খুঁজুন

এবার গোমূত্র কিনছে ভারত সরকার, প্রতি লিটার ২০ রুপি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৩৭ অপরাহ্ণ
এবার গোমূত্র কিনছে ভারত সরকার, প্রতি লিটার ২০ রুপি

গোমূত্র সংগ্রহের একটি পরীক্ষামূলক প্রকল্প চালু হয়েছে কট্টর হিন্দুত্ববাদী দেশ ভারতে। দেশটির উত্তর প্রদেশের বুলন্দশহরের ১৫টি গ্রামে চালু হওয়া এ প্রকল্পে কৃষকদের কাছ থেকে গোমূত্র সংগ্রহ করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে প্রতি লিটার গোমূত্রের জন্য ২০ রুপি পর্যন্ত দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

এই প্রকল্পে বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ৫০০ লিটার গোমূত্র সংগ্রহ করা হচ্ছে। একইসঙ্গে গোমূত্র সংগ্রহে যুক্ত গ্রামীণ নারীদের প্রতি লিটারে ২ রুপি করে কমিশন দেওয়া হচ্ছে। তবে যোগী আদিত্যনাথ সরকারের এই উদ্যোগকে ‘কেলেঙ্কারি’ আখ্যা দিয়েছে বিরোধী সমাজবাদী পার্টি।

দেশটির সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, উত্তরপ্রদেশে কৃষকদের কাছ থেকে গোমূত্র সংগ্রহের জন্য একটি পাইলট প্রকল্প শুরু করেছে যোগী আদিত্যনাথের সরকার। বুলন্দশহরে শুরু হওয়া এই প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষকদের আয় বাড়ানোর পাশাপাশি গোমূত্র সংগ্রহ করে গ্রামীণ নারীদের অতিরিক্ত আয়ের সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। দুধ দেওয়া বন্ধ করে দেওয়া গরুগুলোর দেখভালেও এই উদ্যোগ সহায়ক হবে বলে মনে করছে সরকার।

অন্যদিকে সংগ্রহ করা গোমূত্র কৃষিকাজে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে রাসায়নিক উপাদান বা রাসায়নিকভিত্তিক প্রস্তুতির বিকল্প তৈরি হতে পারে বলেও আশা করা হচ্ছে। পাইলট প্রকল্পটি সফল হলে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক নীতিমালা তৈরি করা হবে এবং পুরো রাজ্যে প্রকল্পটি চালু করা হবে।

তবে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে রাজ্য সরকারের সমালোচনা করেছে বিরোধী সমাজবাদী পার্টি (এসপি)। দলটির অভিযোগ, নির্বাচনের জন্য তহবিল সংগ্রহ করতে বিজেপি সরকার এই প্রকল্পের নামে একটি ‘কেলেঙ্কারি’ করছে।

এনডিটিভি বলছে, বুলন্দশহরের ১৫টি গ্রাম এই পাইলট প্রকল্পের আওতায় রয়েছে। সায়ানা তহসিলের নরসাইনা গ্রামে ড. প্রবীণের নেতৃত্বে একটি কৃষক উৎপাদক সংগঠনের (এফপিও) মাধ্যমে প্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে। বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ৫০০ লিটার গোমূত্র সংগ্রহ করা হচ্ছে।

ভবিষ্যতে প্রতি লিটার গোমূত্র ২০ রুপি দরে কেনার পরিকল্পনা রয়েছে। গোমূত্র সংরক্ষণের জন্য গ্রামগুলোতে ২০০ লিটার ধারণক্ষমতার ট্যাংকও বসানো হয়েছে। এই ব্যবস্থায় গ্রামীণ নারীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। গ্রামে গোমূত্র সংগ্রহে সহায়তা করা নারীদের প্রতি লিটারে ২ রুপি করে কমিশন দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে তাদের জন্য অতিরিক্ত আয়ের নতুন একটি সুযোগ তৈরি হয়েছে।

জানা গেছে, প্রায় ৩০০ নারীর সহযোগিতায় এই উদ্যোগ শুরু হয়েছে। তাদের সবাইকে প্রকল্পটির শেয়ারহোল্ডার করা হয়েছে।

এদিকে সমাজবাদী পার্টি গোমূত্র সংগ্রহের এই প্রকল্পকে ‘কেলেঙ্কারি’ বলে আখ্যা দিয়েছে। দলটির মুখপাত্র মোহাম্মদ আজম খান অভিযোগ করেছেন, নির্বাচনের জন্য তহবিল সংগ্রহ করতেই এই ‘কেলেঙ্কারি’ করা হচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্যে গোশালা কিংবা সেখানে রাখা গরু— কোনোটিই নিরাপদ নয়। এই প্রকল্পের মাধ্যমে কোনও উন্নয়নও হবে না বলে দাবি করেন তিনি।

সমাজবাদী পার্টির সমালোচনার জবাবে বিজেপির মুখপাত্র হিরো বাজপাই বলেন, সরকার যে কোনও উন্নয়নমূলক প্রকল্প নিলেই এসপি তাতে ত্রুটি খুঁজে বের করে। তিনি বলেন, সমাজবাদী পার্টি যে জনগোষ্ঠীর (যাদব) রাজনীতির কথা বলে, সেই জনগোষ্ঠীই যখন সুবিধা পাচ্ছে, তখনও তাদের খুশি মনে হচ্ছে না।

