খুঁজুন
শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১ চৈত্র, ১৪৩২

ভোটের মাঠে বিজয়ী হলেও যাদের ‘ভাগ্য নির্ধারণ’ হবে আদালতে

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:০৬ অপরাহ্ণ
ভোটের মাঠে বিজয়ী হলেও যাদের ‘ভাগ্য নির্ধারণ’ হবে আদালতে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটে বিজয়ী হলেও বিএনপি মনোনীত ৪ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ করবেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত। এই ৪ জন হলেন: চট্টগ্রাম-৪ আসনের আসলাম চৌধুরী, চট্টগ্রাম-২ আসনের সারোয়ার আলমগীর, শেরপুর-২ আসনের ফাহিম চৌধুরী ও কুমিল্লা-১০ আসনের প্রার্থী মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া।

এরমধ্যে ঋণখেলাপির অভিযোগ এনে আসলাম চৌধুরী ও সারোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে সংশ্লিষ্ট আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীদের করা লিভ টু আপিল মঞ্জুর করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। তাদের বিষয়ে আদালত বলেছেন, তারা নির্বাচন করতে পারবেন। কিন্তু আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ফলাফল স্থগিত থাকবে, ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশ হবে না।

অন্যদিকে, ফাহিম চৌধুরীর দ্বৈত নাগরিকত্ব ইস্যুতে জামায়াত প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া ও মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার মনোনয়নপত্রে দলীয় প্রত্যয়নপত্র না থাকার বিষয়ে বাংলাদেশ কংগ্রেস মনোনীত প্রার্থী হাছান আহম্মেদের করা লিভ টু আপিল মঞ্জুর করে আদালত বলেছেন, তারা ভোটে বিজয়ী হলে ফলাফলের গেজেট প্রকাশ ও শপথগ্রহণে কোনো বাধা নেই। মামলায় জয়ী হলে তারা সংসদ সদস্য পদে থাকবেন। কিন্তু আপিলকারীরা মামলায় জয়ী হলে তাদের সংসদ সদস্য পদ থাকবে না।

আইনজীবীরা বলছেন, এই চার প্রার্থী যদি ভোটে হেরে যান তবে মামলার আর কোনো প্রাসঙ্গিকতাই থাকবে না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সুপ্রিম কোর্টের সংবিধান সংরক্ষণ কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহবুব গণমাধ্যমে বলেন, আদালত বলেছেন ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবেন। এমন কোনো আদেশ দেবেন না, যার ফাঁকফোকর দিয়ে ঋণখেলাপিরা সব ধরনের সুযোগ সুবিধা পায়। অনেকের মনোনয়ন বাতিলও করেছিলেন।

‘কিন্তু আসলাম চৌধুরী ও সারোয়ার আলমগীরের মামলা যেহেতু শেষের দিকে তাই আদালত মনে করছেন নির্বাচন থেকে তাদের দূরে রাখাটা গণতন্ত্রের পক্ষে সঠিক হবে না। আমি বলবো এক্ষেত্রেও আদালত ন্যায়বিচার করেছেন। যদি প্রমাণ হয় তারা ঋণখেলাপি নন, তবে বিজয়ী হলে সঙ্গে সঙ্গে ভোটের ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশ করে দেবে নির্বাচন কমিশন। আর ভোটে হেরে গেলে মামলার কোনো প্রাসঙ্গিকতাই থাকবে না’ বলে জানান এই আইনজীবী।

সাবেক অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ও সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এম কে রহমান বলেন, আপিল বিভাগে এটি নতুন ও ব্যতিক্রমী আদেশ। এর আগে আমরা এমন আদেশ দেখিনি। যদিও আমরা মনে করি, ঋণখেলাপিদের নমিনেশনের বৈধতা না দিলে সব দল ও প্রার্থীসহ সবাই সতর্ক হতো। ওয়েস্ট বেঙ্গল (ভারতের পশ্চিমবঙ্গ) এটি করেছে। এখানে পরে সুপ্রিম কোর্টে এসেছে। নির্বাচন কমিশন থেকেই এটি করা উচিত ছিল।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সাইফুল আলম ইজ্জল বলেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, ঋণখেলাপিদের ব্যাপারে স্ট্যান্ডটা নেওয়া দরকার ছিল রাজনৈতিক দলগুলার। কিন্তু জেনেশুনেও ঋণখেলাপির অভিযোগ থাকা কাউকে কাউকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। এখানে রাজনৈতিক দলগুলোর ব্যর্থতা রয়েছে।

