খুঁজুন

বাবার ‘ভুয়া’ মুক্তিযোদ্ধা সনদে চাকরি

বেবিচকের শরিফুলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ১০:৪৪ পূর্বাহ্ণ
বেবিচকের শরিফুলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ

বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদে মুক্তিযোদ্ধা সনদ জালিয়াতির অভিযোগ ওঠার পর বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (সিভিল) মো. শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়। তার নিয়োগের বৈধতা, মুক্তিযোদ্ধা কোটার সুবিধা গ্রহণ এবং দায়িত্ব পালনে অনিয়মের অভিযোগ যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বেবিচককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব মাহবুবুর রহমান স্বক্ষরিত ১৬ জুন জারি করা এক চিঠিতে বেবিচকের চেয়ারম্যানকে এ নির্দেশ দেওয়া হয়। চিঠিতে জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রকৌশলী শরিফুল ইসলামকে নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে মন্ত্রণালয়কে অবহিত করতে বলা হয়েছে।

এর আগে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত একাধিক প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়, শরিফুল ইসলাম তার পিতা মো. মোশাররফ হোসেনের মুক্তিযোদ্ধা সনদের ভিত্তিতে ২০০১ সালে বেবিচকে চাকরি পান। তবে ওই সনদের সত্যতা এবং তার পিতার মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। এ ঘটনায় বেবিচক, গোয়েন্দা সংস্থা এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পৃথক তদন্ত চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) ঢাকা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী পরিচালক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আমির হামজা বলেন, গোপালগঞ্জ জেলার প্রকাশিত ৬৪০ জন গেজেটভুক্ত মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় শরিফুল ইসলামের পিতা মোশাররফ হোসেনের নাম পাওয়া যায়নি।

তিনি বলেন, বর্তমান আইনে গেজেটভুক্ত মুক্তিযোদ্ধারাই সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার অধিকারী। কেউ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়ে থাকলেও তার নাম গেজেটে না থাকলে তিনি কোনো সরকারি সুবিধা পাবেন না। সে ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি পাওয়ার বিষয়টিও প্রশ্নবিদ্ধ হবে।

তবে এ বিষয়ে এখনো জামুকার কাছে আনুষ্ঠানিক মতামত চায়নি বেবিচক। বেবিচকের সদস্য (প্রশাসন) অতিরিক্ত সচিব এস এম লাবলুর রহমান বলেন, শরিফুল ইসলামের নিয়োগসংক্রান্ত নথিপত্র ও অন্যান্য বিষয় যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চলছে। তদন্ত শেষ হলে জামুকার কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে তথ্য চাওয়া হবে।

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, শরিফুল ইসলামের চাকরির সময় জমা দেওয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ যাচাইয়ের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে কিছু অসঙ্গতি পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে গোপালগঞ্জ জেলার গেজেটভুক্ত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায় তার পিতার নাম না থাকায় সনদের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, শরিফুল ইসলাম ২০০১ সালের ২৪ জানুয়ারি বেবিচকে যোগ দেন এবং বর্তমানে সদর দপ্তরে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (সিভিল) হিসেবে কর্মরত আছেন। তার পিতার মুক্তিযোদ্ধা পরিচয়ের ভিত্তিতে তিনি মুক্তিযোদ্ধা কোটার সুবিধা নিয়েছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

তদন্তকারীদের দাবি, তিনি যে মুক্তিযোদ্ধা সনদ জমা দিয়েছেন সেটি ১৯৯৯ সালের ২৬ অক্টোবর ইস্যু করা। ওই সনদে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের চেয়ারম্যান আহাদ চৌধুরীর স্বাক্ষর রয়েছে। তবে এ ধরনের সনদে প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষর থাকার বিষয়টি অস্বাভাবিক বলে মনে করছেন তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। ফলে সনদের সত্যতা ও বৈধতা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে।

এছাড়া বর্তমানে প্রকাশিত গোপালগঞ্জ জেলার গেজেটভুক্ত ৬৪০ জন মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় মো. মোশাররফ হোসেন, পিতা মৃত লোকমান মোল্লার নাম পাওয়া যায়নি বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। ২০২৪ সালের আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বেবিচকের কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলে আন্দোলন করেন প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা। সে সময় শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধেও আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠে। পরবর্তীতে গোয়েন্দা প্রতিবেদনে তার নাম উল্লেখ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। তার বিরুদ্ধে দুদকের একটি মামলাও চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে।

সম্প্রতি বিদেশ সফরের উদ্দেশ্যে অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার সময় বিমানবন্দর থেকে তাকে ফেরত পাঠানো হয়েছিল বলেও একাধিক সূত্র জানিয়েছে।

‘কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৩০ অপরাহ্ণ
‘কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু

‘আমি বেঁচে থাকতে কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’-নির্বাচনী মাঠে এমন দৃঢ় প্রত্যয়ের কথা বলার কয়েক ঘণ্টা পরই চিরতরে নির্বাচনী মাঠ ছাড়লেন কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম খোকন।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়ে দিনভর গণসংযোগ করার পর রাতেই না ফেরার দেশে চলে যান তিনি।

তিনি চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এবং কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ছিলেন। গত কয়েক মাস ধরে শুহিলপুর ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ভোটার ও সমর্থকদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছিলেন তিনি।

জানা যায়, এদিন নিজের ইউনিয়ন শুহিলপুরে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার লক্ষে হাজারো নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে গণসংযোগ করেন বিএনপির এ নেতা। চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে দিনভর নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে নির্বাচনী শোডাউন করেছিলেন তিনি। সন্ধ্যায় পথসভায়ও দিয়েছিলেন জয়ের প্রত্যয়ী বক্তব্য।