প্রিমিয়ার ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান

সাবেক এমপি ইকবালের কার্যালয় সিলগালা, ৩০০’র বেশি দলিল ও চেক জব্দ

বিশেষ প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ১১:১৬ অপরাহ্ণ
সাবেক এমপি ইকবালের কার্যালয় সিলগালা, ৩০০’র বেশি দলিল ও চেক জব্দ

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ও প্রিমিয়ার ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান এইচ বি এম ইকবালের কার্যালয় সিলগালা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

গত বুধবার (১২ আগস্ট) বনানীর ইকবাল সেন্টারের ১৬ তলায় ওই কার্যালয় সিলগালা করে দুদক। সংস্থাটির শীর্ষ কর্মকর্তা সোমবার (১৭ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা জানান, ৪ দিন ধরে অভিযান চালিয়ে কার্যালয়টি থেকে তার সম্পদ-সংক্রান্ত তিনশ’র বেশি দলিল জব্দ করা হয়েছে। সেখানে পাওয়া গেছে কয়েকশ চেকবই, সাতটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস এবং স্থায়ী আমানত-এফডিআর সংক্রান্ত নথি। নগদ প্রায় দেড় লাখ টাকাও জব্দ করা হয়েছে। এছাড়া অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নথিও পাওয়া গেছে।

প্রিমিয়ার গ্রুপের অভিযোগ অনুসন্ধানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন দুদকের উপপরিচালক হোসাইন শরীফ। তিনি বলেন, বনানীতে পুরো ইকবাল সেন্টার সিলগালা করা হয়নি। ইকবালের চেম্বার ও একটি পরিচালক কক্ষ সিলগালা করা হয়েছে।

ইকবাল সেন্টারের মালিক এইচ বি এম ইকবাল। ১৯৯৯ সালে লাইসেন্স পাওয়ার পর ২৬ বছর এই ভবনেই প্রিমিয়ার ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ছিল। গত ৩ আগস্ট থেকে ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয়ের কার্যক্রম তেজগাঁওয়ের শান্তা পিনাকলে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

ইকবালের কার্যালয়ে অভিযান ও সিলগালার মধ্যেই আজ সোমবার প্রিমিয়ার গ্রুপের তিন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে দুদক।

দুদক সূত্র জানায়, একাধিক দফায় চারদিন অভিযান চালানোর পর গত বুধবার কার্যালয়টি সিলগালা করা হয়। একজন বিচারিক হাকিমের উপস্থিতিতে তল্লাশি ও জব্দতালিকা করা হয়। ওই কার্যালয় থেকে জব্দ করা জিনিসের পাঁচটি আলাদা তালিকা করা হয়েছে। এর মধ্যে সম্পদের দলিলের তালিকাই হয়েছে প্রায় ৩৭ পৃষ্ঠা। ইকবালের সম্পদের তিনশ’র বেশি দলিল পাওয়া গেছে। সেখানে পাঁচশ থেকে ছয়শ’র বেশি চেকবই পাওয়া গেছে। এছাড়া আরও নথি পাওয়া গেছে।

জানা যায়, ওই কার্যালয়ে জব্দ করা সাতটি ডিভাইসের মধ্যে একটি ম্যাকবুক, কয়েকটি মোবাইল ফোন, একটি নেক্সাস ট্যাব ও একটি আইপ্যাড। এর কয়েকটি ইকবালের ছেলেরা ব্যবহার করতেন। তল্লাশির সময় কক্ষের ভেতরে থাকা নথি যেন সরানো না যায়, সেজন্য সেগুলো তালাবদ্ধ করে রাখা হয়েছিল। পরে কারিগরি কর্মী নিয়ে গিয়ে দরজাগুলো সিলগালা করা হয়।

দুদক সূত্র জানায়, বনানীর ইকবাল সেন্টারের পূর্ব পাশে একটি আলাদা লিফট রয়েছে। সেটি দিয়ে ১৬, ১৭ ও ২২ তলায় যাওয়া যায়। লিফটটি দিয়ে সরাসরি ইকবালের চেম্বারে প্রবেশ করা যেত। ১৬ তলায় ইকবালের দুই ছেলে ও এক জামাই বসতেন। সেখানে একটি পরিচালক কক্ষও ছিল। ওই কক্ষটিও সিলগালা করা হয়েছে।

দুদক সূত্র জানায়, প্রিমিয়ার গ্রুপের অনিয়মের অভিযোগে এখন পর্যন্ত ১৬টি মামলা হয়েছে। আরও পাঁচটি মামলার সুপারিশসহ প্রতিবেদন জমা রয়েছে। দুদকের চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনারের পদ শূন্য থাকায় সেগুলোর অনুমোদন হয়নি। নতুন কমিশন গঠনের পর অনুমোদন পেলে মামলাগুলো করা হবে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর শেখ হাসিনার পরিবার ও ১০টি শিল্পগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ঘুস, দুর্নীতি, প্রতারণা, জালিয়াতি, অর্থপাচার এবং কর ও শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ অনুসন্ধান শুরু হয়। পরে যোগ হওয়া ওই শিল্পগ্রুপের অন্যতম একটি প্রিমিয়ার গ্রুপ।

