না।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও বাসভবনের মতো বর্তমান প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় ও বাসভবনেও চাহিদা অনুযায়ী নিয়মিত খাবার সরবরাহ করা হয় হোটেল অবকাশ থেকে। বর্তমান প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে খাবার সরবরাহ বাবদও প্রতিষ্ঠানটির বকেয়া রয়েছে প্রায় ৩৫ লাখ টাকা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের প্রশাসন বিভাগের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ চৌধুরী বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে পর্যটন করপোরেশন বা হোটেল অবকাশের সঙ্গে কথা বললে ভালো হয়। আমরা সবসময় এ ধরনের বিল পরিশোধ করি। হয়ত কিছু রানিং (চলমান) বিল বাকি আছে। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া।’

চিঠিতে যা রয়েছে:

পর্যটন করপোরেশনের চিঠিতে বলা হয়েছে, ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা সরকার এবং বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কালে খাবার সরবরাহ বাবদ হোটেল অবকাশের মোট অপরিশোধিত পাওনার পরিমাণ প্রায় ২ কোটি ৮৯ লাখ ২০ হাজার টাকা। এই পাওনা পরিশোধের জন্য সাবেক প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রশাসন বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচালক বরাবর যথাসময়ে বিল দাখিল করা হয়েছিল। যার পরিমাণ ছিল প্রায় ২ কোটি ৫৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা। আর ২০২৪ সালের আগস্ট মাস থেকে ২০২৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় ও বাসভবন যমুনায় চাহিদাপত্র মোতাবেক প্রায় ৩৪ লাখ ৭৩ হাজার টাকার খাবার ও বিভিন্ন সামগ্রী সরবরাহ করা হয়েছে। এই পাওনা পরিশোধের জন্য যথাসময়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের প্রশাসন বিভাগের পরিচালক বরাবর বিল দাখিল করা হলেও বকেয়া পাওনা এখনো পরিশোধ করা হয়নি।

চিঠিতে আরও বলা হয়, বকেয়া অর্থ আদায় না হওয়ায় তহবিল–সংকটে প্রতিষ্ঠানটির বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনায় সমস্যা হচ্ছে। তারল্য–সংকটের কারণে হোটেল অবকাশের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন–ভাতা ও আনুষঙ্গিক বিল পরিশোধেও বিলম্ব হচ্ছে। এছাড়া কাঁচামালসহ অন্যান্য মালামাল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানেও বকেয়া পড়েছে। এ কারণে সরবরাহকারীরা মালামাল সরবরাহে অপারগতা প্রকাশ করছে। ফলে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় ও বাসভবনে চাহিদা অনুযায়ী খাবার ও মালামাল সরবরাহ অব্যাহত রাখার ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান সায়েমা শাহীন সুলতানা গণমাধ্যমে বলেন, বিল বকেয়া আছে, এটা সত্যি। তবে এই বকেয়া আদায় হোটেল অবকাশের ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব। নিয়ম অনুযায়ী বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে আমরা কিছু বাকিতে দিতে পারি না। তবে সরকারি প্রতিষ্ঠানকে নিয়ম মেনে এ ধরনের বকেয়ায় সেবা দেওয়া হয়। তবে এই ক্ষেত্রে কিছু বিল প্রক্রিয়াধীন আছে। বকেয়া আদায়ের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অতীতে চিঠি দিয়েছি। ভবিষ্যতে আবার চিঠি দেব।

বকেয়া পাওনা থাকার পরও ২০২৫ সালে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সঙ্গে আবারও খাবার ও অন্যান্য সামগ্রী সরবরাহের চুক্তি করেছে বাপক। চুক্তিতে আগস্ট মাস থেকে পরবর্তী এক বছরের জন্য প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় এবং বাসভবন যমুনায় প্রতিদিনের আপ্যায়ন ও বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে খাবারসামগ্রী সরবরাহ করছে হোটেল অবকাশ কর্তৃপক্ষ।

চুক্তিতে যা রয়েছে:

চুক্তিপত্র অনুযায়ী, হোটেল অবকাশ খাবারের আইটেম ও অন্যান্য সামগ্রী মিলিয়ে মোট ৪৬০টি সামগ্রী নির্ধারিত মূল্যে সরবরাহ করে। এসব খাবারের মধ্যে রয়েছে ড্রাইকেকসহ বিভিন্ন ধরনের বেকারি বিস্কুট, কমলা, মান্দারিন কমলা, জামরুল, লটকন ও আমড়াসহ নানা ধরনের দেশি–বিদেশি ফল। আর মিষ্টিজাতীয় খাবারের মধ্যে রয়েছে কাঁচা ছানা, চমচম, রসমালাই, দই, লাড্ডু, রসগোল্লা ও বাকলাভা। এ ছাড়া বিভিন্ন ধরনের মসলা, ঘি, ডালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যও সরবরাহ করে হোটেল অবকাশ।

