খুঁজুন

নাসিরনগরে নির্বাচনী বিরোধে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে ইমামসহ নিহত ২, আহত অর্ধশতাধিক

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬, ৭:৫৪ অপরাহ্ণ
নাসিরনগরে নির্বাচনী বিরোধে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে ইমামসহ নিহত ২, আহত অর্ধশতাধিক

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলায় নির্বাচনী বিরোধের জেরে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে মসজিদের ইমামসহ দু’জন নিহত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকাল ৯টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত উপজেলার গোয়ালনগর ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে চলা সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন।

নিহত দুজন হলেন গোয়ালনগর ইউনিয়নের হাবিবুর রহমান ওরফে হাবিবুল্লাহ (৪০) ও আক্তার মিয়া (৫০)। হাবিবুর গোয়ালনগর ইউনিয়নের সিমেরকান্দি জামে মসজিদের ইমাম ছিলেন এবং স্থানীয় হান্নান মিয়ার ছেলে। অন্যদিকে আক্তার গোয়ালনগর গ্রামের হাছন আলীর ছেলে। তিনি চট্টগ্রামে শ্রমিকের কাজ করতেন। আক্তার মিয়া স্থানীয় রহিম তালুকদারের পক্ষের এবং হাবিবুর কাশেম মিয়ার পক্ষের লোক ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনের বিএনপির প্রার্থী ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম এ হান্নানের পক্ষে গোয়ালনগর ইউনিয়নে কাজ করেন বিএনপির সমর্থক রহিম তালুকদারের লোকজন।

অন্যদিকে একই ইউনিয়নে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী ও উপজেলা বিএনপির বহিষ্কৃত সহসভাপতি কে এম কামরুজ্জামানের পক্ষে কাজ করেন স্থানীয় কাশেম মিয়ার লোকজন। রহিম ও কাশেমের মধ্যে নির্বাচনের আগে থেকেই বিরোধ ছিল। ভোটের দিন সকালে গোয়ালনগর উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে জাল ভোট দেওয়ার প্ররোচনার অভিযোগে রহিম তালুকদার পক্ষের সমর্থক জিয়া মিয়া নামের এক ব্যক্তিকে আটক করে সেনাবাহিনী। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাঁকে ১০ দিনের কারাদণ্ডাদেশ দেন। ১৪ মার্চ কারামুক্ত হয়ে এলাকায় ফেরেন জিয়া।

স্থানীয়দের ভাষ্য, কারামুক্ত জিয়ার সন্দেহ ছিল- কাশেম মিয়ার পক্ষের শিশু মিয়া সেনাবাহিনীকে তথ্য দিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করতে সহযোগিতা করেছেন। ওই সন্দেহ থেকে ১৬ মার্চ বিকেলে শিশু মিয়াকে মারধর করার পাশাপাশি তাঁর মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। এরপর ১৭ মার্চ সকাল থেকে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে ওই দিন বিকেলে উভয় পক্ষের মধ্যে পাঁচ ঘণ্টা ধরে সংঘর্ষ হয়। এতে অন্তত ৩০ জন আহত হন।

ওই ঘটনার জেরে গতকাল সোমবার রাত থেকে আবার সংঘর্ষের প্রস্তুতি শুরু করে উভয় পক্ষ। কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম, হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলাসহ নাসিরনগরের বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে উভয় পক্ষ ভাড়া করে বহিরাগত লোকজন এলাকায় আনে। পাশাপাশি রহিম তালুকদারের পক্ষে গোয়ালনগর ইউনিয়নের গোয়ালনগর, মাছমা ও রামপুর গ্রামের লোকজন জড়ো হন এবং কাশেম মিয়ার পক্ষে গোয়ালনগর গ্রামের একাংশ, স্কুলপাড়া, লালুয়ারটুকু, কদমতলী, দক্ষিণদিয়া, শিবপুরসহ সাত গ্রামের লোকজন জড়ো হন। আজ সকাল ৯টার দিকে উভয় পক্ষের লোকজন টেঁটা, বল্লম, এককাইট্টা, ছুরি, চায়নিজ কুড়াল, লাঠিসোঁটা ও দেশি অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।

সংঘর্ষে দুই পক্ষের দু’জন নিহত হন। আহত হন অর্ধশতাধিক। তাঁরা নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, স্থানীয় বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিক ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। খবর পেয়ে নাসিরনগর থানা ও চাতলপাড় পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থলে যান।

নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম গণমাধ্যমে বলেন, সংঘর্ষে দুজনের মৃত্যুর খবর পেয়েছেন। তবে তাঁদের কারও লাশ হাসপাতালে আনা হয়নি। বেলা দেড়টা পর্যন্ত আহত দুজন চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে এসেছিলেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য একজনকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে ও অন্যজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এদিন দুপুরে গোয়ালনগর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আজহারুল হক জানান, আজকের সংঘর্ষে রহিম তালুকদারের পক্ষের আক্তার মিয়া ও কাশেম মিয়ার পক্ষের হাবিবুর রহমান নিহত হয়েছেন। অর্ধশতাধিকের বেশি আহত হয়েছেন, এখনো সংঘর্ষ চলছে। রহিমের পক্ষের লোকজন বাইরে থেকে তিন থেকে চার শ লোক ভাড়া করে এনেছে।

এ বিষয়ে জানতে রহিম তালুকদার ও কাশেম মিয়ার মুঠোফোনে যোগাযোগ করলেও কেউ সাড়া দেননি। কিছু গণমাধ্যম বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য এম এ হান্নানের মুঠোফোনে কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি। অন্যদিকে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী কে এম কামরুজ্জামানের মুঠোফোন নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়।

নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহীনুল ইসলাম বলেন, পূর্ববিরোধে উভয় পক্ষের মধ্যে একাধিক ছোটখাটো ভুল-বোঝাবুঝির ঘটনা ঘটেছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই পক্ষ দুই দিকে অবস্থান নিয়েছিল। নির্বাচনী সহিংসতায় নয়, পুরোনো ও পূর্ববিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় পুলিশ পাঠানো হয়েছে। দুই পক্ষের দুজন নিহত হয়েছেন।

প্রসঙ্গত, ঈদের দিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত নাসিরনগর উপজেলার চাতলপাড়ের দুই জায়গায়, বুড়িশ্বর ইউনিয়নের উত্তরপাড়ায় তরুণীকে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনা ও বুড়িশ্বর গ্রামের দাওয়াত দেওয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে মারধর, ভলাকুট ইউনিয়নের বালিখোলা গ্রামসহ ৬ স্থানে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। চাতলপাড়ে টর্চের আলো চোখে পড়া নিয়ে দ্বন্দ্বে প্রতিপক্ষের হামলায় মোসাব্বির হোসেন বাবলু (১৭) নামে এক কিশোর নিহত হয়।

‘কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৩০ অপরাহ্ণ
‘কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু

‘আমি বেঁচে থাকতে কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’-নির্বাচনী মাঠে এমন দৃঢ় প্রত্যয়ের কথা বলার কয়েক ঘণ্টা পরই চিরতরে নির্বাচনী মাঠ ছাড়লেন কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম খোকন।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়ে দিনভর গণসংযোগ করার পর রাতেই না ফেরার দেশে চলে যান তিনি।

তিনি চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এবং কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ছিলেন। গত কয়েক মাস ধরে শুহিলপুর ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ভোটার ও সমর্থকদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছিলেন তিনি।

জানা যায়, এদিন নিজের ইউনিয়ন শুহিলপুরে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার লক্ষে হাজারো নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে গণসংযোগ করেন বিএনপির এ নেতা। চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে দিনভর নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে নির্বাচনী শোডাউন করেছিলেন তিনি। সন্ধ্যায় পথসভায়ও দিয়েছিলেন জয়ের প্রত্যয়ী বক্তব্য।

দিনভর প্রচারণা শেষে গতকাল সন্ধ্যায় শালিখা বাজারে আয়োজিত পথসভায় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বক্তব্য দেন খোকন।

পথসভায় বিএনপি নেতা বলেন, আপনারা কি চান, শাওন সাহেব (বর্তমান এমপি) আমাকে দলীয় প্রার্থী করুক? তাহলে নিশ্চিত থাকেন, শাওন সাহেব এই ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আমাকে প্রার্থী ঘোষণা করবেন।

তার বক্তব্যে ছিল নির্বাচনে জয়ের প্রত্যয়, ছিল ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা পরিকল্পনা। নেতা-কর্মীদের মধ্যেও ছিল উৎসাহ-উদ্দীপনা। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানেই যেন বদলে গেল সবকিছু।

সারাদিনের নির্বাচনী কর্মসূচি শেষে রাতে বাড়ি ফিরে খাবার খান সাইফুল ইসলাম খোকন। এরপর ঘুমাতে যাওয়ার প্রস্তুতিকালে রাত আনুমানিক ১২টার দিকে হঠাৎ বুকে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করেন তিনি। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে ইলিয়টগঞ্জ বাজারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে পরে দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর বাজারের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে সেখানে তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন মেঝ ছেলে সাঈদ।

মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেও যে মানুষটি নেতা-কর্মীদের সামনে দাঁড়িয়ে নির্বাচনে নিজের প্রার্থিতার কথা বলছিলেন, রাত না পেরোতেই সেই মানুষটিই চলে গেলেন না ফেরার দেশে। থেমে গেল তার রাজনৈতিক পথচলা। থেমে গেল চেয়ারম্যান হওয়ার স্বপ্ন। নির্বাচনী মাঠ থেকে সরে গেলেন ঠিকই তবে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বীর কাছে পরাজিত হয়ে নয়, চিরদিনের জন্য।

সাইফুল ইসলাম খোকনের আকস্মিক মৃত্যুতে শুহিলপুর ইউনিয়নসহ পুরো চান্দিনার রাজনৈতিক অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজন, রাজনৈতিক সহকর্মী, নেতা-কর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে বিরাজ করছে গভীর শোক ও বেদনা।

জানা যায়, আজ সকাল ১১টায় ইলিয়টগঞ্জ রা.বি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার নামাজে জানাজে শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

এদিকে জানাজা নামাজের আগে কুমিল্লা-৭ আসনের সংসদ সদস্য উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আতিকুল আলম শাওন বলেন, সাইফুল ইসলাম খোকন আমার মরহুম পিতার সময়কাল থেকে বিএনপি’র রাজনীতি করেছেন। আমার কয়েকজন অভিভাবকদের মধ্যে তিনিও ছিলেন একজন। তার এই মৃত্যুতে শুহিলপুর ইউনিয়নসহ উপজেলা বিএনপিতে শূন্যতা সৃষ্টি হবে।

‘ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৩ অপরাহ্ণ
‘ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি

‘তুমি এখনো ভালো হওনি, ভালো হয়ে যাও মাসুদ’- সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের এমন মন্তব্যের পর দেশজুড়ে পরিচিতি পাওয়া বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) কর্মকর্তা মো. মাসুদ আলমকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় বদলি করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংস্থাটির আরও কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার দায়িত্বেও রদবদল আনা হয়েছে।

গত ৩১ আগস্ট বিআরটিএ চেয়ারম্যানের কার্যালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ বদলি ও পদায়নের বিষয়টি জানানো হয়। আদেশে উল্লেখ করা হয়, জনস্বার্থে নেওয়া এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে।

অফিস আদেশ অনুযায়ী, বিআরটিএ চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) মো. মাসুদ আলমকে ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

অন্যদিকে ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) শফিকুজ্জামান ভূঞাকে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের একই পদে বদলি করা হয়েছে। ফলে মাসুদ আলমের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন তিনি।

উল্লেখ্য, বিআরটিএর সেবা ও অনিয়ম নিয়ে এক পরিদর্শনকালে কর্মকর্তা মাসুদ আলমকে উদ্দেশ করে ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, ‘তুমি এখনো ভালো হওনি, ভালো হয়ে যাও মাসুদ।’ তার সেই বক্তব্য দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং মাসুদ আলমকে ঘিরে আলোচনা তৈরি হয়।

বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

মোঃ রেজাউল করিম, সিনিয়র রিপোর্টার:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৪ অপরাহ্ণ
বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকালে উপজেলার মুকুন্দগাঁতী ও ক্ষিদ্রমাটিয়া গ্রামের উদ্যোগে ও ঢাকা ব্যাংক পি এল সি অর্থায়নে ক্ষিদ্রমাটিয়া গ্রামের যমুনা নদীর শাখায় তিন দিনব্যাপী এই মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য আমিরুল ইসলাম খাঁন আলীম। 

বাইচ কমিটির সভাপতি আলতাফ হোসেনের সভাপতিত্বে আরোও উপস্থিত ছিলেন, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিষ্টার শাহানাজ প্রধান, সহকারী পুলিশ সুপার বেলকুচি সার্কেল শহিদুল ইসলাম, বেলকুচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোক্তারুজ্জামান, বেলকুচি কলেজের অধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা বিএনপির সদস্য গোলাম আজম, উপজেলার বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক মন্ডলসহ স্থানীয় গনমান্য ব্যক্তিবর্গ। 

সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পানসি ১৮ টা ও ১২ টা কোষা নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করেন। আগামী ৬ সেপ্টেম্বর রবিবার বাইচ প্রতিযোগিতার চুড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হবে।

'কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু 'ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন বিশ্বের সর্বোচ্চ খেলাপি ঋণের দেশ এখন বাংলাদেশ যতবারই নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়েছে ততবারই বিএনপি জিতেছে: মন্ত্রী দুলু