খুঁজুন

নির্বাচিত হলে পরাজিতদের নিয়ে ঐক্যের সরকার গঠন করব: জামায়াত আমির

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০২৬, ৩:১৬ অপরাহ্ণ
নির্বাচিত হলে পরাজিতদের নিয়ে ঐক্যের সরকার গঠন করব: জামায়াত আমির

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত হলে যারা পরাজিত হবে, তাদের নিয়ে ঐক্যের সরকার গঠন করবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুরে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ১১ দলীয় জোটের নির্বাচনি সমাবেশে এ কথা জানিয়ে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আগামীতে নির্বাচিত হলে ১১ দলীয় জোট দেশে একটা ঐক্যের সরকার গঠন করবে। আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বীরা হেরে গেলেও তাদেরকে নিয়ে ঐক্যের সরকার গঠন করা হবে। আগামীর বাংলাদেশ হবে তারুণ্যের বাংলাদেশ। যুবকদের বাংলাদেশ। পেছনের সব ঐতিহ্যকে ধারণ করে আমরা সামনে এগিয়ে যাব। আমাদের লক্ষ্য বাংলাদেশে ঐক্য সৃষ্টি করা। আমরা জাতিকে ঐক্যের বার্তা দিচ্ছি।

জামায়াত আমির বলেন, আমাদের প্রতিপক্ষ যদি ভোটে পরাজিত হয় তারপরও আমরা তাদেরকে নিয়ে ঐক্যের সরকার গঠন করব। তবে তাদেরকে কথা দিতে হবে ব্যাংক ডাকাতি, অনিয়ম-দুর্নীতি, চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে। মানুষের পকেটে হাত দেওয়া বন্ধ করতে হবে।

তিনি বলেন, দেশের যুবসমাজকে আমরা দেশ গড়ার হাতিয়ারে পরিণত করব। তারা বেকার ভাতা চায় না। তারা দক্ষ যুবসমাজে পরিণত হতে চায়। আমরা এই বাংলাদেশকে যুবকদের হাতে তুলে দিতে চাই। আমরা যাদেরকে প্রার্থী করেছি তাদের ৬২ ভাগ যুবক। এটা তারুণ্যের বাংলাদেশ। এ দেশের প্রত্যেকটা নাগরিকের ন্যায়বিচার করার ও পাওয়ার অধিকার আছে। আমরা এদেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করব। দেশের একজন সাধারণ নাগরিকের যে বিচার প্রেসিডেন্ট এবং প্রধানমন্ত্রীর ক্ষেত্রে সেই বিচার নিশ্চিত করা হবে।

এ সময় জামায়াত আমির বলেন, জুলাইকে সম্মান করতে হবে। জুলাই সংস্কারের সব শর্ত বাস্তবায়নে অঙ্গীকার করতে হবে। আমরা এই জাতিকে কোনোভাবেই আর বিভক্ত করতে চাই না।

তিনি বলেন, সব ধর্মের মানুষকে নিশ্চয়তা দিচ্ছি আপনারা ধর্মীয় স্বাধীনতা ভোগ করবেন। আপনারা পূর্ণ স্বাধীনতা ভোগ করবেন। কেউ আপনাদের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করতে পারবে না।

শফিকুর রহমান বলেন, আমরা শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন করতে চাই। এই শিক্ষা দিয়ে কোনো লাভ হবে না। শিক্ষা যদি ভালো না হয় ভালো জাতি আমরা গড়ে তুলতে পারব না। শিক্ষার ক্ষেত্রে বড় পরিবর্তন লাগবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ একটা পরিবর্তন চায়। ১৩ তারিখ যে পরিবর্তনটা আসবে সেটা আসবে যুবসমাজের আকাঙ্ক্ষার ভিত্তিতে। আমরা আর কোনো ফ্যাসিবাদ দেখতে চাই না। আমরা আর কোনো আধিপত্য দেখতে চাই না। আমরা একটি মানবিক বাংলাদেশ দেখতে চাই। আগামী দিনে ১১ দল আপনাদের পক্ষ হয়ে এ জাতিকে পরিচালিত করবে। মন্ত্রিপরিষদের সিনিয়র একজন সদস্য পাবেন চৌদ্দগ্রামের জনগণ।

