খুঁজুন

ভিসা চালু হলেও ভারতে যাচ্ছেন না বাংলাদেশিরা

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬, ১২:০৮ অপরাহ্ণ
ভিসা চালু হলেও ভারতে যাচ্ছেন না বাংলাদেশিরা

দীর্ঘদিন পর বাংলাদেশিদের জন্য ভারতের ভিসা পুনরায় চালু হয়েছে। তবে এতে কলকাতার পর্যটন ও ব্যবসায় কাঙ্ক্ষিত গতি ফেরেনি। বিশেষ করে নিউ মার্কেট, মার্কুইস স্ট্রিট ও সদর স্ট্রিট-যেসব এলাকায় একসময় বাংলাদেশি পর্যটকদের ভিড় লেগেই থাকত, সেখানে এখনো আগের সেই চিত্রের দেখা মিলছে না।

ভিসা চালু হওয়ার পর কলকাতার ব্যবসায়ী ও হোটেল মালিকেরা আশা করেছিল, বাংলাদেশি পর্যটকদের আনাগোনা বাড়বে এবং দীর্ঘদিনের মন্দা কাটবে। কিন্তু বাস্তবে সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, রাজনৈতিক পরিস্থিতি, নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ এবং বিকল্প ভ্রমণ গন্তব্যের প্রতি আগ্রহ-এই তিনটি কারণে অনেক বাংলাদেশি এখন ভারত ভ্রমণে আগের মতো আগ্রহ দেখাচ্ছে না।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। অনেক বাংলাদেশি মনে করছে, ভ্রমণের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও সম্মান নিশ্চিত হওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কেউ কেউ পশ্চিমবঙ্গসহ ভারতের বিভিন্ন স্থানে মুসলিমদের ওপর হামলা বা হয়রানির খবর নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তাদের ভাষ্য, এমন পরিবেশে ভারত ভ্রমণ নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই অনীহা তৈরি হচ্ছে।

এছাড়া ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনের কিছু বক্তব্য ও আচরণও অনেকের মধ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলে মত দিয়েছে অনেকে।

দুই বছর ভারতের ভিসা কার্যক্রম সীমিত থাকায় অনেক বাংলাদেশি বিকল্প গন্তব্য বেছে নিয়েছে। বিশেষ করে চীনে ভ্রমণ ও ব্যবসার সুযোগ বেড়েছে। অনেকের মতে, শুধু কেনাকাটার জন্য কলকাতায় যাওয়ার পরিবর্তে চীনে ব্যবসায়িক সম্ভাবনা তৈরি করা বেশি লাভজনক। একই সঙ্গে মালদ্বীপ, থাইল্যান্ড, নেপাল, সিঙ্গাপুর ও শ্রীলঙ্কার মতো দেশও এখন বাংলাদেশি পর্যটকদের কাছে ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

বাংলাদেশি পর্যটক কমে যাওয়ায় কলকাতার ব্যবসায়ীরা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে। নিউ মার্কেট এলাকার ব্যবসায়ীদের দাবি, তাদের বিক্রির বড় একটি অংশ বাংলাদেশি ক্রেতাদের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু এখন বিক্রি উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।

একই অবস্থা হোটেল খাতেও। মার্কুইস স্ট্রিট ও সদর স্ট্রিটের একাধিক হোটেল মালিক জানান, আগে বছরের বেশির ভাগ সময়ই কক্ষগুলো বুকিং থাকত। এখন অনেক কক্ষ দিনের পর দিন খালি পড়ে থাকছে। এতে পরিচালন ব্যয় মেটানো এবং কর্মীদের বেতন দেওয়াও কঠিন হয়ে পড়েছে।

ট্রাভেল এজেন্সি ও ট্যুর অপারেটরদের ভাষ্য, বাংলাদেশিদের মধ্যে ভারত ভ্রমণ নিয়ে এক ধরনের মানসিক দূরত্ব তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতি দ্রুত বদলাবে বলে মনে করছেন না তারা। তাদের মতে, পর্যটকদের নিরাপত্তা ও সম্মানের অনুভূতি পুনরুদ্ধার করা না গেলে কলকাতার পর্যটন ও ব্যবসাকেন্দ্রিক অর্থনীতি আরও চাপে পড়বে।