এই প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শাসনামল কিংবা তার আগে থেকেই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও বাসভবনে খাবার সরবরাহ করে আসছে হোটেল অবকাশ কর্তৃপক্ষ। তবে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর রান্না ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী কেনাকাটার দায়িত্ব ছিল হোটেল অবকাশের। আর বর্তমান প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর ও বাসভবনে শুধু খাবারসামগ্রী সরবরাহ করে হোটেল অবকাশ।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা আরও জানান, বিগত শেখ হাসিনা সরকারের সময় প্রায়ই রাজনৈতিক সভা ও সমাবেশ হতো তাঁর কার্যালয় ও বাসভবনে। প্রতিদিনই বহু লোকের খাবারের ব্যবস্থা করতে হতো। তাই সে সময়ের বকেয়ার পরিমাণও বেশি।

হোটেল অবকাশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, খাবারের বিষয়ে প্রতিবছরই চুক্তি নবায়ন করা হয়। সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সময় আমরা ১৭৩ ধরনের খাবার ও অন্যান্য সামগ্রী সরবরাহ করেছি। তবে বর্তমানে প্রধান উপদেষ্টার জন্য নির্ধারিত ৪৬০টি আইটেম নির্দিষ্ট মূল্যে সরবরাহ করা হয়। এসব পণ্য সরবরাহে আমাদের নিজেদের তহবিলের অর্থ ব্যয় করতে হয়। তিন মাস পরপর বিল জমা দেওয়া হয়। এরপর সংশ্লিষ্ট দপ্তর ধাপে ধাপে বকেয়া পরিশোধ করে।

‘কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৩০ অপরাহ্ণ
‘কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু

‘আমি বেঁচে থাকতে কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’-নির্বাচনী মাঠে এমন দৃঢ় প্রত্যয়ের কথা বলার কয়েক ঘণ্টা পরই চিরতরে নির্বাচনী মাঠ ছাড়লেন কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম খোকন।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়ে দিনভর গণসংযোগ করার পর রাতেই না ফেরার দেশে চলে যান তিনি।

তিনি চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এবং কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ছিলেন। গত কয়েক মাস ধরে শুহিলপুর ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ভোটার ও সমর্থকদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছিলেন তিনি।

জানা যায়, এদিন নিজের ইউনিয়ন শুহিলপুরে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার লক্ষে হাজারো নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে গণসংযোগ করেন বিএনপির এ নেতা। চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে দিনভর নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে নির্বাচনী শোডাউন করেছিলেন তিনি। সন্ধ্যায় পথসভায়ও দিয়েছিলেন জয়ের প্রত্যয়ী বক্তব্য।

দিনভর প্রচারণা শেষে গতকাল সন্ধ্যায় শালিখা বাজারে আয়োজিত পথসভায় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বক্তব্য দেন খোকন।

পথসভায় বিএনপি নেতা বলেন, আপনারা কি চান, শাওন সাহেব (বর্তমান এমপি) আমাকে দলীয় প্রার্থী করুক? তাহলে নিশ্চিত থাকেন, শাওন সাহেব এই ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আমাকে প্রার্থী ঘোষণা করবেন।

তার বক্তব্যে ছিল নির্বাচনে জয়ের প্রত্যয়, ছিল ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা পরিকল্পনা। নেতা-কর্মীদের মধ্যেও ছিল উৎসাহ-উদ্দীপনা। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানেই যেন বদলে গেল সবকিছু।

সারাদিনের নির্বাচনী কর্মসূচি শেষে রাতে বাড়ি ফিরে খাবার খান সাইফুল ইসলাম খোকন। এরপর ঘুমাতে যাওয়ার প্রস্তুতিকালে রাত আনুমানিক ১২টার দিকে হঠাৎ বুকে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করেন তিনি। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে ইলিয়টগঞ্জ বাজারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে পরে দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর বাজারের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে সেখানে তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন মেঝ ছেলে সাঈদ।

মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেও যে মানুষটি নেতা-কর্মীদের সামনে দাঁড়িয়ে নির্বাচনে নিজের প্রার্থিতার কথা বলছিলেন, রাত না পেরোতেই সেই মানুষটিই চলে গেলেন না ফেরার দেশে। থেমে গেল তার রাজনৈতিক পথচলা। থেমে গেল চেয়ারম্যান হওয়ার স্বপ্ন। নির্বাচনী মাঠ থেকে সরে গেলেন ঠিকই তবে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বীর কাছে পরাজিত হয়ে নয়, চিরদিনের জন্য।

সাইফুল ইসলাম খোকনের আকস্মিক মৃত্যুতে শুহিলপুর ইউনিয়নসহ পুরো চান্দিনার রাজনৈতিক অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজন, রাজনৈতিক সহকর্মী, নেতা-কর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে বিরাজ করছে গভীর শোক ও বেদনা।

জানা যায়, আজ সকাল ১১টায় ইলিয়টগঞ্জ রা.বি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার নামাজে জানাজে শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

এদিকে জানাজা নামাজের আগে কুমিল্লা-৭ আসনের সংসদ সদস্য উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আতিকুল আলম শাওন বলেন, সাইফুল ইসলাম খোকন আমার মরহুম পিতার সময়কাল থেকে বিএনপি’র রাজনীতি করেছেন। আমার কয়েকজন অভিভাবকদের মধ্যে তিনিও ছিলেন একজন। তার এই মৃত্যুতে শুহিলপুর ইউনিয়নসহ উপজেলা বিএনপিতে শূন্যতা সৃষ্টি হবে।

‘ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৩ অপরাহ্ণ
‘ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি

‘তুমি এখনো ভালো হওনি, ভালো হয়ে যাও মাসুদ’- সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের এমন মন্তব্যের পর দেশজুড়ে পরিচিতি পাওয়া বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) কর্মকর্তা মো. মাসুদ আলমকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় বদলি করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংস্থাটির আরও কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার দায়িত্বেও রদবদল আনা হয়েছে।

গত ৩১ আগস্ট বিআরটিএ চেয়ারম্যানের কার্যালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ বদলি ও পদায়নের বিষয়টি জানানো হয়। আদেশে উল্লেখ করা হয়, জনস্বার্থে নেওয়া এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে।

অফিস আদেশ অনুযায়ী, বিআরটিএ চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) মো. মাসুদ আলমকে ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

অন্যদিকে ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) শফিকুজ্জামান ভূঞাকে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের একই পদে বদলি করা হয়েছে। ফলে মাসুদ আলমের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন তিনি।

উল্লেখ্য, বিআরটিএর সেবা ও অনিয়ম নিয়ে এক পরিদর্শনকালে কর্মকর্তা মাসুদ আলমকে উদ্দেশ করে ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, ‘তুমি এখনো ভালো হওনি, ভালো হয়ে যাও মাসুদ।’ তার সেই বক্তব্য দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং মাসুদ আলমকে ঘিরে আলোচনা তৈরি হয়।

বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

মোঃ রেজাউল করিম, সিনিয়র রিপোর্টার:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৪ অপরাহ্ণ
বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকালে উপজেলার মুকুন্দগাঁতী ও ক্ষিদ্রমাটিয়া গ্রামের উদ্যোগে ও ঢাকা ব্যাংক পি এল সি অর্থায়নে ক্ষিদ্রমাটিয়া গ্রামের যমুনা নদীর শাখায় তিন দিনব্যাপী এই মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য আমিরুল ইসলাম খাঁন আলীম। 

বাইচ কমিটির সভাপতি আলতাফ হোসেনের সভাপতিত্বে আরোও উপস্থিত ছিলেন, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিষ্টার শাহানাজ প্রধান, সহকারী পুলিশ সুপার বেলকুচি সার্কেল শহিদুল ইসলাম, বেলকুচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোক্তারুজ্জামান, বেলকুচি কলেজের অধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা বিএনপির সদস্য গোলাম আজম, উপজেলার বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক মন্ডলসহ স্থানীয় গনমান্য ব্যক্তিবর্গ। 

সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পানসি ১৮ টা ও ১২ টা কোষা নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করেন। আগামী ৬ সেপ্টেম্বর রবিবার বাইচ প্রতিযোগিতার চুড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হবে।

'কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু 'ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন বিশ্বের সর্বোচ্চ খেলাপি ঋণের দেশ এখন বাংলাদেশ যতবারই নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়েছে ততবারই বিএনপি জিতেছে: মন্ত্রী দুলু