খুঁজুন
মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২৭ মাঘ, ১৪৩২

কর আদায়ে এবার শিক্ষার্থীদের কাজে লাগানোর চিন্তা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৪, ৫:০২ অপরাহ্ণ
কর আদায়ে এবার শিক্ষার্থীদের কাজে লাগানোর চিন্তা

কর আদায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করার পরিকল্পনা করছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। সংস্থাটির চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, রাজস্ব আদায়ে এনবিআর করদাতাদের কাছে যাবে। এজন্য আমরা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ দেবো, যেন শিক্ষার্থীরা করদাতাদের সহযোগিতা করতে পারে।

বুধবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে আগারগাঁওয়ের রাজস্ব ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে এনবিআরের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, এবার অনলাইনে ই-রিটার্ন দাখিলে দালিলিক ঝামেলা থাকছে না। আয়কর অঞ্চলে দৌড়ঝাঁপ করা ছাড়া ই-রিটার্ন দাখিল করা যাবে।

দালিলিক প্রমাণ ছাড়া ই-রিটার্ন জমাদানের ক্ষেত্রে ব্যক্তি বা প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে কর ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ থাকলেও তা অসম্ভব জানিয়ে তিনি বলেন, আগের মতো কোনো প্রকার দালিলিক ঝামেলা থাকছে না। সেক্ষেত্রে দালিলিক প্রমাণ ছাড়া ই-রিটার্ন দাখিলে কর ফাঁকির আশঙ্কা নিয়ে অনেকের মনে প্রশ্ন থাকছে। আমরা যে পদ্ধতি অবলম্বন করছি তাতে কর ফাঁকির আশঙ্কা নেই। যদি কেউ কর ফাঁকি দেওয়ার চেষ্টা করে তার বিরুদ্ধে কর অথরিটি কাজ করবে। সে ক্ষেত্রে কর ফাঁকি প্রমাণিত হলে করদাতা তার দায়িত্ব নেবেন।

কর আদায়ে এনবিআর সম্পূর্ণ অটোমেশনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে করদাতাদের জন্য নানা রকম গাইডলাইন প্রকাশ করা হয়েছে। এছাড়া আমরা হাই টেকনোলজিক্যাল কোম্পানিগুলোর সঙ্গে কাজ করার চেষ্টা করছি এবং এরই মধ্যে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সাড়াও পাওয়া যাচ্ছে।

কালোটাকা সাদা করা সুযোগের বিষয় করা সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গেলো অর্থবছরে সরকার কালোটাকা সাদা করতে ১৫ শতাংশ কর ছাড়ের বৈধতা দিয়েছিল। পরে তা বাতিল করা হয়। আগামী অর্থবছরে তা আবারও চালু হবে কি না তা এই মুহূর্তে বলা সম্ভব না। তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় যে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

অবৈধ অর্থ ও সম্পদ অর্জনকারীদের বিরুদ্ধে এনবিআরের গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, অবৈধ সম্পদ অর্জনকারীদের বিরুদ্ধে এনবিআরের ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত রয়েছে। তবে এ ব্যাপারে হয়তো প্রচার কম। অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে এ ব্যাপারে এনবিআরের কোঅর্ডিনেশন রয়েছে। কর ফাঁকি দেওয়া বা লস্ট রেভিনিউ, সেগুলো খুঁজে বের করে সরকারের তহবিলে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে এনবিআর আন্তরিক।

এদেশের মাটিতে হাদি হত্যার বিচার হবে: বেলকুচিতে বিএনপি প্রার্থী আলীমের জনসভায় টুকু

রেজাউল করিম, সিনিয়র রিপোর্টারঃ
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:১৯ অপরাহ্ণ
এদেশের মাটিতে হাদি হত্যার বিচার হবে: বেলকুচিতে বিএনপি প্রার্থী আলীমের জনসভায় টুকু

