সিরাজগঞ্জে জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতা (জিবিভি) ওয়ার্কিং সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
২০ জুলাই ২০২৬ ৭:১৪ পিএম
সিরাজগঞ্জে জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতা (জিবিভি) ওয়ার্কিং সভা অনুষ্ঠিত

সিরাজগঞ্জে জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতা (জিবিভি)  ওয়ার্কিং গ্রুপ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপ-পরিচালকের কার্যালয় মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর সিরাজগঞ্জের আয়োজন সোমবার (২০ জুলাই) সকালে সিরাজগঞ্জ শহরের (মুজিব সড়ক) মাড়োয়াড়িপট্রি রোডস্থ জেলা  পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় সিরাজগঞ্জের কনফারেন্স রুমে-উক্ত জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ কমিটির ওয়ার্কিং গ্রুপের  সভা  অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, উপ-পরিচালকের কার্যালয় মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর  সিরাজগঞ্জের উপপরিচালক কানিজ ফাতেমা। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় সিরাজগঞ্জের উপ-পরিচালক মোঃ রায়হানুল ইসলাম, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান খাঁন, জেলা তথ্য অফিসার মোহাম্মদ আলী, ইসলামিক ফাউণ্ডেশন সিরাজগঞ্জের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ  ফারুক আহামেদ,, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর সিরাজগঞ্জের উপ-পরিচালক ড. মোঃ শহীদুল ইসলাম, জেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সিরাজগঞ্জের উপপরিচালক মোহাম্মদ আব্দুর রহমান, পুলিশের প্রতিনিধি,  সিভিল সার্জন অফিসের প্রতিনিধি, অংকুর দুঃস্থ মহিলা উন্নয়ন সংস্থা সভানেত্রী নিয়াজী সুলতানা, জবা এনজিওর সভানেত্রী, সিরাজগঞ্জ ব্র্যাকের ডিস্ট্রিক্ট কো-অর্ডিনেটর মোঃ মাহফুজুর রহমান, উপ-পরিচালকের কার্যালয় মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর সিরাজগঞ্জের প্রোগ্রাম অফিসার ফাহিম আল আশরাফ প্রমুখ। এছাড়াও  সরকারি-বেসরকারি অফিসের কর্মকর্তা, এনজিও কর্মকর্তা, মানবাধিকার কর্মী, নারীদের একাংশ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে উক্ত সভায় বক্তারা  বলেন, জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতা সমাজের প্রতিটি মানুষের জীবনের জনঢ় হুমকি স্বরুপ এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের চরম রুপ। যৌন হয়রানি ও জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে৷ জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতা মোকাবিলা, ধর্ষণের মুল কারণ খুঁজে বের করতে হবে এবং বন্ধের কার্যকর পদক্ষেপ চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে।  জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতা (GBV) হলো এমন যেকোনো ক্ষতিকর কাজ যা একজন ব্যক্তির লৈঙ্গিক পরিচয় বা সমাজের দেওয়া লিঙ্গ-ভিত্তিক ভূমিকার কারণে তার ওপর জোরপূর্বক চাপিয়ে দেওয়া হয়। এটি মূলত নারী ও মেয়েদের ওপর বেশি প্রভাব ফেলে, তবে পুরুষ ও তৃতীয় লিঙ্গের মানুষেরাও এর শিকার হতে পারেন। এটি প্রধানত পাঁচটি ভাগে বিভক্তঃ শারীরিক সহিংসতাঃ  আঘাত করা, মারধর করা, পুড়িয়ে দেওয়া বা শারীরিক ক্ষতিসাধন করা।যৌন সহিংসতাঃ  অসম্মতিতে যৌন সম্পর্ক বা কার্যকলাপ, ধর্ষণ, যৌন হয়রানি এবং জোরপূর্বক পতিতাবৃত্তি।  মানসিক ও আবেগীয় সহিংসতাঃ অপমান করা, হুমকি দেওয়া, ভয় দেখানো, পরিবার ও বন্ধুদের থেকে বিচ্ছিন্ন রাখা। আর্থিক সহিংসতাঃ- উপার্জনে বাধা দেওয়া, জোর করে টাকা কেড়ে নেওয়া বা আর্থিক খরচের স্বাধীনতা না দেওয়া।
ক্ষতিকর প্রথাঃ বাল্যবিয়ে, জোরপূর্বক বিয়ে এবং অনার কিলিং। এই ধরনের সহিংসতা মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন এবং এটি লিঙ্গ বৈষম্য ও ক্ষমতার ভারসাম্যহীনতার কারণে ঘটে এসব ঘটনা বন্ধ করতে সকলে দায়িত্ব নিয়ে কাজ করতে হবে।

শেয়ার করুন
Generating Photo Card...
Please wait...