খুঁজুন

সরানো হচ্ছে ৫ আগস্টের আগের ১৬৯ পুলিশ সদস্যকে

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬, ১:৫৯ অপরাহ্ণ
সরানো হচ্ছে ৫ আগস্টের আগের ১৬৯ পুলিশ সদস্যকে

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা পুনর্বিন্যাসের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সচিবালয়ের নিরাপত্তায় ব্যাপক পরিবর্তন আনছে সরকার। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের আগে সচিবালয়ে দায়িত্ব পাওয়া ১৬৯ জন পুলিশ সদস্যকে পর্যায়ক্রমে বদলি করে নতুন সদস্য নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে ৮২ জন পুলিশ সদস্যকে অন্যত্র বদলি করা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, সচিবালয়ের নিরাপত্তাকে আরও কার্যকর, প্রযুক্তিনির্ভর ও জবাবদিহিমূলক করতে জনবল পরিবর্তনের পাশাপাশি দর্শনার্থী নিয়ন্ত্রণ, ডিজিটাল পরিচয় যাচাই, সিসিটিভি নজরদারি এবং গেট ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আনা হচ্ছে।

গত মাসে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিবালয় নিরাপত্তা শাখা থেকে পুলিশ মহাপরিদর্শকের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে নিরাপত্তায় নিয়োজিত সদস্যদের পদায়ন পর্যালোচনার কথা বলা হয়। পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের আগে দায়িত্ব পাওয়া উল্লেখযোগ্যসংখ্যক পুলিশ সদস্য এখনো সচিবালয়ে কর্মরত রয়েছেন।

চিঠিতে এসব সদস্যকে ধাপে ধাপে প্রত্যাহার করে নিরাপত্তা যাচাই সম্পন্ন নতুন ও দক্ষ সদস্যদের দায়িত্ব দেওয়ার সুপারিশ করা হয়। বদলি তালিকায় রয়েছেন তিনজন পুলিশ পরিদর্শক, একজন সার্জেন্ট, পাঁচজন উপপরিদর্শক, ১৬ জন সহকারী উপপরিদর্শক, ১২ জন নায়েক এবং ১৩২ জন কনস্টেবল।

সচিবালয় দেশের প্রশাসনিক কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দু হওয়ায় এর নিরাপত্তাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এখানে নিয়মিত নীতিনির্ধারণী বৈঠক, গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত এবং জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক কর্মকর্তা-কর্মচারী ও দর্শনার্থীর যাতায়াতও থাকে।

নিরাপত্তায় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে নতুন নিয়ম চালু করা হয়েছে। আগে শুধু নাম ও মোবাইল নম্বর দিয়ে ওটিপি সংগ্রহ করে সচিবালয়ে প্রবেশের সুযোগ থাকলেও এখন জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর এবং ওই এনআইডির সঙ্গে নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর ছাড়া প্রবেশের ওটিপি দেওয়া হচ্ছে না।

এছাড়া সচিবালয়ের বিভিন্ন স্থানে নতুন করে প্রায় ১০০টি সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। প্রবেশপথ, করিডর, সংবেদনশীল ভবন ও চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলো এসব ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখা হচ্ছে।

নিরাপত্তার স্বার্থে কয়েকটি গেটের ব্যবহারও সীমিত করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ৪ নম্বর গেট সাধারণত বন্ধ রাখা হয়। অফিস শুরু ও শেষের সময় ৩ ও ৪ নম্বর গেট খোলা রাখা হয়। আর ৫ নম্বর গেট প্রধানমন্ত্রীর যাতায়াতের সময় এবং বিকেলে অফিস ছুটির সময় ব্যবহার করা হয়।

দর্শনার্থী প্রবেশ নিয়ন্ত্রণে চলতি বছরের এপ্রিলে নতুন নির্দেশনা জারি করা হয়। নতুন নীতিমালায় ওটিপিভিত্তিক দর্শনার্থী পাস ইস্যুর ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোটা নির্ধারণ করা হয়েছে। একজন পূর্ণমন্ত্রী সর্বোচ্চ ২০টি, প্রতিমন্ত্রী ১৫টি, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, সিনিয়র সচিব ও সচিব ১০টি, অতিরিক্ত সচিব চারটি এবং যুগ্ম সচিব তিনটি প্রবেশ পাস ইস্যু করতে পারবেন।

