খুঁজুন
বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬, ৩১ আষাঢ়, ১৪৩৩

২০ বছরের সংসার জীবনের ইতি টানলেন জনপ্রিয় চিকিৎসক দম্পতি সুষমা-কুশল

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ণ
২০ বছরের সংসার জীবনের ইতি টানলেন জনপ্রিয় চিকিৎসক দম্পতি সুষমা-কুশল

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচিত ও জনপ্রিয় চিকিৎসক দম্পতি ডা. সুষমা রেজা ও ডা. সায়েদুল আশরাফ কুশল প্রায় দুই দশকের দাম্পত্য জীবনের ইতি টানার ঘোষণা দিয়েছেন। পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে বিবাহবিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছেন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. সুষমা রেজা।

শনিবার (২৭ জুন) নিজের ফেসবুক আইডিতে পোস্ট দেন তিনি। পাঠকদের জন্য ডা. সুষমা রেজা ফেসবুক পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো-

তিনি লেখেন, অনেক ভেবেচিন্তে, দীর্ঘ আত্মসমালোচনার পর আমরা দুজন পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে আমাদের বৈবাহিক সম্পর্কের ইতি টানার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আজ আনুষ্ঠানিকভাবে সেই সিদ্ধান্তের কথাই আপনাদের জানাচ্ছি।

এতোদিন ধরে যারা আমাদের ভালোবেসেছেন, আমাদের পথচলার সঙ্গী হয়েছেন, তাদের অনেকের কাছেই এই সংবাদটি কষ্ট, বিস্ময় কিংবা নানা প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে- সেটা আমরা বুঝি। সেই ভালোবাসা ও আস্থার প্রতি সম্মান রেখেই আমরা চেয়েছি, খবরটি অন্য কোথাও থেকে নয়, আমাদের দুজনের কাছ থেকেই আপনারা শুনুন। জীবনের এই নতুন অধ্যায়ে আমরা আপনাদের দোয়া কামনা করছি।

খুব অল্প বয়সে আমাদের একসঙ্গে পথচলা শুরু হয়েছিল। দেখতে দেখতে প্রায় দুই দশক কেটে গেছে। এই দীর্ঘ সময়ে আমরা একটি পরিবার গড়েছি, আমাদের সন্তানদের বড় হতে দেখেছি আর জীবনের অসংখ্য সুখ-দুঃখ, অর্জন, সংগ্রাম ও স্মৃতি একসঙ্গে বয়ে নিয়ে চলেছি। সেই স্মৃতিগুলো আমাদের জীবনের অমূল্য অংশ হয়ে থাকবে সবসময়।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আমরা দুজনই উপলব্ধি করেছি, আমাদের সম্পর্ক সেই জায়গাটিতে নেই যেখান থেকে আমরা শুরু করেছিলাম। সময়ের সাথে সাথে আমরা বদলেছি, সম্পর্কটাও বদলেছে। একটা সময় পরিবর্তনগুলো দেখে আমরা বুঝতে পেরেছি, জীবনের এই পর্যায়ে শান্তিপূর্ণভাবে আলাদা হয়ে যাওয়াই আমাদের দুজনের জন্য সবচেয়ে সম্মানজনক সিদ্ধান্ত।

দীর্ঘমেয়াদী যেকোন সম্পর্কের মতোই আমাদের সম্পর্কেও ছিল আনন্দ, ছিল সংগ্রাম, ছিল সীমাবদ্ধতা, আবার ছিল অসংখ্য আশীর্বাদও। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপনারা আমাদের জীবনের যে মুহূর্তগুলো দেখেছেন, সেগুলো কখনোই একটি নিখুঁত সম্পর্কের ছবি তুলে ধরার চেষ্টা ছিল না। ওগুলো ছিল আমাদের জীবনের সত্যিকারের কিছু মুহূর্ত, যেগুলো আমরা আন্তরিকভাবে বেঁচেছি, ভালোবেসেছি এবং আপনাদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছি।

এই দীর্ঘ পথচলায় আমাদের পরিবার, বন্ধু, সহকর্মী এবং অসংখ্য শুভাকাঙ্ক্ষী যেভাবে আমাদের পাশে থেকেছেন, সাহস দিয়েছেন, ভালোবেসেছেন এবং আমাদের জন্য দোয়া করেছেন- সেজন্য আমরা হৃদয়ের গভীর থেকে কৃতজ্ঞ। সোশ্যাল মিডিয়ার এই যুগে একটি ব্যক্তিগত ঘটনা মুহূর্তের মধ্যেই অসংখ্য মানুষের আলোচনার বিষয় হয়ে যেতে পারে। বিনীতভাবে আমাদের একটি অনুরোধ- আমাদের জীবনের এই সময়টুকুকে অনুগ্রহ করে অনুমান, গুজব কিংবা বিচার-বিশ্লেষণের বিষয় করে তুলবেন না।

আমাদের চোখে যা স্রেফ একটা ভাইরাল খবর, তার আড়ালে কিন্তু থাকে কতগুলো নানা বয়সের রক্ত মাংসের মানুষ- যারা প্রত্যেকে তাদের জীবনের অত্যন্ত ব্যক্তিগত ও কঠিন একটি পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। আমাদের ব্যক্তিগত পরিসর ও মর্যাদাকে সবাই সম্মান করবেন- এই প্রত্যাশাটাই রাখি।