তিনি বলেন, এখন যদি তারা ভোটে জিতেও আদালতে আপিলকারীর কাছে হেরে যান তবে সেটা ভবিষ্যতের জন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। তখন সংশ্লিষ্ট আসনে নেক্সট যিনি থাকবেন তিনি ইলেক্টেড হবেন, অর্থাৎ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করা হবে।

চট্টগ্রাম-৪ আসনের আসলাম চৌধুরীচট্টগ্রাম-৪ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বহাল রেখে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশের বিরুদ্ধে করা লিভ টু আপিল (আপিল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন) মঞ্জুর করেছেন আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের আপিল বিভাগ গত ৩ ফেব্রুয়ারি এ আদেশ দেন।

হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে জামায়াতের প্রার্থী আনোয়ার সিদ্দিকী ও যমুনা ব্যাংক পৃথক লিভ টু আপিল করে।

আবেদনকারী পক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন জানান, আপিল বিভাগ লিভ মঞ্জুর করেছেন। আদালত বলেছেন, আসলাম চৌধুরী নির্বাচন করতে পারবেন। কিন্তু ফলাফলটা আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত স্থগিত থাকবে, ফলাফল গেজেটে আকারে প্রকাশ হবে না।

এর আগে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা গত ৩ জানুয়ারি আসলাম চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে বৈধ ঘোষণা করেছিলেন। তবে তার বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে ঋণখেলাপির অভিযোগ এনেছিলেন জামায়াতের প্রার্থী আনোয়ার সিদ্দিকী। পরে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকও পৃথক আপিল করে।

শুনানি নিয়ে গত ১৮ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন দুটি আবেদনই খারিজ করে। ফলে আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বহাল থাকে। পরে ইসির সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আনোয়ার সিদ্দিকী ও ব্যাংক পৃথক রিট করেন। গত ২৭ জানুয়ারি হাইকোর্ট রিট খারিজ করে দেন। এক্ষেত্রেও আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বহাল থাকে।

পরে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে আনোয়ার সিদ্দিকী ও সংশ্লিষ্ট যমুনা ব্যাংক আপিল বিভাগে আবেদন করেন, যা গত ২৯ জানুয়ারি চেম্বার আদালতে শুনানির জন্য ওঠে। সেদিন চেম্বার আদালত আবেদন আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠান।

এর মধ্যে হাইকোর্টের আদেশের প্রত্যায়িত অনুলিপি পেয়ে আনোয়ার সিদ্দিকী লিভ টু আপিল করেন। লিভ টু আপিল ও ব্যাংকের করা আবেদনের ওপর শুনানি শেষে ফলাফল স্থগিতের আদেশ দেন আপিল বিভাগ।

চট্টগ্রাম-২ আসনের সারোয়ার আলমগীরচট্টগ্রাম-২ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সারোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা ফিরিয়ে দিতে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশের বিরুদ্ধে জামায়াতের প্রার্থীর করা লিভ টু আপিল মঞ্জুর করেছেন আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ গত ৩ ফেব্রুয়ারি এ আদেশ দেন।

আদেশের পর সারোয়ার আলমগীরের আইনজীবী আহসানুল করিম জানিয়েছেন, নির্বাচনে প্রতিন্দ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন সারোয়ার আলমগীর। লিভ মঞ্জুর হওয়ায় আপিলের ওপর শুনানি হবে। আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ফলাফলের গেজেট প্রকাশ করা যাবে না।

হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিলটি করেছিলেন চট্টগ্রাম-২ আসনে জামায়াতের প্রার্থী মুহাম্মদ নুরুল আমিন। আপিল বিভাগের আদেশের পর তার আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন বলেন, আপিল বিভাগ লিভ মঞ্জুর করেছেন। আদালত বলেছেন, সারোয়ার আলমগীর নির্বাচন করতে পারবেন। কিন্তু ফলাফলটা আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত স্থগিত থাকবে, ফলাফল প্রকাশিত হবে না।

এর আগে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা সারোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে বৈধ ঘোষণা করেছিলেন। তবে তার বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির অভিযোগে নির্বাচন কমিশনে আপিল করা হয়েছিল। জামায়াত প্রার্থী নুরুল আমিন অভিযোগটি করেছিলেন।

শুনানি নিয়ে ১৮ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন সারোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বৈধতার বিরুদ্ধে করা আপিল মঞ্জুর করে। তার প্রার্থিতা বাতিল হয়। এর বৈধতা নিয়ে প্রার্থিতা ফিরে পেতে সারোয়ার আলমগীর গত ১৯ জানুয়ারি হাইকোর্টে রিটটি করেন।