দিনভর প্রচারণা শেষে গতকাল সন্ধ্যায় শালিখা বাজারে আয়োজিত পথসভায় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বক্তব্য দেন খোকন।

পথসভায় বিএনপি নেতা বলেন, আপনারা কি চান, শাওন সাহেব (বর্তমান এমপি) আমাকে দলীয় প্রার্থী করুক? তাহলে নিশ্চিত থাকেন, শাওন সাহেব এই ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আমাকে প্রার্থী ঘোষণা করবেন।

তার বক্তব্যে ছিল নির্বাচনে জয়ের প্রত্যয়, ছিল ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা পরিকল্পনা। নেতা-কর্মীদের মধ্যেও ছিল উৎসাহ-উদ্দীপনা। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানেই যেন বদলে গেল সবকিছু।

সারাদিনের নির্বাচনী কর্মসূচি শেষে রাতে বাড়ি ফিরে খাবার খান সাইফুল ইসলাম খোকন। এরপর ঘুমাতে যাওয়ার প্রস্তুতিকালে রাত আনুমানিক ১২টার দিকে হঠাৎ বুকে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করেন তিনি। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে ইলিয়টগঞ্জ বাজারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে পরে দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর বাজারের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে সেখানে তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন মেঝ ছেলে সাঈদ।

মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেও যে মানুষটি নেতা-কর্মীদের সামনে দাঁড়িয়ে নির্বাচনে নিজের প্রার্থিতার কথা বলছিলেন, রাত না পেরোতেই সেই মানুষটিই চলে গেলেন না ফেরার দেশে। থেমে গেল তার রাজনৈতিক পথচলা। থেমে গেল চেয়ারম্যান হওয়ার স্বপ্ন। নির্বাচনী মাঠ থেকে সরে গেলেন ঠিকই তবে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বীর কাছে পরাজিত হয়ে নয়, চিরদিনের জন্য।

সাইফুল ইসলাম খোকনের আকস্মিক মৃত্যুতে শুহিলপুর ইউনিয়নসহ পুরো চান্দিনার রাজনৈতিক অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজন, রাজনৈতিক সহকর্মী, নেতা-কর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে বিরাজ করছে গভীর শোক ও বেদনা।

জানা যায়, আজ সকাল ১১টায় ইলিয়টগঞ্জ রা.বি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার নামাজে জানাজে শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

এদিকে জানাজা নামাজের আগে কুমিল্লা-৭ আসনের সংসদ সদস্য উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আতিকুল আলম শাওন বলেন, সাইফুল ইসলাম খোকন আমার মরহুম পিতার সময়কাল থেকে বিএনপি’র রাজনীতি করেছেন। আমার কয়েকজন অভিভাবকদের মধ্যে তিনিও ছিলেন একজন। তার এই মৃত্যুতে শুহিলপুর ইউনিয়নসহ উপজেলা বিএনপিতে শূন্যতা সৃষ্টি হবে।

‘ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৩ অপরাহ্ণ
‘ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি

‘তুমি এখনো ভালো হওনি, ভালো হয়ে যাও মাসুদ’- সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের এমন মন্তব্যের পর দেশজুড়ে পরিচিতি পাওয়া বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) কর্মকর্তা মো. মাসুদ আলমকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় বদলি করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংস্থাটির আরও কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার দায়িত্বেও রদবদল আনা হয়েছে।

গত ৩১ আগস্ট বিআরটিএ চেয়ারম্যানের কার্যালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ বদলি ও পদায়নের বিষয়টি জানানো হয়। আদেশে উল্লেখ করা হয়, জনস্বার্থে নেওয়া এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে।

অফিস আদেশ অনুযায়ী, বিআরটিএ চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) মো. মাসুদ আলমকে ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

অন্যদিকে ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) শফিকুজ্জামান ভূঞাকে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের একই পদে বদলি করা হয়েছে। ফলে মাসুদ আলমের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন তিনি।

উল্লেখ্য, বিআরটিএর সেবা ও অনিয়ম নিয়ে এক পরিদর্শনকালে কর্মকর্তা মাসুদ আলমকে উদ্দেশ করে ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, ‘তুমি এখনো ভালো হওনি, ভালো হয়ে যাও মাসুদ।’ তার সেই বক্তব্য দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং মাসুদ আলমকে ঘিরে আলোচনা তৈরি হয়।

বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

মোঃ রেজাউল করিম, সিনিয়র রিপোর্টার:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৪ অপরাহ্ণ
বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকালে উপজেলার মুকুন্দগাঁতী ও ক্ষিদ্রমাটিয়া গ্রামের উদ্যোগে ও ঢাকা ব্যাংক পি এল সি অর্থায়নে ক্ষিদ্রমাটিয়া গ্রামের যমুনা নদীর শাখায় তিন দিনব্যাপী এই মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য আমিরুল ইসলাম খাঁন আলীম। 

বাইচ কমিটির সভাপতি আলতাফ হোসেনের সভাপতিত্বে আরোও উপস্থিত ছিলেন, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিষ্টার শাহানাজ প্রধান, সহকারী পুলিশ সুপার বেলকুচি সার্কেল শহিদুল ইসলাম, বেলকুচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোক্তারুজ্জামান, বেলকুচি কলেজের অধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা বিএনপির সদস্য গোলাম আজম, উপজেলার বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক মন্ডলসহ স্থানীয় গনমান্য ব্যক্তিবর্গ। 

সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পানসি ১৮ টা ও ১২ টা কোষা নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করেন। আগামী ৬ সেপ্টেম্বর রবিবার বাইচ প্রতিযোগিতার চুড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হবে।

'কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু 'ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন বিশ্বের সর্বোচ্চ খেলাপি ঋণের দেশ এখন বাংলাদেশ যতবারই নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়েছে ততবারই বিএনপি জিতেছে: মন্ত্রী দুলু