সচিবালয়ের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশের উপকমিশনার কাজী আবু সাঈদ গণমাধ্যমে বলেন, এখন পর্যন্ত ৮২ জন পুলিশ সদস্যকে পরিবর্তন করা হয়েছে এবং সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি ভালো রয়েছে। দর্শনার্থীর চাপ থাকলেও নিরাপত্তা সদস্যরা সতর্ক অবস্থায় রয়েছেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব কাজী আরিফুর রহমান বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের আগে দায়িত্ব পাওয়া পুলিশ সদস্যদের ধাপে ধাপে বদলি করা হচ্ছে এবং নতুন সদস্যরা দায়িত্ব নিচ্ছেন। তিনি জানান, সচিবালয়ে কোনো নির্দিষ্ট হুমকির তথ্য না থাকলেও সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনায় রেখেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিচালিত হচ্ছে।

দর্শনার্থীদের জন্য শিগগিরই গলায় ঝোলানোর পরিচয়পত্র চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনায় নির্দিষ্ট সময় পরপর নিরাপত্তা সদস্যদের রোটেশন একটি কার্যকর কৌশল। দীর্ঘদিন একই স্থানে দায়িত্ব পালন করলে ব্যক্তিগত যোগাযোগের সুযোগ তৈরি হতে পারে, যা নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়াতে পারে। নতুন জনবল, ডিজিটাল পরিচয় যাচাই, আধুনিক ভিজিটর ম্যানেজমেন্ট এবং বাড়তি সিসিটিভি নজরদারির মাধ্যমে সচিবালয়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে নতুন কাঠামোয় সাজানো হচ্ছে।

‘কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৩০ অপরাহ্ণ
‘কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু

‘আমি বেঁচে থাকতে কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’-নির্বাচনী মাঠে এমন দৃঢ় প্রত্যয়ের কথা বলার কয়েক ঘণ্টা পরই চিরতরে নির্বাচনী মাঠ ছাড়লেন কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম খোকন।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়ে দিনভর গণসংযোগ করার পর রাতেই না ফেরার দেশে চলে যান তিনি।

তিনি চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এবং কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ছিলেন। গত কয়েক মাস ধরে শুহিলপুর ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ভোটার ও সমর্থকদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছিলেন তিনি।

জানা যায়, এদিন নিজের ইউনিয়ন শুহিলপুরে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার লক্ষে হাজারো নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে গণসংযোগ করেন বিএনপির এ নেতা। চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে দিনভর নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে নির্বাচনী শোডাউন করেছিলেন তিনি। সন্ধ্যায় পথসভায়ও দিয়েছিলেন জয়ের প্রত্যয়ী বক্তব্য।

দিনভর প্রচারণা শেষে গতকাল সন্ধ্যায় শালিখা বাজারে আয়োজিত পথসভায় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বক্তব্য দেন খোকন।

পথসভায় বিএনপি নেতা বলেন, আপনারা কি চান, শাওন সাহেব (বর্তমান এমপি) আমাকে দলীয় প্রার্থী করুক? তাহলে নিশ্চিত থাকেন, শাওন সাহেব এই ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আমাকে প্রার্থী ঘোষণা করবেন।

তার বক্তব্যে ছিল নির্বাচনে জয়ের প্রত্যয়, ছিল ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা পরিকল্পনা। নেতা-কর্মীদের মধ্যেও ছিল উৎসাহ-উদ্দীপনা। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানেই যেন বদলে গেল সবকিছু।

সারাদিনের নির্বাচনী কর্মসূচি শেষে রাতে বাড়ি ফিরে খাবার খান সাইফুল ইসলাম খোকন। এরপর ঘুমাতে যাওয়ার প্রস্তুতিকালে রাত আনুমানিক ১২টার দিকে হঠাৎ বুকে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করেন তিনি। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে ইলিয়টগঞ্জ বাজারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে পরে দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর বাজারের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে সেখানে তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন মেঝ ছেলে সাঈদ।

মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেও যে মানুষটি নেতা-কর্মীদের সামনে দাঁড়িয়ে নির্বাচনে নিজের প্রার্থিতার কথা বলছিলেন, রাত না পেরোতেই সেই মানুষটিই চলে গেলেন না ফেরার দেশে। থেমে গেল তার রাজনৈতিক পথচলা। থেমে গেল চেয়ারম্যান হওয়ার স্বপ্ন। নির্বাচনী মাঠ থেকে সরে গেলেন ঠিকই তবে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বীর কাছে পরাজিত হয়ে নয়, চিরদিনের জন্য।

