খুঁজুন
বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২৮ মাঘ, ১৪৩২

সিরাজগঞ্জে দৈনিক নয়া দিগন্তের দুই দশক পূর্তি উৎসব উদযাপিত

রেজাউল করিম স্টাফ রিপোর্টার, সিরাজগঞ্জঃ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ নভেম্বর, ২০২৪, ৪:৪৬ অপরাহ্ণ
সিরাজগঞ্জে দৈনিক নয়া দিগন্তের দুই দশক পূর্তি উৎসব উদযাপিত

সিরাজগঞ্জে নানা আয়োজনে দৈনিক নয়া দিগন্তের দুই দশক পূর্তি উৎসব উপলক্ষে কেক কর্তন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে সিরাজগঞ্জ প্রেসক্লাব হলরুমে প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত সভাপতি হারুন অর রশিদ খান হাসানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু। 

সিরাজগঞ্জ প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক শেখ এনামুল হকের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আমিনুল ইসলাম, সিরাজগঞ্জ জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যাপক জাহিদুল ইসলাম, সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি নাজমুল হাসান তালুকদার রানা, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল আজিজ সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ সুইট, মির্জা মোস্তফা জামান, আলমগীর আলম, সিরাজগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শরীফুল ইসলাম ইন্না, সাবেক সভাপতি হেলাল আহমেদ, সিরাজগঞ্জ টেলিভিশন ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস হাসান, জেলা যুবদলের সভাপতি মির্জা আব্দুল জব্বার বাবু, সাধারণ সম্পাদক মুরাদুজ্জামান মুরাদ, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি জুনায়েদ হোসেন  সবুজ, ছাত্র সমন্বয়ক প্রতিনিধি মেহেদী হাসান প্রমুখ।

এ সময় সিরাজগঞ্জ প্রেসক্লাবের সহ-সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা রুবেল, ইউসুফ দেওয়ান রাজু, সাংগঠনিক সম্পাদক রহমত আলী, ক্রীড়া সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম, সাংস্কৃতিক সম্পাদক দিলীপ গৌর, আপ্যায়ন সম্পাদক রেজাউল করিম খান, কার্যকরী সদস্য সোহাগ হাসান জয় উপস্থিত ছিলেন।

বক্তাগণ বলেন, নয়া দিগন্ত পত্রিকা বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণীর পত্রিকা ২০০৪ অগ্রযাত্রা শুরু করেন। নয়া দিগন্ত পত্রিকা প্রতিষ্ঠার দুই দশ নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করেছে। বিগত ফ্যাসিবাদী সরকার এই নয়া দিগন্ত পত্রিকা  নিষিদ্ধ করেছিল তার পরেও নয়া দিগন্ত পত্রিকা থেমে থাকেনি। নয়াদিগন্ত বাংলাদেশের নতুন ধারার সঞ্চার করেছে। নয়াদিগন্ত তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে।

নয়াদিগন্তের মত সকলে গণমাধ্যমকে তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশের আহবান জানান তিনি। দেশের বিরুদ্ধে যে যড়যন্ত্র হচ্ছে তা তুলে ধরতে হবে। ৫ আগষ্টের পর নতুন দেশ উপহার দেয়ার জন্য ছাত্র জনতা সাংবাদিকসহ সবাইকে অভিনন্দন জানান।

নীলফামারীর এসপিকে ‘দোসর’ আখ্যা দিয়ে প্রত্যাহারের দাবি জামায়াতের

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:১২ অপরাহ্ণ
নীলফামারীর এসপিকে ‘দোসর’ আখ্যা দিয়ে প্রত্যাহারের দাবি জামায়াতের