গত ২৭ জানুয়ারি হাইকোর্ট রুল দিয়ে সারোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বাতিলের নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত স্থগিত করেন। একই সঙ্গে তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করতে ও ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ দিতে ইসিকে নির্দেশ দেওয়া হয়। এ আদেশের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করেন নুরুল আমিন।

শেরপুর-২ আসনের ফাহিম চৌধুরীআসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেরপুর-২ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ফাহিম চৌধুরীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে আর কোনো বাধা নেই। গত ৩ ফেব্রুয়ারি প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এক আদেশে তার প্রার্থিতা বহাল রাখেন।

এর আগে, ফাহিম চৌধুরীর নাগরিকত্ব ইস্যু নিয়ে একই আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর করা একটি ‘লিভ টু আপিল’ শুনানি শেষে আদালত এ আদেশ দেন।

আদেশের পর ফাহিম চৌধুরীর আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল জানান, আদালতের এ আদেশের ফলে ফাহিম চৌধুরীর নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে আর কোনো বাধা নেই।

তবে আপিলকারী পক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন লিপু বলেন, বিএনপির প্রার্থী ফাহিম চৌধুরী নির্বাচনে অংশ নিলেও অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকত্ব ইস্যুতে করা আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এই আসনের নির্বাচনের ফলাফল স্থগিত থাকবে।

কুমিল্লা-১০ আসনের মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়াকুমিল্লা-১০ আসনের ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া নির্বাচন করতে পারবেন। তার প্রার্থিতা নিয়ে করা লিভ টু আপিল মঞ্জুর করে গত ১ ফেব্রুয়ারি আদেশ দেন প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ।

আদালতে মোবাশ্বের আলমের পক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার জ্যোর্তিময় বড়ুয়া জানান, মোবাশ্বের আলম নির্বাচন করতে পারবেন। তবে ভোটের ফলাফল কী হবে, সেটি আপিল নিষ্পত্তির ওপর নির্ভর করবে।

খারগ দ্বীপে মার্কিন হামলা: বৈশ্বিক তেলের বাজার নিয়ন্ত্রনের বাইরে যাওয়ার আশঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১১:৩২ পূর্বাহ্ণ
খারগ দ্বীপে মার্কিন হামলা: বৈশ্বিক তেলের বাজার নিয়ন্ত্রনের বাইরে যাওয়ার আশঙ্কা

ইরান উপকূলে হরমুজ প্রণালির কাছে অবস্থিত খারগ দ্বীপের সামরিক স্থাপনায় অতর্কিত বোমা হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এর এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসে অন্যতম শক্তিশালী বিমান হামলা চালিয়েছে। তারা ইরানের ‘মুকুটের মণি’ হিসেবে পরিচিত খারগ দ্বীপের প্রতিটি সামরিক লক্ষ্যবস্তু পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছে।

সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খারগ দ্বীপ ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অপরিশোধিত তেল রপ্তানি টার্মিনাল। দ্বীপটিতে যুক্তরাষ্ট্রের অবিরাম হামলা যুদ্ধের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

সিএনএনকে যুক্তরাষ্ট্রের অবসরপ্রাপ্ত এক সেনা কর্মকর্তা জানান, খারগ দ্বীপে হামলার ফলে বৈশ্বিক তেলের বাজার ‘নিয়ন্ত্রণের বাইরে’ চলে যেতে পারে।

মার্কিন সেনাবাহিনীর সাবেক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মার্ক কিমিট বলেন, সেখানে মার্কিন হামলার অর্থ হলো আমরা এই যুদ্ধে ঝুঁকির মাত্রা অনেক বাড়িয়ে দিয়েছি। বিষয়টি এখন আর শুধু ‘সামরিক বাহিনী বা সরকারকে হটিয়ে দেওয়ার’ মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। বরং আমরা এখন ইরানের অর্থনৈতিক প্রাণভোমরাকে লক্ষ্যবস্তু করার চেষ্টা করছি।

তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে ইরানে যাতে জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেয়, সেটি নিশ্চিত করতে দ্বীপটিকে ‘জিম্মি’ করে রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র।

ওই তেল অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করা হলে কিমিট সতর্ক করে বলেন, এটা স্পষ্ট যে ইরান তখন মধ্যপ্রাচ্যের বাকি অবকাঠামোগুলোর ওপর হামলা চালাবে। আর সেই পর্যায়ে তেলের দাম পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে।