সাবেক মন্ত্রী দীপু মনির স্বামী তৌফীক নাওয়াজ মারা গেছেন

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ২:১৪ পূর্বাহ্ণ
সাবেক মন্ত্রী দীপু মনির স্বামী তৌফীক নাওয়াজ মারা গেছেন

সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ডা. দীপু মনির স্বামী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজ মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

রাত পৌনে ১২টায় কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের ডিউটি ম্যানেজার বলেন, “উনি একটু আগে মারা গেছেন। আপাতত আমরা শুধু এতটুকু তথ্যই দিতে পারি।”

দীপু মনির বড় ভাই জে আর ওয়াদুদ টিপু বলেন, “রাত ১০টা ২৭ মিনিটে তিনি মারা যান। দীর্ঘদিন ধরে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।”

কোথায় কখন দাফন এবং জানাজা হবে, তা বুধবার দুপুরের পর সিদ্ধান্ত হবে বলেও জানান টিপু।

২০১৯ সালে স্ট্রোক করেন তৌফিক নেওয়াজ। গত ২৭ মে হুইলচেয়ারে করে কারাবন্দী স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করাতে তাকে আদালতে নিয়ে গিয়েছিলেন স্বজনেরা।

পেশায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ছিলেন তৌফীক নাওয়াজ, যিনি ধ্রুপদি সংগীতের চর্চাও করতেন।

“সবুজ ভুবন আমাদেরই প্রয়োজন” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সভ্যতার ভবানীগঞ্জ’র বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি

স্টাফ রিপোর্টার:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৫০ অপরাহ্ণ
“সবুজ ভুবন আমাদেরই প্রয়োজন” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সভ্যতার ভবানীগঞ্জ’র বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি

“একটি গাছ একটি প্রাণ, সবুজ ভুবন আমাদেরই প্রয়োজন” স্লোগানকে সামনে রেখে শিক্ষা, মানবতা ও সমৃদ্ধির পতাকাবাহী সামাজিক সংগঠন, ঐতিহ্যবাহী সভ্যতার ভবানীগঞ্জ কর্তৃক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। যা নিয়ে রীতিমতো এলাকাবাসীর প্রশংসায় ভাসছেন সংগঠনটির সকলে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের জিয়ার খালের দুই পাড়ে সংগঠনটির একঝাঁক তরুণদের উদ্যোগে এই মহৎ কর্মসূচি পালন করা হয়।

এসময় অমলকি, জলপাই, তেতুল, হরিতকি, অর্জুন, চালতা, আতা সহ বিভিন্ন ধরনের প্রায় শতাধিক ফল ও ঔষধি গাছ রোপণ করা হয়।

উক্ত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে স্থানীয় যুবসম্প্রদায় সহ সভ্যতার ভবানীগঞ্জের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। দিনব্যাপী কর্মসূচি শেষে তারা নিয়মিত এমন উদ্যোগের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

তারেক রহমান ভারত না এলে যোগাযোগের সুযোগ বন্ধ হয়ে যাবে: সাবেক কূটনীতিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৩৬ অপরাহ্ণ
তারেক রহমান ভারত না এলে যোগাযোগের সুযোগ বন্ধ হয়ে যাবে: সাবেক কূটনীতিক

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর দুই দেশের জন্যই ফলপ্রসূ হতে পারে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সাবেক ভারতীয় কূটনীতিক বিদ্যাভূষণ সোনি। তিনি মনে করছেন, তারেক রহমান ভারতে না এলে এই সুযোগ হারিয়ে যেতে পারে এবং দীর্ঘ সময়ের জন্য দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগের পথও খোলা নাও থাকতে পারে।

