খুঁজুন
শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১ চৈত্র, ১৪৩২

লীগের পক্ষে বিক্ষোভকারীরা শীর্ষ পদে

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় পদায়নে আওয়ামী পুনর্বাসনের নানা অভিযোগ ও বিতর্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:৫৩ অপরাহ্ণ
সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় পদায়নে আওয়ামী পুনর্বাসনের নানা অভিযোগ ও বিতর্ক

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদগুলোতে সাম্প্রতিক বদলি ও নিয়োগ ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, স্বৈরাচারী ফ্যাসিস্ট আওয়ামী শাসনামলের ঘনিষ্ঠ ও সুবিধাভোগী কর্মকর্তাদের দিয়েই সচিবালয় সাজানো হচ্ছে, যা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনার পরিপন্থী। সম্প্রতি এই পদায়ন নিয়ে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জুলাই অভ্যুত্থানে জড়িত আইনজীবীরা। অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত অন্তর্বর্তী সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তাদের প্রতি।

সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব পদে দায়িত্ব পেয়েছেন বিতর্কিত শেখ আশফাকুর রহমান এবং অতিরিক্ত সচিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন রুহুল আমিন। এই দুই কর্মকর্তার অতীতের বিতর্কিত ভূমিকা ও রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছেন বিভিন্ন মহল।

২০২০ সালে দেশের বিভিন্ন স্থানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনার প্রতিবাদে তখন ‘জাতির পিতার সম্মান, রাখব আমরা অম্লান’ স্লোগানে বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন, চট্টগ্রাম জেলা কমিটির ব্যানারে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করা হয়। দেশের অন্য কোথাও বিচারকদের এমন সমাবেশ দেখা না গেলেও চট্টগ্রামে বিচারকদের নিয়ে আয়োজিত ওই সমাবেশে নেতৃত্ব দেন তৎকালীন চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ শেখ আশফাকুর রহমান।

দেশের ইতিহাসে বিচারকদের আচরণবিধি উপেক্ষা করে এ ধরনের সমাবেশে অংশ নিয়ে দলীয় আনুগত্য পোষণকারী এই বিচারক পরে আরও ভালো ভালো পেস্টিং ও সুবিধা বাগিয়ে নিয়েছেন। অথচ দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এখন সে ব্যক্তিকেই সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। সচিবালয়ের প্রথম পূর্ণাঙ্গ সচিব হিসেবে বিতর্কিত ব্যক্তিকে নিয়োগ নিয়ে ক্ষুব্ধ বিচারকরা। সমালোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক বিচারক গণমাধ্যমে বলেন, বিচারক শেখ আশফাকুর রহমান বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের একজন সুবিধাভোগী। বিচার বিভাগে ফ্যাসিজম কায়েমের দায়ে তার শাস্তি হওয়ার কথা ছিল; কিন্তু সেটা না হয়ে তিনি পুরস্কৃত হচ্ছেন।

শুরুতেই যদি রাজনৈতিকভাবে বিতর্কিত ব্যক্তিকে নিয়োগ করা হয়, তাহলে স্বাধীন সচিবালয় হবে কীভাবে- এমন প্রশ্ন রেখে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মাহবুবুর রহমান খান গণমাধ্যমে বলেন, স্বাধীন বিচার বিভাগ আমাদের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন। স্বাধীন বিচার বিভাগ প্রতিষ্ঠায় সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের বাস্তবায়ন জরুরি। বিগত সময়ের বিচার বিভাগের নতজানু অবস্থা এবং রাজনৈতিক ফরমায়েশি রায়ের সংস্কৃতি থেকে মুক্তির জন্যই আলাদা সচিবালয় প্রতিষ্ঠা জরুরি ছিল। কিন্তু পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠায় প্রথম পদায়নেই আমরা দেখতে পাচ্ছি, রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত ব্যক্তিদের সেখানে পদায়ন করা হচ্ছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

তিনি আরও বলেন, বিচার বিভাগের অনেকেই এই নিয়োগ নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন। এসব নিয়োগের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টদের আরও সতর্ক হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি। এদিকে এই নিয়োগের ব্যাপারে আইন মন্ত্রণালয় ও সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