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, কেউ কেউ দাবি–দাওয়া তুলে নির্বাচন বন্ধ করার চেষ্টা করছে। কখনো স্লোগান দেওয়া হচ্ছে ‘আগে হাদির বিচার, পরে নির্বাচন’। আমরা বিএনপিও হাদির বিচার চাই। হাদির বিচার এদেশের মাটিতেই হবে।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারী) বিকেল পাঁচটায় বেলকুচি সরকারি কলেজ মাঠে বেলকুচি উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি হাজী জামাল উদ্দিন ভূইয়ার সভাপতিত্বে এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। 

তিনি বলেন, একটি গুপ্ত দল দীর্ঘ সময় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের পরিচয়ে সক্রিয় ছিল। শেখ হাসিনার পতনের পর তারা প্রকাশ্যে এসে নিজেদের বিপ্লবী হিসেবে তুলে ধরছে। এখন তারা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নানা ধরনের ষড়যন্ত্র করছে। 

টুকু জামায়াতে ইসলামীকে ইঙ্গিত করে বলেন, আপনারা ষড়যন্ত্র করছেন। ঢাকায় বৈঠক করে বলা হচ্ছে ক্ষমতায় গেলে অমুক ছাত্রনেতাকে মন্ত্রী বানানো হবে। মানুষ হিসাব করতে পারে। সরকার গঠন না করেই যদি ধরে নেন ষড়যন্ত্র করে ক্ষমতায় যাবেন, তাহলে জনগণ তা মেনে নেবে না।

তিনি আরও বলেন, তাঁরা সৎ মানুষের শাসনের কথা বলেন। তাহলে কি আমরা সবাই অসৎ? নির্বাচনে কী পরিমাণ টাকা খরচ হচ্ছে মানুষ দেখছে। সেই টাকার উৎস কোথায়। আর আমরা সীমিত সামর্থ্য নিয়ে হিমসিম খাচ্ছি।

ধর্মের প্রসঙ্গ টেনে টুকু বলেন, ইসলামের নামে ভোট চাওয়া হচ্ছে। কোরআনে স্পষ্ট বলা আছে ধর্মকে ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহার করা যাবে না এবং ধর্মের বিনিময় করা যাবে না। সেই নির্দেশ অমান্য করেই তারা রাজনীতিতে ধর্ম ব্যবহার করছে।

জনসভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি-চৌহালী) আসনের ধানের শীষের প্রার্থী আমিরুল ইসলাম খান আলীম। তাঁতীদল কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহবায়ক গোলাম মওলা খান বাবলুসহ জনসভায় জেলা ও উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বিদেশগামীদের জন্য দ্রুত ঋণের ব্যবস্থা করা হবে, জমি বিক্রি করতে হবে না: তারেক রহমান

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:১৪ অপরাহ্ণ
বিদেশগামীদের জন্য দ্রুত ঋণের ব্যবস্থা করা হবে, জমি বিক্রি করতে হবে না: তারেক রহমান

বিদেশগামীদের যেন জমিজমা বিক্রি করতে না হয়, সেজন্য সরকারিভাবে দ্রুত ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বনানীতে নির্বাচনি পথসভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

তারেক রহমান বলেন, এই ঋণের মাধ্যমে তারা সহজেই বিদেশের যাওয়ার খরচ মেটাতে পারবেন এবং বিদেশে গিয়ে উপার্জিত অর্থ দিয়ে পরবর্তীতে তা পরিশোধ করতে পারবেন।

তিনি বলেন, দেশের তরুণদের সঠিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ হিসেবে গড়ে তুলতে দেশজুড়ে আধুনিক প্রশিক্ষণ সেন্টার গড়ে তোলা হবে। এর মাধ্যমে তারা যেন দেশে এবং বিদেশে সম্মানজনক কাজ করে স্বাবলম্বী হতে পারে এবং দেশের বেকারত্ব ঘুচাতে পারে।

