খুঁজুন

ছাত্র-জনতার উপর গুলি করার নির্দেশ

সরিয়ে দেওয়া হলো র‍্যাবের ডিজির সেই স্টাফ অফিসার আবিদুর রহমানকে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ আগস্ট, ২০২৫, ১:২৫ অপরাহ্ণ
সরিয়ে দেওয়া হলো র‍্যাবের ডিজির সেই স্টাফ অফিসার আবিদুর রহমানকে

র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন- র‍্যাব মহাপরিচালকের (ডিজি) স্টাফ অফিসার বিতর্কিত পুলিশ কর্মকর্তা মীর আবিদুর রহমানকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে গণমাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেন বাহিনীর অতিরিক্ত মহাপরিচালক (এডিজি, অপারেশন) কর্নেল ইফতেখার আহমেদ।

তিনি বলেন, ‘আবিদুর রহমানকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।’ কোথায় পদায়ন করা হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আদেশ দেখে বলতে হবে।’

সূত্র জানিয়েছে, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবিদুর রহমানকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে র‌্যাব-৪’এ পদায়ন করা হয়েছে। তবে তিনি ব্যাটালিয়নটিতে যোগ দেননি; র‌্যাব সদরদপ্তরেই রয়েছেন। তাকে যেকোনো সময় র‌্যাব থেকে পুলিশ সদরদপ্তরে সরিয়ে নেওয়া হতে পারে।

এদিকে র‌্যাব ডিজির স্টাফ অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের ৩১ ব্যাচের কর্মকর্তা এ বি এম মুজাহিদুল ইসলাম। তিনি র‌্যাবের গোয়েন্দা শাখায় কর্মরত ছিলেন। বৃহস্পতিবার ডিজির স্টাফ অফিসার হিসেবে তিনি দায়িত্ব নিয়েছেন। গত ২৯ জুলাই পুলিশপ্রধান স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে মুজাহিদুল ইসলামকে র‌্যাব থেকে বদলি করে পুলিশ সদরদপ্তরে পদায়ন করা হয়।

গত বুধবার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবিদুর রহমানকে নিয়ে একটি দৈনিক পত্রিকা সংবাদ প্রকাশ করে। যার শিরোনাম ছিল- “পরিচয় দিতেন ছাত্রলীগের ‘টোকাই কর্মী’: আন্দোলনে গুলির নির্দেশদাতা আবিদুর রহমান র‌্যাব ডিজির স্টাফ অফিসার, নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন”। সংবাদ প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। তারপরই দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হলো বিতর্কিত এই পুলিশ কর্মকর্তাকে।

ঝিনাইদহে ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা ও গুলির নির্দেশ দিয়ে ভাইরাল হন আবিদুর রহমান। তিনি বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের ৩৩তম ব্যাচের কর্মকর্তা।

২০২৩ সালের ৩ মে ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) হিসেবে দায়িত্ব পান আবিদুর রহমান। ‘দলবাজ’ কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত আবিদ ১৯ আগস্ট ঝিনাইদহে সাধারণ ছাত্রদের তোপের মুখে কর্মস্থল থেকে পালিয়ে ঢাকায় চলে আসেন।

এর ছয়দিন পর ২৫ আগস্ট আবিদুর রহমানকে র‌্যাবে পদায়ন করা হয়। চলতি বছরের শুরুতে তিনি র‌্যাব মহাপরিচালকের স্টাফ অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পান।

সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ ও র‌্যাব-১১ পরিদর্শনে যান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম। এসময় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা পুলিশ কর্মকর্তা আবিদুর রহমানের সঙ্গে হাত মেলান। এরপরেই আবিদুর রহমান র‌্যাব ডিজির স্টাফ অফিসার বিষয়টি সামনে আসে।

আবিদুর রহমানের আগের অপকর্ম সম্বলিত একটি ভিডিও সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। ওই ভিডিওতে দেখা গেছে- ঝিনাইদহে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে কীভাবে গুলি চালাতে হয় সেটা শেখাচ্ছেন পুলিশ কর্মকর্তা আবিদুর রহমান। ভাইরাল ওই ভিডিও’র ক্যাপশনে লেখা ছিল— ‘জুলাই বিপ্লবে ঝিনাইদহে ছাত্র-জনতার বুকে কীভাবে গুলি চালাতে হবে তা শেখানো সেই অতিরিক্ত পুলিশ সুপার র‌্যাবে গুরুত্বপূর্ণ পোস্টিং নিয়ে দায়িত্ব পালন করছে।’

গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে ১৯ আগস্ট আবিদুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে ঝিনাইদহ জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয় ঘেরাও করে আন্দোলন করে ছাত্র-জনতা। বিষয়টি আগাম টের পেয়ে কর্মস্থল থেকে পালিয়ে যান আবিদুর রহমান।

অভিযোগ রয়েছে- ঝিনাইদহে কর্মরত অবস্থায় আবিদুর রহমান নিজেকে ছাত্রলীগের ‘টোকাই কর্মী’ পরিচয় দিতেন। ছাত্র আন্দোলনের সময় এই পুলিশ কর্মকর্তার ভূমিকা ছিল ছাত্রলীগের ক্যাডার বাহিনীর মতো। একই অভিযোগ তুলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ঝিনাইদহ জেলার যুগ্ম সমন্বয়কারী সাকিব মোহাম্মদ আল হাসান বুধবার গণমাধ্যমে বলেন, ‘আন্দোলন সংগ্রামের সময় ছাত্রদেরকে ওপর গুলি নির্দেশ দেওয়াসহ যত রকমের হয়রানি আছে তার নেতৃত্ব দিয়েছেন আবিদুর রহমান। শেখ হাসিনার পতনের পর ছাত্র-জনতা এসপি অফিস ঘেরাও করলে ঝিনাইদহ থেকে পালিয়ে যান এই পুলিশ কর্মকর্তা।’ তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করেন এই ছাত্রনেতা।

বিষয়টি পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলমের নজরে আনা হলে তিনি বলেন, ‘বিষয়টি জানা নেই তবে গুরুত্বের সঙ্গে দেখব।’

আর একইদিন রাতে পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মোহাম্মদ নুরুল হুদা গণমাধ্যমে বলেন, ‘এসব সেনসেটিভ জায়গায় কাকে নিয়োগ দেওয়া হয় সেটা ভালোভাবে যাচাই-বাছাই করে দেওয়া উচিত। তার পদায়নের ঘটনায় যারা জড়িত অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত হওয়া দরকার।’

বিশেষ দ্রষ্টব্য: ঝিনাইদহ জেলা সূত্র ও গণমাধ্যম থেকে তথ্য নিয়ে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়েছে।

‘কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৩০ অপরাহ্ণ
‘কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু

‘আমি বেঁচে থাকতে কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’-নির্বাচনী মাঠে এমন দৃঢ় প্রত্যয়ের কথা বলার কয়েক ঘণ্টা পরই চিরতরে নির্বাচনী মাঠ ছাড়লেন কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম খোকন।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়ে দিনভর গণসংযোগ করার পর রাতেই না ফেরার দেশে চলে যান তিনি।

তিনি চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এবং কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ছিলেন। গত কয়েক মাস ধরে শুহিলপুর ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ভোটার ও সমর্থকদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছিলেন তিনি।

জানা যায়, এদিন নিজের ইউনিয়ন শুহিলপুরে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার লক্ষে হাজারো নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে গণসংযোগ করেন বিএনপির এ নেতা। চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে দিনভর নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে নির্বাচনী শোডাউন করেছিলেন তিনি। সন্ধ্যায় পথসভায়ও দিয়েছিলেন জয়ের প্রত্যয়ী বক্তব্য।

দিনভর প্রচারণা শেষে গতকাল সন্ধ্যায় শালিখা বাজারে আয়োজিত পথসভায় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বক্তব্য দেন খোকন।

পথসভায় বিএনপি নেতা বলেন, আপনারা কি চান, শাওন সাহেব (বর্তমান এমপি) আমাকে দলীয় প্রার্থী করুক? তাহলে নিশ্চিত থাকেন, শাওন সাহেব এই ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আমাকে প্রার্থী ঘোষণা করবেন।

তার বক্তব্যে ছিল নির্বাচনে জয়ের প্রত্যয়, ছিল ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা পরিকল্পনা। নেতা-কর্মীদের মধ্যেও ছিল উৎসাহ-উদ্দীপনা। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানেই যেন বদলে গেল সবকিছু।

সারাদিনের নির্বাচনী কর্মসূচি শেষে রাতে বাড়ি ফিরে খাবার খান সাইফুল ইসলাম খোকন। এরপর ঘুমাতে যাওয়ার প্রস্তুতিকালে রাত আনুমানিক ১২টার দিকে হঠাৎ বুকে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করেন তিনি। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে ইলিয়টগঞ্জ বাজারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে পরে দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর বাজারের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে সেখানে তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন মেঝ ছেলে সাঈদ।

মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেও যে মানুষটি নেতা-কর্মীদের সামনে দাঁড়িয়ে নির্বাচনে নিজের প্রার্থিতার কথা বলছিলেন, রাত না পেরোতেই সেই মানুষটিই চলে গেলেন না ফেরার দেশে। থেমে গেল তার রাজনৈতিক পথচলা। থেমে গেল চেয়ারম্যান হওয়ার স্বপ্ন। নির্বাচনী মাঠ থেকে সরে গেলেন ঠিকই তবে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বীর কাছে পরাজিত হয়ে নয়, চিরদিনের জন্য।

সাইফুল ইসলাম খোকনের আকস্মিক মৃত্যুতে শুহিলপুর ইউনিয়নসহ পুরো চান্দিনার রাজনৈতিক অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজন, রাজনৈতিক সহকর্মী, নেতা-কর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে বিরাজ করছে গভীর শোক ও বেদনা।

জানা যায়, আজ সকাল ১১টায় ইলিয়টগঞ্জ রা.বি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার নামাজে জানাজে শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

এদিকে জানাজা নামাজের আগে কুমিল্লা-৭ আসনের সংসদ সদস্য উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আতিকুল আলম শাওন বলেন, সাইফুল ইসলাম খোকন আমার মরহুম পিতার সময়কাল থেকে বিএনপি’র রাজনীতি করেছেন। আমার কয়েকজন অভিভাবকদের মধ্যে তিনিও ছিলেন একজন। তার এই মৃত্যুতে শুহিলপুর ইউনিয়নসহ উপজেলা বিএনপিতে শূন্যতা সৃষ্টি হবে।

‘ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৩ অপরাহ্ণ
‘ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি

‘তুমি এখনো ভালো হওনি, ভালো হয়ে যাও মাসুদ’- সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের এমন মন্তব্যের পর দেশজুড়ে পরিচিতি পাওয়া বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) কর্মকর্তা মো. মাসুদ আলমকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় বদলি করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংস্থাটির আরও কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার দায়িত্বেও রদবদল আনা হয়েছে।

গত ৩১ আগস্ট বিআরটিএ চেয়ারম্যানের কার্যালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ বদলি ও পদায়নের বিষয়টি জানানো হয়। আদেশে উল্লেখ করা হয়, জনস্বার্থে নেওয়া এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে।

অফিস আদেশ অনুযায়ী, বিআরটিএ চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) মো. মাসুদ আলমকে ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

অন্যদিকে ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) শফিকুজ্জামান ভূঞাকে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের একই পদে বদলি করা হয়েছে। ফলে মাসুদ আলমের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন তিনি।

উল্লেখ্য, বিআরটিএর সেবা ও অনিয়ম নিয়ে এক পরিদর্শনকালে কর্মকর্তা মাসুদ আলমকে উদ্দেশ করে ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, ‘তুমি এখনো ভালো হওনি, ভালো হয়ে যাও মাসুদ।’ তার সেই বক্তব্য দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং মাসুদ আলমকে ঘিরে আলোচনা তৈরি হয়।

বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

মোঃ রেজাউল করিম, সিনিয়র রিপোর্টার:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৪ অপরাহ্ণ
বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকালে উপজেলার মুকুন্দগাঁতী ও ক্ষিদ্রমাটিয়া গ্রামের উদ্যোগে ও ঢাকা ব্যাংক পি এল সি অর্থায়নে ক্ষিদ্রমাটিয়া গ্রামের যমুনা নদীর শাখায় তিন দিনব্যাপী এই মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য আমিরুল ইসলাম খাঁন আলীম। 

বাইচ কমিটির সভাপতি আলতাফ হোসেনের সভাপতিত্বে আরোও উপস্থিত ছিলেন, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিষ্টার শাহানাজ প্রধান, সহকারী পুলিশ সুপার বেলকুচি সার্কেল শহিদুল ইসলাম, বেলকুচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোক্তারুজ্জামান, বেলকুচি কলেজের অধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা বিএনপির সদস্য গোলাম আজম, উপজেলার বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক মন্ডলসহ স্থানীয় গনমান্য ব্যক্তিবর্গ। 

সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পানসি ১৮ টা ও ১২ টা কোষা নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করেন। আগামী ৬ সেপ্টেম্বর রবিবার বাইচ প্রতিযোগিতার চুড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হবে।

'কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু 'ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন বিশ্বের সর্বোচ্চ খেলাপি ঋণের দেশ এখন বাংলাদেশ যতবারই নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়েছে ততবারই বিএনপি জিতেছে: মন্ত্রী দুলু