গত ২ ফেব্রুয়ারি আইন মন্ত্রণালয় থেকে এক প্রজ্ঞাপনে, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের সচিব হিসেবে জেলা ও দায়রা জজ শেখ আশফাকুর রহমানকে এবং অতিরিক্ত সচিব হিসেবে জেলা ও দায়রা জজ রুহুল আমীনকে নিয়োগ দেওয়া হয়। এছাড়া অন্য এক প্রজ্ঞাপনে যুগ্ম সচিব হিসেবে জেলা ও দায়রা জজ বি এম তারিকুল কবির, উপসচিব হিসেবে পঞ্চগড়ের চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাফিজুল ইসলাম ও যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ সুব্রত ঘোষ শুভ, সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে মহসিনা হোসেন তুষি ও সাদিয়া আফরিনকে নিয়োগ দেওয়া হয়।

নিয়োগের পরপরই বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা শুরু হয় আদালত প্রাঙ্গণে। এরমধ্যে বেশি সমালোচনা চলছে সচিব নিয়োগ নিয়ে। বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙচুরের প্রতিবাদে চট্টগ্রামের বিচারকরা রাজপথে সমাবেশ করেন। ওই সমাবেশের নেতৃত্ব দেন বিচারক শেখ আশফাকুর রহমান। বিষয়টি নিয়ে ২০২০ সালের ১২ ডিসেম্বর গণমাধ্যমে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

প্রকাশিত সেই প্রতিবেদনে বলা হয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য ভাঙচুরের প্রতিবাদে চট্টগ্রামে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছেন বিচারকরা। নগরের দামপাড়া পুলিশ লাইন সংলগ্ন পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতির (পুনাক) সামনের সড়কে ‘জাতির পিতার সম্মান, রাখব আমরা অম্লান’ স্লোগানে বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন, চট্টগ্রাম জেলা কমিটির ব্যানারে মানববন্ধন করেন তারা। এরপর সেখান থেকে মিছিল নিয়ে তারা জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে যান।

সমাবেশে বক্তৃতায় চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ শেখ আশফাকুর রহমান বলেন, বিচারক হলেও আমরা মানুষ। তাই আজ হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে, যখন জাতির পিতার ভাস্কর্য ভাঙা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘গত কয়েকদিনে দেশে একটা ন্যক্কারজনক উদ্যোগ ও তার প্রতিক্রিয়া দেখেছি আমরা। যেটা আমাদের সবাইকে নাড়া দিয়েছে। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য ভাঙার মতো ধৃষ্টতা দেখিয়েছে একটি মৌলবাদী গ্রুপ। এ ধরনের প্রতিক্রিয়াশীল গ্রুপ পৃথিবীর যে দেশেই কিছু উদ্যোগ নিয়েছে, তারা শুধু দেশের নয় ইসলামের ক্ষতি করেছে সবচেয়ে বেশি। তারা জানে না, তাদের জানা কত কম। ইসলামের সবচেয়ে সুন্দর বৈশিষ্ট্য, যেখানেই তা গেছে প্রচারের জন্য সেখানকার কৃষ্টি সংস্কৃতিকে ধারণ করে নিয়েছে। কিন্তু এখন কিছু মৌলবাদী গ্রুপ বুঝতেই চাইছে না। ইসলাম প্রচারিত ও প্রসারিত হয়েছে সৌন্দর্যের মধ্যে। কূপমণ্ডূক কিছু মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করছে ইসলামের।’

জানা গেছে, বিতর্কিত শেখ আশফাকুর রহমানের বাড়ি সাতক্ষীরায়। তার পিতার নাম অ্যাডভোকেট দেলদার রহমান। তিনি সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্যানেল থেকে দুবারের জন্য সভাপতি হয়েছিলেন। কট্টর আওয়ামী পরিবারের সদস্য আশফাকুর রহমান বিচার বিভাগে আওয়ামী তন্ত্র চালিয়েছে ব্যাপকভাবে। শুধু প্রতিবাদ সমাবেশে অংশগ্রহণই নয়, তিনি বিগত আওয়ামী লীগ সরকার আমলে সুবিধাভোগীদের অন্যতম একজন। আওয়ামী লীগ আমলে আইন মন্ত্রণালয়, সুপ্রিম কোর্ট, চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ, সিলেট মহানগর দায়রা জজসহ গুরুত্বপূর্ণ সব জায়গায় ছিল বিচারক আশফাকুর রহমানের পোস্টিং।

