রাজারহাটে পরিকল্পিতভাবে হত্যার চেষ্টা, থানায় লিখিত অভিযোগ
কুড়িগ্রামের রাজারহাটে জিয়াউর রহমান(৩২) যুবক নামের এক ব্যক্তিকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর ‘মা’ জুলেখা বেগম (৪৮) নিজে বাদী হয়ে, ১। আসামী শফিকুল ইসলাম শফি (৩৭)২। সহিদুল ইসলাম (৫০), ৩। মোঃ সোলায়মান আলী (৫৫) সকলের পিতা-মৃত আব্দুল মজিদ, ৪। মেহেদী হাসান (২১), ৫। মিজু আহম্মেদ (ঘ) মোস্তাক (২৮) উভয় পিতা-মোঃ সহিদুল ইসলাম, ৬। লিপি বেগম (৩০) স্বামী মোঃ শফিকুল ইসলাম শফি, ৭। মুক্তা বেগম (৪৫) স্বামী সহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে রাজারহাট থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ০১ জুন ২০২৬ ইং তারিখে রাত ১০ ঘটিকায় জিয়াউর রহমান(৩২) তার সমন্ধীর নিকট জমি ক্রয় করা ৩,১৫,০০০- টাকা সঙ্গে নিয়ে চিলমারী থেকে নিজ বাড়ীতে ফেরার পথিমধ্যে সোমনারায়ন মৌজাস্থ দোয়ারার ফাঁস নামক স্থানে পাঁকা রাস্তায় পৌছিলে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে ১নং আসামী সেখানে আসিয়া ‘জিয়াউর রহমানকে দেখেন এবং চা খাওয়ার প্রস্তাব দিয়ে জনৈক মনিন্দ্র নাথ এর চায়ের দোকানে চা খেয়ে দুইজনেই ঠিক কিছুক্ষন পর শফিকুল ইসলাম সফি সহ পাশের দোকানে পান খায়। তার পর অসুস্থ অনুভব হলে জিয়াউর রহমানকে অসৎ উদ্দেশ্যে তার বাড়িতে নিয়ে যায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় লইয়া কলহ-বিবাদ, মনোমালিন্য এবং বিরোধের জের ধরে সকল আসামীগন তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে হাতে লাঠি-সোঠা, রড, ছোরা প্রভৃতি নিয়ে ঘরের মধ্যে আটক করিয়ে লাঠি দিয়ে এলোপাথারী মারপিট এবং হাত-পা সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ফোলা গুরুতর জখম করে এবং অন্ডোকোষ চেপে ধরিয়া শ্বাসরোধ করার চেষ্টা করেন। পরবর্তীতে ডাকচিৎকার শুনে স্থানীয় এলাকাবাসী এগিয়ে এসে জিয়াউর রহমানকে উদ্ধার করে এবং অপরিচিত অটোযোগে চিকিৎসার জন্য কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এ বিষয়ে রাজারহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মামুনুর রশীদ এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, “হত্যার চেষ্টার একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে অপরাধীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীর পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসী।




আপনার মতামত লিখুন