জামায়াত আমির বলেন, গত সাড়ে ১৫ বছর দেশবাসী মজলুম ছিলেন। যারা দীর্ঘদিন মজলুম ছিলেন তাদের পক্ষেই বাংলাদেশ থাকবে। আমরা জামায়াতে ইসলামীর বিজয় চাচ্ছি না। আমরা ১৮ কোটি মানুষের বিজয় চাচ্ছি। ১৮ কোটি মানুষের বিজয়ই হবে ১১ দলের বিজয়। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে ১১ দল লড়ে যাবে। বিজয়ের লক্ষ্যে আমরা চূড়ান্ত ভোটের লড়াই করছি। আমাদের বিজয় নিশ্চিত হবে, ইনশাআল্লাহ।

তিনি বলেন, ৫ আগস্টের পর আপনারা দেখেছেন কার কী ভূমিকা। আপনারা আমাদের ভূমিকা দেখলে সিদ্ধান্ত নিতে কঠিন হবে না বলে বিশ্বাস করি।

জামায়াত আমির বলেন, যারা মা-বোনদের গায়ে হাত দেয়, তাদের ইজ্জতে হাত দেয়, তাদের হাতে এ দেশের ৯ কোটি মা-বোন নিরাপদ নয়। এখন তাদের মাথা গরম হয়ে গেছে। সাধারণ নারীরা বলছে নিরাপত্তার জন্য আমাদের ১১ দল প্রয়োজন। তখন এগুলো শুনে তাদের মাথা গরম হয়ে যাচ্ছে। বন্ধুরা মাথা গরম করবেন না। এখন তো মাঘ মাস। এত তাড়াতাড়ি মাথা গরম করলে কিভাবে হবে?

দেশের মানুষ মনে করছে জামায়াতে ইসলামী জোট ক্ষমতায় আসলেই দেশটা ঠিক হবে- যোগ করেন তিনি।

কোনো দলের নাম উল্লেখ না করে এ সময় জামায়াত আমির বলেন, আপনারা নারী সমাজকে সম্মান করতে শিখুন। মা-বোনদেরকে সম্মান করতে শিখুন। তাদের গায়ে হাত দেবেন না। আমাদেরকে কঠোর হতে বাধ্য করবেন না।

তিনি আরও বলেন, জুলাইকে অনেকে স্বীকার করে না। জুলাই যোদ্ধাদেরকে অনেকেই তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে। অথচ তাদের কারণেই আজকে আপনারা কথা বলতে পারছেন। আমরা কথা বলতে পারছি।

শফিকুর রহমান বলেন, চাঁদাবাজিসহ সব দুর্নীতি সমাজ থেকে দূর করে দিতে চাই। এমন একটা সমাজ বিনির্মাণ করতে চাই, যেখানে প্রত্যেকটা নাগরিক ইজ্জত-সম্মান এবং তার সম্পদ নিয়ে নিরাপদে বসবাস করতে পারবে।

কোনো দলের নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেন, আপনারা চাঁদাবাজি-লুটপাট ছেড়ে দেন। এক সময় আপনারা মজলুম ছিলেন, এখন কেন জালিমের পথ বেছে নিতে চাচ্ছেন। আল্লাহ যদি আমাদেরকে সরকার গঠনের তৌফিক দেন, তাদেরকে সংশোধনের জন্য আমরা সুযোগ দেব। যদি তারা সংশোধন না হয়, তাহলে তাদেরকে কঠোর হাতে দমন করা হবে।

শফিকুর রহমান বলেন, সরকারি-বেসরকারি চাকরি যারা করছেন, অনেকেই সম্মানজনক বেতন পাচ্ছেন না। সেই বিষয়গুলো নিয়ে আমরা কাজ করব। সরকারি-বেসরকারি সব কর্মকর্তা-কর্মচারী যেন সম্মানের সঙ্গে বাঁচতে পারেন, সেই ব্যবস্থা করা হবে।