ধর্মগুরুদের নিয়ে তারেক রহমান বলেন, মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিব খতিব ও অন্যান্য ধর্মের যারা ধর্মগুরু আছেন বিএনপি ক্ষমতায় গেলে তাদের সম্মানীর ব্যবস্থা করা হবে। এতে তারা সমাজে সম্মানজনকভাবে বসবাস করতে পারবেন।

বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, বিএনপির দেশ পরিচালনার অভিজ্ঞতা আছে। সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে বিএনপি রাষ্ট্র পুনর্গঠনের কাজে হাত দিতে চায়।

তারেক রহমান বলেন, নির্বাচন ঘিরে মানুষের অনেক প্রত্যাশা তৈরি হয়। বিএনপির কাছে সারা বাংলাদেশের মানুষের অনেক প্রত্যাশা আছে। আমরাও সেভাবেই পরিকল্পনা গ্রহণ করতে চেষ্টা করেছি। পথসভায় ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষি কার্ডের গুরুত্ব তুলে ধরেন তিনি।

ঢাকা-১৭ তে যানজট, জলাবদ্ধতা, বায়ু দূষণের সমস্যা আছে। আমরা একত্রে কাজ করলে সবাই মিলে এই সমস্যার সমাধান করতে পারব।

খালেদা জিয়াকে স্মরণ করে তিনি বলেন, স্বৈরাচারের সময় দেশত্যাগের প্রস্তাব দেয়া হলেও খালেদা জিয়া দেশ ছেড়ে কোথাও যাননি। খালেদা জিয়া জীবনের শেষ পর্যন্ত এদেশের মাটিতে ছিলেন। মানুষ ছেড়ে যাননি। সেজন্য আমাদেরও শেষ ঠিকানা এই দেশ।

তিনি আরও বলেন, বিএনপিই একমাত্র দল এই মুহূর্তে, যাদের দেশ গঠনের কর্মসূচি আছে। প্রতিবারই বিএনপির ওপর জনগণের সমর্থন ছিলো। তারা দেশ ও মানুষ ছেড়ে কোথাও যায়নি।

৪ দিন নির্বাচনি এলাকায় বহিরাগত অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:৫১ অপরাহ্ণ
৪ দিন নির্বাচনি এলাকায় বহিরাগত অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট প্রভাবমুক্ত, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে নির্বাচনী এলাকায় অবস্থানের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

ইসি জানিয়েছে, আগামীকাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৪টা পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় কোনো বহিরাগত অবস্থান করতে পারবে না।

সোমবার (৯ ফেব্রয়ারি) নির্বাচন কমিশনের নির্বাচন ব্যবস্থাপনা ও সমন্বয়-১ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক নোটিশে এ নির্দেশনা জারি করা হয়।

এতে বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নির্বাচনী কার্যক্রমে সম্পৃক্ত ব্যক্তি, কমিশনের অনুমতিপ্রাপ্ত ব্যক্তি এবং সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার বাসিন্দা বা ভোটার ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার ২৪ ঘণ্টা পর পর্যন্ত ওই নির্বাচনী এলাকায় অবস্থান করতে পারবেন না।

এই বিধিনিষেধ আগামীকাল মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি সাড়ে বিকেল ৪টা পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

নির্দেশনায় আরো বলা হয়, নির্বাচন কমিশনের গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুসারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এদেশের মাটিতে হাদি হত্যার বিচার হবে: বেলকুচিতে বিএনপি প্রার্থী আলীমের জনসভায় টুকু বিদেশগামীদের জন্য দ্রুত ঋণের ব্যবস্থা করা হবে, জমি বিক্রি করতে হবে না: তারেক রহমান ৪ দিন নির্বাচনি এলাকায় বহিরাগত অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা ডিএনসিসি প্রশাসক এজাজকে অপসারণ, নতুন দায়িত্বে সুরাইয়া আখতার ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত 'অযৌক্তিক', ভোটারদের মধ্যে 'ভয় ও শঙ্কা সৃষ্টি' করবে: জামায়াত