ইরান উপকূল থেকে পাঁচ মাইল দূরে অবস্থিত খারগ দ্বীপ দিয়েই দেশটির প্রায় ৯০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল রপ্তানি করা হয়। ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের প্রথম দুই সপ্তাহে দ্বীপটি অক্ষত ছিল বলে মনে করা হচ্ছিল।

ম্যানেজিং কমিটিতে শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলের প্রশ্নই ওঠে না: শিক্ষামন্ত্রী

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬, ৯:৪৪ অপরাহ্ণ
ম্যানেজিং কমিটিতে শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলের প্রশ্নই ওঠে না: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী আ.ন.ম. এহসানুল হক মিলন বলেছেন, ম্যানিজিং কমিটিতে অর্ধশিক্ষিত নয় বরং শিক্ষাক্ষেত্রে যাদের অবদান আছে তাদের নিয়েই কমিটি করার চিন্তাভাবনা চলছে। এরমধ্যে অর্ধশিক্ষিত লোকজন দিয়ে কমিটি গঠনের যে তথ্য প্রচার হয়েছে তা অসম্পূর্ণ এবং বিকৃত।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেলে চাঁদপুরের কচুয়ায় জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার ও প্রতিবন্ধী মানুষের মধ্যে হুইল চেয়ার বিতরণ শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।

ম্যানেজিং কমিটিতে শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল করার প্রশ্নই ওঠে না বলে সাফ জানিয়ে দেন মন্ত্রী।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘সারা দেশের আগে কচুয়াকে শিক্ষার রোল মডেল করতে চাই। এখান থেকেই সারা দেশে তা ছড়িয়ে দেওয়া হবে। কারণ আগে নিজের ঘর ঠিক করতে হবে। শিক্ষার মান উন্নয়নে সরকার ধাপে ধাপে কাজ করছে।’

তিনি আরও বলেন, পুরনো পদ্ধতিতে এসএসসি পরীক্ষা নয়, নতুন এবং যুগোপযোগী বাস্তবসম্মত নিয়মে পরীক্ষা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এছাড়া সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে মিলন বলেন, আপনারা প্রকৃত সত্য তুলে ধরুন। কোনো বক্তব্য খন্ডিতভাবে নয়।

তাছাড়া আগামীদিনে পরীক্ষার হলে পরীক্ষার্থী, ইনভিজিলেটর এবং যারা পর্যবেক্ষক হবেন তাদের একটা নিয়মের মধ্যে নিয়ে আসা হবে বলেও জানান তিনি।

বাড়িতে বসেই দিতেন বিভিন্ন দেশের ভিসা, অবশেষে ধরা

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬, ৮:২২ অপরাহ্ণ
বাড়িতে বসেই দিতেন বিভিন্ন দেশের ভিসা, অবশেষে ধরা

নীলফামারীতে নিজ বাড়িতে বসেই দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন দেশের জাল ভিসা দিয়ে প্রতারণা করার অভিযোগে মমিজুল ইসলাম (৩০) নামে এক যুবককে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি পুলিশ)।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) দুপুরে ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মতলুবর রহমান এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানিয়েছেন।

গ্রেপ্তারকৃত যুবক কিশোরগঞ্জ উপজেলার বাহাগিলী ইউনিয়নের নয়ানখাল কুঠিপাড়া গ্রামের নুর হোসনের ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মমিজুল ইসলাম দীর্ঘ ধরে বাড়িতে বসে মানুষকে বিভিন্ন দেশের জাল ভিসা দিয়ে প্রতারণা করে আসছেন৷ গতকাল (বৃহস্পতিবার) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা শাখা ডিবি পুলিশের একটি দল তার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।

এ সময়ে প্রতারক মমিজুলের বাসা থেকে বিভিন্ন দেশের জাল টাকা, জাল ভিসা ও মোবাইলসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। যা নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

এ বিষয়ে ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মতলুবর রহমান গণমাধ্যমে বলেন, গতকাল (বৃহস্পতিবার) তাকে গ্রেপ্তার করে হয়েছে। আজকে (শুক্রবার) তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

খারগ দ্বীপে মার্কিন হামলা: বৈশ্বিক তেলের বাজার নিয়ন্ত্রনের বাইরে যাওয়ার আশঙ্কা ম্যানেজিং কমিটিতে শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলের প্রশ্নই ওঠে না: শিক্ষামন্ত্রী বাড়িতে বসেই দিতেন বিভিন্ন দেশের ভিসা, অবশেষে ধরা ১৫ মার্চ থেকে পর্যাপ্ত জ্বালানি পাবে গণপরিবহন: রেলমন্ত্রী উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে মির্জা আব্বাসকে