‘ভূতের ভয়ে’ হোস্টেল ছাড়ল ৬০০ শিক্ষার্থী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০৬ অপরাহ্ণ
‘ভূতের ভয়ে’ হোস্টেল ছাড়ল ৬০০ শিক্ষার্থী

ভারতের মহারাষ্ট্রের অমরাবতী জেলার একটি সরকারি উপজাতীয় আবাসিক হোস্টেলে কয়েকজন ছাত্রীর ওপর ভূত ভর করার গুজবে প্রায় ৬০০ শিক্ষার্থী হোস্টেল ছেড়ে চলে গেছে। সোমবার (১৭ আগস্ট) এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

মুম্বাই থেকে ৭০০ কিলোমিটার দূরে মেলঘাট অঞ্চলের চিকলদারা তালুকের ডোমা গ্রামে আদিবাসী উন্নয়ন বিভাগ পরিচালিত এই আবাসিক বিদ্যালয়ে ৮১০ জন ছাত্র-ছাত্রী বাস করত। গত ২২ জুলাই থেকে চারজন ছাত্রী অনিয়ন্ত্রিতভাবে হাসাকাঁদা শুরু করাসহ অস্বাভাবিক আচরণ করতে থাকে। একপর্যায়ে কয়েকজন ছাত্রী নূপুরের শব্দ শোনার দাবি করলে হোস্টেলটিতে ভূতের উপদ্রব রয়েছে বলে গুজব ছড়িয়ে পড়ে।

উপজাতীয় বিভাগের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের একটি দল বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেছে। তাদের মতে, এটি কোনো অলৌকিক ঘটনা নয় বরং মানসিক চাপজনিত ‘সিলেক্টিভ হিস্টেরিয়া’ হতে পারে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, শিক্ষার্থীরা বিশ্বাস করত বিদ্যালয়ের মহুয়া গাছ কেটে ফেলা, ড্রেনেজের কারণে স্থানীয় দেবীর মন্দির ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া এবং কাছেই এক আদিবাসী যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় আত্মা রুষ্ট হয়েছে।

কুসংস্কার দূরীকরণে কাজ করা সংস্থা ‘মহারাষ্ট্র অন্ধশ্রদ্ধা নির্মূলন সমিতি’ শিক্ষার্থীদের কাউন্সেলিং করছে এবং জনগণকে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে ঘটনাটি দেখার আহ্বান জানিয়েছে। অমরাবতীর সংসদ সদস্য বলবন্ত ওয়াংখেড়ে শিক্ষার্থীদের ভয় না পেয়ে ক্লাসে ফেরার আহ্বান জানিয়েছেন। প্রধান শিক্ষক সঞ্জয় চৌধুরী জানান যে শিক্ষার্থীদের ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে এবং কয়েকজন ইতোমধ্যে ফিরে এসেছে।

সূত্র: এনডিটিভি

৩ লাখ ৯ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নিতে রাজি মিয়ানমার

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
৩ লাখ ৯ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নিতে রাজি মিয়ানমার

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ৩ লাখ ৮ হাজার ৯৭৫ জন রোহিঙ্গাকে রাখাইন রাজ্যের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে মিয়ানমার। রাখাইনের নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি হলে তাদের ফিরিয়ে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

সোমবার (১৭ আগস্ট) আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, যাচাই-বাছাই শেষে ৩ লাখ ৮ হাজার ৯৭৫ জন বাস্তুচ্যুত মানুষকে রাখাইনের বাসিন্দা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া কার্যকর হবে না।

নিরাপত্তা, নাগরিকত্ব ও মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা না থাকায় এর আগে একাধিকবার প্রত্যাবাসনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা ব্যর্থ হয়। তাছাড়া মিয়ানমার সেনাবাহিনী এবং আরাকান আর্মির মধ্যকার চলমান সশস্ত্র সংঘাতের কারণে পুরো প্রক্রিয়াটি আরও জটিল হয়ে পড়েছে।

২০১৭ সাল থেকে শুরু হওয়া সহিংসতা ও নির্যাতনের মুখে ১৩ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। বাংলাদেশ শুরু থেকেই নিরাপদ ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে, তবে রোহিঙ্গারা নাগরিকত্ব ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানিয়ে আসছে।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

সাবেক এমপি ইকবালের কার্যালয় সিলগালা, ৩০০'র বেশি দলিল ও চেক জব্দ ‘ভূতের ভয়ে’ হোস্টেল ছাড়ল ৬০০ শিক্ষার্থী ৩ লাখ ৯ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নিতে রাজি মিয়ানমার অটোরিকশায় সৌরবিদ্যুৎ ছাড়া চার্জ দিলে জরিমানা, নিবন্ধন-নবায়নও নয়: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী সিরাজগঞ্জে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষ্যে, র‍্যালি, আলোচনা ও পুরস্কার বিতরণ