সিরাজগঞ্জে “বিশ্ব দুগ্ধ দিবস-২০২৬ উপলক্ষ্যে র্যালি ও আলোচনা
“আমিষেই শক্তি, আমিষেই মুক্তি, এই প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে দুধের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং দুগ্ধ শিল্পের প্রসারের লক্ষ্যে সারাদেশের ন্যায় সিরাজগঞ্জে “বিশ্ব দুগ্ধ দিবস-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষ্যে-র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সিরাজগঞ্জ জেলা প্রানিসম্পদ দপ্তরের আয়োজনে, সোমবার (১ জুন) সকালে সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকার ৪নং ওয়ার্ড সয়াধানগড়া উত্তর, সমাজকল্যাণ মোড় এলাকায় অবস্থিত জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর প্রাঙ্গণ হতে র্যালি বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে এসে জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন এবং প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ এ,কে,এম, আনোয়ারুল হক।
অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, ভেটেরিনারি অফিসার ডাঃ তাপস কান্তি দত্ত। আরও বক্তব্য রাখেন, জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের ট্রেনিং অফিসার ডাঃ মোহাম্মদ সোহেল রানা উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডাঃ আমির হামজা, কাজিপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডাঃ মোঃ দিদারুল আহসান সহ অন্যান্য অফিসার, জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, ডেইরী খামারের মালিকবৃন্দ ভেটেরিনারি ঔষধ কোম্পানির প্রতিনিধিবৃন্দ, সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন।
জানা যায় যে, “নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের মধ্যে অন্যতম হল দুধ। প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই নিয়মিত দুধের ব্যবহার হয়। দুধ আমাদের স্বাস্থ্য ও ত্বকের জন্য খুব উপকারি। আট থেকে আশি সকলের জন্যই দুধ খুব স্বাস্থ্যকর একটি পানীয়। সুষম ডায়েটের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হল দুধ। দুধ আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য কতটা উপকারি এবং এর থেকে কী কী উপকারিতা পাওয়া যায়, সে সম্পর্কে তথ্য দিতেই প্রতিবছর পহেলা জুন ‘বিশ্ব দুগ্ধ দিবস’ (World Milk Day) পালিত হয়। মানব জীবনে দুধের গুরুত্ব কতটা তা প্রত্যেক মানুষের বোঝা উচিত এবং এটি নষ্ট করা থেকে বিরত থাকা উচিত।
বিশ্ব দুগ্ধ দিবসের ইতিহাস ২০০১ খ্রি. থেকে ‘বিশ্ব দুগ্ধ দিবস’ পালিত হয়ে আসছে। খাদ্য হিসেবে দুধের গুরুত্বকে বোঝাতে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (Food and Agriculture Organisation/ FAO) বিশ্ব দুগ্ধ দিবস উদযাপন শুরু করে। এজন্য পহেলা জুন তারিখটি নির্ধারণ করা হয়। এখন বিশ্বের প্রায় ৭০টি দেশ এই দিবস পালন করে। তবে ভারতে ২৬ নভেম্বর, ‘জাতীয় দুগ্ধ দিবস’ পালিত হয়।
প্রতি বছর এই উপলক্ষে বিভিন্ন দেশে নানান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই কর্মসূচির মাধ্যমে জনসাধারণের মধ্যে দুধ সম্পর্কে নানান বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এই দিনে, দুধ এবং দুগ্ধজাত বিভিন্ন খাবার গ্রহণের যে সুবিধা রয়েছে, তার প্রচার করা হয়।





আপনার মতামত লিখুন