বিশেষ করে আমাদের পরিবারের ঘনিষ্ঠ মানুষদের কাছে একটি অনুরোধ- অনুগ্রহ করে আমাদের সন্তানদের, বাবা-মা কিংবা ভাইবোনদের সামনে এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবেন না। এই পরিবর্তন তাঁদের প্রত্যেককে কত গভীরভাবে স্পর্শ করেছে, তা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন।

আমরা দুজন সময় নিয়ে, ধীরে ধীরে এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ পেয়েছি। কিন্তু যাদের আমরা সবচেয়ে বেশি ভালোবাসি, তাদের অনেকের কাছেই এই বাস্তবতা এখনও নতুন, অপ্রস্তুত এবং গভীরভাবে বেদনাদায়ক। প্রত্যেকে নিজের মতো করে এই পরিবর্তনকে বোঝার, গ্রহণ করার এবং নতুন বাস্তবতার সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। আপনাদের সামান্য সহমর্মিতা, সংবেদনশীলতা ও সংযম হয়তো তাঁদের এই পথটুকু কিছুটা সহজ করে দিতে পারে।

প্রায় ২০ বছরের এই অধ্যায়ের সমাপ্তি টানছি আমরা পরস্পরের প্রতি সম্মান, কৃতজ্ঞতা এবং এক ধরনের শান্ত গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে।

ডা. সুষমা রেজা লেখেন, বিদায়ের আগে, আমাদের নিজেদের জীবন থেকেই শেখা একটি ছোট্ট কথা রেখে যেতে চাই- নিজের পরিবারকে সময় দিন। প্রিয় মানুষগুলোর হাত শক্ত করে ধরে রাখুন। জীবন খুবই ভঙ্গুর। আজকের একেবারে সাধারণ, নীরব মুহূর্তগুলোই কখন যে আগামী দিনের সবচেয়ে মূল্যবান স্মৃতিতে পরিণত হয়, আমরা অনেক সময় তা বুঝতেই পারি না। তাই প্রতিটি মুহূর্ত বাঁচুন সচেতনভাবে, কৃতজ্ঞতায় এবং আন্তরিকতায়।

শিক্ষার্থীদের প্রতিবছর একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬, ১১:২৩ পূর্বাহ্ণ
শিক্ষার্থীদের প্রতিবছর একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে একটি করে গাছের চারা রোপণের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (১৫ জুলাই) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে ‘প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬’ অনুষ্ঠান শেষে দেশব্যাপী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনকালে তিনি এ আহ্বান জানান।

এর আগে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের ১৭ ও ১৮ নম্বর অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে শিশুদের প্রতিভা ও মননশীলতার বিকাশে তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক, বিষয়ভিত্তিক কুইজ, কাবিং ও বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। উপজেলা পর্যায় থেকে শুরু হয়ে ধাপে ধাপে এসব প্রতিযোগিতা জাতীয় পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হয়।

এতে দেশের স্কুল পর্যায়ের ২ কোটি ১৮ লাখ ২৮ হাজার ৬৯৩ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে নির্বাচিত শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থীদের হাতে অনুষ্ঠানে ‘প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬’ তুলে দেওয়া হয়।

এছাড়া শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা দেওয়া হয়। ব্যক্তি পর্যায়ে ১৫টি ক্যাটাগরিতে ১২ হাজার ৩৮৪ জন এবং প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে দুটি ক্যাটাগরিতে ৬৫ হাজার ৫৪৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্য থেকে নির্বাচিত শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান এ সম্মাননা লাভ করে।

অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী দেশব্যাপী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

রাজারহাটে রাস্তা নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘর্ষে নিহত ১, গ্রেফতার ১১

মোঃ রেজাউল হক, কুড়িগ্রামঃ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬, ১১:৪৮ অপরাহ্ণ
রাজারহাটে রাস্তা নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘর্ষে নিহত ১, গ্রেফতার ১১

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার উমর মজিদ ইউনিয়নের ডাংঘাট গ্রামে রাস্তা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

জানা গেছে, উমর মজিদ ইউপি’র ডাংহাট থেকে ফুলখা এলাকার ওই রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে ছিল। সম্প্রতি এসিল্যান্ডের সহযোগিতায় রাস্তাটি পুনরায় চালু করা হয়।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেলের দিকে রাস্তাটি নিয়ে পুনরায় বিরোধ ও কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে ডাংঘাট গ্রামের জয়নাল গংয়ের নেতৃত্বে জাহিদুল ইসলাম জিন্নাত পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।

একপর্যায়ে প্রতিপক্ষের শাবলের আঘাতে একই গ্রামের জাহিদুল ইসলাম জিন্নাত (৪৫) প্রাণ হারান। এঘটনার পর এলাকায় তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে। রাত ৮টা পর্যন্ত পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঘটনার সাথে জড়িত ১১জনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে।

রাজারহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামুনুর রশিদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আমরা এখনও ঘটনাস্থলেই আছি এবং বিষয়টির তদন্ত চলছে। অভিযোগ পাওয়া মাত্র মামলা রেকর্ড করা হবে।

এই ফার্মের মুরগিরা রাস্তায় এসেছে বলেই আজ আপনি শিক্ষামন্ত্রী: হাসনাত আব্দুল্লাহ

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬, ৯:৫৭ অপরাহ্ণ
এই ফার্মের মুরগিরা রাস্তায় এসেছে বলেই আজ আপনি শিক্ষামন্ত্রী: হাসনাত আব্দুল্লাহ

শিক্ষামন্ত্রীর সমালোচনা করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, এই ফার্মের মুরগিরা রাস্তায় নেমেছিল বলেই আপনি আজ মন্ত্রী হয়েছেন। শিলং থেকে সংবিধান বিশেষজ্ঞ আসতে পেরেছেন।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেলে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে জুলাই পদযাত্রা ও পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘শিক্ষামন্ত্রী সব জায়গায় গিয়ে বলেন- নকল আর চলবে না। ২০২৬ এর শিক্ষার্থীরা আপনাদেরকে দেখিয়ে দিচ্ছে- এই স্ট্যান্টবাজি আর বাংলাদেশে চলবে না। হাঁটুসমান পানিতে, বুকসমান পানিতে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের ডুবিয়ে ডুবিয়ে আপনি পরীক্ষা দিতে বাধ্য করেছেন। একটা পরীক্ষার প্রশ্ন আপনি প্রণয়ন করেছেন, তার মধ্যে আপনি ভুল রেখে দিয়েছেন। একজন পরীক্ষার্থীর তখন মানসিক অবস্থা কী ধরনের হয়, একবার চিন্তা করেন। আপনারা একবার দুঃখ প্রকাশের প্রয়োজনও বোধ করলেন না, বরং এই শিক্ষার্থীদের আপনারা বলছেন মাদকাসক্ত।’

শিক্ষামন্ত্রীর মন্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘আপনি যাদেরকে ফার্মের মুরগি বলছেন, এই ফার্মের মুরগিরা রাস্তায় এসেছিল বলেই আজকে আপনি শিক্ষামন্ত্রী হয়েছেন। এই ফার্মের মুরগিরা রাস্তায় নেমে এসেছে বলেই শিলং থেকে এসে সংবিধান বিশেষজ্ঞ হয়েছেন। এই ফার্মের মুরগি রাস্তায় এসেছে বলেই আজকে লন্ডন থেকে এসে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রিত্ব করছেন। শিক্ষামন্ত্রীকে বলবো, শিক্ষার্থীরা গিনিপিগ নয়। শিক্ষার্থীদের নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট বন্ধ করুন। কারণ আপনাদের সন্তানরা দেশে পড়াশোনা করে না, তাদের বিদেশে রেখে পড়াশোনা করান।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাম্প্রতিক বক্তব্যেরও সমালোচনা করেন এনসিপির এই নেতা। তিনি বলেন, ‘সংবিধান সংস্কার কমিটি নাকি কোনো সংবিধানে লেখা নেই। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আপনাকে বলি, যদি এটি না থেকে থাকে ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনও কোনো সংবিধানে নেই। সংবিধান অনুযায়ী তো নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল ২০২৯ সালে।’

দেশের বিভিন্ন এলাকায় বন্যা পরিস্থিতির প্রসঙ্গ তুলে হাসনাত আবদুল্লাহ অভিযোগ করেন, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, কক্সবাজার, সাতকানিয়া, আনোয়ারা ও বাঁশখালীসহ ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় প্রয়োজনীয় ত্রাণ ও সহায়তা এখনো পর্যাপ্তভাবে পৌঁছেনি।

সোনারগাঁয়ের স্থানীয় রাজনীতি নিয়েও বক্তব্য দেন তিনি। এ সময় স্থানীয় এক সংসদ সদস্যের ছেলের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ তোলেন এবং রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে অনিয়মের সুযোগ না দেওয়ার আহ্বান জানান।

এছাড়া গ্যাস সংযোগ, ভূমি দখল এবং চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, এসব অনিয়ম বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। রাজনৈতিক পরিচয়ের আড়ালে চাঁদাবাজি চলতে দেওয়া হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

পথসভায় উপজেলা ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এনসিপির সমর্থিত কয়েকজন প্রার্থীর নামও ঘোষণা করেন হাসনাত আবদুল্লাহ।

শিক্ষার্থীদের প্রতিবছর একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর রাজারহাটে রাস্তা নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘর্ষে নিহত ১, গ্রেফতার ১১ এই ফার্মের মুরগিরা রাস্তায় এসেছে বলেই আজ আপনি শিক্ষামন্ত্রী: হাসনাত আব্দুল্লাহ সায়েন্সল্যাব ছেড়ে শিক্ষা বোর্ড অভিমুখে শিক্ষার্থীরা, পথে পুলিশি বাধা ব্যাটারিচালিত রিকশা নিয়ন্ত্রণে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা আনছে সরকার: সড়কমন্ত্রী