সৈয়দপুর বিমানবন্দরে ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির বেলাল উদ্দিনকে হয়রানি ও নির্যাতনের প্রতিবাদ জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। একই সঙ্গে নীলফামারী জেলা পুলিশ সুপার এসকে জাহিদুল ইসলামকে ফ্যাসিবাদের ‘দোসর’ আখ্যা দিয়ে তার প্রত্যাহারের দাবিও জানিয়েছে সংগঠনটি। একই সঙ্গে তিনি সাবেক ডিবি প্রধান মনিরুল ইসলামের সহযোগী ছিলেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব অভিযোগ করা হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার আমির বেলাল উদ্দিন ব্যবসায়ী কাজে নগদ টাকা নিয়ে বিমানযোগে তার এলাকায় যাচ্ছিলেন। কাস্টমসের অনাপত্তিতে তাকে টাকা বহনের ছাড়পত্র দেয় ঢাকা বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।

কিন্তু সৈয়দপুর বিমানবন্দরে সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাকে হেনস্তা করা হয়েছে। এমনকি তাকে নির্যাতন করে নীলফামারী জেলা পুলিশ সুপার এস কে জাহিদুল ইসলাম। এই নির্যাতনে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

এতে আরও বলা হয়, মিডিয়া ফ্রেমিং করে এই ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করা হয়েছে। আমরা গণমাধ্যমের কাছে দায়িত্বশীল ভূমিকার পাশাপাশি মিথ্যা প্রচারণা থেকে বিরত থাকার আহবান জানাচ্ছি। সেই সাথে নাটকের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।

নীলফামারী জেলা পুলিশ সুপার এসকে জাহিদুল ইসলাম ফ্যাসিবাদের দোসর উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, তিনি সাবেক ডিবি প্রধান ভারতে পলাতক মনিরুল ইসলামের অন্যতম সহযোগী ছিলেন। তিনি জঙ্গি নাটক সাজিয়ে বিভিন্ন অভিযানে অংশ নিয়েছিলেন। অবিলম্বে তার বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক দ্রুত ব্যবস্থা ও দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি।

জামায়াত নেতার টাকা প্রসঙ্গ

৫০ লাখ নয়, প্রয়োজনে ৫ কোটি টাকা বহনেও সমস্যা নেই: ইসি সচিব

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:৫০ অপরাহ্ণ
৫০ লাখ নয়, প্রয়োজনে ৫ কোটি টাকা বহনেও সমস্যা নেই: ইসি সচিব

ভোটের সময় নগদ টাকা বহনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোনো সর্বোচ্চ সীমা নেই বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। টাকার বৈধ উৎস ও ব্যবহারের খাত দেখাতে পারলে প্রয়োজনে ৫ কোটি টাকা বহন করতেও বাধা নেই বলে স্পষ্ট করেছেন ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ভোটের সময় টাকা পরিবহনের সীমা নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

একজন ব্যক্তি ভোটের সময় কত টাকা বহন করতে পারবেন-এমন প্রশ্নে সচিব বলেন, টাকা যদি বৈধ হয় এবং তার উৎস সঠিকভাবে দেখানো যায়, তাহলে সমস্যা নেই। ব্যক্তিগত প্রয়োজনে যে কেউ যে কোনো পরিমাণ টাকা বহন করতে পারবেন।

তিনি বলেন, ভোটের সময় টাকা বহনের নির্দিষ্ট সীমা নেই। সোর্স ও ব্যবহারের বৈধ খাত দেখাতে পারলে ৫০ লাখ নয়, প্রয়োজনে ৫ কোটি টাকা বহনেও সমস্যা নেই।

তিনি আরও বলেন, ওই টাকা যদি ভোটে কাউকে প্রভাবিত করার কাজে ব্যবহার করা হয়ে থাকে, তাহলে বিষয়টি ‘নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি’ দেখবে। আর টাকা অবৈধ হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

প্রসঙ্গেত, বুধবার দুপুর ১২টায় ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমীর বেলাল উদ্দিন প্রধানকে আনুমানিক ৫০ লাখ টাকাসহ আটক করে সৈয়দপুর বিমানবন্দর থানা পুলিশ। এই ঘটনার প্রেক্ষাপটে টাকা বহনের সীমা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