ভারতীয় বার্তাসংস্থা এএনআইকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বিদ্যাভূষণ সোনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, এই সফরের মাধ্যমে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় সমস্যা সমাধানের পথও খুলতে পারে।

সাক্ষাৎকারে সোনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে অনেক বিষয় এখনও অমীমাংসিত রয়েছে। এর মধ্যে তিস্তা নদীর পানি বণ্টন অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বেশিরভাগ বিষয়ে দুই দেশ একমত হলেও পরে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় চূড়ান্ত করা সম্ভব হয়নি।

সোনি বলেন, রোহিঙ্গা শরণার্থী সমস্যার সমাধানেও বাংলাদেশ ভারতের আরও সক্রিয় ভূমিকা চায়। তার মতে, এ ক্ষেত্রে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা পালন করা ছাড়া ভারতের তেমন কিছু করার নেই। কারণ, মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ ভারতের কথা শুনতে পারে। তারেক রহমানের ভারত সফরের মাধ্যমে সেই সুযোগ তৈরি হলে বাংলাদেশ ভারতকে এসব সমস্যা সমাধানে তার প্রভাব কাজে লাগানোর অনুরোধ করতে পারে বলে মনে করেন তিনি।

একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে তুলনামূলকভাবে ‘অনেক বেশি খোলামেলা’ এবং ‘ভারতবিরোধী নন’ বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যাভূষণ সোনি। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার নিয়েও আশাবাদ ব্যক্ত করেন সোনি। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, তারেক রহমান তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি খোলামেলা মানুষ। তিনি ভারতবিরোধী নন এবং নিজে এমন কোনও বক্তব্যও দেননি, যেটিকে ভারতের বিরুদ্ধে বলে মনে করা যায়। তাই ভারতও সতর্কভাবে এই সুযোগ তৈরি করার চেষ্টা করছে।’

তিনি বলেন, দুই দেশের সরকারি মুখপাত্ররা এখন পর্যন্ত যেসব বক্তব্য দিয়েছেন, সেগুলো মূলত রাজনৈতিক বক্তব্য। তবে দুই দেশের রাজনীতিবিদরা এ বিষয়ে সরাসরি কিছু বলেননি। তাই তারেক রহমানের ভারত সফরের এখনও সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করেন তিনি।

সোনি বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে খুবই আশাবাদী’। তার মতে, ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর এই সুযোগ কোনোভাবেই হাতছাড়া করা উচিত নয়। তিনি বলেন, ‘তিনি (তারেক রহমান) যদি না আসেন, তাহলে এই সুযোগটি হারিয়ে যাবে। দীর্ঘ সময়ের জন্য এই যোগাযোগের পথ খোলা নাও থাকতে পারে। আমরা কেউই এই সুযোগ হারাতে চাই না। তাই আমি বেশ আশাবাদী।’

তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে কয়েক সপ্তাহ ধরে নয়াদিল্লি ও ঢাকার কর্মকর্তাদের মধ্যে যোগাযোগ চলছে। গত রোববার বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র শহীদুল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তারেক রহমান দিল্লিতে গেলে সেটি হবে ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব নেয়ার পর তার প্রথম ভারত সফর। সফর নিয়ে আলোচনা চললেও এখনও কোনও চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি।

সাবেক মন্ত্রী দীপু মনির স্বামী তৌফীক নাওয়াজ মারা গেছেন "সবুজ ভুবন আমাদেরই প্রয়োজন" প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সভ্যতার ভবানীগঞ্জ'র বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি তারেক রহমান ভারত না এলে যোগাযোগের সুযোগ বন্ধ হয়ে যাবে: সাবেক কূটনীতিক ফেসবুকে সরকারের সমালোচনা: ঢাবি ছাত্রদল নেতা আজীবন বহিষ্কার প্রবাসীর পাল্টা অভিযোগ: খাসির জন্য নয়, ১০ গুণ দেনমোহর ধরায় ভেঙেছে বিয়ে