আমাদের গণজোয়ার দেখে কেউ কেউ মিথ্যা অপবাদ এবং বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, ক্ষমতায় গেলে কওমি মাদ্রাসার আলেমদের সঙ্গে বৈঠক করব। কওমি মাদ্রাসার উন্নয়নের স্বার্থে যা লাগে তাই আমরা করব। আমরা কওমি মাদ্রাসার বিরোধী নই।

তিনি বলেন, যুবসমাজ তাদের অধিকারের জন্য যুদ্ধ করেছে। বলেছে- হয় আমার অধিকার দাও, না হয় আমাকে গুলি দাও। তারা বলেছে- বুকের ভেতরে তুমুল ঝড়, বুক পেতেছি গুলি কর। আমরা সেই জুলাই যোদ্ধাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি। যারা মজলুম হয়ে শহীদ হয়েছেন, যারা অত্যাচারের শিকার হয়েছেন তাদের সবার প্রতি আমরা শ্রদ্ধা এবং সম্মান জ্ঞাপন করছি।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহেরের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন- এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা আব্দুল হালিম, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা এটিএম মাসুম, ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম।

পরে জামায়াতের আমির কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার নিমসার এবং দাউদকান্দি এলাকায় নির্বাচনি সমাবেশে বক্তব্য দেন।

‘কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৩০ অপরাহ্ণ
‘কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু

‘আমি বেঁচে থাকতে কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’-নির্বাচনী মাঠে এমন দৃঢ় প্রত্যয়ের কথা বলার কয়েক ঘণ্টা পরই চিরতরে নির্বাচনী মাঠ ছাড়লেন কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম খোকন।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়ে দিনভর গণসংযোগ করার পর রাতেই না ফেরার দেশে চলে যান তিনি।

তিনি চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এবং কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ছিলেন। গত কয়েক মাস ধরে শুহিলপুর ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ভোটার ও সমর্থকদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছিলেন তিনি।

জানা যায়, এদিন নিজের ইউনিয়ন শুহিলপুরে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার লক্ষে হাজারো নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে গণসংযোগ করেন বিএনপির এ নেতা। চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে দিনভর নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে নির্বাচনী শোডাউন করেছিলেন তিনি। সন্ধ্যায় পথসভায়ও দিয়েছিলেন জয়ের প্রত্যয়ী বক্তব্য।

দিনভর প্রচারণা শেষে গতকাল সন্ধ্যায় শালিখা বাজারে আয়োজিত পথসভায় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বক্তব্য দেন খোকন।

পথসভায় বিএনপি নেতা বলেন, আপনারা কি চান, শাওন সাহেব (বর্তমান এমপি) আমাকে দলীয় প্রার্থী করুক? তাহলে নিশ্চিত থাকেন, শাওন সাহেব এই ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আমাকে প্রার্থী ঘোষণা করবেন।

তার বক্তব্যে ছিল নির্বাচনে জয়ের প্রত্যয়, ছিল ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা পরিকল্পনা। নেতা-কর্মীদের মধ্যেও ছিল উৎসাহ-উদ্দীপনা। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানেই যেন বদলে গেল সবকিছু।

সারাদিনের নির্বাচনী কর্মসূচি শেষে রাতে বাড়ি ফিরে খাবার খান সাইফুল ইসলাম খোকন। এরপর ঘুমাতে যাওয়ার প্রস্তুতিকালে রাত আনুমানিক ১২টার দিকে হঠাৎ বুকে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করেন তিনি। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে ইলিয়টগঞ্জ বাজারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে পরে দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর বাজারের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে সেখানে তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন মেঝ ছেলে সাঈদ।

মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেও যে মানুষটি নেতা-কর্মীদের সামনে দাঁড়িয়ে নির্বাচনে নিজের প্রার্থিতার কথা বলছিলেন, রাত না পেরোতেই সেই মানুষটিই চলে গেলেন না ফেরার দেশে। থেমে গেল তার রাজনৈতিক পথচলা। থেমে গেল চেয়ারম্যান হওয়ার স্বপ্ন। নির্বাচনী মাঠ থেকে সরে গেলেন ঠিকই তবে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বীর কাছে পরাজিত হয়ে নয়, চিরদিনের জন্য।