এ ঘটনায় তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ জানায় জামায়াতে ইসলামী। দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়- অনুমতি নিয়ে, নিয়ম মেনেই টাকা বহন করছিলেন জেলা আমির। তাছাড়া ওই সম্পূর্ণ টাকা তার নিজের ব্যবসায়ের। একটি পক্ষ জামায়াতের নামে কুৎসা রটনার লক্ষ্যে জেলা আমিরের ব্যক্তিগত টাকা অন্য খাতে দেখানোর অপচেষ্টা করে।

ঢাকার দূষণ রোধে ৪৫২৮ কোটি টাকা ঋণ অনুমোদন বিশ্বব্যাংকের

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:৩৭ অপরাহ্ণ
ঢাকার দূষণ রোধে ৪৫২৮ কোটি টাকা ঋণ অনুমোদন বিশ্বব্যাংকের

রাজধানীর স্যানিটেশন ও কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিষেবা উন্নত করতে, পানি দূষণ কমাতে এবং নদী ও খাল পুনরুদ্ধারের জন্য ৩৭ কোটি মার্কিন ডলারের ঋণ অনুমোদন করেছে বিশ্বব্যাংক। যা প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৩৯ পয়সা ধরে বাংলাদেশি মুদ্রায় দাঁড়ায় প্রায় ৪ হাজার ৫২৮ কোটি টাকা। সংস্থাটির প্রধান কার্যালয় ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত বোর্ড সভায় এ ঋণ অনুমোদন দেওয়া হয়। বুধবার সংস্থাটির ঢাকা অফিস থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মেট্রো ঢাকায় পানি নিরাপত্তা ও টেকসই কর্মসূচির মাধ্যমে বৃহত্তর ঢাকায় পানি দূষণ কমাতে স্থানীয় ও জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলির সক্ষমতা জোরদার করা হবে। কর্মসূচিটি সিটি করপোরেশন এবং ওয়াসাকে গ্রাউন্ড ওয়াটার উত্তোলনে শক্তিশালী করা হবে।যাতে করে ৫ লাখ ৫০ হাজার মানুষকে নিরাপদ পানি ও ৫ লাখ মানুষকে উন্নত স্যানিটেশন সুবিধার আওতায় আনা যায়।এতে মানুষকে উন্নত কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিষেবা দেবে, দূষণ এবং পরিষেবার ঘাটতির কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত সম্প্রদায়গুলোকে অগ্রাধিকার দেবে।

বাংলাদেশ ও ভুটান নিযুক্ত বিশ্বব্যাংক বিভাগীয় পরিচালক জ্যাঁ পেম বলেন, বৃহত্তর ঢাকার লাখ মানুষের জন্য পানি হলো জীবনরেখা। কিন্তু দ্রুত, অপরিকল্পিত নগরায়ন এবং শিল্প প্রবৃদ্ধি বজ্যের কারণে পানি দূষণ বাড়ছে। কিন্তু দূষণ শহরের ছাড়িয়ে গেছে, যা জনস্বাস্থ্য, পরিবেশ এবং অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এই কর্মসূচি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ঢাকার নদী ও খালের দূষণ কমাতে এবং স্বাস্থ্য পুনরুদ্ধারের জন্য প্রয়োজনীয় প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি তৈরিতে সহায়তা করবে।