এখানেই শেষ নয়। কোটা সংস্কার আন্দোলনের মাত্র তিন মাস আগে ২০২৪ সালের ২৫ থেকে ২৯ মার্চ পর্যন্ত শেখ হাসিনার পক্ষে জুডিসিয়াল ক্যু করার চেষ্টাকারী সাবেক প্রধান বিচারপতির ওবায়দুল হাসানের সঙ্গে আমেরিকা সফর করেন তিনি। চব্বিশের ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময় বিচারকদের ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে পরিচালক পদে পদায়ন পান। কিছুদিনের জন্য আশফাকুর রহমানকে সিলেটের জেলা জজ হিসেবে পাঠানো হলেও তিনি আবার ঢাকায় লিগ্যাল এইডের পরিচালক হিসাবে পদায়ন নিয়ে চলে আসেন। এবার সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের শীর্ষ পদটিও বাগিয়ে নিয়েছেন তিনি।

সচিবের পাশাপাশি অতিরিক্ত সচিব হিসেবে জেলা ও দায়রা জজ রুহুল আমিনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনিও আওয়ামী সরকারের আমলে সুপ্রিম কোর্টে অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পরে রাজবাড়ীর জেলা জজ হন। সবশেষ আইন মন্ত্রণালয়ে যুগ্ম সচিব (প্রশাসন) হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তাকে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব নিয়োগ করা হয়েছে। বিগত সরকারের আমলে এভাবে সুবিধাভোগীদের সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ে নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

খারগ দ্বীপে মার্কিন হামলা: বৈশ্বিক তেলের বাজার নিয়ন্ত্রনের বাইরে যাওয়ার আশঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১১:৩২ পূর্বাহ্ণ
খারগ দ্বীপে মার্কিন হামলা: বৈশ্বিক তেলের বাজার নিয়ন্ত্রনের বাইরে যাওয়ার আশঙ্কা

ইরান উপকূলে হরমুজ প্রণালির কাছে অবস্থিত খারগ দ্বীপের সামরিক স্থাপনায় অতর্কিত বোমা হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এর এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসে অন্যতম শক্তিশালী বিমান হামলা চালিয়েছে। তারা ইরানের ‘মুকুটের মণি’ হিসেবে পরিচিত খারগ দ্বীপের প্রতিটি সামরিক লক্ষ্যবস্তু পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছে।

সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খারগ দ্বীপ ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অপরিশোধিত তেল রপ্তানি টার্মিনাল। দ্বীপটিতে যুক্তরাষ্ট্রের অবিরাম হামলা যুদ্ধের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

সিএনএনকে যুক্তরাষ্ট্রের অবসরপ্রাপ্ত এক সেনা কর্মকর্তা জানান, খারগ দ্বীপে হামলার ফলে বৈশ্বিক তেলের বাজার ‘নিয়ন্ত্রণের বাইরে’ চলে যেতে পারে।

মার্কিন সেনাবাহিনীর সাবেক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মার্ক কিমিট বলেন, সেখানে মার্কিন হামলার অর্থ হলো আমরা এই যুদ্ধে ঝুঁকির মাত্রা অনেক বাড়িয়ে দিয়েছি। বিষয়টি এখন আর শুধু ‘সামরিক বাহিনী বা সরকারকে হটিয়ে দেওয়ার’ মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। বরং আমরা এখন ইরানের অর্থনৈতিক প্রাণভোমরাকে লক্ষ্যবস্তু করার চেষ্টা করছি।

তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে ইরানে যাতে জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেয়, সেটি নিশ্চিত করতে দ্বীপটিকে ‘জিম্মি’ করে রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র।

ওই তেল অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করা হলে কিমিট সতর্ক করে বলেন, এটা স্পষ্ট যে ইরান তখন মধ্যপ্রাচ্যের বাকি অবকাঠামোগুলোর ওপর হামলা চালাবে। আর সেই পর্যায়ে তেলের দাম পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে।

ইরান উপকূল থেকে পাঁচ মাইল দূরে অবস্থিত খারগ দ্বীপ দিয়েই দেশটির প্রায় ৯০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল রপ্তানি করা হয়। ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের প্রথম দুই সপ্তাহে দ্বীপটি অক্ষত ছিল বলে মনে করা হচ্ছিল।