সাইফুল ইসলাম খোকনের আকস্মিক মৃত্যুতে শুহিলপুর ইউনিয়নসহ পুরো চান্দিনার রাজনৈতিক অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজন, রাজনৈতিক সহকর্মী, নেতা-কর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে বিরাজ করছে গভীর শোক ও বেদনা।

জানা যায়, আজ সকাল ১১টায় ইলিয়টগঞ্জ রা.বি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার নামাজে জানাজে শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

এদিকে জানাজা নামাজের আগে কুমিল্লা-৭ আসনের সংসদ সদস্য উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আতিকুল আলম শাওন বলেন, সাইফুল ইসলাম খোকন আমার মরহুম পিতার সময়কাল থেকে বিএনপি’র রাজনীতি করেছেন। আমার কয়েকজন অভিভাবকদের মধ্যে তিনিও ছিলেন একজন। তার এই মৃত্যুতে শুহিলপুর ইউনিয়নসহ উপজেলা বিএনপিতে শূন্যতা সৃষ্টি হবে।

‘ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৩ অপরাহ্ণ
‘ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি

‘তুমি এখনো ভালো হওনি, ভালো হয়ে যাও মাসুদ’- সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের এমন মন্তব্যের পর দেশজুড়ে পরিচিতি পাওয়া বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) কর্মকর্তা মো. মাসুদ আলমকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় বদলি করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংস্থাটির আরও কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার দায়িত্বেও রদবদল আনা হয়েছে।

গত ৩১ আগস্ট বিআরটিএ চেয়ারম্যানের কার্যালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ বদলি ও পদায়নের বিষয়টি জানানো হয়। আদেশে উল্লেখ করা হয়, জনস্বার্থে নেওয়া এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে।

অফিস আদেশ অনুযায়ী, বিআরটিএ চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) মো. মাসুদ আলমকে ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

অন্যদিকে ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) শফিকুজ্জামান ভূঞাকে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের একই পদে বদলি করা হয়েছে। ফলে মাসুদ আলমের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন তিনি।

উল্লেখ্য, বিআরটিএর সেবা ও অনিয়ম নিয়ে এক পরিদর্শনকালে কর্মকর্তা মাসুদ আলমকে উদ্দেশ করে ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, ‘তুমি এখনো ভালো হওনি, ভালো হয়ে যাও মাসুদ।’ তার সেই বক্তব্য দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং মাসুদ আলমকে ঘিরে আলোচনা তৈরি হয়।

বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

মোঃ রেজাউল করিম, সিনিয়র রিপোর্টার:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৪ অপরাহ্ণ
বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকালে উপজেলার মুকুন্দগাঁতী ও ক্ষিদ্রমাটিয়া গ্রামের উদ্যোগে ও ঢাকা ব্যাংক পি এল সি অর্থায়নে ক্ষিদ্রমাটিয়া গ্রামের যমুনা নদীর শাখায় তিন দিনব্যাপী এই মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য আমিরুল ইসলাম খাঁন আলীম। 

বাইচ কমিটির সভাপতি আলতাফ হোসেনের সভাপতিত্বে আরোও উপস্থিত ছিলেন, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিষ্টার শাহানাজ প্রধান, সহকারী পুলিশ সুপার বেলকুচি সার্কেল শহিদুল ইসলাম, বেলকুচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোক্তারুজ্জামান, বেলকুচি কলেজের অধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা বিএনপির সদস্য গোলাম আজম, উপজেলার বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক মন্ডলসহ স্থানীয় গনমান্য ব্যক্তিবর্গ। 

সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পানসি ১৮ টা ও ১২ টা কোষা নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করেন। আগামী ৬ সেপ্টেম্বর রবিবার বাইচ প্রতিযোগিতার চুড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হবে।

'কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু 'ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন বিশ্বের সর্বোচ্চ খেলাপি ঋণের দেশ এখন বাংলাদেশ যতবারই নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়েছে ততবারই বিএনপি জিতেছে: মন্ত্রী দুলু