বিশ্বব্যাংক জানায়, ঢাকায় বর্জ্য এবং পানি দূষণের তীব্র চ্যালেঞ্জ রয়েছে। মাত্র ২০ শতাংশ বাসিন্দার পাইপযুক্ত পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার সংযোগ রয়েছে এবং আরও ২ শতাংশ কার্যকরী মল-মূত্র ব্যবস্থাপনা ব্যবহার করেন। ৮০ শতাংশেরও বেশি অপরিশোধিত বর্জ্য পানি এবং পয়ঃনিষ্কাশন ঢাকার আন্তঃসংযুক্ত জলপথে ফেলা হয়। ঢাকার অর্ধেকেরও বেশি খাল অদৃশ্য হয়ে গেছে অথবা আটকে গেছে, যা দূষণকে আরও খারাপ করে তুলেছে। এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করার জন্য, এই অভিযানটি সরকারি ও বেসরকারি খাতের পাশাপাশি সিটি কর্পোরেশনগুলোকে জড়িত করে একটি সামগ্রিক পদ্ধতি গ্রহণ করে। এটি পরিষেবা সরবরাহ উন্নত করতে, নিয়ন্ত্রক কাঠামো শক্তিশালী করতে এবং দূষণ হ্রাস করে এবং প্রবাহ ক্ষমতা পুনরুদ্ধার করে ঢাকার চারপাশের নদী এবং খালগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করতে সহায়তা করবে।

প্রায় ৮০ শতাংশ রপ্তানিমুখী পোশাক কারখানা ঢাকায় অবস্থিত। ৭ হাজারের বেশি কারখানা প্রতিদিন আনুমানিক ২ হাজার ৪০০ মিলিয়ন লিটার অপরিশোধিত বর্জ্য পানিপথে ছেড়ে দেয় যা ত্বক, ডায়রিয়া এবং স্নায়বিক রোগের সৃষ্টি করে। এই কর্মসূচিটি বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণকে, বিশেষ করে ঢাকার আশেপাশের শিল্প বর্জ্য পরিশোধন এবং পানি পুনঃব্যবহার বৃদ্ধির জন্য তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি করা হবে।

বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন বিশেষজ্ঞ এবং প্রকল্পের টাস্ক টিম লিডার হার্ষা গোয়েল বলেন, এই কর্মসূচি বাংলাদেশের বৃহত্তর পানি সুরক্ষা এবং টেকসই কর্মসূচিকে সমর্থন করে। এই পর্যায়ে ঢাকার জলাশয়ে দূষণের নির্গমন হ্রাস করা, ঢাকার নদীগুলির জন্য একটি বিস্তৃত পানির মান সূচকসহ প্রাতিষ্ঠানিক এবং নিয়ন্ত্রক পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা, ডিজিটাল রিয়েল-টাইম দূষণ পর্যবেক্ষণ স্থাপন করা এবং ঢাকার চারটি নদীর জন্য সমন্বিত নদী পুনরুদ্ধার পরিকল্পনা তৈরি করাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

এই কর্মসূচি প্রথম পর্যায়ে ঢাকা এবং নারায়ণগঞ্জের নির্বাচিত এলাকাগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করবে। এটি প্রাথমিক বর্জ্য সংগ্রহের কভারেজ উন্নত করতে সাহায্য করবে – প্রধান খাল এবং নদীর কাছাকাছি সুবিধাবঞ্চিত সম্প্রদায়গুলোকে অগ্রাধিকার দেবে এবং পুনর্ব্যবহার ব্যবস্থা উন্নত করবে। এটি কঠিন বর্জ্য ফেলা বন্ধ করতে, ড্রেনেজ নেটওয়ার্কে সরাসরি পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা এবং শিল্প বর্জ্য নদী ও খালে ফেলা বন্ধ করতে হবে।

নীলফামারীর এসপিকে ‘দোসর’ আখ্যা দিয়ে প্রত্যাহারের দাবি জামায়াতের ৫০ লাখ নয়, প্রয়োজনে ৫ কোটি টাকা বহনেও সমস্যা নেই: ইসি সচিব ঢাকার দূষণ রোধে ৪৫২৮ কোটি টাকা ঋণ অনুমোদন বিশ্বব্যাংকের ব্যালট বাক্সে হাত দিলে হাতই থাকবে না: এডিসি জুয়েল রানা এককভাবে সরকার গঠনে আত্মবিশ্বাসী তারেক রহমান