ম্যানেজিং কমিটিতে শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলের প্রশ্নই ওঠে না: শিক্ষামন্ত্রী

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬, ৯:৪৪ অপরাহ্ণ
ম্যানেজিং কমিটিতে শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলের প্রশ্নই ওঠে না: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী আ.ন.ম. এহসানুল হক মিলন বলেছেন, ম্যানিজিং কমিটিতে অর্ধশিক্ষিত নয় বরং শিক্ষাক্ষেত্রে যাদের অবদান আছে তাদের নিয়েই কমিটি করার চিন্তাভাবনা চলছে। এরমধ্যে অর্ধশিক্ষিত লোকজন দিয়ে কমিটি গঠনের যে তথ্য প্রচার হয়েছে তা অসম্পূর্ণ এবং বিকৃত।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেলে চাঁদপুরের কচুয়ায় জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার ও প্রতিবন্ধী মানুষের মধ্যে হুইল চেয়ার বিতরণ শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।

ম্যানেজিং কমিটিতে শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল করার প্রশ্নই ওঠে না বলে সাফ জানিয়ে দেন মন্ত্রী।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘সারা দেশের আগে কচুয়াকে শিক্ষার রোল মডেল করতে চাই। এখান থেকেই সারা দেশে তা ছড়িয়ে দেওয়া হবে। কারণ আগে নিজের ঘর ঠিক করতে হবে। শিক্ষার মান উন্নয়নে সরকার ধাপে ধাপে কাজ করছে।’

তিনি আরও বলেন, পুরনো পদ্ধতিতে এসএসসি পরীক্ষা নয়, নতুন এবং যুগোপযোগী বাস্তবসম্মত নিয়মে পরীক্ষা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এছাড়া সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে মিলন বলেন, আপনারা প্রকৃত সত্য তুলে ধরুন। কোনো বক্তব্য খন্ডিতভাবে নয়।

তাছাড়া আগামীদিনে পরীক্ষার হলে পরীক্ষার্থী, ইনভিজিলেটর এবং যারা পর্যবেক্ষক হবেন তাদের একটা নিয়মের মধ্যে নিয়ে আসা হবে বলেও জানান তিনি।

বাড়িতে বসেই দিতেন বিভিন্ন দেশের ভিসা, অবশেষে ধরা

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬, ৮:২২ অপরাহ্ণ
বাড়িতে বসেই দিতেন বিভিন্ন দেশের ভিসা, অবশেষে ধরা

নীলফামারীতে নিজ বাড়িতে বসেই দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন দেশের জাল ভিসা দিয়ে প্রতারণা করার অভিযোগে মমিজুল ইসলাম (৩০) নামে এক যুবককে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি পুলিশ)।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) দুপুরে ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মতলুবর রহমান এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানিয়েছেন।

গ্রেপ্তারকৃত যুবক কিশোরগঞ্জ উপজেলার বাহাগিলী ইউনিয়নের নয়ানখাল কুঠিপাড়া গ্রামের নুর হোসনের ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মমিজুল ইসলাম দীর্ঘ ধরে বাড়িতে বসে মানুষকে বিভিন্ন দেশের জাল ভিসা দিয়ে প্রতারণা করে আসছেন৷ গতকাল (বৃহস্পতিবার) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা শাখা ডিবি পুলিশের একটি দল তার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।

এ সময়ে প্রতারক মমিজুলের বাসা থেকে বিভিন্ন দেশের জাল টাকা, জাল ভিসা ও মোবাইলসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। যা নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

এ বিষয়ে ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মতলুবর রহমান গণমাধ্যমে বলেন, গতকাল (বৃহস্পতিবার) তাকে গ্রেপ্তার করে হয়েছে। আজকে (শুক্রবার) তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

খারগ দ্বীপে মার্কিন হামলা: বৈশ্বিক তেলের বাজার নিয়ন্ত্রনের বাইরে যাওয়ার আশঙ্কা ম্যানেজিং কমিটিতে শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলের প্রশ্নই ওঠে না: শিক্ষামন্ত্রী বাড়িতে বসেই দিতেন বিভিন্ন দেশের ভিসা, অবশেষে ধরা ১৫ মার্চ থেকে পর্যাপ্ত জ্বালানি পাবে গণপরিবহন: রেলমন্ত্রী উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে মির্জা আব্বাসকে