সাইফুল ইসলাম খোকনের আকস্মিক মৃত্যুতে শুহিলপুর ইউনিয়নসহ পুরো চান্দিনার রাজনৈতিক অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজন, রাজনৈতিক সহকর্মী, নেতা-কর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে বিরাজ করছে গভীর শোক ও বেদনা।

জানা যায়, আজ সকাল ১১টায় ইলিয়টগঞ্জ রা.বি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার নামাজে জানাজে শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

এদিকে জানাজা নামাজের আগে কুমিল্লা-৭ আসনের সংসদ সদস্য উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আতিকুল আলম শাওন বলেন, সাইফুল ইসলাম খোকন আমার মরহুম পিতার সময়কাল থেকে বিএনপি’র রাজনীতি করেছেন। আমার কয়েকজন অভিভাবকদের মধ্যে তিনিও ছিলেন একজন। তার এই মৃত্যুতে শুহিলপুর ইউনিয়নসহ উপজেলা বিএনপিতে শূন্যতা সৃষ্টি হবে।

‘ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৩ অপরাহ্ণ
‘ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি

‘তুমি এখনো ভালো হওনি, ভালো হয়ে যাও মাসুদ’- সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের এমন মন্তব্যের পর দেশজুড়ে পরিচিতি পাওয়া বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) কর্মকর্তা মো. মাসুদ আলমকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় বদলি করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংস্থাটির আরও কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার দায়িত্বেও রদবদল আনা হয়েছে।

গত ৩১ আগস্ট বিআরটিএ চেয়ারম্যানের কার্যালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ বদলি ও পদায়নের বিষয়টি জানানো হয়। আদেশে উল্লেখ করা হয়, জনস্বার্থে নেওয়া এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে।

অফিস আদেশ অনুযায়ী, বিআরটিএ চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) মো. মাসুদ আলমকে ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

অন্যদিকে ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) শফিকুজ্জামান ভূঞাকে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের একই পদে বদলি করা হয়েছে। ফলে মাসুদ আলমের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন তিনি।

উল্লেখ্য, বিআরটিএর সেবা ও অনিয়ম নিয়ে এক পরিদর্শনকালে কর্মকর্তা মাসুদ আলমকে উদ্দেশ করে ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, ‘তুমি এখনো ভালো হওনি, ভালো হয়ে যাও মাসুদ।’ তার সেই বক্তব্য দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং মাসুদ আলমকে ঘিরে আলোচনা তৈরি হয়।

বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

মোঃ রেজাউল করিম, সিনিয়র রিপোর্টার:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৪ অপরাহ্ণ
বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকালে উপজেলার মুকুন্দগাঁতী ও ক্ষিদ্রমাটিয়া গ্রামের উদ্যোগে ও ঢাকা ব্যাংক পি এল সি অর্থায়নে ক্ষিদ্রমাটিয়া গ্রামের যমুনা নদীর শাখায় তিন দিনব্যাপী এই মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য আমিরুল ইসলাম খাঁন আলীম। 

বাইচ কমিটির সভাপতি আলতাফ হোসেনের সভাপতিত্বে আরোও উপস্থিত ছিলেন, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিষ্টার শাহানাজ প্রধান, সহকারী পুলিশ সুপার বেলকুচি সার্কেল শহিদুল ইসলাম, বেলকুচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোক্তারুজ্জামান, বেলকুচি কলেজের অধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা বিএনপির সদস্য গোলাম আজম, উপজেলার বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক মন্ডলসহ স্থানীয় গনমান্য ব্যক্তিবর্গ। 

সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পানসি ১৮ টা ও ১২ টা কোষা নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করেন। আগামী ৬ সেপ্টেম্বর রবিবার বাইচ প্রতিযোগিতার চুড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হবে।

'কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু 'ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন বিশ্বের সর্বোচ্চ খেলাপি ঋণের দেশ এখন বাংলাদেশ যতবারই নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়েছে ততবারই বিএনপি জিতেছে: মন্ত্রী দুলু